surga-image

To be angry is to revenge the faults of others on ourselves.

-Alexander Pope

বিধানসভার ষষ্ঠ দিনের অধিবেশনের টুকিটাকি

বিধানসভার ষষ্ঠ দিনের অধিবেশনের টুকিটাকি

নিজস্ব প্রতিনিধি:রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ দিন আজ প্রশ্ন উত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের উত্থাপিত শহর ও নগর এলাকায় মশার দুর্বিষহ যন্ত্রণা সম্পর্কিত প্রশ্নের মধ্য দিয়েই আজকের অধিবেশনের সূচনা হয়। প্রশ্নকর্তা জানতে চান স্মার্ট সিটি আগরতলা সহ রাজ্যের প্রতিটি শহর ও নগর এলাকায় মশার দুর্বিষহ যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে নিশ্চিত ভাবে পরিত্রাণ দিতে দপ্তরের কি পরিকল্পনা রয়েছে। দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা এ প্রসঙ্গে জানান রাজ্য সরকার মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে সমসময় পরিষ্কার করার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে চলেছে। এদিকে বিশেষ নজরদারি বজায় রাখা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান বৃষ্টিপাতের সময় মশার প্রজনন বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে স্মার্ট সিটিতে কভার ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। ট্রেনগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আগরতলা পুরো নিগমকে অতিরিক্ত ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা করার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের ওপর এক প্রশ্নের উত্তরে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, কিশোর বর্মন জানান বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদের সংখ্যা ৩০৬। শূন্য পদ গুলিতে প্রয়োজনীয় লোক নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পর্যায়ক্রমে শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে। লোক সেবা আয়োগ এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী। অতিরিক্ত এক প্রশ্নে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন ইউজিসির রুলস অনুযায়ী অধ্যাপক নিয়োগে বয়সের উর্ধ্বসীমা নেই। অথচ আমাদের রাজ্যে টিপিএসসি মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের উর্ধসীমা চল্লিশ করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উর্ধ্বসীমা তুলে দিয়ে বিষয়টি সংশোধন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী জানান ,দেরাদুনে ত্রিপুরার ছাত্র এঞ্জেল চাকমা হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং দুজন কিশোর। প্রধান অভিযুক্ত পালিয়ে রয়েছে। পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রচেষ্টা জারি রয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পল দাংশুর আনা একটি নোটিশের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, পলাতক প্রধান অভিযুক্তের সন্ধান পেতে দেরাদুন পুলিশ ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে এবং উত্তরাখন্ড পুলিশ সদর দপ্তর তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য প্রদানে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম এবং তল্লাসী অভিযান জারি রয়েছে। লুক আউট সার্কুলার ও ব্লু কর্নার নোটিশ জারির মতো আইনগত পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। আদালতে মামলাটির শুনানি চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এঞ্জেল চাকমার মৃত্যুর বিষয়টি খুবই হৃদয়বিদারক এবং স্পর্শকাতর বিষয়। তিনি বলেন, যেদিন এই ঘটনা ঘটে সেদিন থেকেই তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে খোঁজখবর রেখেছেন। ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামির সাথে তিনি কথা বলেছেন। পরবর্তী সময়ে আবার উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আশ্বাস দেন যে যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার সদস্য সান্ত্বনা চাকমা ও টিংকু রায় মাছমারাস্থিত এঞ্জেল চাকমার বাড়িতে যান এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজদের সঙ্গে দেখা করেন ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। ঐদিনই ত্রিপুরা সরকারের পক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান এবং উত্তরাখন্ড সরকারের পক্ষ থেকে ৪ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকার চেক এঞ্জেল চাকমার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে ১৪ জানুয়ারি নন্দননগরস্থিত এঞ্জেল চাকমার বাড়িতে যান এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনদের সাথে দেখা করেন। এঞ্জেল চাকমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান এবং শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও শিল্পমন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যে তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিল পাস করানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে মতানৈক্যের ফলে বিধানসভায় আজ বিরোধীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং শেষ পর্যন্ত ওয়াক আউট করেন । রাজ্যে তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিধানসভা অধিবেশনে উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী বিল উত্থাপন করেন। বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী এবং কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় র্মন বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন । এই বিলের স্বচ্ছতা বাস্তবতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলেন। এ ধরনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিল পাস না করানোর জন্য তারা জোরালো দাবি জানান। কিন্তু সরকার পক্ষ বিরোধীদের অভিযোগ নাকচ করে দেন। এ নিয়ে বিধানসভায় তীব্র বাক বিতন্ডা শুরু হয়। বিরোধীদের দাবির উপেক্ষা করে বিধানসভায় বিল পাস করানোর চেষ্টা করা হলে বিরোধীরা অধ্যক্ষের আসনের দিকে এগিয়ে এগিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভ প্রদর্শনের পরও বিল পাস করানোর চেষ্টা করলে বিরোধীরা ওয়াক আউট করেন। বিরোধীরা ওয়াক আউট করার পর তিনটি বিলেই পাস করানো হয়। বিধানসভা অধিবেশনে আজ বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সরকার পক্ষ ও বিরোধীপক্ষ উভয় পক্ষের সদস্যরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। ট্রেজারী বেঞ্চের বিধায়ক রঞ্জিত দাস আজ আলোচনার সূত্রপাত করেন। তিনি অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়ের পেশ করা বাজেটকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, এই বাজেট হল একটি রোড ম্যাপ। অর্থমন্ত্রী যে বাজেট পেশ করেছেন তা অভূতপূর্ণ বলে তিনি আখ্যায়িত করেন। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, বিরোধীরা কোনদিন এই ধরনের বাজেটকে সমর্থন করেনি। অর্থমন্ত্রী এবার করহীন বাজেট পেশ করেছেন। বিরোধীরা এই বাজেটকে সমর্থন না করলে মনে হবে বিরোধীরা চাইছেন জনগণের উপর কর চাপানো হোক। কৃষি ,মৎস্য, পশুপালন, স্বাস্থ্য, এডিসি এলাকার উন্নয়ন সব ক্ষেত্রেই এবারের বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার জনজাতি কল্যাণে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বলেও উল্লেখ করেন বিধায়ক রঞ্জিত দাস। বিরোধী পক্ষের বিধায়ক অশোক মিত্র বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে বলেন, এবার স্বাস্থ্য খাতে বাজেটে ২৫ শতাংশ অর্থ বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। জেলা ও মহকুমা স্তরের হাসপাতাল গুলির উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তিনি দাবি জানিয়েছেন। অশোক মিত্র বলেন, শুধু আগরতলা ভিত্তিক উন্নয়ন করলেই চলবে না। রাজ্যের হাসপাতাল গুলিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মী নেই। এ ব্যাপারে সরকারকে নজর দিতে হবে। বর্তমান সরকারের আমলে গ্রামীন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে না। গ্রামীণ উন্নয়নে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য তিনি রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন। আউটসোর্সিং এ নিয়োগ বন্ধ করে সরকারি ভাবে লোক নিয়োগের জন্য তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে পশুপালন ও মৎস্য দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, গত ১৬ মার্চ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী যে বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন তা ঐতিহাসিক। বাজেটে দূরদর্শিতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এই বাজেট সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক ও ফলপ্রসূ হবে। এই বাজেট মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে এবারের বাজেটে বিশেষ সংস্থান রাখায় তিনি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী জাতীয় সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, বিধানসভায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে জাইকা প্রকল্পের অর্থায়নে খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী জাতীয় সড়ক ২০৮-এর খোয়াই থেকে হরিনা অংশটিকে দুই লেনে উন্নীত করার কাজ চারটি পৃথক প্যাকেজের মাধ্যমে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পাঠান লাল জমাতিয়ার আনা এক দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৪-১৫ সালের আগে ত্রিপুরায় ৩৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট দুটি জাতীয় সড়ক ছিলো। পরবর্তীকালে রাজ্যে আরও চারটি নতুন জাতীয় সড়ক হওয়ায় এই মুহূর্তে জাতীয় সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৯২৩.