surga-image

Nothing is more creative...nor destructive...than a brilliant mind with a purpose.

-Dan Brown

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোমতী ত্রিপুরার করবোক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ি ব্লকের বেলতলী এলাকায় তারকাটার ভেতরে কাজ করতে গিয়ে গুরুতর জখম হলেন গুধানবাবু ত্রিপুরা (২৮) নামে এক যুবক। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জুম চাষের কাজে তিনি সীমান্তঘেঁষা তারকাটার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই হঠাৎ এই বিপত্তি ঘটে এবং তার হাতে গভীর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। আহত যুবকের পিতার নাম ললিত মোহন ত্রিপুরা।ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বাংলাদেশের দিক থেকে কেউ এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামের কিছু মানুষের মতে, স্থানীয়দের মধ্যে পুরনো বিবাদ বা সদ্য সমাপ্ত রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আট মাস ধরে রেগার  কাজের টাকা না পেয়ে  ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের  আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের  রাজীব কলোনির শ্রমিক!

আট মাস ধরে রেগার কাজের টাকা না পেয়ে ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের রাজীব কলোনির শ্রমিক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: শরীরের রক্ত মাংস জল করে রেগা প্রকল্পে কাজ করার ৮ মাস পরেও মিলছে না শ্রম দিবসের টাকা। শ্রম দিবসের টাকা না পেয়ে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ এক শ্রমিক। ঘটনা চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিব কলোনি এলাকায়। অসহায় সেই শ্রমিকের নাম ইদ্রিস মিয়া । তার অভিযোগ তিনি আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে রেগা প্রকল্পের ১৫ শ্রম দিবসের টাকা পাচ্ছেন না। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে তিনি তার মজুরির টাকা পাওয়ার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতে দৌড়ঝাঁপ করে চলেছেন। পঞ্চায়েতের জি আর এস বলছেন ব্যাংকে যেতে অপরদিকে চড়িলাম গ্রামীণ ব্যাংক শাখা তাকে বলছে পঞ্চায়েতে যোগাযোগ করতে। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে ১৫ শ্রম দিবসের টাকার জন্য দৌঁড়ঝাপ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন অসহায় শ্রমিক ইদ্রিস মিয়া। তিনি কি করবেন ভেবে উঠতে পারছেন না? শুক্রবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অসহায় শ্রমিক পুরো ঘটনা তুলে ধরে পঞ্চায়েত এবং ব্লকের কাছে তার প্রাপ্য মজুরির টাকা চেয়েছেন। নিতান্তই দরিদ্র ইদ্রিস মিয়া। কাজের মজুরির টাকা না পেয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছেন তিনি। সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি পঞ্চায়েত ব্লক এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিকট।

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিগত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে হিংস্র বানরের উৎপাত নিরসন করার কোন প্রতিকার বনদপ্তর নিচ্ছে না। বিশেষ করে সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাঞ্চলে কাঠালিয়া ব্লক, এই ব্লক এলাকার ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া যে সমস্ত গ্রামীণ পরিবেশগুড়ি বসবাস করে তাদের বাড়িঘরে এবং কৃষি জমিগুলি যে বানরের খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত সকাল -বিকেল দলে দলে বানরের আনাগোনা চলছে। এছাড়াও বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে ও উপদ্রব চালায় খাদ্য সংগ্রহের জন্য বানরের দল। সংবাদকর্মীকে কাছে পেয়ে একান্ত সাক্ষাতে কালী কৃষ্ণনগর পঞ্চায়েত এলাকার রাজেন্দ্রটিলা গ্রামের একাধিক কৃষক তাদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন, একই অবস্থা ভবানীপুর, নিদয়া, দক্ষিণ মহেশপুর, উত্তর মহেশপুর সহ আরো বহু গ্রামীণ এলাকায় প্রতিনিয়ত বানরের উৎপাত বেড়েই চলছে। এই নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারের প্রতি, বনদপ্তরের প্রতি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ! প্রথমত, বসত বাড়িতে কোন সবজি করা যায় না, কোন ফসল ফলানো যায় না, বর্তমানে বোরো ধানের শীষ তুলে , তুলে খেয়ে ফেলেছে বানরের দল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কালি কৃষ্ণনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজেন্দ্র টিলা গ্রামের পরিবারগুলি। মানুষ ভাবছে, এই অবস্থা কিভাবে সমাধান হবে! বনদপ্তরের কর্মী রয়েছে কাঠালিয়া রেঞ্জ অফিসে বেশ কয়েকজন, এই নিয়ে দফায় দফায় তাদের জিজ্ঞাসা করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সঠিক কোন উত্তর পাচ্ছিনা। অথচ রাজ্যে বিগত সরকারের আমলে বানরের উৎপাত নিরসনের জন্য বিভিন্ন রকম ফটকাবাজি ব্যবহার উদ্যোগ গ্রহণ করত বনদপ্তরের কর্মীরা। এখন আর এই সুযোগ ও মিলছে না বনদপ্তরের কাছ থেকে। কাজেই ক্ষতিগ্রস্ত কিছু কিছু পরিবারের আত্মচিৎকারে অনেক সময় মানুষ সরকারের প্রতি ভীষণ অসন্তোষ হয়ে সংবাদকর্মীদের কাছে পেয়ে এই সমস্ত বিষয়গুলি জানান দিতে চাইছেন। বানরের উৎপাত শুধু একদিনের বিষয় নয়! বিগত কয়েক বছর ধরে এই জাতীয় বানরের অত্যাচার চলছে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণাঞ্চলে।

কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি

কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি

নিজস্ব প্রতিনিধি:হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। ঘটনা বৃহস্পতিবার দুপুরে। মেলাঘর পৌর পরিষদের ১১ নং ওয়ার্ড সুভাষ নগর এলাকার এক হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যা সুমিত্রা দত্তের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্রামগঞ্জ থানায় কাজ শেষ করে মেয়েটির বাড়িতে ছুটে যান। যদিও ঐ সময় মেয়েটি বাড়িতে ছিল না। সে কলেজে গিয়েছিল। তাই মেয়েটির সঙ্গে তার দেখা হয়নি। তিনি সুমিত্রা দত্তের বিছানায় শয্যাশায়ী পিতা স্বপন দত্ত এবং তার মা কাজল দত্তের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়েটির মা ওসিকে জানায় দুই মাস পূর্বে তার স্বামীর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অঙ্গ অকেজো হয়ে যায়। তারপর থেকে সে বিছানায় শয্যাশায়ী। তার স্বামী রাজমিস্ত্রি যোগালি কাজ করত। স্বামী বিছানায় পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। তাদেরকে মাঝেমধ্যে উপোস থাকতে হয়। তার মেয়ে উদয়পুর কলেজে শিক্ষাবিজ্ঞান নিয়ে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ছে। মেয়ের কলেজে যাবার জন্য গাড়ি ভাড়াও তাদের কাছে অনেক সময় থাকে না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া ধার করে মেয়েকে এনে দিতে হয়। প্রচন্ড আর্থিক সংকটে রয়েছে তারা। অর্থের অভাবে সে তার স্বামীর চিকিৎসা পর্যন্ত করতে পারছে না। মেয়ের পড়াশোনাও বন্ধের মুখে। এই সংবাদটি গতকাল দেখার পর মানবিকতার টানে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা তাদের বাড়িতে ছুটে যান। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন এই সংবাদটি দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। মানবিকতার টানে আমি তার বাড়িতে ছুটে এসেছি। আমি পরিবারটিকে ডিম তেল নুন বিস্কিট আলু সয়াবিন মুড়ি সাবান পেঁয়াজ সহ এক মাসের খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দিয়েছি এবং মেয়েটির কলেজে যাবার জন্য এক বছরের গাড়ি ভাড়াও তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছি। মেয়েটির ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ও আমি তাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য এবং সহযোগিতা করব বলে সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। অজিত দেববর্মার এই মানবিক কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা মেলাঘর বাসী।" মানুষ মানুষের জন্য"__কবির এই কথাটিকে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি । দরিদ্র ঘরের কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে ও সি'র সাহায্য করার বিষয়টি জানতে পেরে এমনটাই বলছে গোটা মেলাঘর এলাকার মানুষ। অতীতেও বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি বেশ কয়েকজন মাধ্যমিক এবং দ্বাদশ পড়ুয়া দিব্যাঙ্গ ছেলে মেয়েকে তাদের ফাইনাল পরীক্ষার আগে সাহায্য করেছেন। ঘটনাটি শোনার পর অনেকেই বলছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা, সত্যিকার অর্থেই একজন মানবদরদী মানুষ ।

হাইভোল্টেজ পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়, শতকরা হার ৯০ শতাংশ

হাইভোল্টেজ পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়, শতকরা হার ৯০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্যাপক ঘাত ও প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে সাঙ্গ হলো পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট । নির্বাচন কমিশন সূত্রে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৮৩ শতাংশ । ভোটের হার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই ব্যাপক নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি নিয়ে ভোট শুরু হয়েছিল । ১৫৪ টি আসনের মধ্যে ভোট হয়েছে । তবে , বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি । কমিশন থেকে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটদানের আহ্বান করা হয়েছে। একাধিক পোলিং এজেন্টদের মারধর , বিজেপি বনাম তৃণমূলীদের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্যেই প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জয়ের ব্যাপারে উভয় শিবির আশাবাদী । এবার বাংলার ভোট মূলতঃ মমতা ব্যানার্জি বনাম নরেন্দ্র মোদীর ইমেজের লড়াই বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের। শেষ হাসি কে হাসবে ৪ ঠা মে ফলাফলে প্রমাণিত হবে ।

বিরোধীরা মহিলাদের অপমান করার পাশাপশি সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন: মুখ্যমন্ত্রী

