আত্মসমর্পনকারী বৈরীদের ডাকা বন্ধ ঘিড়ে থমথমে পাহাড় !
নিজস্ব প্রতিনিধি: নিজের দাবি আদায়ে আত্ম সমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠন ওNLFT ও ATTF এর ১২ জুন যে বন্ধের ডাক দেন,এই বন্ধকে কেন্দ্র করে আজ থেকেই লোক জমায়েত শুরু আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের বড়মুড়া হাতাইকতর,সুবল সিং, মান্দাইয়ের ভৃগুদাস এলাকায় রেল লাইনে।জঙ্গি সংগঠনের নেতৃত্ব জানান বন্ধের সময় এম্বুলেন্স,দমকল বাহিনী,পুলিশের গাড়িকে ছাড় দেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: নিজের দাবি আদায়ে আত্ম সমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠন ওNLFT ও ATTF এর ১২ জুন যে বন্ধের ডাক দেন,এই বন্ধকে কেন্দ্র করে আজ থেকেই লোক জমায়েত শুরু আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের বড়মুড়া হাতাইকতর,সুবল সিং, মান্দাইয়ের ভৃগুদাস এলাকায় রেল লাইনে।জঙ্গি সংগঠনের নেতৃত্ব জানান বন্ধের সময় এম্বুলেন্স,দমকল বাহিনী,পুলিশের গাড়িকে ছাড় দেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার দুপুরে আমবাসা শহরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে আকস্মিক পরিদর্শনে যান ড্রাগ ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ সিংহ রায়। এদিন তিনি আমবাসার মোট চারটি ঔষধের দোকান পরিদর্শন করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খতিয়ে দেখেন।পরিদর্শনকালে তিনি ওষুধের গুণগত মান ঠিক রয়েছে কি না, দোকানের লাইসেন্স বৈধ ও হালনাগাদ আছে কি না, দোকানে নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট উপস্থিত রয়েছেন কি না এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করেন।এসময় চারু মেডিকেল হল-এ কোনো ফার্মাসিস্ট উপস্থিত না থাকায় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। সংশ্লিষ্ট দোকান কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।ড্রাগ ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ সিংহ রায় সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সচেতনতার বার্তা দিয়ে বলেন, "চিকিৎসকের বৈধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ ক্রয় বা সেবন করা উচিত নয়। নিজের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।"স্বাস্থ্য পরিষেবার মান বজায় রাখা এবং ওষুধ বিক্রিতে অনিয়ম রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : গতকাল রাজ্যের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল তেলিয়ামুড়ার কালিটিলা এলাকায় অবস্থিত একটি সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে চাল পরিমাপে ওজন কারচুপির গুরুতর অভিযোগ। সংবাদ প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসে মহকুমা খাদ্য দপ্তর। বৃহস্পতিবার তড়িঘড়ি করে সংশ্লিষ্ট রেশন দোকানে পৌঁছায় দপ্তরের প্রতিনিধি দল।মহকুমা খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক তথা ডিসিএম জিনিয়াস দেববর্মার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি দোকান পরিদর্শন করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে। অভিযোগকারী গ্রাহক রঞ্জিত সাহার বক্তব্য ও দোকানের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর তদন্তে অভিযোগের সত্যতা সামনে আসে বলে জানা যায়।এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে রেশন ডিলার সবিতা দত্ত লস্কর রায়ের পক্ষ থেকে অভিযোগকারী রঞ্জিত সাহাকে তাঁর প্রাপ্য চাল তুলে দেওয়া হয়।তবে প্রশ্ন উঠছে, সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত না হলে কি এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দপ্তর এত দ্রুত পদক্ষেপ নিত? সাধারণ মানুষের রেশন সামগ্রী নিয়েও যদি কারচুপির অভিযোগ ওঠে, তাহলে প্রশাসনের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।এদিকে, কিছুদিন পূর্বে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর খাদ্য দপ্তর কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহকুমা খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক জিনিয়াস দেববর্মা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।সরকারি সুবিধা সাধারণ মানুষের অধিকার, আর সেই অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপই এখন সময়ের দাবি।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য গোয়েন্দা শাখার খবরের ভিত্তিতে গাঁজা বিরোধী অভিযানে ব্যাপক সাফল্য পেল যাত্রাপুর থানা, থানার অন্তর্গত কালিখলা ও লেদরাবাড়ি থেকে ৯৭৯ কেজি শুকনো গাজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।টানা পাঁচ ঘন্টা ধরে চালানো এই অভিযানে 979 কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধারে সক্ষম হলো সিপাহীজলা জেলার যাত্রাপুর পুলিশ প্রশাসন। ত্রিপুরা গোয়েন্দা শাখার প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে চলা অভিযানে যাত্রাপুর থানার অন্তর্গত লেদ্রাবাড়ি এবং উত্তর কালিখলা এলাকা থেকে মাটি খুঁড়ে ড্রাম ভর্তি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় অভিযানকারী দল। স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, টিএসআর, এবং যাত্রাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আসে এই সফলতা। যার নেতৃত্ব দেন যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক।জানা যায় গভীর জঙ্গলে মাটির নিচে পুতা ছিল ২৭ টি ড্রাম এবং দুটি বস্তায় ভর্তিয় ছিল 979 কেজি গাঁজা গুলি । দীর্ঘক্ষণ অভিযান চালিয়ে জব্দকৃত গাঁজা ভর্তি ড্রামগুলি উদ্ধার করে যাত্রাপুর থানায় আনতে সক্ষম হয় অভিযানকারী দল। পরে এক সাক্ষাতে অভিযান প্রসঙ্গে বিস্তারিত তুলে ধরেন যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক।আগামী দিনে এ ধরনের অভিযান জারি থাকবে বলে জানান ওসি, পাশাপাশি তিনি আরো জানান উদ্ধারকৃত এই গাঁজা গুলির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায়ই কোটি টাকার কাছাকাছি হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ময়নামা বাজারে বাজার করতে যান সুকো রায় দেববর্মা। সেই সময় হঠাৎ করেই অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী রমানাথ ত্রিপুরা তার ওপর আক্রমণ চালায়। অভিযোগ, গাড়ির চাবি দিয়ে সুকোর শরীরে একাধিক আঘাত করা হয়, যার ফলে তার শরীরের বাম দিকে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ছৈলেংটা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে যান মনু ছৈলেংটা এলাকার MDC হলিউড চাকমা। তিনি আহতের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।শুধু তাই নয়, তিনি সরাসরি থানায় গিয়ে ওসি-র সাথে কথা বলেন এবং অভিযুক্ত রমানাথ ত্রিপুরার দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।প্রশাসনের কাছে এখন বড় প্রশ্ন—কবে গ্রেফতার হবে অভিযুক্ত? এবং কতটা নিরাপদ সাধারণ মানুষ?