৩১ কিলোমিটার। খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী ২০৮ নং জাতীয় সড়ক এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলির মধ্যে অন্যতম। তিনি বলেন, ত্রিপুরার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক উন্নতির অন্যতম চাবিকাঠি হলো ২০৮ নং (কুমারঘাট, কৈলাসহর, কমলপুর, খোয়াই, তেলিয়ামুড়া, অমরপুর, হরিনা) জাতীয় সড়ক। প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সড়কটি কৈলাসহর, খোয়াই, তেলিয়ামুড়া, অমরপুর এবং করবুকের মতো রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মহকুমাগুলিকে সরাসরি যুক্ত করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সড়কটির এক নং প্যাকেজের অন্তর্গত খোয়াই থেকে তেলিয়ামুড়া অংশের ২৬ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ ৫৪.০৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২ নং প্যাকেজে তেলিয়ামুড়া থেকে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত ৩৭.২৪ কিমি অংশের নির্মাণ কাজ ৫২.৭৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তির শর্তানুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। বর্তমান কাজের গতি বজায় থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন নং প্যাকেজে রাঙ্গামাটি থেকে পতিছড়ি অংশের ৩৬ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের ৩১ মে সম্পন্ন করার সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে। চার নং প্যাকেজে পতিছড়ি থেকে হরিনা পর্যন্ত ৩৫.৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সড়কের পুরোনো আঁকাবাঁকা রাস্তাগুলির পরিবর্তে বাঁকগুলি সোজা করতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার নতুন এলাইনমেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী পুরাতন রাস্তাটি সচল ও চলাচলের উপযোগী রেখেই নতুন এলাইমেন্টের কাজ চলছে। এই লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নতুন রাস্তা তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো রাস্তার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা পর্যন্ত জাতীয় সড়ক প্রকল্পের চারটি প্যাকেজের কাজ সম্পন্ন হলে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাথে উত্তর ত্রিপুরার সংযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্বের কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি কিছুটা ব্যাহত হলেও বর্তমানে জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এই উন্নত সড়ক পথ ভবিষ্যতে রাজ্যের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করে তুলবে। রেলের কার্গোর দায়িত্বে নেশা কারবারি" শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় রেল যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগরতলা থেকে দেশের বিভিন্ন শহর ও নগরের সাথে প্রতিদিন বহু আন্তঃরাজ্য ট্রেন চলাচল করছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবং রাজ্যের অভ্যন্তরের যাত্রীরা এই ট্রেন পরিষেবা ব্যবহার করছেন। এই বিপুল যাত্রী চলাচলকে কাজে লাগিয়ে মাদক চোরাকারবারিরা অবৈধ সামগ্রী পাচারের চেষ্টা করছে। সম্প্রতি রেলপথ ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য পাচারের ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে। রেলের মাধ্যমে এই ধরনের পাচার চক্র প্রতিরোধের লক্ষ্যে ত্রিপুরা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট যেমন GRP (Govt. Railway Police), ANTF (Anti Narcotics Task Force) প্রভৃতি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন যাত্রীট্রেন, এমনকি মালবাহী ট্রেনেও আকস্মিক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত তল্লাশি অভিযানকালে যেসমস্ত মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং তৎসঙ্গে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে । বিগত ১৬.১০.