বিরোধীরা মহিলাদের অপমান করার পাশাপশি সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা: বিরোধীদের কারণে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী পাস করা যায়নি। এই সংশোধনী বিল ভারতে নারী শক্তির জন্য এক মহাযজ্ঞ। এটা শুধু রাজনীতির ভবিষ্যত নয়, দেশের ভাগ্যকেও বদলে দেবে। কিন্তু ইন্ডি জোট বা বিরোধীরা আবারও মহিলাদের অপমান করলেন এবং সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন। কারণ তারা নিজেদের রাজনৈতিক জমি রক্ষা করার জন্য মরিয়া। তারা শুধু আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। আজ আগরতলায় ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সাংবাদিক সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল - নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম। মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম, যেটা নারী শক্তি বা মহিলা সংরক্ষণ বিল ২০২৩ - আমার মনে হয় ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা বৈপ্লবিক অধ্যায়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলারা যাতে ৩৩% আসন সংরক্ষণ পায় সেটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক আইন। এটা মহিলাদের অধিকার সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি ভারতে নারীদের নেতৃত্বে উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নতুন সংসদ ভবনে বিশেষ অধিবেশনের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়। আর সেই আইনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩% অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ করা। যেটা ভারতের রাজনৈতিক কাঠামোতে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের একটা প্রয়াস। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এটা একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যেটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১২৮তম সংশোধনী বিল মোতাবেক সেটা উত্থাপিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর এটি ১০৬তম সংবিধান সংশোধনী আইন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। নারী সংরক্ষণের এই দাবি শুধু একদিনের নয়, অনেকদিন ধরেই হচ্ছিল। প্রায় দীর্ঘ তিন দশকের সংগ্রাম এটা। ১৯৯৬ এ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার আমলে প্রথম পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু তখন সেটা পাস হয় নি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে অনেকবার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তখনও বিরোধীদের তরফে বারবার বাঁধা দেওয়া হয়। ২০১০ এ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সময়ে রাজ্যসভায় পাস হলেও লোকসভায় সেটা পাস হয়নি। তখন সমাজবাদী পার্টি ও আরজেডি বিরোধীতা করেছিল। এরপর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়ে রাজ্যসভা ও লোকসভায় বিপুল ভোটে এই বিলটি পাস হয়। সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা জানান, এই বিলে বলা হয়েছে যে দিল্লি বিধানসভার ক্ষেত্রেও মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ রাখতে হবে। অনুরূপভাবে এসসি এসটি সংরক্ষিত আসনেও মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ রাখতে বলা হয়েছে। আর প্রতিটি নির্বাচনের পরেই ডিলিমিটেশান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই আসনগুলি রোটেশন্যাল সিট হবে। যাতে সব নির্বাচনী এলাকা থেকে মহিলারা প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। এটার মেয়াদকাল দেওয়া হয়েছে ১৫ বছর পর্যন্ত। কিন্তু সংসদ যদি চায় সেটাকে বৃদ্ধিও করতে পারে। এই আইনটি যেখানে সরাসরি নির্বাচন হবে সেখানে প্রযোজ্য। রাজ্যসভার সদস্যদের জন্য এই আইন বলবৎ না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালে এই আইন পাস হওয়ার পরেও কিছু বিষয় লক্ষ্য করা যায়। তাই ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসে আবার সংসদে পেশ হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে এটাকে বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক দেরিতে করতে হবে। সেখানে বলা হয়েছে যতক্ষণ ধরে আদমশুমারি শেষ না হবে ততক্ষণ এটা লাগু করা যাবে না। কারণ বর্তমানে আদমশুমারি প্রক্রিয়া চলছে। সেই হিসেবে আরো অনেক বছর অপেক্ষা করতে হবে। তারজন্য সংশোধনীর জন্য আবার এই বিলটি আনা হয়। যাতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এটা বাস্তবায়ন করা যায়। এনিয়ে লোকসভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিরোধীরাও আলোচনা উত্থাপন করেছেন। দেখা যায় লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১৬ কিংবা তার বেশিও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত, পুরুষদের আসন সংখ্যা ঠিক রেখে মহিলাদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই ২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেটা সংসদে পেশ করা হয়। যা ১৩১তম সংশোধনী হিসেবে পেশ করা হয়। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার। যা বিরোধীরা পাস হতে দেয়নি। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, বিধায়ক অন্তরা দেব সরকার, মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার।

কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব_ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!

কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব_ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ড্রেইন এবং ব্রিক সলিং এর কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব করে দিল পঞ্চায়েত। ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। ঘটনা বুধবার বিকেলে চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিব কলোনি এলাকায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ রাজিব কলোনি এলাকায় আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে তাহেদ মিয়ার পুকুর পর্যন্ত ড্রেইন বাবদ এক লক্ষ ৩৪ হাজার ৯২৪ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। রেগা প্রকল্পের কাজ। কাজের আই ও জি আর এস বিশ্বজিৎ দত্ত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ এক টাকার কাজ ও করা হয়নি। সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দিয়েছে কাজের আই ও। একইভাবে রাজিব কলোনি এলাকায় বাবুল মিয়ার বাড়ি থেকে সন্ধ্যা রায় মল্লিকের বাড়ি পর্যন্ত ড্রেন বাবদ বরাদ্দ হয়েছিল ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৭৭ টাকা। রেগা প্রকল্পের কাজ। কাজের আই ও জিআরএস বিশ্বজিৎ দত্ত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ এক টাকারও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কাজের আই ও। গতকাল গভীর রাতে কে বা কাহারা কাজের সাইনবোর্ড চুপি চুপি লাগিয়ে পালিয়ে যায়। সকাল বেলা গ্রামবাসীরা এই সাইনবোর্ড দেখতে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।তারা সম্পূর্ণ বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছে এক টাকার ও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে এই এলাকায় একটি ব্রিক সলিং এর ও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। দুটি ড্রেইন এবং একটি ব্রিকসলিং সর্বমোট প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা কাজ না করে আত্মসাৎ করে ফেলেছে আই ও। গ্রামবাসীরা সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছে যত টাকা সরকার দিয়েছে সব টাকা র কাজ করতে হবে। না হলে আগামীকাল তারা এলাকার সমস্ত অংশের মানুষকে নিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলেছে এই বুঝি সুশাসন? এই বুঝি সব কা সাথ সবকা বিকাশ? গ্রামবাসীরা ব্যঙ্গ করে বলেছে এটা বিকাশ নয় এটা বিনাশ হয়েছে আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে। পাশাপাশি গ্রামবাসীরা আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে ও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন গ্রামের কোন মানুষ কোন বিষয় নিয়ে প্রধানের বাড়িতে গেলে তার বাড়ির গেটের সামনে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এই বুঝি একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব প্রতিপালন প্রশ্ন তুলেছে গ্রামবাসীরা। আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্নীতির পাহাড়। এবার আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত কে ছাড়া হবে না সংবাদ মাধ্যমের সরাসরি জানিয়েছে রাজীব কলোনি গ্রামের মানুষ।

 গাড়ীর ধাক্কায় নিহত এক ব্যক্তি!

গাড়ীর ধাক্কায় নিহত এক ব্যক্তি!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার বিকেলবেলায় জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে এক পথ দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় প্রান হারালো ভূষন দাস নামে এক ব্যক্তি। স্থানীয় লোকজনের কাছথেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী মুহুরীপুর শঙ্গর পুরের বাসিন্দা ভূষন দাস ( ৬০ ) কাকুলিয়া এলাকা থেকে কাজসেরে বাইসাইকেলে করে ঘরে ফেরার পথে জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে জাতীয় সড়কে শান্তির বাজার থেকে সাব্রমগামী টি আর ০৮ ই ০৬৮৩ নাম্বারের একটি বলেরুগাড়ী ভূষন দাসকে সজোরে ধাক্কাদিয়েচলেযায়। এতেকরে ভূষন দাস জাতীয় সড়কে ছিটকে পরেগিয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরনকরে। ঘটনার খবরপেয়ে জোলাইবাড়ী দমকলবাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয়ে ভূষন দাসকে জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়েগেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভূষন দাসকে মৃতবলে ঘোষনাকরে। আগামীকাল মৃতদেহ ময়নাদন্তের পর পরিবারের লোকজনের হাতেতুলে দেওয়াহবে। ভূষন দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক কারন জানতে তদন্তে নেমেছে বাইখোড়া থানার পুলিশ। ভূষন দাসের মৃত্যুর খবর ছরিয়ে পরতে সমগ্র জোলাইবাড়ী এলাকা জুরে শোকের ছায়া নেমেএসেছে।

বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!

বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর জঙ্গলে নিয়ে ছিনতাই করে নিয়ে গেল নগদ ৮৫ হাজার টাকা এবং এক ভুড়ির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন!! পরবর্তী সময়ে অভিযোগ জানিয়ে বন্ধুসহ তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রথমে মধুপুর থানায় পরে বিশালগড় থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মধুপুর থানাদিন হরিহরদুলা এলাকার রনি মিয়া গতকাল সন্ধ্যা বেলা তার নিজ বাড়ি থেকে পুরাতল তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বিশালগড় বাজারে গিয়ে সেখান থেকে ফল কিনে ঘনিয়ামারা এলাকার তার এক বন্ধু আকাশের সাথে যোগাযোগ করে। হয়তো আকাশকে নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল। ঘনিয়ামারা চৌমুহনী এলাকা যেতেই রনি মিয়ার আড়ালে তার বন্ধু আকাশ আরো দুই যুবকের সাথে যোগাযোগ করে। সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাই অরবীন্দ্রনগর স্কুলের পাশে। সেখানে গিয়ে রাজু জয়নাল এবং আকাশ তিনজন মিলে প্রচুর মারধোর করে রনি মিয়াকে। একটা সময় উদ্দেশ্য ছিল তাকে প্রাণে মেরে সেখানে ফেলে চলে আসবে। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং এক ভুরির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যাই। তার কাপড়-চোপড় ছিড়ে ফেলে এবং পায়ে এবং কোমরের প্রচণ্ড ভাবে আঘাত করে লাঠির মাধ্যমে। গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ায় তার চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমন সময় রনি মিয়ার মোবাইলে ফোন আসে তার বাবার। কুড়ি হাজার টাকা পাঠিয়েছে তার বোনকে দিয়ে আসার জন্য। সেই খবরটুকু জেনে যাই সেই তিন কুখ্যাত অপহরণকারী আকাশ জয়নাল এবং রাজু। সঙ্গে সঙ্গেই রনি মিয়াকে সেখান থেকে বাইকে চেপে বিশালগড়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে সেই কুড়ি হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য। একটা সময় রনি মিয়া বিশালগড় নিয়ে আসলে বাইক থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে কোনরকমে তার জীবন বাছায় বিশালগড় থানায় এসে আশ্রয় নিয়ে। পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রথমে বিশালগড় থানায় এবং পরে মধুপুর থানায়। এদিকে রনি মিয়া অভিযোগ করেন সেই ঘটনার মূল নায়ক ঘনিয়ামারা এলাকা টিটু আহমেদ। সম্পূর্ণভাবে মদত দিয়েছে টিটু আহমেদ বলে অভিযোগ করেন। পরে রনি মিয়া থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাত বারোটা নাগাদ অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী রাখলেন। নিত্যদিন এই এলাকার মধ্যে চুরি,ছিনতাই,পিস্তল নিয়ে ছুটাছুটি ইত্যাদি বেড়ে চলেছে। প্রশাসন যদি সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেই হয়তো আগামী দিন বৃহত্তর আকার ধারণ করতে পারে।

