শান্তিনিকেতনে ছাত্রীর রহস্যের মৃত্যুর তদন্ত হাইকোর্টের বিচারপতির অধীনে হওয়ার দাবী প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের
নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিনিকেতন কলেজের মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার ঘটনায় রাজ্য সরকারের ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তকে মানছে না কংগ্রেস । হাইকোর্টের বিচারপতি দিয়ে তদন্ত করতে হবে দাবি রাখলেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে আগামী ১৫ই জুনের পর থেকে রাজ্য ব্যাপী আন্দোলনে যাচ্ছে ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস । তাঁদের অভিযোগ , অভয়া নিয়ে রাজ্যে কেন দ্বিচারিতা । একটি মেডিক্যাল কলেজের অভ্যন্তরে লাশ উদ্ধার নিয়ে দায়সারা তদন্ত কোনভাবে কাঙ্খিত নয় । বহুদিন ধরেই শান্তি নিকেতন মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্য পরিষেবার থেকে কনটেক্ট ক্রিয়াটারদের নিয়ে প্রমোশন করানোর ব্যস্ততা দেখে হতবাক শিক্ষার্থীরা। কলেজের জন্মলগ্ন থেকেই ব্যাপক অনিয়ম চলছিল বলে খবরে প্রকাশ। এই অস্বাভাবিক মৃত্যু কোনভাবে প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষে চুপ করে বসে থাকবেন বলেও সুর চড়ালেন ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিনিকেতন কলেজের মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার ঘটনায় রাজ্য সরকারের ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তকে মানছে না কংগ্রেস । হাইকোর্টের বিচারপতি দিয়ে তদন্ত করতে হবে দাবি রাখলেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে আগামী ১৫ই জুনের পর থেকে রাজ্য ব্যাপী আন্দোলনে যাচ্ছে ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস । তাঁদের অভিযোগ , অভয়া নিয়ে রাজ্যে কেন দ্বিচারিতা । একটি মেডিক্যাল কলেজের অভ্যন্তরে লাশ উদ্ধার নিয়ে দায়সারা তদন্ত কোনভাবে কাঙ্খিত নয় । বহুদিন ধরেই শান্তি নিকেতন মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্য পরিষেবার থেকে কনটেক্ট ক্রিয়াটারদের নিয়ে প্রমোশন করানোর ব্যস্ততা দেখে হতবাক শিক্ষার্থীরা। কলেজের জন্মলগ্ন থেকেই ব্যাপক অনিয়ম চলছিল বলে খবরে প্রকাশ। এই অস্বাভাবিক মৃত্যু কোনভাবে প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষে চুপ করে বসে থাকবেন বলেও সুর চড়ালেন ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী।তিপ্রা মাথার নেতা প্রদ্যুৎ কিশোর বলেছেন মোদী এবং শাহ ত্রিপুরা রাজ্যের ট্রাইবেলদের জন্য খুব ভালো কাজ করছেন এই বিষয়ে কি বলবেন?রাজ্যের কিছু সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত আমলা যাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তা সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে তাদের পুনর নিয়োগ করে রাখা হচ্ছে এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?তার সাথে একজন মামলার বিরুদ্ধে রাজ্য এবং রাজ্যের বাইরে বহু কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি ইত্যাদির পরও সম্প্রতি IAS এ পদোন্নতি করা হয়েছে এ সম্পর্কে কি বলবেন?রাজ্যে প্রায় তিন হাজার টাকা কর্মচারী বেতন পাচ্ছেন না, সাথে অঙ্গনারী কর্মীরাও নিয়মিত বেতন না পাওয়ার কারণে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন কর্মসূচি করছেন এই বিষয়ে আপনি কি বলবেন?চাকুরী রত non tet শিক্ষকদের tet পরীক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক সুপ্রিম কোর্ট এমনই রায় দিয়েছেন এ বিষয়ে কি বলবেন? মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালীতে তেল বাহী ভারতীয় জাহাজে মার্কিনি হামলায় তিনজন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী এখনো নীরব। এই বিষয়ে কি বলবেন?ত্রিপুরা শান্তির নিকেতন মেডিকেল কলেজে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে বিভিন্ন মহল থেকে নানান প্রশ্ন উঠছে, কেউ কেউ এটাকে আর জি করের পুনরাবৃত্তি বলেও আখ্যা দিচ্ছে, পরিবার দাবি এটি আত্মহত্যা নয় পরিকল্পিত খুন, এই বিষয়ে কি বলবেন?আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা আজ থেকে রাজ্যে ৭২ ঘন্টার জন্য বনধ এর ডাক দিয়েছে, এই বন্ধে জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন এজেন্ডা নেই তারপরও নিরব দর্শকের ভূমিকা সরকার। এই বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ছটফট করছেন রোগীরা, আর ভেতরে এসি ঘরের আরামদায়ক চেয়ারে বসে রিল ভিডিও বানাতে ব্যস্ত কর্মীরা! হ্যাঁ, এমনই এক চাঞ্চল্যকর ও বিতর্কিত দৃশ্য সামনে এসেছে ত্রিপুরার শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতাল থেকে। যেখানে সরকারের দেওয়া "Skill Development" বা দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণের নামে চলছে সোশ্যাল মিডিয়ার বিনোদন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওর পর থেকেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।জনগণের স্বাস্থ্য পরিষেবার অন্যতম ভরসাকেন্দ্র শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতাল। ইদানীং এই সরকারি হাসপাতালটি বিভিন্ন কারণে খবরের শিরোনামে উঠে আসছে। কখনো বহিরাগত চিকিৎসকদের চমৎকার কাজের হাত ধরে হাসপাতালটির সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে, আবার কখনো সঠিক সময়ে ডাক্তার না পাওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ তুলছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগীরা। কিন্তু এবার যে ঘটনা সামনে এল, তা হাসপাতালের ভেতরের এক চরম অপেশাদার চিত্রকে তুলে ধরেছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া "Prasenjit Banik নামের এক Facebook একাউন্টে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালেরই একটি কক্ষে কয়েকজন কর্মী ও প্রশিক্ষণার্থী হিন্দি রোমান্টিক গানের সাথে রিল ভিডিও তৈরিতে মেতে উঠেছেন। ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দিচ্ছেন তারা, যেন কোনো হাসপাতালের দায়িত্বপূর্ণ ডিউটি নয়, বরং কোনো বিনোদনমূলক শুটিং চলছে সেখানে। এখান সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, সরকারি অর্থ ও পরিকাঠামো খরচ করে যে স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে, তার আসল উদ্দেশ্য কি রিল ভিডিওর "ডেভেলপমেন্ট" করা?হাসপাতালের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায়, যেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ চিকিৎসার আশায় হাহাকার করেন, সেখানে কর্মরত অবস্থায় এই ধরণের খামখেয়ালিপনা কতটা যুক্তিযুক্ত?একদিকে রোগীদের অভিযোগ ডাক্তার ঠিকমতো পাওয়া যায় না, অন্যদিকে উপস্থিত কর্মীদের এই ধরণের ভিডিও তৈরিতে মগ্ন থাকতে দেখে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন শান্তিবাজারের সচেতন মহল।একের পর এক ভালো কাজের জন্য শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতাল যখন কিছুটা সুনাম কুড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই এই ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভিডিও প্রকাশে হাসপাতালের ভাবমূর্তি ও প্রশাসনিক নজরদারি বড়সড় ধাক্কা খেল। এখন দেখার বিষয়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর এই রিল ভিডিও কাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় কিনা, নাকি বরাবরের মতোই ধামাচাপা পড়ে যাবে এই ঘটনাও।
নিজস্ব প্রতিনিধি:কলেজে যাওয়ার জন্য বাস গাড়ির ভাড়া অর্ধেক করার আওয়াজ তুললেন চড়িলাম এর কলেজ ছাত্রছাত্রীরা শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় চড়িলাম বাজার স্ট্যান্ডে জাতীয় সড়কে বাস গাড়ীর জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় দাঁড়িয়ে। তারা রাজ্যে সরকার মুখ্যমন্ত্রী এবং পরিবহন মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এই দাবি তুলেছেন। তারা সবাই রাম ঠাকুর কলেজের ছাত্র-ছাত্রী। আজকে তাদের পরীক্ষা। তাদের অভিযোগ চড়িলাম থেকে রামঠাকুর কলেজে যাওয়ার জন্য বাস গাড়িতে উঠলে তাদের ভাড়া দিতে হয় ৩০ টাকা। সরকারের নির্ধারিত ধরা হলো ২৩ টাকা। দুই টাকা এবং পাঁচ টাকা খুচরোর অভাবে তাদেরকে ৩০ টাকা দিতে হয়। তাই তারা রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে আবেদন জানিয়েছে কলেজে যাওয়ার জন্য যাতে ছাত্রছাত্রীদের গাড়ি ভাড়া অর্ধেক করে সরকার।