২০২৫ তারিখে আগরতলা GRPS (Govt. Railway Police Station)- এর নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীবৃন্দ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জিরানিয়া রেলওয়ে স্টেশনে দুটি Wagon (Wagon No. N/R BCNAM1-30030010892 এবং Wagon No. N/R BCNAHSM1-31032457043) থেকে ৯০,০০০ বোতল Eskuf কফ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করেন। এই ঘটনায় বিগত ১৭-১০-২০২৫ তারিখে আগরতলা GRPS-এ NDPS (Narcotic Drugs and Pshychotropic Substances) আইনে ধারা ২১(C)/২৯ [কেস নং-2025GRP104] একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়। তদন্ত চলাকালীন জিরানিয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে আরও ১৭,৮০০ বোতল Eskuf কফ সিরাপ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়। এই মামলার তদন্ত চলাকালীন মোট ৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ৬ জনের মধ্যে, প্রধান অভিযুক্তসহ ০৩ জনকে ত্রিপুরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হল, (১) অরুণ কুমার ঘোষ (২) রাজীব দাস গুপ্ত (৩) মান্তানু সাহা। তদন্ত চলাকালীন সময়ে অফিসারদের একটি দল দিল্লি এবং উত্তর প্রদেশ সফর করে এবং সেখান থেকে আরও তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। তারা হল ১. সৌরভ ত্যাগী ।২. হিমাংশু ঝা ।৩. দীপ প্রকাশ গুপ্ত ।গ্রেপ্তারকৃত এই ৬ জন অভিযুক্তই আগামী ২৭.০৩.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকবে।পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এন.ডি.পি.এস এর বিশেষ বিচারক মান্তানু সাহার বিরুদ্ধে একটি 'প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছেন, যা এখনও কার্যকর করা বাকি রয়েছে। মান্তানু সাহা বর্তমানে বিশালগড়ে অবস্থিত 'কেন্দ্রীয় সংশোধনালয়ে আটক রয়েছে। এই মামলার সাথে জড়িত মাদক সাম্রাজ্যের আরেক মূল হোতা বা 'কিংপিন-যাঁর নাম অপু রঞ্জন দাস-তাঁকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপু রঞ্জন দাস বর্তমানে পলাতক রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ত্রিপুরা পুলিশ একটি বিশাল আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস বা একটি নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং স্যন্দন পত্রিকায় প্রকাশিত বাংলাদেশির জামিনদার ভারতীয় সরকারি কর্মী, আদালতের নোটিশ-শীর্ষক সংবাদ সম্পর্কে বিধায়ক শ্রী রঞ্জিত দেববর্মার রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিগত ১৩/০২/২০২৬ তারিখে Chief Judicial Magistrate Court, Khowai এর মাননীয় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, খোয়াই পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ১০/০২/২০২৬ তারিখে Case No. PRC (WP) 05 to 2026 সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেন।হেফাজতে থাকা অভিযুক্ত শাকিল প্রভাষ খান-এর পক্ষে জামিনদার হিসেবে সঞজু দাস, LDC, O/o the Superintendent of Police (Traffic), বর্তমানে SDPO Office, Longtharai Valley, Dhalai-এ কর্মরত মাননীয় খোয়াই আদালতে উপস্থিত হয়ে ঘোষণা করেন যে, তিনি অন্য কোনো মামলায় কখনও জামিনদার হিসেবে দাঁড়াননি। কিন্তু যাচাই করে দেখা যায় যে, তিনি ইতিমধ্যে আরও 4টি মামলায় জামিনদার হিসেবে কাজ করেছেন। ফলে মাননীয় খোয়াই আদালত জামিন গ্রহণ করেননি।মাননীয় CJM, খোয়াই সঞজু দাস, LDC-কে সতর্ক করে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করা হবে না। মাননীয় CJM আদালত, খোয়াই-এর আদেশ প্রাপ্তির পর SP (Traffic), Tripura তার বিরুদ্ধে একটি শোকজ নোটিশ জারি করেন, কিন্তু সঞজু দাস বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় সেই শোকজ নোটিশ তাকে প্রদান করা যায়নি। বিধায়িকা অন্তরা সরকার দেব জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এক রেফারেন্সে কমলা সাগর বিধানসভা এলাকায় একটি ব্লক অফিস স্থাপনের জন্য বিধানসভায় দাবি জানান। যুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন জনসংখ্যা ও গাঁও সভার ভিত্তিতে এলাকায় একটি ব্লক স্থাপন করা জরুরী। বিগত দিনেও প্রশাসনের কর্মকর্তারা এলাকার পরিকাঠামো পরিদর্শন করে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় তিনি বিষয়টি পুনরায় বিধানসভায় উত্থাপন করেন। এরপরে প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ত্রিপুরা রাজ্যে বর্তমানে ৮ টি জেলা ও ২৩ টি মহকুমা রয়েছে। ৮ টি জেলার অন্তর্গত এই ২৩ টি মহকুমাতে ৫৮ টি আর ডি ব্লক রয়েছে। ৮ টি জেলার অন্তর্গত ৫৮ টি আর.ডি ব্লকের প্রতিটি জেলার ভৌগোলিক আয়তন এবং জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে এই ব্লকগুলি গঠন করা হয়েছিল। ত্রিপুরার গ্রামীণ এলাকায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিকে সুচারুভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে এবং গ্রামীণ এলাকার জনগণের আর্থিক ও সামাজিক বিকাশ সাধনে তৎকালীন ৪৫টি ব্লকগুলি ২০১৩ সালে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ১৩ টি নতুন আর.