কৈলাসহরে বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের শীর্ষে আয়ুষ, উচ্ছ্বাস শহরজুড়ে

কৈলাসহরে বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের শীর্ষে আয়ুষ, উচ্ছ্বাস শহরজুড়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিবিএসই-র AISSE (মাধ্যমিক) পরীক্ষা ২০২৬-এ রাজ্যের ১২৫টি বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করে কৈলাসহরের মুখ উজ্জ্বল করলো নেতাজি বিদ্যাপীঠ ইংলিশ মিডিয়াম এইচএস স্কুলের ছাত্র আয়ুষ পাল। তার এই সাফল্যে শহরজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।কৈলাসহর পৌর পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আয়ুষের বাবা অমিত পাল পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা মধুমিতা দেব গৃহিণী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অধ্যয়ন, কঠোর পরিশ্রম এবং শৃঙ্খলাবোধই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।আয়ুষ জানায়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গৃহ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতাই তাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের লক্ষ্যে সে এগোতে চায়।ফলাফলে তার প্রাপ্ত নম্বর—ইংরেজিতে ৯৫, বাংলায় ১০০, গণিতে ৯৬, বিজ্ঞানে ১০০, সমাজবিজ্ঞানে ৮৭ এবং আইটিতে ৯৮; মোট শতাংশ ৯৭.০৮। এই কৃতিত্বে খুশি বিদ্যালয় পরিবারও।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, আয়ুষের এই সাফল্য অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এলাকার বাসিন্দারাও তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

Advertisements

Ad 1

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3

Ad 2

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3

Ad 3

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3
Advertisement 4
Advertisement 5
Advertisement 6
Advertisement 7

Ad 4

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3
Advertisement 4
Advertisement 5
Advertisement 6
Advertisement 7

Latest Post

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!
আইন কানুন Latest
April 24th, 2026

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোমতী ত্রিপুরার করবোক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ি ব্লকের বেলতলী এলাকায় তারকাটার ভেতরে কাজ করতে গিয়ে গুরুতর জখম হলেন গুধানবাবু ত্রিপুরা (২৮) নামে এক যুবক। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জুম চাষের কাজে তিনি সীমান্তঘেঁষা তারকাটার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই হঠাৎ এই বিপত্তি ঘটে এবং তার হাতে গভীর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। আহত যুবকের পিতার নাম ললিত মোহন ত্রিপুরা।ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বাংলাদেশের দিক থেকে কেউ এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামের কিছু মানুষের মতে, স্থানীয়দের মধ্যে পুরনো বিবাদ বা সদ্য সমাপ্ত রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Video News

Watch All →

তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।

1043 viewsJuly 18th, 2024

জনতার দুয়ারে জননেতা রাম প্রসাদ পাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

1020 viewsJune 24th, 2024

প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী দেবদাস বকসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।

1017 viewsJune 12th, 2024

মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে মজবুত করবে: রানা ঘোষ

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।

1026 viewsJune 8th, 2024

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থার়

নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।

1028 viewsJune 1st, 2024

জয় হবে রেকর্ড ভোটে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।

1020 viewsMarch 27th, 2024

Ad. Videos

News by Category

সম্পাদকীয় কলম
View All
বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিগত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে হিংস্র বানরের উৎপাত নিরসন করার কোন প্রতিকার বনদপ্তর নিচ্ছে না। বিশেষ করে সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাঞ্চলে কাঠালিয়া ব্লক, এই ব্লক এলাকার ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া যে সমস্ত গ্রামীণ পরিবেশগুড়ি বসবাস করে তাদের বাড়িঘরে এবং কৃষি জমিগুলি যে বানরের খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত সকাল -বিকেল দলে দলে বানরের আনাগোনা চলছে। এছাড়াও বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে ও উপদ্রব চালায় খাদ্য সংগ্রহের জন্য বানরের দল। সংবাদকর্মীকে কাছে পেয়ে একান্ত সাক্ষাতে কালী কৃষ্ণনগর পঞ্চায়েত এলাকার রাজেন্দ্রটিলা গ্রামের একাধিক কৃষক তাদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন, একই অবস্থা ভবানীপুর, নিদয়া, দক্ষিণ মহেশপুর, উত্তর মহেশপুর সহ আরো বহু গ্রামীণ এলাকায় প্রতিনিয়ত বানরের উৎপাত বেড়েই চলছে। এই নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারের প্রতি, বনদপ্তরের প্রতি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ! প্রথমত, বসত বাড়িতে কোন সবজি করা যায় না, কোন ফসল ফলানো যায় না, বর্তমানে বোরো ধানের শীষ তুলে , তুলে খেয়ে ফেলেছে বানরের দল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কালি কৃষ্ণনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজেন্দ্র টিলা গ্রামের পরিবারগুলি। মানুষ ভাবছে, এই অবস্থা কিভাবে সমাধান হবে! বনদপ্তরের কর্মী রয়েছে কাঠালিয়া রেঞ্জ অফিসে বেশ কয়েকজন, এই নিয়ে দফায় দফায় তাদের জিজ্ঞাসা করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সঠিক কোন উত্তর পাচ্ছিনা। অথচ রাজ্যে বিগত সরকারের আমলে বানরের উৎপাত নিরসনের জন্য বিভিন্ন রকম ফটকাবাজি ব্যবহার উদ্যোগ গ্রহণ করত বনদপ্তরের কর্মীরা। এখন আর এই সুযোগ ও মিলছে না বনদপ্তরের কাছ থেকে। কাজেই ক্ষতিগ্রস্ত কিছু কিছু পরিবারের আত্মচিৎকারে অনেক সময় মানুষ সরকারের প্রতি ভীষণ অসন্তোষ হয়ে সংবাদকর্মীদের কাছে পেয়ে এই সমস্ত বিষয়গুলি জানান দিতে চাইছেন। বানরের উৎপাত শুধু একদিনের বিষয় নয়! বিগত কয়েক বছর ধরে এই জাতীয় বানরের অত্যাচার চলছে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণাঞ্চলে।

April 23rd, 2026
মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার তাণ্ডব!

মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার তাণ্ডব!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার বিকেলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় মহিলাটি। খবরে প্রকাশ একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা রাস্তা দিয়ে হাতে লাঠি নিয়ে যাওয়ার সময় বাগমা বাজারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে বাজারের পার্শ্ববর্তী একটি শোরুমের সামনে শোরুমের ডিসপ্লে করে রাখা অটো গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। এছাড়ো আরো বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় বিকৃত মস্তিষ্কের মহিলাটি। এইভাবে পরপর পাঁচটি গাড়ির গ্লাস ভেঙেছে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা। এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর দেওয়া হয় বাগমা পুলিশ ফাঁড়িতে। বাগমা ফাড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। যদিও মহিলাকে গাড়িতে তুলতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে মহিলা পুলিশকে। যদিও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী মহিলাদের হস্তক্ষেপে সেই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দিন দুপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা দ্বারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক দেখা দেয় পথ চলতি মানুষের মধ্যে।

April 19th, 2026
শুভ হউক বাংলা ১৪৩৩

শুভ হউক বাংলা ১৪৩৩

সম্পাদকীয় কলম : বাংলায় একটা প্রবাদ রয়েছে ' আশায় নাকি বাঁচে চাষা ' । বর্তমান সমসাময়িক রাজ্যের প্রেক্ষাপটে জনগণেরও ঠিক একই অবস্থা । এক সময় রাজ্যের গন দেবতারা জনৈক রাজনৈতিক দলের ভীষন যন্ত্রের আপ্লুত হয়ে হয়ে অন্ধভাবে তাঁদের পাশে রায় দিয়েছিলেন জনগণ । ২০১৮ সালে রাজ্যের মধ্যে নতুন সূর্যোদয় হয়েছিল । বহু আশা ছিল অসমাপ্ত কাজের গতিশীলতা আসবে । সেই স্বপ্নে আজও যেন জনগন বেঘোরে । ইতিমধ্যেই দেখেছেন বহু উত্থান - পতন। তবে , আক্ষেপের মধ্যেই আরও একটি বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছেন । সকলের সার্বিক মঙ্গল কামনায় রত ।সব কিছু যেন শুভ হয় । বাংলা নতুন বছরে প্রত্যাশা রাখছেন রাজ্যবাসী । আক্ষরিক অর্থে সুসময় এসেছে একাংশ সুবিধাভোগীদের । আমাদের অনতি দূরের রাজ্যে অবিজেপি সরকার রয়েছে । বাংলা ভাষী এই রাজ্যের মধ্যে বেকারদের জন্য বেকার ভাতা, কন্যাশ্রী প্রকল্প,মহিলাদের জন্য চালু রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার । তাতে করে কয়েক কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সুনিশ্চিত গ্যারান্টি হয়েছে । ছোট রাজ্য ত্রিপুরা । মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৪০-৪৫ লাখ। এই ছোট রাজ্যের মধ্যেই বেকার ভাতা , লক্ষ্মীর ভান্ডার মতো কোন ধরনের প্রকল্প রুপায়ন নিয়ে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হিসাবে দাবী করা রাজনদের প্রয়াস কেউ এখন পর্যন্ত দেখতে পাননি । রাজ্যের মধ্যে শূন্যপদ পূরন হচ্ছেনা । বাড়ছে বেকার যুবকদের মধ্যে হতাশা । শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা । হাজারোও বেকার টেট উত্তীর্ণ হয়ে চাকরীর জন্য ধর্নারত । বিশ্ব মানের হাসপাতাল গড়ার ভাষন শুনা গেলেও বাস্তবে চিকিৎসা পরিকাঠামোর অপ্রতুলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে । কোন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা মনে হয় হাসপাতালের মেঝে রোগীদের ভিড়ে । নেশা মুক্ত প্রদেশ গড়ার বাস্তব চিত্রে দেখা যায় নেশা করবার চলছে রেল পথেও। এত কিছুর পরেও সবাইকে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে বলতেই হবে শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।

April 15th, 2026
পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা !

পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা !

