স্বর্ণালংকার ছিনতাই করতে গিয়ে বিহারের দুই যুবক আমতলী থানার পুলিশের জালে!
নিজস্ব প্রতিনিধি: পুলিশের হাতে গ্রেফতার বিহারের ২ ছিনতাইকারী। মহিলারা এখন স্বর্ণালংকার পরে তাদের নিজেরদের বাড়িতেও সুরক্ষিত নয়, সেখানেও ছিনতাইকারীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিচ্ছে। বুধবার দুপুরে তার ওই এক জলজ্যান্ত উদাহরণ মিলল শ্রীনগর থানার অন্তর্গত এডিসি ভিলেজের টেলরবন এলাকায়। জানা গেছে এডিসি ভিলেজ এর টেলরবন এলাকার আমার তো বৃদ্ধা রাধা রানী দেববর্মার বাড়িতে থালা-বাসন পরিষ্কার করার অজুহাত দেখিয়ে বিহারের দুই যুবক প্রবেশ করে, তখন ওনার বাড়িতে কোন পুরুষ লোক ছিল না সেই সুযোগে দুই ছিনতাইকারী থালা-বাসন পরিস্কার করার নাম করে বৃদ্ধা রাধারানী দেববর্মার গলা থেকে একটি সোনার চেইন ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। তখন বৃদ্ধা মহিলার চিৎকারে আশেপাশের বাড়ি ঘরের লোকজন ছুটে এসে পালিয়ে যাওয়া দুই ছিনতাইকারীকে আটক করার জন্য কাঞ্চনমালা বাজারের কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিদের ফোন করে জানিয়ে দেয়। তৎক্ষণাৎ কাঞ্চনমালা বাজারের লোকজন দুই ছিনতাইকারীকে আটক করতে তৎপর হয়ে উৎ পেতে বসে থাকে। কিছুক্ষণ বাদে অপরিচিত বিহারের ২ যুবক বাইক নিয়ে দ্রুতগতিতে কাঞ্চনমালা বাজারে প্রবেশ করতেই বাজারের লোকজন দুই ছিনতাইকারী কে আটক করে উত্তমমধ্যম দিয়ে আটক করে রাখে। খবর দেওয়া হয় আমতলী থানায়। পরে আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে গিয়ে ছিনতাই হয়ে যাওয়া সোনার চেইনটি সহ দুই ছিনতাইকারীকে এবং ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত বি আর ৩৯ এ এইচ্ ৮৩৫০ নম্বরের বাইক থানায় নিয়ে আসে। বুধবার বিকেলে বৃদ্ধা রাধারানী দেববর্মার ছেলে পরিমল দেববর্মা এই ছিনতাই এর ঘটনাটি জানিয়ে ধৃত দুই বিহারের যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে বিহারের এই দুই যুবক গত দুইদিন আগেও আমতলী বড়ইটিলা এবং আমতলী শিববাড়ি এলাকায় একই কায়দায় থালা-বাসন পরিষ্কার করার নাম করে একই বাইক ব্যবহার করে বাড়িতে ঢুকে স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে। আমতলী থানা সূত্রে জানা গেছে ধৃত দুই ছিনতাইকারীর নাম পবন কুমার এবং নীতিশ কুমার, দের বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলায়। জানা গেছে বুধবারই ধৃত দুই ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে আমতলী থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা নথিভুক্ত করছে। বৃহস্পতিবার দিত ২ ছিনতাইকারীকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: পুলিশের হাতে গ্রেফতার বিহারের ২ ছিনতাইকারী। মহিলারা এখন স্বর্ণালংকার পরে তাদের নিজেরদের বাড়িতেও সুরক্ষিত নয়, সেখানেও ছিনতাইকারীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিচ্ছে। বুধবার দুপুরে তার ওই এক জলজ্যান্ত উদাহরণ মিলল শ্রীনগর থানার অন্তর্গত এডিসি ভিলেজের টেলরবন এলাকায়। জানা গেছে এডিসি ভিলেজ এর টেলরবন এলাকার আমার তো বৃদ্ধা রাধা রানী দেববর্মার বাড়িতে থালা-বাসন পরিষ্কার করার অজুহাত দেখিয়ে বিহারের দুই যুবক প্রবেশ করে, তখন ওনার বাড়িতে কোন পুরুষ লোক ছিল না সেই সুযোগে দুই ছিনতাইকারী থালা-বাসন পরিস্কার করার নাম করে বৃদ্ধা রাধারানী দেববর্মার গলা থেকে একটি সোনার চেইন ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। তখন বৃদ্ধা মহিলার চিৎকারে আশেপাশের বাড়ি ঘরের লোকজন ছুটে এসে পালিয়ে যাওয়া দুই ছিনতাইকারীকে আটক করার জন্য কাঞ্চনমালা বাজারের কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিদের ফোন করে জানিয়ে দেয়। তৎক্ষণাৎ কাঞ্চনমালা বাজারের লোকজন দুই ছিনতাইকারীকে আটক করতে তৎপর হয়ে উৎ পেতে বসে থাকে। কিছুক্ষণ বাদে অপরিচিত বিহারের ২ যুবক বাইক নিয়ে দ্রুতগতিতে কাঞ্চনমালা বাজারে প্রবেশ করতেই বাজারের লোকজন দুই ছিনতাইকারী কে আটক করে উত্তমমধ্যম দিয়ে আটক করে রাখে। খবর দেওয়া হয় আমতলী থানায়। পরে আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে গিয়ে ছিনতাই হয়ে যাওয়া সোনার চেইনটি সহ দুই ছিনতাইকারীকে এবং ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত বি আর ৩৯ এ এইচ্ ৮৩৫০ নম্বরের বাইক থানায় নিয়ে আসে। বুধবার বিকেলে বৃদ্ধা রাধারানী দেববর্মার ছেলে পরিমল দেববর্মা এই ছিনতাই এর ঘটনাটি জানিয়ে ধৃত দুই বিহারের যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে বিহারের এই দুই যুবক গত দুইদিন আগেও আমতলী বড়ইটিলা এবং আমতলী শিববাড়ি এলাকায় একই কায়দায় থালা-বাসন পরিষ্কার করার নাম করে একই বাইক ব্যবহার করে বাড়িতে ঢুকে স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে। আমতলী থানা সূত্রে জানা গেছে ধৃত দুই ছিনতাইকারীর নাম পবন কুমার এবং নীতিশ কুমার, দের বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলায়। জানা গেছে বুধবারই ধৃত দুই ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে আমতলী থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা নথিভুক্ত করছে। বৃহস্পতিবার দিত ২ ছিনতাইকারীকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রান্নার গ্যাস এবং পেট্রোলের জন্য রীতিমতো নাজেহাল তেলিয়ামুড়া মহকুমার জনসাধারণ। মঙ্গলবার কাক ভোর থেকেই তেলিয়ামুড়া শহরের গ্যাস এজেন্সি এবং মহারানীপুর পেট্রোল পাম্পের সামনে শয়ে শয়ে মানুষ ভিড় জমান। তেলিয়ামুড়া মহাকুমার অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে জনসাধারণের এই দীর্ঘ লাইন পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। সংকট দূরীকরণে প্রশাসনিক উদ্যোগ হীনতায় জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ জন্মায়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: অনলাইন ওষুধ বিক্রি বন্ধ এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলোর অতিরিক্ত ছাড় (ডিসকাউন্ট) দেওয়ার প্রতিবাদে দেশব্যাপী ২০ মে ২০২৬-এর ধর্মঘটে সামিল হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অল ত্রিপুরা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। খোয়াইতে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তারা এই কর্মবিরতির ডাক দেয়। সাংবাদিক সম্মেলনের মূল দাবি ও বিষয়সমূহ হল: ই-ফার্মাসি ও অনলাইন ওষুধ বিক্রি বন্ধ, বড় বড় কর্পোরেট ও অনলাইন বিক্রেতাদের দেওয়া অতিরিক্ত ছাড়ের (ডিপ ডিসকাউন্ট) কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া, নকল ওষুধ ও বেআইনি ওষুধ বাণিজ্য রোধে কঠোর নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহ একাধিক দাবি নিয়ে এই ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হবে। রোগীদের সুবিধার্থে হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সাথে যুক্ত ফার্মেসিগুলো খোলা থাকবে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা কমিটির সভাপতি রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য, মহকুমা কমিটির সম্পাদক তাপস রায় সহ অন্যান্যরা।
নিজস্ব প্রতিনিধি:সোমবার সকালে মন্দির প্রাঙ্গণে থাকা মোট ১৬টি সিন্দুক ও প্রনামী বাক্স খুলে গণনার কাজ শুরু হয়, যা দিনভর চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুধুমাত্র ভারতীয় মুদ্রাই নয়, প্রনামী বাক্স থেকে উদ্ধার হয়েছে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন ডলার, সৌদি আরব ও কুয়েতের দিনার, নেপালের মুদ্রা এবং বাংলাদেশের টাকা। এই বৈদেশিক মুদ্রার উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, মন্দিরটি এখন আন্তর্জাতিক পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের কাছেও সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গণনার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য গোমতী জেলার জেলাশাসক দপ্তর থেকে ১৬ সদস্যের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। সকাল থেকেই শুরু হয় গণনার প্রক্রিয়া, যদিও মাঝেমধ্যে বৃষ্টির কারণে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। তবুও প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পুরো কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি কালেক্টর চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, গণনার কাজ সন্ধ্যা ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাপ্ত অর্থ মন্দিরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে মন্দিরের সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ, পূজা-পার্বণ এবং ভক্তদের জন্য আরও উন্নত পরিষেবা প্রদান।