ডি ব্লক গঠন করা হয়েছিল। সেই ১৩টি ব্লকের নাম হল:- ১) বামুটিয়া ২) বি সি নগর ৩) চড়িলাম ৪) কলাছড়া ৫) মোহনভোগ ৬) পোয়াংবাড়ি ৭) টেপানিয়া ৮) বেলবাড়ি ৯) চন্ডিপুর ১০) গঙ্গানগর ১১) লালজুড়ি ১২) ওল্ড আগরতলা ১৩) রইস্যাবাড়ি। রাজ্যের বিদ্যমান ব্লকগুলি কার্যকরভাবে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং জনসেবা প্রদানে সক্ষম রয়েছে। প্রতিটি ব্লক পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ব্লক স্তরে বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্য পরিচালনা করতে এবং জনসাধারণের সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোনো ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না।তাছাড়া ব্লক পুনর্গঠন একটি অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, যা অতিরিক্ত আর্থিক ব্যয়, জনবল পুনর্বিন্যাস এবং অবকাঠামোগত জটিলতা সৃষ্টি করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের কোনো প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত না হওয়ায়, সরকার এই বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজনের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার ব্লক পুনর্বিন্যাস বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। স্বাস্থ্য দপ্তরে কর্মরত প্রকল্প কর্মীদের সুযোগ সুবিধা প্রদান করা সম্পর্কে " বিধায়ক অশোক চন্দ্র মিত্র এবং বিধায়ক সুদীপ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনস্থ বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ সংক্রান্ত দৃষ্টি আকর্ষনী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ড মানিক সাহা বলেন, ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধীনস্থ প্রকল্প গুলির মধ্যে যেমন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন , জাতীয় আয়ুষ মিশন , ত্রিপুরা স্বাস্থ্য সুরক্ষা সমিতি (আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এবং চিফ মিনিস্টার জন আরোগ্য যোজনা) এবং ত্রিপুরা রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্রিত সমিতি রয়েছে। তাদের কর্মীদের সুযোগ সুবিধা প্রদান সম্পকে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন , ত্রিপুরার অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধাসমূহ প্রদান করা হচ্ছে। সেগুলি হল নৈমিত্তিক ছুটি বছরে ১২ দিন, বিশেষ ছুটি বছরে ৩০ দিন মাতৃত্বকালীন ছুটি ১৮০ দিন (২টি সন্তান পর্যন্ত), গর্ভপাতজনিত ছুটি ৪৫ দিন পিতৃত্বকালীন ছুটি ৭ দিন (সর্বোচ্চ ২টি সন্তানের জন্য), চিকিৎসাজনিত ছুটি বছরে ১ দিন।শুধুমাত্র সেইসব কর্মচারীদের ইপিএফ সুবিধা প্রদান ক হয়, যাদের বেতন প্রতি মাসে ১৫,০০০/- (পনেরো হাজার) টাকা পর্যন্ত।কর্মচারীরা প্রতি আর্থিক বছরে ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রে কার্যবিবরণী-তে অনুমোদন সাপেক্ষে ৫% বার্ষিক বেতন-পাওয়ার অধিকারী।জাতীয় আয়ুষ মিশন অধীনে কর্মরত চুক্তিভি কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ,নৈমিত্তিক ছুটি বছরে ১২ দিন, বিশেষ ছুটি বছরে ৩০ মাতৃত্বকালীন ছুটি ১৮০ দিন (২টি সন্তান পর্যন্ত), পিতৃত্বকালীন ছুটি চিকিৎসাজনিত ছুটি বছরে ১০ দিন।কর্মীরা প্রতি অর্থ বছরে তাদের বেতনের ওপর ৫% বার্ষিক বৃদ্ধি পেয়ে থাকেন। চিফ মিনিস্টার জন আরোগ্য যোজনা) , ত্রিপুরার অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ :প্রতি ক্যালেন্ডার বছরে ১২টি ছুটি , ৩০ টি বিশেষ ছুটি এবং ১০টি চিকিৎসা সংক্রান্ত ছুটি প্রদান করা হয় এবং প্রতি মাসে ৫০০ টাকা হরে টেলিফোন বিল প্রদান করা হয়। ই.পি.এফ সুবিধা প্রদান করা হয়। ত্রিপুরা রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্রণ সমিতি অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ : ১৫১ জন চুক্তিবদ্ধ কর্মচারীর মধ্যে মাত্র ৫১ জন EPF সুবিধা পেয়ে থাকে। প্রতি বছর ৮ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি হয়ে থাকে। বছরে ৩০ দিন বাৎসরিক ছুটি , বছরে ১০ দিন চিকিৎসা জনিত ছুটি , ৬ মাসের মাতৃত্ব কালীন ছুটি , বছরে ১২ দিন নৈমত্তিক ছুটি এবং ৪টি সংরক্ষিত ছুটি প্রদান করা হয়। বর্তমানে National Health Mission , ত্রিপুরা-এর অধীনে মোট ১,৯৬৫ জন কর্মী কাজ করছেন। তাদের সকলকে NHM প্রকল্পের শুরু থেকেই সম্পূর্ণভাবে চুক্তিভিত্তিক ভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত একই চুক্তিভিত্তিক অবস্থাতেই কর্মরত আছেন।