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা নোটিশ নং NO-4(233) TNCL 2024/575-77 অনুযায়ী ত্রিপুরা নার্সিং কাউন্সিলের অধীনে নিবন্ধিত সকল নার্সকে অতি দ্রুত তাঁদের নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অত্যন্ত স্বল্প সময়সীমার মধ্যে এই নির্দেশ জারি করায় ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেস তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।আমরা অবগত যে, রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ না পাওয়ায় বহু নিবন্ধিত নার্স জীবিকার তাগিদে রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতাল ও নার্সিংহোমে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমান সময়ে যাতায়াত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিমান, রেলসহ অন্যান্য পরিবহনের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রিপুরায় এসে তথ্য হালনাগাদ করা তাঁদের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল।এছাড়াও, কর্মরত নার্সদের পক্ষে এত অল্প সময়ের নোটিশে হাসপাতাল বা নার্সিংহোম থেকে ছুটি নেওয়াও প্রায় অসম্ভব। ফলে বহু নিবন্ধিত নার্স নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন না।এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেস ত্রিপুরা নার্সিং কাউন্সিলের নিকট জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছে যে, নিবন্ধিত নার্সদের তথ্য হালনাগাদের জন্য অনলাইন ব্যবস্থার অবিলম্বে চালু করা হোক অথবা পর্যাপ্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হোক, যাতে রাজ্যের বাইরে কর্মরত নার্সরাও কোনো অসুবিধা ছাড়াই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: PMGSY প্রকল্পে পাথরের বদলে বালি বেশি, অল্প বৃষ্টিতেই ভাঙন। ডাকবাংলা থেকে রাঙ্গাউটি পর্যন্ত যান চলাচল অসম্ভব, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর।বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে কৈলাশহর রাঙ্গাউটি রাস্তা। ২০২৩ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই রাস্তার বরাত পায় রাজ্যের একটি নামি ঠিকাদার সংস্থা। তাড়াহুড়ো করে নির্বাচনের আগে এই ৭ কিলোমিটার রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা, PMGSY প্রকল্পের আওতায় কাজ করা হয়। খরচ হয় কয়েক কোটি টাকা। কিন্তু পুরো রাস্তাটি পাথর দ্বারা মেটেলিং করা হলেও সেই সময় পাথরের সঙ্গে বালুর পরিমাণ ছিল বেশি। যার কারণে প্রতি বছর রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়। অল্প বৃষ্টি হলেই ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয় আর তা থেকেই শুরু হয় রাস্তার ভাঙন।ঠিকাদারের পক্ষ থেকে রাস্তা নির্মাণ করার পর দুইবার মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। এই রাস্তা নিয়ে বহু আন্দোলন, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হলেও ঠিকাদারের দায়িত্ব পাঁচ বছর মেরামত করা। কিন্তু এত নিম্নমানের কাজ হয়েছিল যে প্রতি সাত-আট মাস পরেই রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়।এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি, বাইসাইকেল, অটো, বড় গাড়ি, রিক্সা যাতায়াত করে। কৈলাশহরের উত্তরাঞ্চলের একমাত্র এই রাস্তা শহরের প্রাণকেন্দ্র। আর এই রাস্তার বেহাল দশায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। ছোট ছোট গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। টুকটুক, রিক্সা চালানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।বিশেষ করে ডাকবাংলা থেকে কুবঝার, কুবঝার থেকে টিলাবাজার এবং টিলাবাজার থেকে রাঙ্গাউটি রাস্তায় মাঝে মাঝে বড় বড় গর্ত। যান চলাচল কার্যত অসম্ভব। তাই অতিসত্বর এই রাস্তাটি মেরামত করার দাবি উঠেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।