মসজিদের পুকুরে বিষ ঢেলেছে কে বা কারা!প্রায় ১০ কুইন্টাল মাছ মাটি চাপা দেওয়া হয় কদমতলায়
নিজস্ব প্রতিনিধি রাতের অন্ধকারে মসজিদের পুকুরে কীটনাশক জাতীয় পদার্থ ঢেলে প্রায় ১০ কুইন্টাল মাছ মেরে ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা ব্লকের কদমতলা বাজার এলাকায়। শনিবার রাতে কদমতলা বাজার মসজিদের পুকুরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।রবিবার সকালে বাজার মসজিদ কমিটির সদস্যরা পুকুরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে থাকতে দেখে হতবাক হয়ে পড়েন। মসজিদ কমিটির সদস্যদের দাবি, এমন নজিরবিহীন ঘটনা তাঁদের চিন্তারও বাইরে। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে কদমতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাজার এলাকায় নৈশপ্রহরী এবং পুলিশের রাতের টহল থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি একাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এর মধ্যেই এবার একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুকুরে দুষ্কৃতীদের এমন কর্মকাণ্ডে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।এদিকে পুকুরের মৃত ও পচনশীল মাছ যাতে পরিবেশ বা অন্য কারও ক্ষতির কারণ না হয়, সে কথা মাথায় রেখে মসজিদ কমিটির সদস্যরা সেগুলি তুলে পুকুরপাড়ে গর্ত করে পুঁতে দেন।মসজিদ কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, ঘটনার সময় দুষ্কৃতীদের কাউকেই দেখা যায়নি। তাই তাঁরা আল্লাহর ওপর বিচার ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।ঘটনার প্রকৃত কারণ কী এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। তবে রাতের অন্ধকারে মসজিদের পুকুরে কীটনাশক ঢেলে বিপুল পরিমাণ মাছ নষ্ট করার ঘটনায় কদমতলা বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোরালো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিকে শান্তিপ্রিয় কদমতলা এলাকার মানুষের বক্তব্য কিছুদিন পরপর একটি কুচক্র এলাকার পরিবেশ নষ্ট করে তুলতে অসামাজিক কার্যক্রম সংঘটিত করছে। তাই প্রশাসন এখন থেকেই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় শান্তি সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে পারে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।