সিমনা-তমাকারী এবং বোধজংনগর-ওয়াকিনগর কেন্দ্রের সিপি আই এম প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশ

সিমনা-তমাকারী এবং বোধজংনগর-ওয়াকিনগর কেন্দ্রের সিপি আই এম প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমরা যদি এডিসি প্রশাসন আসি জনগণের টাকা জনগণের জন্য খরচ করবো নমিনেশন দাখিল করে দাবি এডিসির ১৩ ও ১৪ আসনের প্রার্থীদের।শুক্রবার ত্রিপুরা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদের নির্বাচনে এডিসির ১৩ সিমনা তমাকারী এবং ১৪ বোধজংনগর ওয়াকিনগর কেন্দ্রের সিপিআইএম দলের প্রার্থী অমূল্য দেববর্মা এবং সঞ্জিত দেববর্মা মোহনপুর মহকুমা শাসক কার্যালয়ে নির্বাচন আধিকারিকের নিকট নমিনেশন দাখিল করেন।এই সময় বামুটিয়ার বিধায়ক নয়ন সরকার সহ সিপিআইএম নেতা কর্মী সমর্থকরা প্রাকৃতিক দূর্যোগকে উপেক্ষা করে মিছিলের মধ্য দিয়ে এই নমিনেশন দাখিল করেন।প্রার্থীরা সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন আমরা যদি এডিসি নির্বাচনে জয়ী হবো নিশ্চিত,কারণ মানুষ শান্তি চায়,জনগণের টাকা জনগণের কল্যাণে খরচ হোক তা চায় এবং আমরা এডিসি প্রশাসনে আসলে জনগণের টাকা জনগণের জন্য খরচ করবো জনগণের কল্যাণে যা যা করণীয় তা করবো।এখন দেখার ভোটযুদ্ধে কাদের পক্ষে মতাধিকার প্রয়োগ করেন গণদেবতারা ।

