-Dalai Lama
বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির
নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের মহাকাব্যদ্বয় থেকে একটা চিরন্তন সত্য প্রবাদ রয়েছে " অতি দর্পে হত লঙ্কা এবং গৃহশত্রু বিভীষনের প্রভাব বাংলায় সদ্য নির্বাচনের ফলাফলে আবারও চির সত্য বলে বিবেচিত হলো " । পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, এস আই আর কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০ শতাংশ প্রশাসনিক ও সৈনিক বলের আপ্রাণ চেষ্টার ফলও বঙ্গ বিজয়ে গুরুতর ভূমিকা নিয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই । তবে , বঙ্গ বিজয়ে সাবেক তৃণমূল সরকারের কিছু কিছু মন্ত্রী সন্ত্রীর আর্থিক ও প্রশাসনিক দূর্নীতি যে সহায়তা করেনি বিশুদ্ধ বিজেপি নেতাও অস্বীকার করতে সক্ষম হবেনা । ১৫ বছরের প্রশাসন বিরোধী বাস্তবতায় কাল বৈশাখীর ঝড় যে রয়েছে তাহা নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরুতেই রীতিমতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল । কথায় আছে জয়কালে ক্ষয় নেই , আর মরণকালে ঔষধ নেই । তাবড় তাবড় মন্ত্রীগণ ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী এবং স্ব বিরোধী অর্থনৈতিক ঘোটালার স্বীকার হয়েছে এতে দ্বিমত থাকার কথা নয় । প্রশাসনিক ও আর্থিক ঘোটালায় ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের প্রধান ও প্রশাসন বেসামাল হয়ে গিয়েছিল তাতেও কোন সন্দেহ নেই । শেষের দিকে সুতো বাছতে গিয়ে কম্বল খালি হয়ে যাওয়ার অবস্থায় নিমজ্জিত হয়েছিল মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার । বিজেপির স্ট্যাটেজিক পয়েন্ট ছিল ২০২১ এর পূর্ব লগ্নে বেশ কিছু সংখ্যক তৃণমূলের মন্ত্রী সমেত প্রথম সারির নেতৃত্বকে প্রলুব্ধ করে নিজের নারদার আতঙ্কে বিজেপির তোষন। যদিও স্বউক্তি ছিল তিনি ২০০৯ সাল থেকে বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও তৎসময়ে সর্ব ভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহজির সাথে চুপকি চুপকি সংযোগ । বঙ্গে পরিবর্তনের দমকা হাওয়া অনেক দিন থেকেই বইছিল । অবশ্য মাননীয়া বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক পরিকল্পনা মন্ত্রী সভার অস্তিত্বকে অনেকটা সচল রেখেছিল । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য লক্ষ্মীর ভান্ডার মাসে ১৫০০ টাকা ( সাধারণের জন্য ) এবং অনগ্রসরদের জন্য ( মাসে ) ১৭০০ টাকা । অবশ্য বিশ্বগুরু , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমেত সর্বস্তরের বিজেপি নেতৃত্ব মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের অঙ্গীকার একটা অন্যতম জয়ের মাইলস্টোন এতে সন্দেহ নেই । তবে , ক্ষমতায় এলে বঙ্গে মাসে ৩০০০ টাকা অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ত্রিপুরাবাসিও উল্লসিত বটে । কেননা ত্রিপুরায় যেহেতু বিজেপি সরকার বঙ্গে ধনুর ভাঙা পন অন্নপূর্ণা ভাতা ৩০০০ টাকা ত্রিপুরায় ও প্রচলিত হতে চলছে । অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজি ৭ ম পে কমিশনের লাগু করায় অঙ্গীকার বদ্ধ যা ভাষনে ব্যক্ত করেছেন।যদিও বর্তমানে ৮ ম পে কমিশনের সুযোগ সুবিধার প্রাপ্য বঙ্গের কর্মচারীবৃন্দ । আরও শতশত অঙ্গীকারে পর্যবসিত বঙ্গের জনগন । কোনটা ছেড়ে কোনটা ব্যক্ত করবো বুঝে উঠতে পারা ভার । যাকে বলা যায় ত্রিপুরার ভীষন ডকুমেন্ট এর ন্যায় উন্নয়নের পোক্ত সিঁড়ির বন্দোবস্ত রয়েছে বঙ্গে নূতন বিজেপি সরকারের স্থাপত্যে । বিধাতার বিচারে চিরসত্য সৃষ্টির পরিসমাপ্তি অবশ্যম্ভাবী । দুদিন আগে আর পরে । আজকে কিছু কিছু অনৈতিক ঘটনা অতি উৎসাহে ক্ষতিকারক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে যা সচরাচর হয়ে থাকে । তবে , উৎসবের সুর সর্বদা বজায় থাকেনা এটাই চিরসত্য । মন্ত্রী সভার শপথ থেকে আকাশচুম্বী উন্নয়নের ডালি পূর্ণতা বহন করবে না শুরুতেই হতাশার কড়াল প্রবাহ প্রবর্তিত হবে সেটা ভবিষ্যত বলবে ।যদিও বঙ্গ সমেত আমরা সবাই গঠন মূলক অগ্রগতিতে প্রত্যাশী। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়াল আগ্রাসন ।অপরদিকে মাইনরিটি ভোটের বিভাজনে বঙ্গে ধরাশায়ী তৃণমূল । উপরন্তু নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতায় আশঙ্কা সমেত এস আই আরের আক্রোশে প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের ভোটার লিস্ট চ্যুত । সব মিলিয়ে বিরোধী শক্তির বঙ্গে ইন্দ্র পতনে ভীষন ধাক্কা এতেও সন্দেহ নেই ।যদিও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী গণনায় অব্যবস্থায় কাউন্টিং এজেন্টের উপর অপ্রত্যাশিত হামলার অজুহাতে কাউন্টিং হল থেকে বেড়িয়ে যাওয়ায় স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ লগ্নে গননা কেন্দ্রে গিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি । ভবানীপুরে ও তৃণমূলের বিসর্জন মানতে হচ্ছে ।যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেড়িয়ে যাওয়ার পথে ওনাকেও শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। বঙ্গে তৃণমূল অধ্যায়ের আপাতত সমাপ্তি । এখন দেখার বঙ্গে ডক্টর শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ভূমিতে বিজেপি অঙ্গীকার সমেত অগ্রগতি ও শান্তির বাতাবরণে ভূষিত হবে কিনা বাংলা ।
ধর্মনগর উপ নির্বাচনে বিজেপি জয়ী প্রার্থীকে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপি প্রার্থী জহর চক্রবর্তীর বিপুল জয়ের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ধর্মনগরবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মনগরের জনগণ যে আস্থা ও সমর্থন বিজেপির ওপর রেখেছেন, তার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন, এই বিপুল জনসমর্থন সরকারকে আরও দায়বদ্ধ করে তুলেছে এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার প্রেরণা জোগাবে।ডাঃ সাহা আরও জানান, ধর্মনগরের সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও অগ্রগতিকে সামনে রেখে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। সকলকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের এই যাত্রা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
দীর্ঘদিনধরে তালাবন্ধী হয়ে আছে পিতরাই পাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র!
নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নে জোলাইবাড়ী বিধানসভাকেন্দ্রের পিতরাইপাড়ায় সরকারি অর্থব্যায়করে একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানকরাহয়। উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানের কিছু সময় পর কিছু সমস্যার সৃষ্টিহয়। এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানের জন্য যেইব্যক্তি জায়গা প্রদানকরেছেন উনাকে চাকুরির দেবার পতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছেবলে অভিযোগ। জায়গার মালিক জানান উপস্বাস্থ্য নির্মানেের আগে উনাকে বলাহয়েছে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য জায়গা প্রদানকরাহলে উনার পরিবারের একজনকে চাকুরি প্রদানকরাহবে। এই পতিশ্রুতিপেয়ে জায়গা প্রদানকরাহলে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মানের পর চাকুরি নাপেয়ে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালাদিয়ে বন্ধকরেদিলো জায়গার মালিক। পরবর্তীসময় স্থানীয় মন্ত্রী সহ এলাকার জনপ্রতিনিধি ও প্রসাশনিকস্তরের লোকজনদের নিয়ে আলোচনাক্রমে পুনরায় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি খোলাহয়েছে। কয়েকমাস সবকিছু ঠিকঠাক চললেও বর্তমান সময়ে কয়েকদিন যাবৎ পুনরায় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালাদিয়ে বন্ধকরে রাখাহয়েছে। জায়গার মালিক জানান উনার পরিবারের একজনকে চাকুরি প্রদাননাকরলে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি খোলাহবেনা। অপরদিকে স্থানীয় লোকজচাইছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালুকরতে প্রসাশন যেন সঠিক পদক্ষেপ গ্রহনকরে। যাতেকরে সামান্য অসুস্থহলে লোকজনেরা এই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রথেকে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহনকরতে পারে। অপরদিকে এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানিয় জলের সমস্যারয়েছে বলে জাননা স্থামীয়রা। এখন দেখার বিষয় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনরায় চালু করতে প্রসাশন কিপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহনকরে।
তিন দিনের মাথায় নদী থেকে উদ্ধার হল রাকেশ শীলের মৃত দেহ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: এন ডি আর এফ, টিএসআর দ্বিতীয় ব্যাটেলিয়ন এবং এসডিআরএফ কর্মীদের টানা তিন দিনের অভিযানে রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ ঈশানচন্দ্রনগর স্কুল সংলগ্ন নদী থেকে উদ্ধার হয় মৃতদেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে আসে আমতলী থানার পুলিশ ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। রাকেশের পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।
ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী শিববাড়িতে দান বাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল গভীর রাতে সংঘটিত এই চুরির পুরো ঘটনাই ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়।শনিবার সকালে সেই ফুটেজের ভিত্তিতে মন্দির কমিটির সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। ধৃত ব্যক্তির নাম সুমন চক্রবর্তী,তার বাড়ি ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে ধর্মনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের বদলি করার প্রতিবাদে স্কুলে তালা! কমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজনীতি করছে কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষকরা!!সাবরুম উচ্চতার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সাবরুম শহরের একটি বনেদি স্কুল হিসেবে পরিচিত ছিল একটা সময় আজ সেই ঐতিহ্য হারাতে বসেছে কিছু শিক্ষক ও অভিভাবকদের কারণে। যে স্কুল ছিল শিক্ষাঙ্গনের সে স্কুলে আজ পুলিশ পাহারায় স্কুল চালাতে হচ্ছে। এমনই ঘটনা পরিলক্ষিত হয় শনিবার সকাল দশটা নাগাদ সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুল গেটে দেখা যায় তালা ঝুলানো। বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। সাথে কিছু অভিভাবকরাও জানা যায় সাব্রুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ইনচার্জ প্রণব দাস কে সম্প্রতি একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা দপ্তর থেকে তাকে সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয় তার বদলে সেখানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। কিন্তু ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের অঙ্গুলী হেলনে কিছু অভিভাবকদের ও কিছু শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিয়ে আজ স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রবাদী ওই নেতা বলে এমনটাই গুঞ্জন উঠছে সাব্রুম মহাকুমা জুড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে স্কুল চত্ত্বরে উপস্থিত হয় সাবরুম থানার পুলিশ ও সাবরুম মহকুমার দুইজন ডিসিএম কিন্তু দেখা যায় তারা ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝানোর চেষ্টা করলে এক চুনোপুটি বিজেপি নেতা টিংকু মজুমদার উল্টো চড়াও হয় dcm রতন দাস ও ডিসিএম মনোজ প্রভাকর পালের উপর এবং ওই রাষ্ট্রবাদী চুনোপুটি নেতা টিংকু মজুমদার খুব বাজে ব্যবহার করে দুই ডিসিএম এর সাথে। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলে আরো পুলিশ এবং মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্কুলের পেছনের গেট খুলে শিক্ষকদের প্রথমে প্রবেশ করানো হয় এবং পরবর্তী সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জানানো হয় যারা যারা ক্লাস করতে ইচ্ছুক তাদের স্কুলে প্রবেশ করার জন্য পেছনের গেট দিয়ে। সেই মোতাবেক এক এক করে দেখা যায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের ক্লাস রুমে উপস্থিত হয় এবং স্কুলের পঠন পাঠানো শুরু হয়। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন অভিভাবক পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনের পাশে আর কেউ না থাকায় চুপিসরে চাবি রেখে চলে যায় এবং পরবর্তী সময়ে মহকুমা প্রশাসন এবং পুলিশ চাবি নিয়ে স্কুলের প্রধান গেইটের তালা খুলে দেয়। জানা যায় শিক্ষা দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসকে যে স্কুলে ট্রান্সফার করা হয়েছে সেখানে তার দায়িত্ব পালন করার জন্য। এবং মহকুমা শাসক আদেশ দিয়েছেন dcm এর সাথে যারা অসভ্য আচরণ করেছেন তার বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সাবরুম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার !
নিজস্ব প্রতিনিধি:উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর থানা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। গত কয়েকদিনে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শুক্রবার ধারাবাহিক অভিযানে তিনটি পৃথক স্থান থেকে মোট ৬০টি সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব বাজার এলাকায় আজিম খানের বাড়ি থেকে ১৮টি,মধুবাড়ী রোডে টিটন পালের বাড়ি থেকে ২৭টি এবং রাগনা এলাকায় সালমা বেগমের বাড়ি থেকে আরও ১৫টি সিলিন্ডার উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের মধ্যে ২৬টি ভর্তি এবং ৩৪টি খালি।উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারগুলি মালিকানা যাচাইয়ের জন্য মহকুমা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে নেতৃত্ব দেন ধর্মনগর থানার ওসি মীনা দেববর্মা। পুলিশ জানিয়েছে,চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজে তদন্ত চলছে।
রুদ্র সাগর এলাকায় চাষীদের ফসল জলে প্লাবিত
নিজস্ব প্রতিনিধি:বোরো ধান কাটার উৎসব এবার অধরাই থেকে যেতে পারে রুদ্রসাগর পাড়ের কৃষকদের কাছে। বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রুদ্রসাগরের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। জল বেড়ে যাওয়ায় সাগর সংলগ্ন বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ধানখেত ডুবে গেছে জলের তলায়।কৃষকদের আশঙ্কা, জল নেমে গেলেও ফসল ঘরে তোলা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ দীর্ঘ সময় জলমগ্ন থাকার ফলে ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাবে এবং তা আর খাওয়ার উপযোগী থাকবে না।রুদ্রসাগরের চারপাশে অবস্থিত বটতলী, চন্দনমুড়া, রাঙ্গামুড়া, গ্রামতলী, কেমতলী, মায়ারানী সহ একাধিক গ্রামের প্রায় আড়াই হাজার কৃষক পরিবার এই পরিস্থিতিতে হতাশায় ভুগছেন।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সোনামুড়া-আগরতলা সড়কের বটতলী এলাকায় নির্মীয়মান সুইচ গেট ঘিরে তৈরি অস্থায়ী বাঁধের কারণেই বৃষ্টির জল তাদের জমিতে জমে যায়। সময়মতো যদি সেই বাঁধ খুলে দেওয়া হতো, তাহলে এই ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব ছিল বলে দাবি তাদের।উল্লেখ্য, অস্থায়ী বাঁধ খুলে দেওয়ার দাবিতে কৃষকরা বটতলী সুইচ গেট এলাকায় সোনামুড়া-আগরতলা সড়ক অবরোধ করেন। পরে সোনামুড়া থানার ওসির তত্ত্বাবধানে বাঁধটি খুলে দেওয়া হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। জমিতে জমে থাকা জলের কারণে ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়ে যায় অধিকাংশ ফসল।কৃষকদের বক্তব্য, এই জমিতে বছরে মাত্র একবারই চাষ করা হয়। ফলে এবারের বোরো ধানের ক্ষতি তাদের জন্য বড় ধাক্কা। তারা জানান, ধান সবে পাকতে শুরু করেছিল এবং ফলনও ভালো হওয়ার আশা ছিল। আর কয়েকদিন সময় পেলেই সেই ধান ঘরে তুলে নবান্নের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারতেন তারা।কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে, জল থেকে কষ্ট করে ধান কেটে আনলেও তা আদৌ খাওয়ার উপযোগী থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তায় ভুগছেন কৃষকরা।
সরকারি হাসপাতালের প্রবেশ পথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন!প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের প্রবেশপথে বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ঊনকোটি হসপিটাল-এর বিজ্ঞাপনের ব্যানার ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।জানা গেছে,বিষয়টি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি করে ব্যানারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। তবে সরানোর আগেই সেই বিজ্ঞাপনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই বিষয়ে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ভাস্কর দাস জানান,সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন,কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যানারগুলি লাগানো হয়েছিল।
বর্ষা আসার পর বাধ সারাই করতে মনে হয়! বললেন কৈলাসহরের বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা
নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণে কৈলাসহর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। মনু নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় গৌরনগর ব্লকের লাঠিয়াপুরা এলাকায় ৬২ নম্বর গেইট সংলগ্ন বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা ও অন্যান্যরা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাটি ভর্তি বস্তা ও সিমেন্টের ব্লক ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, স্থায়ী সমাধান জরুরি। পরিদর্শন শেষে বিধায়ক বলেন, “বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করা প্রয়োজন। শুধু বালুর বস্তা দিয়ে এই সমস্যা সমাধান হবে না।”
Advertisements
Ad 1
Ad 2
Ad 3
Ad 4
Top News
View All →ধর্মনগর উপ নির্বাচনে বিজেপি জয়ী প্রার্থীকে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন
দীর্ঘদিনধরে তালাবন্ধী হয়ে আছে পিতরাই পাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র!
তিন দিনের মাথায় নদী থেকে উদ্ধার হল রাকেশ শীলের মৃত দেহ!
ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী শিববাড়িতে দান বাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য!
শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে
Latest Post
বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির
নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের মহাকাব্যদ্বয় থেকে একটা চিরন্তন সত্য প্রবাদ রয়েছে " অতি দর্পে হত লঙ্কা এবং গৃহশত্রু বিভীষনের প্রভাব বাংলায় সদ্য নির্বাচনের ফলাফলে আবারও চির সত্য বলে বিবেচিত হলো " । পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, এস আই আর কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০ শতাংশ প্রশাসনিক ও সৈনিক বলের আপ্রাণ চেষ্টার ফলও বঙ্গ বিজয়ে গুরুতর ভূমিকা নিয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই । তবে , বঙ্গ বিজয়ে সাবেক তৃণমূল সরকারের কিছু কিছু মন্ত্রী সন্ত্রীর আর্থিক ও প্রশাসনিক দূর্নীতি যে সহায়তা করেনি বিশুদ্ধ বিজেপি নেতাও অস্বীকার করতে সক্ষম হবেনা । ১৫ বছরের প্রশাসন বিরোধী বাস্তবতায় কাল বৈশাখীর ঝড় যে রয়েছে তাহা নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরুতেই রীতিমতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল । কথায় আছে জয়কালে ক্ষয় নেই , আর মরণকালে ঔষধ নেই । তাবড় তাবড় মন্ত্রীগণ ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী এবং স্ব বিরোধী অর্থনৈতিক ঘোটালার স্বীকার হয়েছে এতে দ্বিমত থাকার কথা নয় । প্রশাসনিক ও আর্থিক ঘোটালায় ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের প্রধান ও প্রশাসন বেসামাল হয়ে গিয়েছিল তাতেও কোন সন্দেহ নেই । শেষের দিকে সুতো বাছতে গিয়ে কম্বল খালি হয়ে যাওয়ার অবস্থায় নিমজ্জিত হয়েছিল মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার । বিজেপির স্ট্যাটেজিক পয়েন্ট ছিল ২০২১ এর পূর্ব লগ্নে বেশ কিছু সংখ্যক তৃণমূলের মন্ত্রী সমেত প্রথম সারির নেতৃত্বকে প্রলুব্ধ করে নিজের নারদার আতঙ্কে বিজেপির তোষন। যদিও স্বউক্তি ছিল তিনি ২০০৯ সাল থেকে বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও তৎসময়ে সর্ব ভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহজির সাথে চুপকি চুপকি সংযোগ । বঙ্গে পরিবর্তনের দমকা হাওয়া অনেক দিন থেকেই বইছিল । অবশ্য মাননীয়া বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক পরিকল্পনা মন্ত্রী সভার অস্তিত্বকে অনেকটা সচল রেখেছিল । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য লক্ষ্মীর ভান্ডার মাসে ১৫০০ টাকা ( সাধারণের জন্য ) এবং অনগ্রসরদের জন্য ( মাসে ) ১৭০০ টাকা । অবশ্য বিশ্বগুরু , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমেত সর্বস্তরের বিজেপি নেতৃত্ব মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের অঙ্গীকার একটা অন্যতম জয়ের মাইলস্টোন এতে সন্দেহ নেই । তবে , ক্ষমতায় এলে বঙ্গে মাসে ৩০০০ টাকা অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ত্রিপুরাবাসিও উল্লসিত বটে । কেননা ত্রিপুরায় যেহেতু বিজেপি সরকার বঙ্গে ধনুর ভাঙা পন অন্নপূর্ণা ভাতা ৩০০০ টাকা ত্রিপুরায় ও প্রচলিত হতে চলছে । অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজি ৭ ম পে কমিশনের লাগু করায় অঙ্গীকার বদ্ধ যা ভাষনে ব্যক্ত করেছেন।যদিও বর্তমানে ৮ ম পে কমিশনের সুযোগ সুবিধার প্রাপ্য বঙ্গের কর্মচারীবৃন্দ । আরও শতশত অঙ্গীকারে পর্যবসিত বঙ্গের জনগন । কোনটা ছেড়ে কোনটা ব্যক্ত করবো বুঝে উঠতে পারা ভার । যাকে বলা যায় ত্রিপুরার ভীষন ডকুমেন্ট এর ন্যায় উন্নয়নের পোক্ত সিঁড়ির বন্দোবস্ত রয়েছে বঙ্গে নূতন বিজেপি সরকারের স্থাপত্যে । বিধাতার বিচারে চিরসত্য সৃষ্টির পরিসমাপ্তি অবশ্যম্ভাবী । দুদিন আগে আর পরে । আজকে কিছু কিছু অনৈতিক ঘটনা অতি উৎসাহে ক্ষতিকারক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে যা সচরাচর হয়ে থাকে । তবে , উৎসবের সুর সর্বদা বজায় থাকেনা এটাই চিরসত্য । মন্ত্রী সভার শপথ থেকে আকাশচুম্বী উন্নয়নের ডালি পূর্ণতা বহন করবে না শুরুতেই হতাশার কড়াল প্রবাহ প্রবর্তিত হবে সেটা ভবিষ্যত বলবে ।যদিও বঙ্গ সমেত আমরা সবাই গঠন মূলক অগ্রগতিতে প্রত্যাশী। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়াল আগ্রাসন ।অপরদিকে মাইনরিটি ভোটের বিভাজনে বঙ্গে ধরাশায়ী তৃণমূল । উপরন্তু নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতায় আশঙ্কা সমেত এস আই আরের আক্রোশে প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের ভোটার লিস্ট চ্যুত । সব মিলিয়ে বিরোধী শক্তির বঙ্গে ইন্দ্র পতনে ভীষন ধাক্কা এতেও সন্দেহ নেই ।যদিও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী গণনায় অব্যবস্থায় কাউন্টিং এজেন্টের উপর অপ্রত্যাশিত হামলার অজুহাতে কাউন্টিং হল থেকে বেড়িয়ে যাওয়ায় স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ লগ্নে গননা কেন্দ্রে গিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি । ভবানীপুরে ও তৃণমূলের বিসর্জন মানতে হচ্ছে ।যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেড়িয়ে যাওয়ার পথে ওনাকেও শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। বঙ্গে তৃণমূল অধ্যায়ের আপাতত সমাপ্তি । এখন দেখার বঙ্গে ডক্টর শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ভূমিতে বিজেপি অঙ্গীকার সমেত অগ্রগতি ও শান্তির বাতাবরণে ভূষিত হবে কিনা বাংলা ।
Trending Now

হজ কমিটির চেয়ারম্যান জসীম উদ্দীনের উপরে প্রানঘাতী হামলা

সোনামুড়ায় কোভিডের বিরুদ্ধে মানব সেবায় টিম সুূদীপের মনাবসেবা অব্যাহত

বিএইচএমএসের নতুন কমিটির গঠন

রীতা দেবীর জন্য ভগবান এখন সুদীপ

প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে আপত্তিকর ম্নতব্য, থানায় মামলা সপ্তর্শির নেতৃত্বে ৮ টাউন বড়দোয়ালী যুব মোর্চার

রাজনৈতিক চকচকান পেতে পাপিয়া দিদিকে রুখা যাবেনা, গ্রামিণ মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর হুশিয়ার বামগ্রেসকে

অজগর সাপ উদ্ধার

ভাটি অভয়নগর মোল্লা পাড়ায় ইফতার সামগ্রী তোলে দিয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন
ভারত ও বাংলার সীমানা ভেদ করলো নুসরাত ও যতনের ভালোবাসা

রাজনীতি ছেড়ে সবাইকে জনতার সেবায় উদ্ভুত হওয়ার আহ্বান জানালেন এস সি মোর্চার প্রদেশ সভাপতি টুটন দাস
Video News
Watch All →তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
জনতার দুয়ারে জননেতা রাম প্রসাদ পাল
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী দেবদাস বকসীর
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে মজবুত করবে: রানা ঘোষ
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থার়
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
জয় হবে রেকর্ড ভোটে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।
Ad. Videos
News by Category
বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির
নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের মহাকাব্যদ্বয় থেকে একটা চিরন্তন সত্য প্রবাদ রয়েছে " অতি দর্পে হত লঙ্কা এবং গৃহশত্রু বিভীষনের প্রভাব বাংলায় সদ্য নির্বাচনের ফলাফলে আবারও চির সত্য বলে বিবেচিত হলো " । পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, এস আই আর কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০ শতাংশ প্রশাসনিক ও সৈনিক বলের আপ্রাণ চেষ্টার ফলও বঙ্গ বিজয়ে গুরুতর ভূমিকা নিয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই । তবে , বঙ্গ বিজয়ে সাবেক তৃণমূল সরকারের কিছু কিছু মন্ত্রী সন্ত্রীর আর্থিক ও প্রশাসনিক দূর্নীতি যে সহায়তা করেনি বিশুদ্ধ বিজেপি নেতাও অস্বীকার করতে সক্ষম হবেনা । ১৫ বছরের প্রশাসন বিরোধী বাস্তবতায় কাল বৈশাখীর ঝড় যে রয়েছে তাহা নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরুতেই রীতিমতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল । কথায় আছে জয়কালে ক্ষয় নেই , আর মরণকালে ঔষধ নেই । তাবড় তাবড় মন্ত্রীগণ ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী এবং স্ব বিরোধী অর্থনৈতিক ঘোটালার স্বীকার হয়েছে এতে দ্বিমত থাকার কথা নয় । প্রশাসনিক ও আর্থিক ঘোটালায় ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের প্রধান ও প্রশাসন বেসামাল হয়ে গিয়েছিল তাতেও কোন সন্দেহ নেই । শেষের দিকে সুতো বাছতে গিয়ে কম্বল খালি হয়ে যাওয়ার অবস্থায় নিমজ্জিত হয়েছিল মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার । বিজেপির স্ট্যাটেজিক পয়েন্ট ছিল ২০২১ এর পূর্ব লগ্নে বেশ কিছু সংখ্যক তৃণমূলের মন্ত্রী সমেত প্রথম সারির নেতৃত্বকে প্রলুব্ধ করে নিজের নারদার আতঙ্কে বিজেপির তোষন। যদিও স্বউক্তি ছিল তিনি ২০০৯ সাল থেকে বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও তৎসময়ে সর্ব ভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহজির সাথে চুপকি চুপকি সংযোগ । বঙ্গে পরিবর্তনের দমকা হাওয়া অনেক দিন থেকেই বইছিল । অবশ্য মাননীয়া বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক পরিকল্পনা মন্ত্রী সভার অস্তিত্বকে অনেকটা সচল রেখেছিল । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য লক্ষ্মীর ভান্ডার মাসে ১৫০০ টাকা ( সাধারণের জন্য ) এবং অনগ্রসরদের জন্য ( মাসে ) ১৭০০ টাকা । অবশ্য বিশ্বগুরু , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমেত সর্বস্তরের বিজেপি নেতৃত্ব মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের অঙ্গীকার একটা অন্যতম জয়ের মাইলস্টোন এতে সন্দেহ নেই । তবে , ক্ষমতায় এলে বঙ্গে মাসে ৩০০০ টাকা অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ত্রিপুরাবাসিও উল্লসিত বটে । কেননা ত্রিপুরায় যেহেতু বিজেপি সরকার বঙ্গে ধনুর ভাঙা পন অন্নপূর্ণা ভাতা ৩০০০ টাকা ত্রিপুরায় ও প্রচলিত হতে চলছে । অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজি ৭ ম পে কমিশনের লাগু করায় অঙ্গীকার বদ্ধ যা ভাষনে ব্যক্ত করেছেন।যদিও বর্তমানে ৮ ম পে কমিশনের সুযোগ সুবিধার প্রাপ্য বঙ্গের কর্মচারীবৃন্দ । আরও শতশত অঙ্গীকারে পর্যবসিত বঙ্গের জনগন । কোনটা ছেড়ে কোনটা ব্যক্ত করবো বুঝে উঠতে পারা ভার । যাকে বলা যায় ত্রিপুরার ভীষন ডকুমেন্ট এর ন্যায় উন্নয়নের পোক্ত সিঁড়ির বন্দোবস্ত রয়েছে বঙ্গে নূতন বিজেপি সরকারের স্থাপত্যে । বিধাতার বিচারে চিরসত্য সৃষ্টির পরিসমাপ্তি অবশ্যম্ভাবী । দুদিন আগে আর পরে । আজকে কিছু কিছু অনৈতিক ঘটনা অতি উৎসাহে ক্ষতিকারক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে যা সচরাচর হয়ে থাকে । তবে , উৎসবের সুর সর্বদা বজায় থাকেনা এটাই চিরসত্য । মন্ত্রী সভার শপথ থেকে আকাশচুম্বী উন্নয়নের ডালি পূর্ণতা বহন করবে না শুরুতেই হতাশার কড়াল প্রবাহ প্রবর্তিত হবে সেটা ভবিষ্যত বলবে ।যদিও বঙ্গ সমেত আমরা সবাই গঠন মূলক অগ্রগতিতে প্রত্যাশী। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়াল আগ্রাসন ।অপরদিকে মাইনরিটি ভোটের বিভাজনে বঙ্গে ধরাশায়ী তৃণমূল । উপরন্তু নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতায় আশঙ্কা সমেত এস আই আরের আক্রোশে প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের ভোটার লিস্ট চ্যুত । সব মিলিয়ে বিরোধী শক্তির বঙ্গে ইন্দ্র পতনে ভীষন ধাক্কা এতেও সন্দেহ নেই ।যদিও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী গণনায় অব্যবস্থায় কাউন্টিং এজেন্টের উপর অপ্রত্যাশিত হামলার অজুহাতে কাউন্টিং হল থেকে বেড়িয়ে যাওয়ায় স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ লগ্নে গননা কেন্দ্রে গিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি । ভবানীপুরে ও তৃণমূলের বিসর্জন মানতে হচ্ছে ।যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেড়িয়ে যাওয়ার পথে ওনাকেও শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। বঙ্গে তৃণমূল অধ্যায়ের আপাতত সমাপ্তি । এখন দেখার বঙ্গে ডক্টর শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ভূমিতে বিজেপি অঙ্গীকার সমেত অগ্রগতি ও শান্তির বাতাবরণে ভূষিত হবে কিনা বাংলা ।
May 4th, 2026আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের
নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া ও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। কিছু জেলায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকালখোয়াই ও পশ্চিম জেলায় এক বা দুই স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার গতি ৬০–৮০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া এবং ৭–২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।তেমনি, ৩০ এপ্রিল এবং ১ মে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া (৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা) বয়ে যেতে পারে। উত্তর, ঊনকোটি, ধলাই, খোয়াই ও পশ্চিম জেলায় ৭–২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে ৭–১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে না বেরোনো, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে দূরে থাকার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে। নিম্নাঞ্চলে জল জমার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকেও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
April 28th, 2026কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা অন্তর্গত জোলাইবাড়ী পশ্চিম পিলাক কলনি এলাকায় রবিবার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। হঠাৎ করে আছড়ে পড়া ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে বাড়িঘর, রাস্তা এবং যানবাহনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোথাও বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের উপর গাছ পড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম পিলাক কলনি বাজার এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে, জোলাইবাড়ী থেকে বিলোনিয়া যাওয়ার পথে TR 08 0592 নম্বরের একটি ইকো গাড়ির উপর আচমকাই একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। গাড়ির চালক জানান, দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলে এখনও পৌঁছেনি । পরে জোলাইবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পাশাপাশি খবর পেয়ে জোলাইবাড়ী থানার পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে জোরকদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন।
April 26th, 2026বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিগত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে হিংস্র বানরের উৎপাত নিরসন করার কোন প্রতিকার বনদপ্তর নিচ্ছে না। বিশেষ করে সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাঞ্চলে কাঠালিয়া ব্লক, এই ব্লক এলাকার ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া যে সমস্ত গ্রামীণ পরিবেশগুড়ি বসবাস করে তাদের বাড়িঘরে এবং কৃষি জমিগুলি যে বানরের খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত সকাল -বিকেল দলে দলে বানরের আনাগোনা চলছে। এছাড়াও বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে ও উপদ্রব চালায় খাদ্য সংগ্রহের জন্য বানরের দল। সংবাদকর্মীকে কাছে পেয়ে একান্ত সাক্ষাতে কালী কৃষ্ণনগর পঞ্চায়েত এলাকার রাজেন্দ্রটিলা গ্রামের একাধিক কৃষক তাদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন, একই অবস্থা ভবানীপুর, নিদয়া, দক্ষিণ মহেশপুর, উত্তর মহেশপুর সহ আরো বহু গ্রামীণ এলাকায় প্রতিনিয়ত বানরের উৎপাত বেড়েই চলছে। এই নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারের প্রতি, বনদপ্তরের প্রতি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ! প্রথমত, বসত বাড়িতে কোন সবজি করা যায় না, কোন ফসল ফলানো যায় না, বর্তমানে বোরো ধানের শীষ তুলে , তুলে খেয়ে ফেলেছে বানরের দল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কালি কৃষ্ণনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজেন্দ্র টিলা গ্রামের পরিবারগুলি। মানুষ ভাবছে, এই অবস্থা কিভাবে সমাধান হবে! বনদপ্তরের কর্মী রয়েছে কাঠালিয়া রেঞ্জ অফিসে বেশ কয়েকজন, এই নিয়ে দফায় দফায় তাদের জিজ্ঞাসা করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সঠিক কোন উত্তর পাচ্ছিনা। অথচ রাজ্যে বিগত সরকারের আমলে বানরের উৎপাত নিরসনের জন্য বিভিন্ন রকম ফটকাবাজি ব্যবহার উদ্যোগ গ্রহণ করত বনদপ্তরের কর্মীরা। এখন আর এই সুযোগ ও মিলছে না বনদপ্তরের কাছ থেকে। কাজেই ক্ষতিগ্রস্ত কিছু কিছু পরিবারের আত্মচিৎকারে অনেক সময় মানুষ সরকারের প্রতি ভীষণ অসন্তোষ হয়ে সংবাদকর্মীদের কাছে পেয়ে এই সমস্ত বিষয়গুলি জানান দিতে চাইছেন। বানরের উৎপাত শুধু একদিনের বিষয় নয়! বিগত কয়েক বছর ধরে এই জাতীয় বানরের অত্যাচার চলছে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণাঞ্চলে।
April 23rd, 2026ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী শিববাড়িতে দান বাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল গভীর রাতে সংঘটিত এই চুরির পুরো ঘটনাই ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়।শনিবার সকালে সেই ফুটেজের ভিত্তিতে মন্দির কমিটির সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। ধৃত ব্যক্তির নাম সুমন চক্রবর্তী,তার বাড়ি ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে ধর্মনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
May 2nd, 2026হজের যাত্রীদের শুভেচ্ছা বিনিময় জসীম উদ্দীনের