সম্পাদকীয় কলম : গোটা মধ্যপ্রাচ্য যেন যুদ্ধের খেলায় মেতে উঠেছে। এই যুদ্ধ ক্রমশ উত্তাপ বাড়াচ্ছে । বিশ্বজুড়ে তৈরী হয়েছে জ্বালানী সংকট । প্রায় ২০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও যুদ্ধের আঁচ কমার কোন লক্ষন নেই। রীতিমত তীব্রতা বাড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ভয়াবহ যুদ্ধ । এদিকে হরমোজ প্রণালী নিয়ে জটিলতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিনী আগ্রাসন রোধের পরিবর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুংকার তীব্রতার নূতন ইন্ধন জুগিয়েছে । উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে নিজস্ব অবস্থানে অনড় । অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মধ্যে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। মার্কিনী আগ্রাসন ঠেকাতে ইরান যাবতীয় শক্তি নিয়ে ঝাপিয়েছে যুদ্ধের ময়দানে । ইরানের সেনা প্রধানের পাল্টা হুশিয়ারী মার্কিনী সেনা ইরানের মরু ভূমিকে স্পর্শ করলে কাউকে জীবিত ফেরত পাঠানো হবেনা । এদিকে ,বিদেশী একটি জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ৩৩ বছর পর পুনরায় পারমাণবিক বোমার বিশেষ অভিযানে তৎপরতা বেড়েছে । যদি বর্তমান সময়ের মধ্যে কোন পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকির ভয়াবহতার কয়েকগুণ বেশী প্রভাব ফেলবে মানব সভ্যতার ইতিহাসে। আবহাওয়া দূষিত হবে । সূর্যের তাপমাত্রা কয়েকহাজার গুণ বেড়ে যাবে । পাল্টা ইরানের পক্ষে পারমাণবিক বোমার আঘাত আনলে মধ্যপ্রাচ্য ঝলসে যাবে । এদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে আবুধাবি প্রত্যক্ষ সামরিক সংঘাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে । পাল্টা ইরানের পাশে রাশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী নামানোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত । জাতি সংঘ ও ন্যাটো মধ্যস্থতার দাবী উঠছে বিশ্বজুড়ে । এই যুদ্ধ বন্ধ না হলে ভেঙে পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি । মানব সভ্যতার ইতিহাসে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ তৈরী হয়েছে। প্রত্যেকদিন কয়েক হাজার মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে । যুদ্ধের বিভীষিকায় পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠছে । প্রত্যেকদিন মৃত্যু মিছিল অব্যাহত । মার্কিনী আগ্রাসন প্রতিরোধে বিশ্ব শান্তির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়েও জোড়ালো হচ্ছে দাবী ।এমতাবস্থায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার নিয়ে উভয় রাষ্ট্রের উন্মত্ত আগ্রাসন মানবতার জন্য বিপজ্জনক বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের।

April 3rd, 2026
ধর্ম ও দর্শন
View All
হজের যাত্রীদের শুভেচ্ছা বিনিময় জসীম উদ্দীনের

হজের যাত্রীদের শুভেচ্ছা বিনিময় জসীম উদ্দীনের

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা থেকে হজযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যের হজযাত্রীরা। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা রাজ্য হজ কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ বছর মোট ৭৪ জন হজযাত্রী—এর মধ্যে ৫৫ জন পুরুষ ও ১৯ জন মহিলা—আগামীকাল সকালে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সেখান থেকেই তারা পবিত্র হজযাত্রায় অংশ নেবেন।এই উপলক্ষে আজ আগরতলা হজ ভবনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা মাইনরিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জসীমউদ্দীন, মাইনরিটি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মবস্বর আলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয় এবং তাদের নিরাপদ ও সফল যাত্রা কামনা করা হয়। এদিকে, হজযাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

April 19th, 2026
বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি

বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাঁচ শতাধিক রোজাদারকে ইফতার পার্টিতে শামিল করে বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি। বুধবার ইন্দ্রনগর গাউছিয়া সমিতি মসজিদ প্রাঙ্গনে "বাগে হুদা" দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয় এই ইফতার পার্টি। যেখানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এদিন এই ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিল আগরতলার গাউছিয়া সমিতি। ইফতার পার্টিতে ৫ শতাধিক ধর্মপ্রাণ রোজাদার অংশগ্রহণ করেন এবং একসাথে ইফতার করেন। ইফতারের আগে তারা মোনাজাত তুলে বিশ্ব শান্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া পাঠ করেন। ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে শিশু থেকে শুরু করে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য নিয়ছিল।নজরুল ইসলাম কাদরী, ইমাম গাউছিয়া জামে মসজিদের বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করলেন ।

February 25th, 2026
আগরতলা কেন্দ্রীয় টাউন জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় ইফতার অনুষ্ঠিত হয়ে

আগরতলা কেন্দ্রীয় টাউন জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় ইফতার অনুষ্ঠিত হয়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের রমজান মাসের প্রথম রোজার ইফতার। এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫:২৬ মিনিটে মাগরিব নামাজের আযানের সাথে ইফতারের মাধ্যমে দিনের রোজা ভাঙ্গেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। রাজ্যের সর্বত্রই মসজিদ এবং বাড়ি ঘরে ইফতারের অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখার পর তারাবির নামাজের মাধ্যমে রমজানের সংযমের পর্ব শুরু করেছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ভোর রাতে সেহরি খাবার খেয়ে তারা দিনের রোজা শুরু করেন। দিনভর অনাহার এবং পানাহারের পাশাপাশি সমস্ত পাপকর্ম বর্জনের মধ্য দিয়েই রোজার পূর্ণতা বলে জানিয়েছেন রোজাদাররা। রোজাদাররা দৈহিক মানসিক এবং আত্মিক পরিশুদ্ধতার মধ্য দিয়ে আল্লাহর এবাদত করার চেষ্টা করেন। এক মাস ব্যাপী রমজান শেষে অনুষ্ঠিত হবে খুশির ঈদুল ফিতর।

February 19th, 2026
বাগদেবীর আরাধনায় পড়ুয়ারা আনন্দে বিহ্বল

বাগদেবীর আরাধনায় পড়ুয়ারা আনন্দে বিহ্বল

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতি বছরের মতো এবারও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ ও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে। বিদ্যার দেবীর পূজাকে কেন্দ্র করে স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বই, খাতা, কলম সাজিয়ে আলপনা ও ফুলের সাজে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে শ্রেণিকক্ষ ও মণ্ডপগুলো।পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠেছে রঙিন সরস্বতী পূজার মণ্ডপ। সাদা ও বাসন্তী রঙের সাজসজ্জায় ফুটে উঠছে দেবীর প্রতিমা। নতুন পোশাকে সেজে ছাত্র-ছাত্রীরা পূজার দিনটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।অন্যদিকে, পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় থাকবে পুলিশি নজরদারি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ। সব মিলিয়ে সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ভক্তি, আনন্দ ও উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।

January 22nd, 2026
রাজনীতি
View All
আট মাস ধরে রেগার  কাজের টাকা না পেয়ে  ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের  আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের  রাজীব কলোনির শ্রমিক!

আট মাস ধরে রেগার কাজের টাকা না পেয়ে ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের রাজীব কলোনির শ্রমিক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: শরীরের রক্ত মাংস জল করে রেগা প্রকল্পে কাজ করার ৮ মাস পরেও মিলছে না শ্রম দিবসের টাকা। শ্রম দিবসের টাকা না পেয়ে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ এক শ্রমিক। ঘটনা চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিব কলোনি এলাকায়। অসহায় সেই শ্রমিকের নাম ইদ্রিস মিয়া । তার অভিযোগ তিনি আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে রেগা প্রকল্পের ১৫ শ্রম দিবসের টাকা পাচ্ছেন না। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে তিনি তার মজুরির টাকা পাওয়ার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতে দৌড়ঝাঁপ করে চলেছেন। পঞ্চায়েতের জি আর এস বলছেন ব্যাংকে যেতে অপরদিকে চড়িলাম গ্রামীণ ব্যাংক শাখা তাকে বলছে পঞ্চায়েতে যোগাযোগ করতে। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে ১৫ শ্রম দিবসের টাকার জন্য দৌঁড়ঝাপ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন অসহায় শ্রমিক ইদ্রিস মিয়া। তিনি কি করবেন ভেবে উঠতে পারছেন না? শুক্রবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অসহায় শ্রমিক পুরো ঘটনা তুলে ধরে পঞ্চায়েত এবং ব্লকের কাছে তার প্রাপ্য মজুরির টাকা চেয়েছেন। নিতান্তই দরিদ্র ইদ্রিস মিয়া। কাজের মজুরির টাকা না পেয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছেন তিনি। সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি পঞ্চায়েত ব্লক এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিকট।

April 24th, 2026
হাইভোল্টেজ পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়, শতকরা হার ৯০ শতাংশ

হাইভোল্টেজ পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়, শতকরা হার ৯০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্যাপক ঘাত ও প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে সাঙ্গ হলো পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট । নির্বাচন কমিশন সূত্রে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৮৩ শতাংশ । ভোটের হার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই ব্যাপক নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি নিয়ে ভোট শুরু হয়েছিল । ১৫৪ টি আসনের মধ্যে ভোট হয়েছে । তবে , বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি । কমিশন থেকে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটদানের আহ্বান করা হয়েছে। একাধিক পোলিং এজেন্টদের মারধর , বিজেপি বনাম তৃণমূলীদের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্যেই প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জয়ের ব্যাপারে উভয় শিবির আশাবাদী । এবার বাংলার ভোট মূলতঃ মমতা ব্যানার্জি বনাম নরেন্দ্র মোদীর ইমেজের লড়াই বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের। শেষ হাসি কে হাসবে ৪ ঠা মে ফলাফলে প্রমাণিত হবে ।

April 23rd, 2026
বিরোধীরা মহিলাদের অপমান করার পাশাপশি সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন: মুখ্যমন্ত্রী