এদিনের গণনার সময় একটি বিশেষ ঘটনা সকলের নজর কেড়েছে। সিআরপিএফ-এর জওয়ান বুদ্ধদেব দাস তার চাকরির প্রথম মাসের সম্পূর্ণ বেতন ৩৩,৩১০ টাকা মায়ের চরণে প্রনামী হিসেবে দান করেছেন। তার এই নিঃস্বার্থ দান ভক্তদের মধ্যে গভীর আবেগ ও শ্রদ্ধার সৃষ্টি করেছে। মন্দিরে আগত ভক্তদের অগাধ বিশ্বাস ও ভক্তির প্রতিফলনই এই বিপুল প্রনামী। দেশ-বিদেশের মানুষ যে সমানভাবে মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীর প্রতি আস্থাশীল, তা আবারও প্রমাণিত হলো এই প্রনামী গণনার মধ্য দিয়ে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগর মহকুমার অন্তর্গত কদমতলায় মাদকবিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। কদমতলা থানার অন্তর্গত বাঘন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন উত্তর ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপার অবিনাশ রাই।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে কদমতলা থানার পুলিশ একটি বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় বাঘন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অরিনজিত দাস ওরফে গৌতম দাস (২৯), পিতা অরুণ দাসের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশের যৌথ বাহিনী। তল্লাশি চালিয়ে বাড়ির গোয়ালঘর থেকে প্রায় ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।এই ঘটনায় পুলিশ গৌতম দাসকে আটক করার পাশাপাশি আরও এক অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন, পিতা জয়নুল উদ্দিন, বাড়ি আসামের নিলাম বাজার থানা এলাকার ব্রাহ্মণশাসন গ্রাম থেকে আগত এক ব্যক্তিকেও ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনায় কদমতলা থানায় NDPS আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত দুই অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। এই মাদক চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, ইয়াবা ট্যাবলেটের উৎস কোথায় এবং এগুলি কোথায় পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশের এই বড়সড় সাফল্যের পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক কারবারিদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগর মহকুমার অন্তর্গত কদমতলায় মাদকবিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। কদমতলা থানার অন্তর্গত বাঘন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন উত্তর ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপার অবিনাশ রাই।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে কদমতলা থানার পুলিশ একটি বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় বাঘন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অরিনজিত দাস ওরফে গৌতম দাস (২৯), পিতা অরুণ দাসের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশের যৌথ বাহিনী। তল্লাশি চালিয়ে বাড়ির গোয়ালঘর থেকে প্রায় ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।এই ঘটনায় পুলিশ গৌতম দাসকে আটক করার পাশাপাশি আরও এক অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন, পিতা জয়নুল উদ্দিন, বাড়ি আসামের নিলাম বাজার থানা এলাকার ব্রাহ্মণশাসন গ্রাম থেকে আগত এক ব্যক্তিকেও ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনায় কদমতলা থানায় NDPS আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত দুই অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। এই মাদক চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, ইয়াবা ট্যাবলেটের উৎস কোথায় এবং এগুলি কোথায় পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশের এই বড়সড় সাফল্যের পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক কারবারিদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।