সাংবাদিক খুনের ঘাতক গাড়ি চালক আটক

সাংবাদিক খুনের ঘাতক গাড়ি চালক আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি:রাজ্যে ভয়ংকর যান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন সাংবাদিক । প্রবল চাপে পড়ে অবশেষে সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তীর মৃত্যুর মামলায় গ্রেফতার অভিযুক্ত গাড়ি চালক নকুল দেবনাথ (৪০) । তার বাড়ি বিলোনিয়া থানার পশ্চিম পাইখোলা এলাকায়। মনপাথর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। উল্লেখ্য , রাতের বেলায় দ্রুত গতিতে গাড়ি চাকাপিষ্ট করে পালিয়ে গিয়েছিল নকুল দেবনাথ । পুলিশ মামলা রুজু করে সুষ্ঠ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে মূল অভিযুক্তকে আটক করায় সন্তোষ স্থানীয় জনগণের । যতদূর খবর , পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতে সৌপদ করেছেন । এখন দেখার পুলিশ সঠিক কেইস ডায়েরী আদালতে পেশ করে অভিযুক্তের শাস্তির ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ।

মথা ও বিজেপির একপ্রস্থ নাটকের অবসান হওয়ার ইঙ্গিত রঞ্জিতের , জোটের পথেই হাঁটছে

মথা ও বিজেপির একপ্রস্থ নাটকের অবসান হওয়ার ইঙ্গিত রঞ্জিতের , জোটের পথেই হাঁটছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে তিপরা মথা ও বিজেপির মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলতে চলেছে। আসন্ন ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়া অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল (এডিসি) নির্বাচনে দুই দল যৌথভাবে লড়াই করতে পারে বলে জোরালো ইঙ্গিত মিলেছে।এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছেন বিধায়ক রঞ্জিত দেব্বর্মা।তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে দিল্লিতে তিপরা মথার প্রাক্তন সুপ্রিম তথা এমডিসি প্রদ্যোত কিশোর দেবর্বমণের সঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে। ওই বৈঠকেই আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে জোট গঠনের রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বিধায়ক রঞ্জিত দেব্বর্মা আরও জানান, রাজ্যের বৃহত্তর স্বার্থে এবং আদিবাসী জনগণের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে স্পষ্ট ঘোষণা করা হতে পারে।এখন নজর দিল্লির বৈঠকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। রাজনৈতিক মহল অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, আদৌ এই সম্ভাব্য জোট বাস্তবায়িত হয় কিনা এবং হলে তার প্রভাব কতটা বিস্তৃত হয় আসন্ন নির্বাচনে।

বামুটিয়ায় বি এম এস অটোরিক্সা শাখার কমিটি গঠন নিয়ে ধুন্দুমার , অফিসে তালা

বামুটিয়ায় বি এম এস অটোরিক্সা শাখার কমিটি গঠন নিয়ে ধুন্দুমার , অফিসে তালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোষ্টিকোন্দলের জেরে আবারো বিএমএসের অটো রিক্সা বামুটিয়া ব্লক শাখার কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা,পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, অফিস ঘরে দেওয়া হলো তালা ।বিএমএস পশ্চিম জেলা কমিটির সভাপতি প্রদীপ দেবনাথ,সাধারণ সম্পাদক আশীষ সাহারা বিএমএস অনুমোদিত অটো রিক্সা বামুটিয়া ব্লক শাখার বর্তমান কমিটি বহাল রেখে নতুন করে এড-হক কমিটি ঘোষণা করে বলে জানান কমিটির কনভেনর সুরজিৎ দাস, কো কনভেনর সঞ্জিত দাস,অসিত দাস,উত্তম বণিকরা।এই কমিটির সামাজিক মাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে আবারো উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বামুটিয়ায়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে এয়ারপোর্ট থানার ওসি সুশান্ত দেব সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এবং রাজ্য কমিটি,জেলা কমিটি ও বামুটিয়া ব্লক শাখাকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা ক্রমে সমাধানে আসার পরামর্শ দেন এবং তাদের একটি অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ করা হয় পুলিশের উপস্থিতিতে।এই বিষয়ে বর্তমান কমিটির সভাপতি অরুন দাস জানান তাদের কমিটির মাত্র দেড় বছর হয়েছে যে কমিটি বিএমএস রাজ্য,জেলা কমিটি ,মন্ডল সভাপতি শিবেন্দ্র দাস,প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাসের উপস্থিতিতে গঠিত হয়।কিন্তু এই এড-হক কমিটি নিয়ে রাজ্য বা জেলা কমিটি তাদের কিছু জানায়নি।যার জেরে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয় পাশাপশি বিস্তারিত জানান তিনি । তবে , গোটা ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ধর্মনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী চয়ন ভট্টাচার্য