বিরোধীরা মহিলাদের অপমান করার পাশাপশি সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা: বিরোধীদের কারণে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী পাস করা যায়নি। এই সংশোধনী বিল ভারতে নারী শক্তির জন্য এক মহাযজ্ঞ। এটা শুধু রাজনীতির ভবিষ্যত নয়, দেশের ভাগ্যকেও বদলে দেবে। কিন্তু ইন্ডি জোট বা বিরোধীরা আবারও মহিলাদের অপমান করলেন এবং সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন। কারণ তারা নিজেদের রাজনৈতিক জমি রক্ষা করার জন্য মরিয়া। তারা শুধু আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। আজ আগরতলায় ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সাংবাদিক সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল - নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম। মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম, যেটা নারী শক্তি বা মহিলা সংরক্ষণ বিল ২০২৩ - আমার মনে হয় ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা বৈপ্লবিক অধ্যায়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলারা যাতে ৩৩% আসন সংরক্ষণ পায় সেটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক আইন। এটা মহিলাদের অধিকার সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি ভারতে নারীদের নেতৃত্বে উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নতুন সংসদ ভবনে বিশেষ অধিবেশনের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়। আর সেই আইনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩% অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ করা। যেটা ভারতের রাজনৈতিক কাঠামোতে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের একটা প্রয়াস। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এটা একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যেটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১২৮তম সংশোধনী বিল মোতাবেক সেটা উত্থাপিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর এটি ১০৬তম সংবিধান সংশোধনী আইন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। নারী সংরক্ষণের এই দাবি শুধু একদিনের নয়, অনেকদিন ধরেই হচ্ছিল। প্রায় দীর্ঘ তিন দশকের সংগ্রাম এটা। ১৯৯৬ এ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার আমলে প্রথম পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু তখন সেটা পাস হয় নি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে অনেকবার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তখনও বিরোধীদের তরফে বারবার বাঁধা দেওয়া হয়। ২০১০ এ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সময়ে রাজ্যসভায় পাস হলেও লোকসভায় সেটা পাস হয়নি। তখন সমাজবাদী পার্টি ও আরজেডি বিরোধীতা করেছিল। এরপর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়ে রাজ্যসভা ও লোকসভায় বিপুল ভোটে এই বিলটি পাস হয়। সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা জানান, এই বিলে বলা হয়েছে যে দিল্লি বিধানসভার ক্ষেত্রেও মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ রাখতে হবে। অনুরূপভাবে এসসি এসটি সংরক্ষিত আসনেও মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ রাখতে বলা হয়েছে। আর প্রতিটি নির্বাচনের পরেই ডিলিমিটেশান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই আসনগুলি রোটেশন্যাল সিট হবে। যাতে সব নির্বাচনী এলাকা থেকে মহিলারা প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। এটার মেয়াদকাল দেওয়া হয়েছে ১৫ বছর পর্যন্ত। কিন্তু সংসদ যদি চায় সেটাকে বৃদ্ধিও করতে পারে। এই আইনটি যেখানে সরাসরি নির্বাচন হবে সেখানে প্রযোজ্য। রাজ্যসভার সদস্যদের জন্য এই আইন বলবৎ না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালে এই আইন পাস হওয়ার পরেও কিছু বিষয় লক্ষ্য করা যায়। তাই ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসে আবার সংসদে পেশ হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে এটাকে বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক দেরিতে করতে হবে। সেখানে বলা হয়েছে যতক্ষণ ধরে আদমশুমারি শেষ না হবে ততক্ষণ এটা লাগু করা যাবে না। কারণ বর্তমানে আদমশুমারি প্রক্রিয়া চলছে। সেই হিসেবে আরো অনেক বছর অপেক্ষা করতে হবে। তারজন্য সংশোধনীর জন্য আবার এই বিলটি আনা হয়। যাতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এটা বাস্তবায়ন করা যায়। এনিয়ে লোকসভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিরোধীরাও আলোচনা উত্থাপন করেছেন। দেখা যায় লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১৬ কিংবা তার বেশিও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত, পুরুষদের আসন সংখ্যা ঠিক রেখে মহিলাদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই ২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেটা সংসদে পেশ করা হয়। যা ১৩১তম সংশোধনী হিসেবে পেশ করা হয়। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার। যা বিরোধীরা পাস হতে দেয়নি। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, বিধায়ক অন্তরা দেব সরকার, মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার।

April 23rd, 2026
কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব_ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!

কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব_ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ড্রেইন এবং ব্রিক সলিং এর কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব করে দিল পঞ্চায়েত। ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। ঘটনা বুধবার বিকেলে চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিব কলোনি এলাকায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ রাজিব কলোনি এলাকায় আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে তাহেদ মিয়ার পুকুর পর্যন্ত ড্রেইন বাবদ এক লক্ষ ৩৪ হাজার ৯২৪ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। রেগা প্রকল্পের কাজ। কাজের আই ও জি আর এস বিশ্বজিৎ দত্ত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ এক টাকার কাজ ও করা হয়নি। সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দিয়েছে কাজের আই ও। একইভাবে রাজিব কলোনি এলাকায় বাবুল মিয়ার বাড়ি থেকে সন্ধ্যা রায় মল্লিকের বাড়ি পর্যন্ত ড্রেন বাবদ বরাদ্দ হয়েছিল ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৭৭ টাকা। রেগা প্রকল্পের কাজ। কাজের আই ও জিআরএস বিশ্বজিৎ দত্ত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ এক টাকারও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কাজের আই ও। গতকাল গভীর রাতে কে বা কাহারা কাজের সাইনবোর্ড চুপি চুপি লাগিয়ে পালিয়ে যায়। সকাল বেলা গ্রামবাসীরা এই সাইনবোর্ড দেখতে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।তারা সম্পূর্ণ বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছে এক টাকার ও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে এই এলাকায় একটি ব্রিক সলিং এর ও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। দুটি ড্রেইন এবং একটি ব্রিকসলিং সর্বমোট প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা কাজ না করে আত্মসাৎ করে ফেলেছে আই ও। গ্রামবাসীরা সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছে যত টাকা সরকার দিয়েছে সব টাকা র কাজ করতে হবে। না হলে আগামীকাল তারা এলাকার সমস্ত অংশের মানুষকে নিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলেছে এই বুঝি সুশাসন? এই বুঝি সব কা সাথ সবকা বিকাশ? গ্রামবাসীরা ব্যঙ্গ করে বলেছে এটা বিকাশ নয় এটা বিনাশ হয়েছে আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে। পাশাপাশি গ্রামবাসীরা আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে ও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন গ্রামের কোন মানুষ কোন বিষয় নিয়ে প্রধানের বাড়িতে গেলে তার বাড়ির গেটের সামনে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এই বুঝি একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব প্রতিপালন প্রশ্ন তুলেছে গ্রামবাসীরা। আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্নীতির পাহাড়। এবার আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত কে ছাড়া হবে না সংবাদ মাধ্যমের সরাসরি জানিয়েছে রাজীব কলোনি গ্রামের মানুষ।

April 22nd, 2026
আইন কানুন
View All
তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোমতী ত্রিপুরার করবোক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ি ব্লকের বেলতলী এলাকায় তারকাটার ভেতরে কাজ করতে গিয়ে গুরুতর জখম হলেন গুধানবাবু ত্রিপুরা (২৮) নামে এক যুবক। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জুম চাষের কাজে তিনি সীমান্তঘেঁষা তারকাটার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই হঠাৎ এই বিপত্তি ঘটে এবং তার হাতে গভীর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। আহত যুবকের পিতার নাম ললিত মোহন ত্রিপুরা।ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বাংলাদেশের দিক থেকে কেউ এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামের কিছু মানুষের মতে, স্থানীয়দের মধ্যে পুরনো বিবাদ বা সদ্য সমাপ্ত রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

April 24th, 2026
 গাড়ীর ধাক্কায় নিহত এক ব্যক্তি!

গাড়ীর ধাক্কায় নিহত এক ব্যক্তি!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার বিকেলবেলায় জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে এক পথ দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় প্রান হারালো ভূষন দাস নামে এক ব্যক্তি। স্থানীয় লোকজনের কাছথেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী মুহুরীপুর শঙ্গর পুরের বাসিন্দা ভূষন দাস ( ৬০ ) কাকুলিয়া এলাকা থেকে কাজসেরে বাইসাইকেলে করে ঘরে ফেরার পথে জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে জাতীয় সড়কে শান্তির বাজার থেকে সাব্রমগামী টি আর ০৮ ই ০৬৮৩ নাম্বারের একটি বলেরুগাড়ী ভূষন দাসকে সজোরে ধাক্কাদিয়েচলেযায়। এতেকরে ভূষন দাস জাতীয় সড়কে ছিটকে পরেগিয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরনকরে। ঘটনার খবরপেয়ে জোলাইবাড়ী দমকলবাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয়ে ভূষন দাসকে জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়েগেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভূষন দাসকে মৃতবলে ঘোষনাকরে। আগামীকাল মৃতদেহ ময়নাদন্তের পর পরিবারের লোকজনের হাতেতুলে দেওয়াহবে। ভূষন দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক কারন জানতে তদন্তে নেমেছে বাইখোড়া থানার পুলিশ। ভূষন দাসের মৃত্যুর খবর ছরিয়ে পরতে সমগ্র জোলাইবাড়ী এলাকা জুরে শোকের ছায়া নেমেএসেছে।

April 22nd, 2026
বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!

বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর জঙ্গলে নিয়ে ছিনতাই করে নিয়ে গেল নগদ ৮৫ হাজার টাকা এবং এক ভুড়ির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন!! পরবর্তী সময়ে অভিযোগ জানিয়ে বন্ধুসহ তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রথমে মধুপুর থানায় পরে বিশালগড় থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মধুপুর থানাদিন হরিহরদুলা এলাকার রনি মিয়া গতকাল সন্ধ্যা বেলা তার নিজ বাড়ি থেকে পুরাতল তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বিশালগড় বাজারে গিয়ে সেখান থেকে ফল কিনে ঘনিয়ামারা এলাকার তার এক বন্ধু আকাশের সাথে যোগাযোগ করে। হয়তো আকাশকে নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল। ঘনিয়ামারা চৌমুহনী এলাকা যেতেই রনি মিয়ার আড়ালে তার বন্ধু আকাশ আরো দুই যুবকের সাথে যোগাযোগ করে। সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাই অরবীন্দ্রনগর স্কুলের পাশে। সেখানে গিয়ে রাজু জয়নাল এবং আকাশ তিনজন মিলে প্রচুর মারধোর করে রনি মিয়াকে। একটা সময় উদ্দেশ্য ছিল তাকে প্রাণে মেরে সেখানে ফেলে চলে আসবে। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং এক ভুরির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যাই। তার কাপড়-চোপড় ছিড়ে ফেলে এবং পায়ে এবং কোমরের প্রচণ্ড ভাবে আঘাত করে লাঠির মাধ্যমে। গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ায় তার চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমন সময় রনি মিয়ার মোবাইলে ফোন আসে তার বাবার। কুড়ি হাজার টাকা পাঠিয়েছে তার বোনকে দিয়ে আসার জন্য। সেই খবরটুকু জেনে যাই সেই তিন কুখ্যাত অপহরণকারী আকাশ জয়নাল এবং রাজু। সঙ্গে সঙ্গেই রনি মিয়াকে সেখান থেকে বাইকে চেপে বিশালগড়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে সেই কুড়ি হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য। একটা সময় রনি মিয়া বিশালগড় নিয়ে আসলে বাইক থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে কোনরকমে তার জীবন বাছায় বিশালগড় থানায় এসে আশ্রয় নিয়ে। পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রথমে বিশালগড় থানায় এবং পরে মধুপুর থানায়। এদিকে রনি মিয়া অভিযোগ করেন সেই ঘটনার মূল নায়ক ঘনিয়ামারা এলাকা টিটু আহমেদ। সম্পূর্ণভাবে মদত দিয়েছে টিটু আহমেদ বলে অভিযোগ করেন। পরে রনি মিয়া থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাত বারোটা নাগাদ অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী রাখলেন। নিত্যদিন এই এলাকার মধ্যে চুরি,ছিনতাই,পিস্তল নিয়ে ছুটাছুটি ইত্যাদি বেড়ে চলেছে। প্রশাসন যদি সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেই হয়তো আগামী দিন বৃহত্তর আকার ধারণ করতে পারে।

April 21st, 2026
মহিলার তান্ডবে ত্রস্ত এলাকাবাসী পুনরায় থানার দ্বারস্থ

মহিলার তান্ডবে ত্রস্ত এলাকাবাসী পুনরায় থানার দ্বারস্থ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমতলী বারুইটিলার উশৃঙ্খল মহিলা কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো মামলা দায়ের আমতলী থানায়! জানা গেছে বারুইটিলা এলাকার উশৃঙ্খল মহিলা হিসেবে পরিচিত কল্যাণী ঘোষ একাধিক বার এলাকার লোকজনদের উপর আক্রমণ করে থাকে।এই ঘটনায় মহিলার বিরুদ্ধে পূর্বে মামলাও হয়েছিল,যে মামলায় অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ জেল হেফাজতেও ছিল, কিন্তু তারপরেও মহিলা নিজেকে শোধরাতে পারেনি। একই কায়দায় পাড়ার লোকজনদের উপর আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় এলাকাবাসীদের। গত ১ সপ্তাহ আগেও উনার বাড়ির পাশের এক ব্যক্তিকে প্রাণে মারার জন্য ধারালো দা দিয়ে আঘাত করেছিল। পরে উনার পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করা হয় আটক করা হয়েছিল অভিযুক্ত মহিলাকে। এরপর এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ আবারও মঙ্গলবার একই পাড়ার রিপন দত্ত নামে এক যুবককে লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং তার গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয় মহিলাদের সহ রিপন দত্তের। অবশেষে মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ রিপন দত্ত আমতলী থানায় মারধর এবং ছিনতাই এর অভিযোগ এনে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করে অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে। এদিন মামলা করার সময় এলাকার মহিলারাও দল বেধে রিপন দত্তের সাথে থানায় গিয়ে জরো হয়। সেদিন রিপন দত্ত সহ এলাকার মহিলারা থানার সামনের দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের যন্ত্রণায় এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ এবং আতঙ্কিত। আবারো যে কোনদিন যেকোনো সময় এই মহিলা এলাকার অন্য কারুর উপর আক্রমণ করতে পারে। তাই এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে এদিন তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন যেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করো।

April 21st, 2026
বিনোদন
View All
উৎসবের আমেজে মেলাঘর বাজারে ইলিশের দাপট বনাম ক্রেতার পকেট

উৎসবের আমেজে মেলাঘর বাজারে ইলিশের দাপট বনাম ক্রেতার পকেট

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মেলাঘরের মাছ ও মাংসের বাজারে আজ উপচে পড়া ভিড়। উৎসবের আমেজে ইলিশের জয়জয়কার থাকলেও, দাম নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ভোর থেকেই মেলাঘর বাজারের আকাশ-বাতাস মুখরিত বিক্রেতাদের হাঁকডাকে। পহেলা বৈশাখ মানেই পাতে এক টুকরো ইলিশ আর পছন্দের মাংস। তাই আজ সকাল থেকেই মাছ ও মাংসের দোকানে তিল ধারণের জায়গা নেই। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ বাজারে রুপালি ইলিশের দাপট চোখে পড়ার মতো। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।দাম নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও বাঙালির উৎসবের জোয়ারে তা যেন কিছুটা ম্লান। পকেটে টান পড়লেও ঐতিহ্যের টানে খালি হাতে ফিরছেন না কেউ। সাধ্য আর সাধের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হচ্ছে বাঙালির উৎসব প্রিয়তারই।মেলাঘর বাজারের এই ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে, দামের ঊর্ধ্বগতি উৎসবের আনন্দকে দমাতে পারেনি। নতুন বছর সবার জন্য সুখের হোক

April 15th, 2026
আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন

আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি:বসন্তের রঙিন উৎসব হোলির আনন্দে মাতোয়ারা সবাই । অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে রবীন্দ্র ভবনের আম্র কুঞ্জে রাজ্য ভিত্তিক দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা ভিম্ভিশ্বর ভট্টাচার্য, এডভাইজারী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন , দোল উৎসব ঐতিহ্যপূর্ণ একটি উৎসব ।হৃদয়ের মলিনতা কাটিয়ে বাহারি রঙ লাগিয়ে সৌভ্রত্বের বার্তা বহন করে দোল উৎসব। বর্তমান সরকার এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতি ও জনজাতি মৈত্রীর পরিবেশ মজবুত করে চলছে । পাশাপাশি সমগ্র রাজ্যবাসীকে দোল উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন মেয়র দীপক মজুমদার।

March 10th, 2026
পুর নিগমে ভাইফোঁটা উদযাপন

পুর নিগমে ভাইফোঁটা উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাইফোঁটা একটি পবিত্র বন্ধন। হিন্দু সনাতনীদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উৎসব বলা যায়।তবে ,সময়ের সাথে সাথেই ভাইফোঁটার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে।এখন কেবলমাত্র হিন্দুদের মধ্যেই সীমিত নেই ।উভয় সম্প্রদায়ের কাছে এখন পবিত্রতার প্রতীক।শুক্রবার আগরতলা পুর নিগমের মেয়রের অফিসে ভাইফোঁটা পালিত হয়েছে।পুর নিগমের মহিলা কর্পোরেটর বোনেরা পবিত্র বন্ধন দিয়ে ভাইদের কপালে ফোটা দিয়েছেন ।উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস ,সেন্ট্রাল জোন চেয়ারম্যান রত্না দত্ত প্রমুখ ।মেয়র দীপক মজুমদার বোনদের আশীর্বাদ ও সুরক্ষার জন্য আজন্ম পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন।তিনি বলেন, রাজনীতির বাইরে ভাই বোনেদের বন্ধন । পৃথিবীর সব ভাই বোনরা এমনভাবেই পবিত্র বন্ধন নিয়ে বেঁচে থাকুক আশাবাদী মেয়র দীপক মজুমদার।

October 24th, 2025
নিউজ টপ লিংকের স্বদেশী জাগরনের ভাবনায় আপ্লুত মৈত্রী দেব ( দত্ত )

নিউজ টপ লিংকের স্বদেশী জাগরনের ভাবনায় আপ্লুত মৈত্রী দেব ( দত্ত )

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোকাল ফর লোকাল এটি একটি স্লোগান নয় ।একটা আবেগ ও অনুভূতি ।গোটা দেশের মানুষের মধ্যে স্বরাজ ও স্বদেশী ভাবনার প্রসারের মাইলস্টোন । স্বদেশী ভাবনার প্রসারের লক্ষ্যে নিউজ টপ লিংক ওয়েব মিডিয়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা কাঁধে তুলে নিয়েছেন। রাজ্যের মধ্যে প্রথম কোন সংবাদ মাধ্যম মাটির প্রদীপ সকলের মধ্যে বিতরন করার জন্য এগিয়ে এসেছেন । ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রাজ্যের শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যা তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী মৈত্রী দেব ( দত্তের ) হাতেও মাটির প্রদীপ তোলে দিলেন সংস্থার কর্ণধার দীপঙ্কর দেব ।মৈত্রী দেব বলেন ,সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে মিডিয়ার এই উদ্যোগ সময় উপযোগী ও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে সমাজে ।

October 21st, 2025
আন্তর্জাতিক
View All
বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!

বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলাগামী বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ! বাগডোগরা বিমানবন্দরে এখন সেই বিমানে উঠতে নারাজ যাত্রীরা!৮১ জন যাত্রী নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট নাম্বার ২৮৯২ আগরতলা যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বিমানে গলযোগ দেখা দেয়। বিমানকর্মীরা টানা দেড় ঘন্টা সময় যাত্রীদের বসিয়ে রাখে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। বিমানের ভেতর এসি পরিষেবা ছিল বন্ধ। শেষ পর্যন্ত যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে কর্মীরা অন্য কোন ফ্লাইট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন। ঘটনা বাগডোগরা এয়ারপোর্টে।

April 3rd, 2026
0

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

March 12th, 2026
যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

March 12th, 2026
কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের

কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সাম্প্রতিক আক্রমণের প্রতিবাদে চলা কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে কিছু বিধর্মী উশৃঙ্খল যুবক মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ পণ্য আদান-প্রদান জোরপূর্বক বন্ধ করার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতা ও আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী সংগঠনের হস্তক্ষেপে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।ঊনকোটি জেলা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি গৌরাচাঁদ অধিকারী জানান, মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে চালু রয়েছে এবং কেবলমাত্র ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস উপলক্ষে একদিন কাজ বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও আইনের আওতায় পরিচালিত হয়, যা জোরপূর্বক বন্ধ করার ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নেই।তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে একটি চক্রান্তের মাধ্যমে বাণিজ্য বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে, যার ফলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জীবিকা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমানে মনু ল্যান্ড কাস্টমসে বিএসএফ, কাস্টমস ও পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে কৈলাসহর থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

December 28th, 2025
সাহিত্য ও সংষ্কৃতি
View All
অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী

অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী

নিজস্ব প্রতিনিধি:গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বর্তমান সরকারের আমলে নারী দিবস এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । নারীরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে গুরুদায়িত্ব পালন করে চলছেন । রাজ্যেও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান হয়েছে । ত্রিপুরার ওয়েব মিডিয়ার জগতে নিরলস প্রচেষ্টায় সংবাদ মাধ্যম হিসাবে নিরপেক্ষ ভূমিকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিউজ টপ লিংক আয়োজিত অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে বিশিষ্ট নারীদের । এই তালিকায় রাজ্যের অত্যন্ত সুপরিচিত সমাজসেবী ঊষা বাজার ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তীর সহ ধর্মীনি সোমা চক্রবর্তীকেও নারী সম্মাননা প্রদান করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দীপঙ্কর দেব । উল্লেখ্য , সোমা চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ২০১৫ সালে বিজেপির টিকিটে পুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সময় প্রদেশ বিজেপি মহিলা মোর্চার কোষাধ্যক্ষ হিসাবেও ব্যাপক সাফল্যের ছাপ রেখেছিলেন । তাছাড়াও সোমা চক্রবর্তী অনাথ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজে সারা বছর নিজেকে আড়াল রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । দীর্ঘ সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম হিসাবে কাজের জন্য অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। নিউজ টপ লিংক আগামীদিনে সোমা চক্রবর্তীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও দীর্ঘায়ু এবং সুস্থস্থ্যের কামনা করেছে ।

March 8th, 2026
বঙ্কিম চন্দ্রের ১৫৯ তম জন্মতিথিতে একগুচ্ছ কর্মসূচীর ঘোষনা পর্যটন মন্ত্রীর 

বঙ্কিম চন্দ্রের ১৫৯ তম জন্মতিথিতে একগুচ্ছ কর্মসূচীর ঘোষনা পর্যটন মন্ত্রীর 

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে সারাদেশের সঙ্গে রাজ্যে ও বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে ম্যারাথন দৌড় রক্তদান শিবির এবং বিভিন্ন কর্মসূচি এক বছর ব্যাপী অনুষ্ঠান হবে সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।সচিবালয় সুশান্ত চৌধুরী উল্লেখ করলেন বিভিন্ন জেলাগুলিতে অনুষ্ঠান হবে আগামী সাত তিন নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরে উদ্বোধন হবে সচিবালয়ে। এবং বিভিন্ন জেলাভিত্তিক যে কর্মসূচি হবে রাজ্যের মন্ত্রী বাহাদুরগণ এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন চারটি পর্যায়ে হবে এই কর্মসূচি গুলি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বিস্তৃতভাবে জানান। তিনি আরও বলেন,সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে যুব সমাজ উদ্বুদ্ধ হবে ।সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্রের জীবন দর্শন অনুসরন করে চলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।

November 5th, 2025
শিল্প ও শিল্পীদের বাঁচিয়ে রাখতে আন্তরিক রাজ্য সরকার : ড. মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী)

শিল্প ও শিল্পীদের বাঁচিয়ে রাখতে আন্তরিক রাজ্য সরকার : ড. মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী)

নিজস্ব প্রতিনিধি : মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা আজ আগরতলা লিচুবাগানস্থিত সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পাঁচদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সচিব রাভেল হেমেন্দ্রকুমার, অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা, রাজ্যের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সংঘমিত্রা নন্দী ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অভিজিৎ ভট্টাচার্য। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী ভট্টাচার্য কলেজের ৫০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরেন।বলেন, বর্ষ ব্যাপী অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে থাকছে সেমিনার ,কর্মশালা,প্রদর্শনী।৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গনে নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের চিত্র ও ভাস্কর্য প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া কলেজের ভেতরে রাজ্যের এবং বহির রাজ্য বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের তৈরি আর্ট ফেস্ট গ্যালারি ঘুরে দেখেন তিনি। ছবিতে রং তুলি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন তিনি। এছাড়া কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষদেরও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় । ললিত কলা একাডেমী জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত দুজনকে সংবর্ধিত করা হয়।

September 9th, 2025
ছবির মাধ্যমে বহু ইতিহাসের বর্ণনা হয় : সুশান্ত

ছবির মাধ্যমে বহু ইতিহাসের বর্ণনা হয় : সুশান্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৯শে আগস্ট বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস সারা বিশ্বে এই দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা উদযাপন করা হয়। বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রবীন্দ্র শতবার্ষিক ভবন হলঘরে তিন দিনব্যাপী আলোক চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে। এই দিনের অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্যটনওপরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, আগরতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার, আমি ফেসবুকে পুলিশের মহা নির্দেশক কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী,ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রলয়জিৎ পাল,সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। ফিতা কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জলোনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সম্মানীয় অতিথিরা।

August 19th, 2025
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
View All
কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি

কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি

নিজস্ব প্রতিনিধি:হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। ঘটনা বৃহস্পতিবার দুপুরে। মেলাঘর পৌর পরিষদের ১১ নং ওয়ার্ড সুভাষ নগর এলাকার এক হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যা সুমিত্রা দত্তের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্রামগঞ্জ থানায় কাজ শেষ করে মেয়েটির বাড়িতে ছুটে যান। যদিও ঐ সময় মেয়েটি বাড়িতে ছিল না। সে কলেজে গিয়েছিল। তাই মেয়েটির সঙ্গে তার দেখা হয়নি। তিনি সুমিত্রা দত্তের বিছানায় শয্যাশায়ী পিতা স্বপন দত্ত এবং তার মা কাজল দত্তের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়েটির মা ওসিকে জানায় দুই মাস পূর্বে তার স্বামীর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অঙ্গ অকেজো হয়ে যায়। তারপর থেকে সে বিছানায় শয্যাশায়ী। তার স্বামী রাজমিস্ত্রি যোগালি কাজ করত। স্বামী বিছানায় পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। তাদেরকে মাঝেমধ্যে উপোস থাকতে হয়। তার মেয়ে উদয়পুর কলেজে শিক্ষাবিজ্ঞান নিয়ে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ছে। মেয়ের কলেজে যাবার জন্য গাড়ি ভাড়াও তাদের কাছে অনেক সময় থাকে না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া ধার করে মেয়েকে এনে দিতে হয়। প্রচন্ড আর্থিক সংকটে রয়েছে তারা। অর্থের অভাবে সে তার স্বামীর চিকিৎসা পর্যন্ত করতে পারছে না। মেয়ের পড়াশোনাও বন্ধের মুখে। এই সংবাদটি গতকাল দেখার পর মানবিকতার টানে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা তাদের বাড়িতে ছুটে যান। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন এই সংবাদটি দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। মানবিকতার টানে আমি তার বাড়িতে ছুটে এসেছি। আমি পরিবারটিকে ডিম তেল নুন বিস্কিট আলু সয়াবিন মুড়ি সাবান পেঁয়াজ সহ এক মাসের খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দিয়েছি এবং মেয়েটির কলেজে যাবার জন্য এক বছরের গাড়ি ভাড়াও তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছি। মেয়েটির ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ও আমি তাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য এবং সহযোগিতা করব বলে সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। অজিত দেববর্মার এই মানবিক কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা মেলাঘর বাসী।" মানুষ মানুষের জন্য"__কবির এই কথাটিকে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি । দরিদ্র ঘরের কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে ও সি'র সাহায্য করার বিষয়টি জানতে পেরে এমনটাই বলছে গোটা মেলাঘর এলাকার মানুষ। অতীতেও বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি বেশ কয়েকজন মাধ্যমিক এবং দ্বাদশ পড়ুয়া দিব্যাঙ্গ ছেলে মেয়েকে তাদের ফাইনাল পরীক্ষার আগে সাহায্য করেছেন। ঘটনাটি শোনার পর অনেকেই বলছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা, সত্যিকার অর্থেই একজন মানবদরদী মানুষ ।

April 23rd, 2026
কৈলাসহরে বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের শীর্ষে আয়ুষ, উচ্ছ্বাস শহরজুড়ে

কৈলাসহরে বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের শীর্ষে আয়ুষ, উচ্ছ্বাস শহরজুড়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিবিএসই-র AISSE (মাধ্যমিক) পরীক্ষা ২০২৬-এ রাজ্যের ১২৫টি বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করে কৈলাসহরের মুখ উজ্জ্বল করলো নেতাজি বিদ্যাপীঠ ইংলিশ মিডিয়াম এইচএস স্কুলের ছাত্র আয়ুষ পাল। তার এই সাফল্যে শহরজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।কৈলাসহর পৌর পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আয়ুষের বাবা অমিত পাল পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা মধুমিতা দেব গৃহিণী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অধ্যয়ন, কঠোর পরিশ্রম এবং শৃঙ্খলাবোধই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।আয়ুষ জানায়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গৃহ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতাই তাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের লক্ষ্যে সে এগোতে চায়।ফলাফলে তার প্রাপ্ত নম্বর—ইংরেজিতে ৯৫, বাংলায় ১০০, গণিতে ৯৬, বিজ্ঞানে ১০০, সমাজবিজ্ঞানে ৮৭ এবং আইটিতে ৯৮; মোট শতাংশ ৯৭.০৮। এই কৃতিত্বে খুশি বিদ্যালয় পরিবারও।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, আয়ুষের এই সাফল্য অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এলাকার বাসিন্দারাও তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

April 21st, 2026
গরীব ঘরের সাফল্যে শিখরে সোনাতলার পীযূষ, CBSE দশম শ্রেণিতে পেল ৯৭% নম্বর

