নিজস্ব প্রতিনিধি: পরিষেবার নামে প্রহসন! প্রশ্ন করতেই ক্ষিপ্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার? তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের ভূমিকায় ক্ষোভ!!জনসেবার দায়িত্বে থাকা সরকারি দপ্তর, অথচ সেখানে নিত্যদিনের ছবি যেন ভোগান্তির আরেক নাম। তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমে দীর্ঘদিন ধরেই পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের। সোমবারও সেই একই অবস্থা কে ঘিরে তীব্র ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ জনগন।দুটি রিচার্জ কাউন্টার থাকা সত্ত্বেও কার্যত একটি কাউন্টার দিয়েই পরিষেবা চালানো হয়। তার ওপর বারবার সার্ভার বিকল হয়ে পড়ায় তীব্র গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয় শতাধিক গ্রাহককে।স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ যখন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন, তখন দপ্তরে কর্মরত কিছু কর্মী পরিচিত কিছু ব্যক্তিকে অন্য কাউন্টার দিয়ে দ্রুত রিচার্জ করিয়ে দিচ্ছেন খুব সহজেই। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরা পৌছে জনভোগান্তির কারণ জানতে বিদ্যুৎ দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের কাছে প্রশ্ন তুলতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, প্রশ্নের সদুত্তর দেওয়ার পরিবর্তে তিনি সাংবাদিকদের প্রতিই উচ্চস্বরে কথা বলেন, রূঢ় আচরণ করেন এবং হুমকিমূলক ভঙ্গিতে কথা বলেন, এমনকি ক্যামেরা চালানো নিয়েও আপত্তি তোলেন। গোটা বিষয় ঘিরে একটা প্রশ্নই উঠে আসছে যে, বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সত্যতা সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় উঠে আসার ভয়েই কি বিশ্বজিৎ বাবুর এই ব্যবহার?স্থানীয়দের একাংশের আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে অতীতেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, অফিসের দায়িত্ব ও পরিষেবা প্রদানের চেয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিতেই বেশি সময় ব্যয় করেন।এখন প্রশ্ন উঠছে—সরকারি দপ্তরে সাধারণ মানুষের ন্যায্য প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে যদি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হুমকিমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে, তাহলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কোথায়? বিদ্যুৎ পরিষেবার নামে প্রতিদিনের এই ভোগান্তির দায় নেবে কে? নাকি জনদুর্ভোগই তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের নতুন স্বাভাবিক চিত্র হয়ে উঠছে?
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।