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা থেকে হজযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যের হজযাত্রীরা। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা রাজ্য হজ কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ বছর মোট ৭৪ জন হজযাত্রী—এর মধ্যে ৫৫ জন পুরুষ ও ১৯ জন মহিলা—আগামীকাল সকালে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সেখান থেকেই তারা পবিত্র হজযাত্রায় অংশ নেবেন।এই উপলক্ষে আজ আগরতলা হজ ভবনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা মাইনরিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জসীমউদ্দীন, মাইনরিটি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মবস্বর আলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয় এবং তাদের নিরাপদ ও সফল যাত্রা কামনা করা হয়। এদিকে, হজযাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
April 19th, 2026বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি
নিজস্ব প্রতিনিধি: পাঁচ শতাধিক রোজাদারকে ইফতার পার্টিতে শামিল করে বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি। বুধবার ইন্দ্রনগর গাউছিয়া সমিতি মসজিদ প্রাঙ্গনে "বাগে হুদা" দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয় এই ইফতার পার্টি। যেখানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এদিন এই ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিল আগরতলার গাউছিয়া সমিতি। ইফতার পার্টিতে ৫ শতাধিক ধর্মপ্রাণ রোজাদার অংশগ্রহণ করেন এবং একসাথে ইফতার করেন। ইফতারের আগে তারা মোনাজাত তুলে বিশ্ব শান্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া পাঠ করেন। ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে শিশু থেকে শুরু করে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য নিয়ছিল।নজরুল ইসলাম কাদরী, ইমাম গাউছিয়া জামে মসজিদের বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করলেন ।
February 25th, 2026আগরতলা কেন্দ্রীয় টাউন জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় ইফতার অনুষ্ঠিত হয়ে
নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের রমজান মাসের প্রথম রোজার ইফতার। এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫:২৬ মিনিটে মাগরিব নামাজের আযানের সাথে ইফতারের মাধ্যমে দিনের রোজা ভাঙ্গেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। রাজ্যের সর্বত্রই মসজিদ এবং বাড়ি ঘরে ইফতারের অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখার পর তারাবির নামাজের মাধ্যমে রমজানের সংযমের পর্ব শুরু করেছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ভোর রাতে সেহরি খাবার খেয়ে তারা দিনের রোজা শুরু করেন। দিনভর অনাহার এবং পানাহারের পাশাপাশি সমস্ত পাপকর্ম বর্জনের মধ্য দিয়েই রোজার পূর্ণতা বলে জানিয়েছেন রোজাদাররা। রোজাদাররা দৈহিক মানসিক এবং আত্মিক পরিশুদ্ধতার মধ্য দিয়ে আল্লাহর এবাদত করার চেষ্টা করেন। এক মাস ব্যাপী রমজান শেষে অনুষ্ঠিত হবে খুশির ঈদুল ফিতর।
February 19th, 2026ধর্মনগর উপ নির্বাচনে বিজেপি জয়ী প্রার্থীকে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপি প্রার্থী জহর চক্রবর্তীর বিপুল জয়ের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ধর্মনগরবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মনগরের জনগণ যে আস্থা ও সমর্থন বিজেপির ওপর রেখেছেন, তার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন, এই বিপুল জনসমর্থন সরকারকে আরও দায়বদ্ধ করে তুলেছে এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার প্রেরণা জোগাবে।ডাঃ সাহা আরও জানান, ধর্মনগরের সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও অগ্রগতিকে সামনে রেখে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। সকলকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের এই যাত্রা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
May 4th, 2026রুদ্র সাগর এলাকায় চাষীদের ফসল জলে প্লাবিত
নিজস্ব প্রতিনিধি:বোরো ধান কাটার উৎসব এবার অধরাই থেকে যেতে পারে রুদ্রসাগর পাড়ের কৃষকদের কাছে। বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রুদ্রসাগরের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। জল বেড়ে যাওয়ায় সাগর সংলগ্ন বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ধানখেত ডুবে গেছে জলের তলায়।কৃষকদের আশঙ্কা, জল নেমে গেলেও ফসল ঘরে তোলা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ দীর্ঘ সময় জলমগ্ন থাকার ফলে ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাবে এবং তা আর খাওয়ার উপযোগী থাকবে না।রুদ্রসাগরের চারপাশে অবস্থিত বটতলী, চন্দনমুড়া, রাঙ্গামুড়া, গ্রামতলী, কেমতলী, মায়ারানী সহ একাধিক গ্রামের প্রায় আড়াই হাজার কৃষক পরিবার এই পরিস্থিতিতে হতাশায় ভুগছেন।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সোনামুড়া-আগরতলা সড়কের বটতলী এলাকায় নির্মীয়মান সুইচ গেট ঘিরে তৈরি অস্থায়ী বাঁধের কারণেই বৃষ্টির জল তাদের জমিতে জমে যায়। সময়মতো যদি সেই বাঁধ খুলে দেওয়া হতো, তাহলে এই ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব ছিল বলে দাবি তাদের।উল্লেখ্য, অস্থায়ী বাঁধ খুলে দেওয়ার দাবিতে কৃষকরা বটতলী সুইচ গেট এলাকায় সোনামুড়া-আগরতলা সড়ক অবরোধ করেন। পরে সোনামুড়া থানার ওসির তত্ত্বাবধানে বাঁধটি খুলে দেওয়া হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। জমিতে জমে থাকা জলের কারণে ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়ে যায় অধিকাংশ ফসল।কৃষকদের বক্তব্য, এই জমিতে বছরে মাত্র একবারই চাষ করা হয়। ফলে এবারের বোরো ধানের ক্ষতি তাদের জন্য বড় ধাক্কা। তারা জানান, ধান সবে পাকতে শুরু করেছিল এবং ফলনও ভালো হওয়ার আশা ছিল। আর কয়েকদিন সময় পেলেই সেই ধান ঘরে তুলে নবান্নের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারতেন তারা।কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে, জল থেকে কষ্ট করে ধান কেটে আনলেও তা আদৌ খাওয়ার উপযোগী থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তায় ভুগছেন কৃষকরা।
May 2nd, 2026বর্ষা আসার পর বাধ সারাই করতে মনে হয়! বললেন কৈলাসহরের বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা
নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণে কৈলাসহর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। মনু নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় গৌরনগর ব্লকের লাঠিয়াপুরা এলাকায় ৬২ নম্বর গেইট সংলগ্ন বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা ও অন্যান্যরা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাটি ভর্তি বস্তা ও সিমেন্টের ব্লক ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, স্থায়ী সমাধান জরুরি। পরিদর্শন শেষে বিধায়ক বলেন, “বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করা প্রয়োজন। শুধু বালুর বস্তা দিয়ে এই সমস্যা সমাধান হবে না।”
April 29th, 2026প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে , খোলা থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : মুখ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও আপাতত ত্রিপুরায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্কুল ও কলেজ খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আজ বিকেল সাড়ে চারটায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা।বৈঠকে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি সব দপ্তরকে জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন।তিনি বলেন, সম্ভাব্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় সব দপ্তরকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে সক্রিয় রাখা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জেলা প্রশাসন, ত্রিপুরা স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থা দ্রুত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।এদিকে, লংতরাই ভ্যালি এলাকায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী নিহতের পরিবারের জন্য দ্রুত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।
April 29th, 2026তিন দিনের মাথায় নদী থেকে উদ্ধার হল রাকেশ শীলের মৃত দেহ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: এন ডি আর এফ, টিএসআর দ্বিতীয় ব্যাটেলিয়ন এবং এসডিআরএফ কর্মীদের টানা তিন দিনের অভিযানে রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ ঈশানচন্দ্রনগর স্কুল সংলগ্ন নদী থেকে উদ্ধার হয় মৃতদেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে আসে আমতলী থানার পুলিশ ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। রাকেশের পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।
May 3rd, 2026ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার !
নিজস্ব প্রতিনিধি:উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর থানা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। গত কয়েকদিনে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শুক্রবার ধারাবাহিক অভিযানে তিনটি পৃথক স্থান থেকে মোট ৬০টি সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব বাজার এলাকায় আজিম খানের বাড়ি থেকে ১৮টি,মধুবাড়ী রোডে টিটন পালের বাড়ি থেকে ২৭টি এবং রাগনা এলাকায় সালমা বেগমের বাড়ি থেকে আরও ১৫টি সিলিন্ডার উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের মধ্যে ২৬টি ভর্তি এবং ৩৪টি খালি।উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারগুলি মালিকানা যাচাইয়ের জন্য মহকুমা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে নেতৃত্ব দেন ধর্মনগর থানার ওসি মীনা দেববর্মা। পুলিশ জানিয়েছে,চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজে তদন্ত চলছে।
May 2nd, 2026ফের একবার পুলিশ এবং বিএসএফের সাফল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার গভীর রাতে সোনামুড়া থানাধীন চারটি পৃথক স্থান কোলুবাড়ি, N.C Nagar, দুর্গাপুর, এবং শ্রীমন্তপুর ভারত বাংলা সীমান্তের গভীর জঙ্গল থেকে বিএফএফ 81 নং বাহিনী জোয়ানরা এবং সোনামুড়া থানার পুলিশ মিলে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁজা, ১৩০ টি নেশা জাতীয় Wskuf সিরাপ, এবং চার হাজার (৪০০০) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ভুল ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশ পার করার জন্য এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলোকে মজুদ করা হয়েছিল। সঠিক সময়ে পুলিশ এবং বিএসএফের অভিযানে মাদক দ্রব্য পাচারকারীদের চোরা চালান ভেস্তে যায়। এক সাক্ষাৎকারে সুনামুরা থানার ওসি তাপস দাস জানান উদ্ধারকৃত এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলির বাজার মূল্য আনুমানিক সারা আট লক্ষ টাকা হবে। এবং পুলিশ তদন্ত করে দেখছে কে বা কাহারা এই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত এবং কারা এই মাদকদ্রব্য গুলি সীমান্তবর্তী এলাকায় লুকিয়ে রেখেছিল।
April 27th, 2026তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গোমতী ত্রিপুরার করবোক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ি ব্লকের বেলতলী এলাকায় তারকাটার ভেতরে কাজ করতে গিয়ে গুরুতর জখম হলেন গুধানবাবু ত্রিপুরা (২৮) নামে এক যুবক। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জুম চাষের কাজে তিনি সীমান্তঘেঁষা তারকাটার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই হঠাৎ এই বিপত্তি ঘটে এবং তার হাতে গভীর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। আহত যুবকের পিতার নাম ললিত মোহন ত্রিপুরা।ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বাংলাদেশের দিক থেকে কেউ এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামের কিছু মানুষের মতে, স্থানীয়দের মধ্যে পুরনো বিবাদ বা সদ্য সমাপ্ত রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
April 24th, 2026উৎসবের আমেজে মেলাঘর বাজারে ইলিশের দাপট বনাম ক্রেতার পকেট
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মেলাঘরের মাছ ও মাংসের বাজারে আজ উপচে পড়া ভিড়। উৎসবের আমেজে ইলিশের জয়জয়কার থাকলেও, দাম নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ভোর থেকেই মেলাঘর বাজারের আকাশ-বাতাস মুখরিত বিক্রেতাদের হাঁকডাকে। পহেলা বৈশাখ মানেই পাতে এক টুকরো ইলিশ আর পছন্দের মাংস। তাই আজ সকাল থেকেই মাছ ও মাংসের দোকানে তিল ধারণের জায়গা নেই। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ বাজারে রুপালি ইলিশের দাপট চোখে পড়ার মতো। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।দাম নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও বাঙালির উৎসবের জোয়ারে তা যেন কিছুটা ম্লান। পকেটে টান পড়লেও ঐতিহ্যের টানে খালি হাতে ফিরছেন না কেউ। সাধ্য আর সাধের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হচ্ছে বাঙালির উৎসব প্রিয়তারই।মেলাঘর বাজারের এই ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে, দামের ঊর্ধ্বগতি উৎসবের আনন্দকে দমাতে পারেনি। নতুন বছর সবার জন্য সুখের হোক
April 15th, 2026আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি:বসন্তের রঙিন উৎসব হোলির আনন্দে মাতোয়ারা সবাই । অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে রবীন্দ্র ভবনের আম্র কুঞ্জে রাজ্য ভিত্তিক দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা ভিম্ভিশ্বর ভট্টাচার্য, এডভাইজারী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন , দোল উৎসব ঐতিহ্যপূর্ণ একটি উৎসব ।হৃদয়ের মলিনতা কাটিয়ে বাহারি রঙ লাগিয়ে সৌভ্রত্বের বার্তা বহন করে দোল উৎসব। বর্তমান সরকার এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতি ও জনজাতি মৈত্রীর পরিবেশ মজবুত করে চলছে । পাশাপাশি সমগ্র রাজ্যবাসীকে দোল উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন মেয়র দীপক মজুমদার।
March 10th, 2026পুর নিগমে ভাইফোঁটা উদযাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাইফোঁটা একটি পবিত্র বন্ধন। হিন্দু সনাতনীদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উৎসব বলা যায়।তবে ,সময়ের সাথে সাথেই ভাইফোঁটার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে।এখন কেবলমাত্র হিন্দুদের মধ্যেই সীমিত নেই ।উভয় সম্প্রদায়ের কাছে এখন পবিত্রতার প্রতীক।শুক্রবার আগরতলা পুর নিগমের মেয়রের অফিসে ভাইফোঁটা পালিত হয়েছে।পুর নিগমের মহিলা কর্পোরেটর বোনেরা পবিত্র বন্ধন দিয়ে ভাইদের কপালে ফোটা দিয়েছেন ।উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস ,সেন্ট্রাল জোন চেয়ারম্যান রত্না দত্ত প্রমুখ ।মেয়র দীপক মজুমদার বোনদের আশীর্বাদ ও সুরক্ষার জন্য আজন্ম পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন।তিনি বলেন, রাজনীতির বাইরে ভাই বোনেদের বন্ধন । পৃথিবীর সব ভাই বোনরা এমনভাবেই পবিত্র বন্ধন নিয়ে বেঁচে থাকুক আশাবাদী মেয়র দীপক মজুমদার।
October 24th, 2025নিউজ টপ লিংকের স্বদেশী জাগরনের ভাবনায় আপ্লুত মৈত্রী দেব ( দত্ত )
নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোকাল ফর লোকাল এটি একটি স্লোগান নয় ।একটা আবেগ ও অনুভূতি ।গোটা দেশের মানুষের মধ্যে স্বরাজ ও স্বদেশী ভাবনার প্রসারের মাইলস্টোন । স্বদেশী ভাবনার প্রসারের লক্ষ্যে নিউজ টপ লিংক ওয়েব মিডিয়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা কাঁধে তুলে নিয়েছেন। রাজ্যের মধ্যে প্রথম কোন সংবাদ মাধ্যম মাটির প্রদীপ সকলের মধ্যে বিতরন করার জন্য এগিয়ে এসেছেন । ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রাজ্যের শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যা তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী মৈত্রী দেব ( দত্তের ) হাতেও মাটির প্রদীপ তোলে দিলেন সংস্থার কর্ণধার দীপঙ্কর দেব ।মৈত্রী দেব বলেন ,সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে মিডিয়ার এই উদ্যোগ সময় উপযোগী ও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে সমাজে ।
October 21st, 2025বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলাগামী বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ! বাগডোগরা বিমানবন্দরে এখন সেই বিমানে উঠতে নারাজ যাত্রীরা!৮১ জন যাত্রী নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট নাম্বার ২৮৯২ আগরতলা যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বিমানে গলযোগ দেখা দেয়। বিমানকর্মীরা টানা দেড় ঘন্টা সময় যাত্রীদের বসিয়ে রাখে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। বিমানের ভেতর এসি পরিষেবা ছিল বন্ধ। শেষ পর্যন্ত যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে কর্মীরা অন্য কোন ফ্লাইট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন। ঘটনা বাগডোগরা এয়ারপোর্টে।
April 3rd, 2026যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।
March 12th, 2026যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।
March 12th, 2026কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সাম্প্রতিক আক্রমণের প্রতিবাদে চলা কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে কিছু বিধর্মী উশৃঙ্খল যুবক মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ পণ্য আদান-প্রদান জোরপূর্বক বন্ধ করার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতা ও আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী সংগঠনের হস্তক্ষেপে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।ঊনকোটি জেলা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি গৌরাচাঁদ অধিকারী জানান, মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে চালু রয়েছে এবং কেবলমাত্র ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস উপলক্ষে একদিন কাজ বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও আইনের আওতায় পরিচালিত হয়, যা জোরপূর্বক বন্ধ করার ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নেই।তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে একটি চক্রান্তের মাধ্যমে বাণিজ্য বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে, যার ফলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জীবিকা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমানে মনু ল্যান্ড কাস্টমসে বিএসএফ, কাস্টমস ও পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে কৈলাসহর থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
December 28th, 2025অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী
নিজস্ব প্রতিনিধি:গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বর্তমান সরকারের আমলে নারী দিবস এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । নারীরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে গুরুদায়িত্ব পালন করে চলছেন । রাজ্যেও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান হয়েছে । ত্রিপুরার ওয়েব মিডিয়ার জগতে নিরলস প্রচেষ্টায় সংবাদ মাধ্যম হিসাবে নিরপেক্ষ ভূমিকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিউজ টপ লিংক আয়োজিত অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে বিশিষ্ট নারীদের । এই তালিকায় রাজ্যের অত্যন্ত সুপরিচিত সমাজসেবী ঊষা বাজার ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তীর সহ ধর্মীনি সোমা চক্রবর্তীকেও নারী সম্মাননা প্রদান করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দীপঙ্কর দেব । উল্লেখ্য , সোমা চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ২০১৫ সালে বিজেপির টিকিটে পুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সময় প্রদেশ বিজেপি মহিলা মোর্চার কোষাধ্যক্ষ হিসাবেও ব্যাপক সাফল্যের ছাপ রেখেছিলেন । তাছাড়াও সোমা চক্রবর্তী অনাথ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজে সারা বছর নিজেকে আড়াল রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । দীর্ঘ সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম হিসাবে কাজের জন্য অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। নিউজ টপ লিংক আগামীদিনে সোমা চক্রবর্তীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও দীর্ঘায়ু এবং সুস্থস্থ্যের কামনা করেছে ।
March 8th, 2026বঙ্কিম চন্দ্রের ১৫৯ তম জন্মতিথিতে একগুচ্ছ কর্মসূচীর ঘোষনা পর্যটন মন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে সারাদেশের সঙ্গে রাজ্যে ও বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে ম্যারাথন দৌড় রক্তদান শিবির এবং বিভিন্ন কর্মসূচি এক বছর ব্যাপী অনুষ্ঠান হবে সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।সচিবালয় সুশান্ত চৌধুরী উল্লেখ করলেন বিভিন্ন জেলাগুলিতে অনুষ্ঠান হবে আগামী সাত তিন নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরে উদ্বোধন হবে সচিবালয়ে। এবং বিভিন্ন জেলাভিত্তিক যে কর্মসূচি হবে রাজ্যের মন্ত্রী বাহাদুরগণ এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন চারটি পর্যায়ে হবে এই কর্মসূচি গুলি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বিস্তৃতভাবে জানান। তিনি আরও বলেন,সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে যুব সমাজ উদ্বুদ্ধ হবে ।সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্রের জীবন দর্শন অনুসরন করে চলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।
November 5th, 2025শিল্প ও শিল্পীদের বাঁচিয়ে রাখতে আন্তরিক রাজ্য সরকার : ড. মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী)
নিজস্ব প্রতিনিধি : মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা আজ আগরতলা লিচুবাগানস্থিত সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পাঁচদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সচিব রাভেল হেমেন্দ্রকুমার, অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা, রাজ্যের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সংঘমিত্রা নন্দী ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অভিজিৎ ভট্টাচার্য। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী ভট্টাচার্য কলেজের ৫০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরেন।বলেন, বর্ষ ব্যাপী অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে থাকছে সেমিনার ,কর্মশালা,প্রদর্শনী।৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গনে নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের চিত্র ও ভাস্কর্য প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া কলেজের ভেতরে রাজ্যের এবং বহির রাজ্য বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের তৈরি আর্ট ফেস্ট গ্যালারি ঘুরে দেখেন তিনি। ছবিতে রং তুলি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন তিনি। এছাড়া কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষদেরও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় । ললিত কলা একাডেমী জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত দুজনকে সংবর্ধিত করা হয়।
September 9th, 2025ছবির মাধ্যমে বহু ইতিহাসের বর্ণনা হয় : সুশান্ত
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৯শে আগস্ট বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস সারা বিশ্বে এই দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা উদযাপন করা হয়। বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রবীন্দ্র শতবার্ষিক ভবন হলঘরে তিন দিনব্যাপী আলোক চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে। এই দিনের অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্যটনওপরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, আগরতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার, আমি ফেসবুকে পুলিশের মহা নির্দেশক কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী,ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রলয়জিৎ পাল,সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। ফিতা কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জলোনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সম্মানীয় অতিথিরা।
August 19th, 2025দীর্ঘদিনধরে তালাবন্ধী হয়ে আছে পিতরাই পাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র!
নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নে জোলাইবাড়ী বিধানসভাকেন্দ্রের পিতরাইপাড়ায় সরকারি অর্থব্যায়করে একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানকরাহয়। উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানের কিছু সময় পর কিছু সমস্যার সৃষ্টিহয়। এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানের জন্য যেইব্যক্তি জায়গা প্রদানকরেছেন উনাকে চাকুরির দেবার পতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছেবলে অভিযোগ। জায়গার মালিক জানান উপস্বাস্থ্য নির্মানেের আগে উনাকে বলাহয়েছে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য জায়গা প্রদানকরাহলে উনার পরিবারের একজনকে চাকুরি প্রদানকরাহবে। এই পতিশ্রুতিপেয়ে জায়গা প্রদানকরাহলে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মানের পর চাকুরি নাপেয়ে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালাদিয়ে বন্ধকরেদিলো জায়গার মালিক। পরবর্তীসময় স্থানীয় মন্ত্রী সহ এলাকার জনপ্রতিনিধি ও প্রসাশনিকস্তরের লোকজনদের নিয়ে আলোচনাক্রমে পুনরায় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি খোলাহয়েছে। কয়েকমাস সবকিছু ঠিকঠাক চললেও বর্তমান সময়ে কয়েকদিন যাবৎ পুনরায় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালাদিয়ে বন্ধকরে রাখাহয়েছে। জায়গার মালিক জানান উনার পরিবারের একজনকে চাকুরি প্রদাননাকরলে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি খোলাহবেনা। অপরদিকে স্থানীয় লোকজচাইছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালুকরতে প্রসাশন যেন সঠিক পদক্ষেপ গ্রহনকরে। যাতেকরে সামান্য অসুস্থহলে লোকজনেরা এই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রথেকে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহনকরতে পারে। অপরদিকে এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানিয় জলের সমস্যারয়েছে বলে জাননা স্থামীয়রা। এখন দেখার বিষয় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনরায় চালু করতে প্রসাশন কিপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহনকরে।
May 4th, 2026শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের বদলি করার প্রতিবাদে স্কুলে তালা! কমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজনীতি করছে কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষকরা!!সাবরুম উচ্চতার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সাবরুম শহরের একটি বনেদি স্কুল হিসেবে পরিচিত ছিল একটা সময় আজ সেই ঐতিহ্য হারাতে বসেছে কিছু শিক্ষক ও অভিভাবকদের কারণে। যে স্কুল ছিল শিক্ষাঙ্গনের সে স্কুলে আজ পুলিশ পাহারায় স্কুল চালাতে হচ্ছে। এমনই ঘটনা পরিলক্ষিত হয় শনিবার সকাল দশটা নাগাদ সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুল গেটে দেখা যায় তালা ঝুলানো। বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। সাথে কিছু অভিভাবকরাও জানা যায় সাব্রুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ইনচার্জ প্রণব দাস কে সম্প্রতি একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা দপ্তর থেকে তাকে সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয় তার বদলে সেখানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। কিন্তু ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের অঙ্গুলী হেলনে কিছু অভিভাবকদের ও কিছু শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিয়ে আজ স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রবাদী ওই নেতা বলে এমনটাই গুঞ্জন উঠছে সাব্রুম মহাকুমা জুড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে স্কুল চত্ত্বরে উপস্থিত হয় সাবরুম থানার পুলিশ ও সাবরুম মহকুমার দুইজন ডিসিএম কিন্তু দেখা যায় তারা ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝানোর চেষ্টা করলে এক চুনোপুটি বিজেপি নেতা টিংকু মজুমদার উল্টো চড়াও হয় dcm রতন দাস ও ডিসিএম মনোজ প্রভাকর পালের উপর এবং ওই রাষ্ট্রবাদী চুনোপুটি নেতা টিংকু মজুমদার খুব বাজে ব্যবহার করে দুই ডিসিএম এর সাথে। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলে আরো পুলিশ এবং মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্কুলের পেছনের গেট খুলে শিক্ষকদের প্রথমে প্রবেশ করানো হয় এবং পরবর্তী সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জানানো হয় যারা যারা ক্লাস করতে ইচ্ছুক তাদের স্কুলে প্রবেশ করার জন্য পেছনের গেট দিয়ে। সেই মোতাবেক এক এক করে দেখা যায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের ক্লাস রুমে উপস্থিত হয় এবং স্কুলের পঠন পাঠানো শুরু হয়। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন অভিভাবক পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনের পাশে আর কেউ না থাকায় চুপিসরে চাবি রেখে চলে যায় এবং পরবর্তী সময়ে মহকুমা প্রশাসন এবং পুলিশ চাবি নিয়ে স্কুলের প্রধান গেইটের তালা খুলে দেয়। জানা যায় শিক্ষা দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসকে যে স্কুলে ট্রান্সফার করা হয়েছে সেখানে তার দায়িত্ব পালন করার জন্য। এবং মহকুমা শাসক আদেশ দিয়েছেন dcm এর সাথে যারা অসভ্য আচরণ করেছেন তার বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সাবরুম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
May 2nd, 2026সরকারি হাসপাতালের প্রবেশ পথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন!প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের প্রবেশপথে বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ঊনকোটি হসপিটাল-এর বিজ্ঞাপনের ব্যানার ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।জানা গেছে,বিষয়টি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি করে ব্যানারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। তবে সরানোর আগেই সেই বিজ্ঞাপনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই বিষয়ে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ভাস্কর দাস জানান,সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন,কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যানারগুলি লাগানো হয়েছিল।
April 29th, 2026কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি
নিজস্ব প্রতিনিধি:হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। ঘটনা বৃহস্পতিবার দুপুরে। মেলাঘর পৌর পরিষদের ১১ নং ওয়ার্ড সুভাষ নগর এলাকার এক হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যা সুমিত্রা দত্তের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্রামগঞ্জ থানায় কাজ শেষ করে মেয়েটির বাড়িতে ছুটে যান। যদিও ঐ সময় মেয়েটি বাড়িতে ছিল না। সে কলেজে গিয়েছিল। তাই মেয়েটির সঙ্গে তার দেখা হয়নি। তিনি সুমিত্রা দত্তের বিছানায় শয্যাশায়ী পিতা স্বপন দত্ত এবং তার মা কাজল দত্তের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়েটির মা ওসিকে জানায় দুই মাস পূর্বে তার স্বামীর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অঙ্গ অকেজো হয়ে যায়। তারপর থেকে সে বিছানায় শয্যাশায়ী। তার স্বামী রাজমিস্ত্রি যোগালি কাজ করত। স্বামী বিছানায় পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। তাদেরকে মাঝেমধ্যে উপোস থাকতে হয়। তার মেয়ে উদয়পুর কলেজে শিক্ষাবিজ্ঞান নিয়ে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ছে। মেয়ের কলেজে যাবার জন্য গাড়ি ভাড়াও তাদের কাছে অনেক সময় থাকে না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া ধার করে মেয়েকে এনে দিতে হয়। প্রচন্ড আর্থিক সংকটে রয়েছে তারা। অর্থের অভাবে সে তার স্বামীর চিকিৎসা পর্যন্ত করতে পারছে না। মেয়ের পড়াশোনাও বন্ধের মুখে। এই সংবাদটি গতকাল দেখার পর মানবিকতার টানে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা তাদের বাড়িতে ছুটে যান। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন এই সংবাদটি দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। মানবিকতার টানে আমি তার বাড়িতে ছুটে এসেছি। আমি পরিবারটিকে ডিম তেল নুন বিস্কিট আলু সয়াবিন মুড়ি সাবান পেঁয়াজ সহ এক মাসের খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দিয়েছি এবং মেয়েটির কলেজে যাবার জন্য এক বছরের গাড়ি ভাড়াও তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছি। মেয়েটির ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ও আমি তাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য এবং সহযোগিতা করব বলে সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। অজিত দেববর্মার এই মানবিক কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা মেলাঘর বাসী।" মানুষ মানুষের জন্য"__কবির এই কথাটিকে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি । দরিদ্র ঘরের কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে ও সি'র সাহায্য করার বিষয়টি জানতে পেরে এমনটাই বলছে গোটা মেলাঘর এলাকার মানুষ। অতীতেও বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি বেশ কয়েকজন মাধ্যমিক এবং দ্বাদশ পড়ুয়া দিব্যাঙ্গ ছেলে মেয়েকে তাদের ফাইনাল পরীক্ষার আগে সাহায্য করেছেন। ঘটনাটি শোনার পর অনেকেই বলছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা, সত্যিকার অর্থেই একজন মানবদরদী মানুষ ।