গরীব ঘরের সাফল্যে শিখরে সোনাতলার পীযূষ, CBSE দশম শ্রেণিতে পেল ৯৭% নম্বর

নিজস্ব প্রতিনিধি: অভাব অনটনের সংসার অথচ সেই লড়াইকেই জয়ের হাতিয়ার করে নজির গড়ল খোয়াই সোনাতলা এলাকার কৃতি ছাত্র পীযূষ দাস। গতকাল রাতে প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের সিবিএসই CBSE দশম শ্রেণির ফলাফল। আর সেই ফলাফলেই বাজিমাত করেছে খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ছাত্র পীযূষ। ৯৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে সে খোয়াই মহকুমার মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান দখল করেছে।পীযূষের এই সাফল্যের পথ মোটেও মসৃণ ছিল না। বাবা বিপ্লব দাস পেশায় গৃহশিক্ষক। মাসে মাত্র ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা আয় করেন তিনি। সেই সামান্য আয়েই চলে তিন জনের সংসার এবং পীযূষের পড়াশোনার খরচ। মা মানসিক ভারসাম্যহীন। এমনকি বাড়িতে পড়াশোনা করার মতো একটি ভালো টেবিল পর্যন্ত ছিল না পীযূষের।কিন্তু পিছুটান বা অভাব কোনোটিই তার জেদ কমাতে পারেনি। প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পড়াশোনা করত সে। নিজের নিষ্ঠা আর অনলাইন কোচিং প্ল্যাটফর্ম PWPhysics Wallah)-র সহায়তায় সে এই অভাবনীয় ফল অর্জন করেছে। মাত্র দু’জন গৃহশিক্ষক ছিল।ইংরেজি ও বায়োলজি বিষয়ে গৃহ শিক্ষক ছিল।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সঞ্চিত দাস অবদান ছিল এই সাফল্যের পেছনে। শিক্ষিকাকে কুর্নিশ জানিয়েছে পীযূষ। কষ্টে ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন পীযুষের বাবা। পীযূষের লক্ষ্য ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। আপাতত একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা শুরু করতে চায় সে।পীযূষের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পীযুষের পরিবারের কাকা, জেঠু ও সোনাতলা এলাকাবাসি অভাব যে মেধাকে দমিয়ে রাখতে পারে না, তা আরও একবার প্রমাণ করল খোয়াইয়ের এই কৃতি সন্তান।

April 16th, 2026
টি পি এস সি' র অধিকর্তাকে সকাশে ডেপুটেশন পরীক্ষার্থীদের

টি পি এস সি' র অধিকর্তাকে সকাশে ডেপুটেশন পরীক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি:টিপিএসসি কর্তৃক আয়োজিত টি ইএস আরডি দফতরের অধীনে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার গ্রেড ওয়ান গ্রেট টু পদে মেইনস পরীক্ষার তারিখ বাড়ানোর জন্য শুক্রবার চাকরি প্রত্যাশীরা ত্রিপুরা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করে। তাদের বক্তব্য ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর মেইনস পরীক্ষার তারিখ ২ মে ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে প্রার্থীরা মেইনস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রায় মাত্র দেড় মাস সময় পাচ্ছেন।কিন্তু মেইনস পরীক্ষাটি মোট ৫০০ নম্বরের, যেখানে টেকনিক্যাল পেপার ও জেনারেল স্টাডিজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এত বিশাল সিলেবাসের জন্য এত অল্প সময় প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। সেদিকে নজর রেখে পরীক্ষা যেন পিছিয়ে দেওয়া হয় এই দাবিতে আজকে তাদের এই ডেপুটেশন বলে জানায় তারা। এখন দেখার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি পদক্ষেপ নেন । আদৌ পরীক্ষার তারিখ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয় কিনা । সেদিকে তাকিয়েই চাকরী প্রত্যাশীরা ।

April 10th, 2026
খেলা ধুলো
View All
কমিউনিস্টরা সর্বদাই উন্নয়ন বিরোধী , কুমারঘাটে বললেন বিপ্লব কুমার দেব

কমিউনিস্টরা সর্বদাই উন্নয়ন বিরোধী , কুমারঘাটে বললেন বিপ্লব কুমার দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি: কুমারঘাট PWD ময়দানে কুমারঘাট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন হয় ২৪ ই আগস্ট রবিবার বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সংসদ বিপ্লব কুমার দেব ও সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য স্থানীয় বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস ,জেলাশাসক তমাল মজুমদার , জেলার সভাধিপতি সহকারি সবাধিপতি, বিজেপির উনকোটি জেলা সভাপতি, কুমারঘাট মহকুমা শাসক, সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দদের হাত ধরে নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের এর শুভ উদ্বোধন হয়.... প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফুটবলের লাথি মেরে ও পায়রা উড়িয়ে খেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়... উদ্বোধনী ম্যাচে :কুমারঘাট দৃষ্টি ফাউন্ডেশন ও সুনাইমুড়ির একাদশের মধ্যে মধ্যে হয় ম্যাচ।তার মধ্যে খেলার প্রথম অধ্যায় তিন শূন্য গোলে দৃষ্টি ফাউন্ডেশন এগিয়ে যায় এবং দ্বিতীয়া আর্ধে সোনাইমুরি একাদশকেআরো তিন গোল দিয়ে আক্রমণ করে ৬ শূন্য গোলে ম্যাচ মিমাংসিত হয়.. টানটান উত্তেজনা মধ্যে দিয়ে হয় ফুটবল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়,এই টুর্নামেন্টের মোট ১৬ টি ফুটবল দল অংশগ্রহণ করেছে।

August 24th, 2025
দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা  রানার্স আপ

দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা ফুটবল এসোসিয়েশন আয়োজিত দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ বীরেন্দ্র ক্লাব আজ তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা TIDC চেয়ারম্যান নাবাদুল বণিক সহ অন্যান্যরা।দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে আজ মুখোমুখি হয় বীরেন্দ্র ক্লাব বনাম নবোদয় সংঘ যেখানে বীরেন্দ্র ক্লাব জয়ী হয় কিন্তু তার আগেই ঐকতান যুব সংস্থান আসরের কোন ম্যাচ না হেরে সর্বোচ্চ পয়েন্ট তালিকায় থাকায় তাদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয় এবং রানার্সআপ হিসেবে ঘোষণা করা হয় বীরেন্দ্র ক্লাবকে।আজ উমাকান্ত মাঠে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

July 7th, 2025
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রক্তের ঋন দিতে হবে আয়োজকদের !

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রক্তের ঋন দিতে হবে আয়োজকদের !

নিজস্ব প্রতিনিধি: আনন্দের আতিশয্যে নিরানন্দের করুন দশা। সাবধানতা অবলম্বন জরুরী । গোটা প্যানেল দায়ী থাকবে , বলাই বাহুল্য । আইপিএলের ইতিহাসে এমন ভয়াবহ অবস্থা কখনো হয়নি । RCB এবার IPL জয়ের শিরোপা জিতলেন।তবে , বিজয় প্যারেড রক্তে স্নাত হয়েছে । চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড় সামলাতে পারলাম না স্থানীয় প্রশাসন । অভিযোগ , গোটা ব্যবস্থার ঘাটতিতেই এমন পরিণতি । পদপিষ্ট হয়ে এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রাথমিক খবর রয়েছে । মৃতের তালিকায় ৬ বছরের শিশুও রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ভিড়ের মধ্যে শিশুদের এবং মহিলাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ছিল বিকল্প পথে অগ্রসর হওয়ার । আইপিএলের মধ্যে ভিড় হবে খুব স্বাভাবিক। আয়োজকদের জনগনকে নিরাপত্তা দিতে ব্যার্থ হয়েছেন। এই ঘটনার কমপক্ষে ৩০ জন গুরুতর জখম হয়েছেন । মৃত্যু মিছিলের দায় এখনো কেও স্বীকার করতে প্রস্তুত নন । এমন খেলা ভবিষ্যতে পরিনাম বুঝে আগাম সতর্কতা অবলম্বন বাধ্যতামূলক । মৃত ও নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী জোড়ালো হচ্ছে । চারিদিকে স্বজনহারা মানুষের করুন আর্তনাদ ।

June 4th, 2025
বাধারঘাটে ফুটবল মাঠ, অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক, হকি মাঠের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর*

বাধারঘাটে ফুটবল মাঠ, অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক, হকি মাঠের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর*

আগরতলা, ৩ এপ্রিল: ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নিরন্তর প্রয়াস জারি রেখেছে রাজ্য সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের জন্য অত্যাধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এবারের রাজ্য বাজেটেও আর্থিক সংস্থান রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আগরতলার বাধারঘাটের দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে দেবভক্তি জমাতিয়া সিন্থেটিক অ্যাথলেটিক টার্ফ, স্বদেশপ্রিয় নন্দী সিন্থেটিক হকি গ্রাউন্ড ও প্রতুল ভট্টাচার্য সিন্থেটিক টার্ফ ফুটবল গ্রাউন্ডের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রয়াত তিনজন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের নামে এই তিনটি মাঠকে উৎসর্গ করা হয়েছে এদিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় শৃঙ্খলাপরায়ণ হয়ে থাকেন। বয়স হয়ে গেলেও তাদের দূর থেকে দেখে বোঝা যায় যে তারা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ছিলেন। খেলাধুলার মধ্যেই জীবনের দর্শন খুঁজে পাওয়া যায়। রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যথাক্রমে প্রয়াত দেবভক্তি জমাতিয়া, প্রয়াত স্বদেশ প্রিয় নন্দী এবং প্রয়াত প্রতুল ভট্টাচার্য্যের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর যারা ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করেছেন তাদের ইতিহাসে ধরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে আমবাসায় নির্মিত ২০০ শয্যার যুব হোস্টেল মধুসূদন সাহার নামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের মধ্যে একটা আত্মিক অনুভূতি চলে আসে। রাজনীতি এক জায়গায়, প্রশাসন এক জায়গায়। কিন্তু তাঁদের নামে যে ফুটবল গ্রাউন্ড, হকি গ্রাউন্ড, অ্যাথলেটিক গ্রাউন্ড আজকে হয়েছে সেটা আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষয় হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের প্রতিভার বিকাশে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধাযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে রাজ্যের সব জায়গায় ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়নে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অদম্য জেদ, ইচ্ছাশক্তি ও চেষ্টা থাকলে যেকোনও ক্ষেত্রে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছেন আমাদের রাজ্যের গর্ব পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার। আর যুব সমাজকে নেশার আসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে খেলাধুলা হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম। কারণ সুস্থ মনই সুস্থ দেহ গঠনে সহায়ক। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাক্তন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যারা খেলাধুলার জগতে রাজ্যের সুনাম অর্জন করেছেন তাদের অবদানকে স্মরণ করা এবং তাদের যথাযথ সম্মান প্রদানে রাজ্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিভিন্ন ক্রীড়া পরিকাঠামোসমূহ তাদের নামে উৎসর্গ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের সুবিধার জন্য আগরতলার ভোলাগিরিতে উন্নত ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এছাড়া খেলাধুলার ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং রাজ্যের বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিদের সান্নিধ্যের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায় রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, ত্রিপুরা স্পোর্টস কাউন্সিলের পদাধিকারী সুকান্ত ঘোষ, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, অধিকর্তা এস বি নাথ, পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ। অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

April 3rd, 2025