April 23rd, 2026কমিউনিস্টরা সর্বদাই উন্নয়ন বিরোধী , কুমারঘাটে বললেন বিপ্লব কুমার দেব
নিজস্ব প্রতিনিধি: কুমারঘাট PWD ময়দানে কুমারঘাট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন হয় ২৪ ই আগস্ট রবিবার বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সংসদ বিপ্লব কুমার দেব ও সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য স্থানীয় বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস ,জেলাশাসক তমাল মজুমদার , জেলার সভাধিপতি সহকারি সবাধিপতি, বিজেপির উনকোটি জেলা সভাপতি, কুমারঘাট মহকুমা শাসক, সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দদের হাত ধরে নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের এর শুভ উদ্বোধন হয়.... প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফুটবলের লাথি মেরে ও পায়রা উড়িয়ে খেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়... উদ্বোধনী ম্যাচে :কুমারঘাট দৃষ্টি ফাউন্ডেশন ও সুনাইমুড়ির একাদশের মধ্যে মধ্যে হয় ম্যাচ।তার মধ্যে খেলার প্রথম অধ্যায় তিন শূন্য গোলে দৃষ্টি ফাউন্ডেশন এগিয়ে যায় এবং দ্বিতীয়া আর্ধে সোনাইমুরি একাদশকেআরো তিন গোল দিয়ে আক্রমণ করে ৬ শূন্য গোলে ম্যাচ মিমাংসিত হয়.. টানটান উত্তেজনা মধ্যে দিয়ে হয় ফুটবল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়,এই টুর্নামেন্টের মোট ১৬ টি ফুটবল দল অংশগ্রহণ করেছে।
August 24th, 2025দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা ফুটবল এসোসিয়েশন আয়োজিত দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ বীরেন্দ্র ক্লাব আজ তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা TIDC চেয়ারম্যান নাবাদুল বণিক সহ অন্যান্যরা।দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে আজ মুখোমুখি হয় বীরেন্দ্র ক্লাব বনাম নবোদয় সংঘ যেখানে বীরেন্দ্র ক্লাব জয়ী হয় কিন্তু তার আগেই ঐকতান যুব সংস্থান আসরের কোন ম্যাচ না হেরে সর্বোচ্চ পয়েন্ট তালিকায় থাকায় তাদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয় এবং রানার্সআপ হিসেবে ঘোষণা করা হয় বীরেন্দ্র ক্লাবকে।আজ উমাকান্ত মাঠে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
July 7th, 2025চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রক্তের ঋন দিতে হবে আয়োজকদের !
নিজস্ব প্রতিনিধি: আনন্দের আতিশয্যে নিরানন্দের করুন দশা। সাবধানতা অবলম্বন জরুরী । গোটা প্যানেল দায়ী থাকবে , বলাই বাহুল্য । আইপিএলের ইতিহাসে এমন ভয়াবহ অবস্থা কখনো হয়নি । RCB এবার IPL জয়ের শিরোপা জিতলেন।তবে , বিজয় প্যারেড রক্তে স্নাত হয়েছে । চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড় সামলাতে পারলাম না স্থানীয় প্রশাসন । অভিযোগ , গোটা ব্যবস্থার ঘাটতিতেই এমন পরিণতি । পদপিষ্ট হয়ে এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রাথমিক খবর রয়েছে । মৃতের তালিকায় ৬ বছরের শিশুও রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ভিড়ের মধ্যে শিশুদের এবং মহিলাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ছিল বিকল্প পথে অগ্রসর হওয়ার । আইপিএলের মধ্যে ভিড় হবে খুব স্বাভাবিক। আয়োজকদের জনগনকে নিরাপত্তা দিতে ব্যার্থ হয়েছেন। এই ঘটনার কমপক্ষে ৩০ জন গুরুতর জখম হয়েছেন । মৃত্যু মিছিলের দায় এখনো কেও স্বীকার করতে প্রস্তুত নন । এমন খেলা ভবিষ্যতে পরিনাম বুঝে আগাম সতর্কতা অবলম্বন বাধ্যতামূলক । মৃত ও নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী জোড়ালো হচ্ছে । চারিদিকে স্বজনহারা মানুষের করুন আর্তনাদ ।
June 4th, 2025বাধারঘাটে ফুটবল মাঠ, অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক, হকি মাঠের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর*
আগরতলা, ৩ এপ্রিল: ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নিরন্তর প্রয়াস জারি রেখেছে রাজ্য সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের জন্য অত্যাধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এবারের রাজ্য বাজেটেও আর্থিক সংস্থান রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আগরতলার বাধারঘাটের দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে দেবভক্তি জমাতিয়া সিন্থেটিক অ্যাথলেটিক টার্ফ, স্বদেশপ্রিয় নন্দী সিন্থেটিক হকি গ্রাউন্ড ও প্রতুল ভট্টাচার্য সিন্থেটিক টার্ফ ফুটবল গ্রাউন্ডের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রয়াত তিনজন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের নামে এই তিনটি মাঠকে উৎসর্গ করা হয়েছে এদিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় শৃঙ্খলাপরায়ণ হয়ে থাকেন। বয়স হয়ে গেলেও তাদের দূর থেকে দেখে বোঝা যায় যে তারা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ছিলেন। খেলাধুলার মধ্যেই জীবনের দর্শন খুঁজে পাওয়া যায়। রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যথাক্রমে প্রয়াত দেবভক্তি জমাতিয়া, প্রয়াত স্বদেশ প্রিয় নন্দী এবং প্রয়াত প্রতুল ভট্টাচার্য্যের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর যারা ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করেছেন তাদের ইতিহাসে ধরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে আমবাসায় নির্মিত ২০০ শয্যার যুব হোস্টেল মধুসূদন সাহার নামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের মধ্যে একটা আত্মিক অনুভূতি চলে আসে। রাজনীতি এক জায়গায়, প্রশাসন এক জায়গায়। কিন্তু তাঁদের নামে যে ফুটবল গ্রাউন্ড, হকি গ্রাউন্ড, অ্যাথলেটিক গ্রাউন্ড আজকে হয়েছে সেটা আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষয় হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের প্রতিভার বিকাশে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধাযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে রাজ্যের সব জায়গায় ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়নে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অদম্য জেদ, ইচ্ছাশক্তি ও চেষ্টা থাকলে যেকোনও ক্ষেত্রে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছেন আমাদের রাজ্যের গর্ব পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার। আর যুব সমাজকে নেশার আসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে খেলাধুলা হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম। কারণ সুস্থ মনই সুস্থ দেহ গঠনে সহায়ক। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাক্তন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যারা খেলাধুলার জগতে রাজ্যের সুনাম অর্জন করেছেন তাদের অবদানকে স্মরণ করা এবং তাদের যথাযথ সম্মান প্রদানে রাজ্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিভিন্ন ক্রীড়া পরিকাঠামোসমূহ তাদের নামে উৎসর্গ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের সুবিধার জন্য আগরতলার ভোলাগিরিতে উন্নত ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এছাড়া খেলাধুলার ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং রাজ্যের বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিদের সান্নিধ্যের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায় রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, ত্রিপুরা স্পোর্টস কাউন্সিলের পদাধিকারী সুকান্ত ঘোষ, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, অধিকর্তা এস বি নাথ, পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ। অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
April 3rd, 2025