ধর্মনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী চয়ন ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিনিধি,আগরতলা : বহু প্রতীক্ষার অবসান হতে চলছে । ৫৬ ধর্মনগর বিধানসভা উপ নির্বাচনে জাতীয় কংগ্রেস একাই লড়ছে । বিজেপি ও বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর চমক এনেছে কংগ্রেস । সদ্য প্রয়াত বিধায়ক তথা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেনের শূন্য জায়গায় স্থানীয় জনগণের অন্যতম ভরষা চয়ন ভট্টাচার্জ। স্বজ্জন ও নম্র ভাষী ধর্মনগরের সুপরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাতীয় কংগ্রেস দলের প্রবীণ সদস্য । প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সবার পছন্দের প্রার্থী চয়নেই সীলমোহর হাইকমান্ডের । নাম প্রকাশ হতেই বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরা । স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে চয়নের জয় নিশ্চিত বলেই অভিমত স্থানীয় জনগণের । এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম ছিলেন চয়ন ভট্টাচার্য । প্রার্থী নিজেও আশাবাদী জয় নিয়ে । তিনি বলেন, ধর্মনগর উপভোট থেকেই কংগ্রেস বিজেপি উৎখাতের সূচনা করে জনহীতে আগামীদিনে কংগ্রেস সরকার পরিবর্তনের পথ সুগম করবে ।

এস এস এ সহ চুক্তিবদ্ধ শিক্ষকদের নিয়মিত করনের জোড়ালো দাবী বিধানসভায়

এস এস এ সহ চুক্তিবদ্ধ শিক্ষকদের নিয়মিত করনের জোড়ালো দাবী বিধানসভায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: সমগ্র শিক্ষা অভিযান (এসএসএ) এবং অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের দীর্ঘদিনের দাবি বুধবার ত্রিপুরা বিধানসভায় জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চাকরির নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিধায়করা।আজ বাজেট অধিবেশনে বিষয়টি উত্থাপন করেন পল ডাংশু। তিনি জানান, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেও এসএসএ শিক্ষকরা এখনও চুক্তিভিত্তিক অবস্থায় রয়েছেন, যদিও তারা উচ্চ আদালত থেকে অনুকূল রায় পেয়েছেন। একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি ভোকেশনাল শিক্ষকসহ অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকরাও।তিনি আরও বলেন, এসএসএ শিক্ষকরা আরটিই আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেছেন এবং স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ডি.এল.এড সম্পন্ন করেছেন। পাঠদানের পাশাপাশি বুথ-লেভেল দায়িত্ব, মিড-ডে মিল পরিচালনা এবং বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।পল ডাংশু রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা বিশেষ অনুমতি পিটিশন (এসএলপি) প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তার মতে, এতে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমবে। তিনি বলেন, এসএলপি প্রত্যাহার করা হলে শিক্ষকদের বেতনের মাত্র ১০ শতাংশ রাজ্যকে বহন করতে হবে, বাকিটা কেন্দ্র সরকার দেবে।এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন, ২০০-রও বেশি শিক্ষক চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন, কিন্তু তাদের পরিবারের জন্য পেনশন বা ‘ডাই-ইন-হারনেস’ সুবিধা নেই। দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সকল চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকের জন্য সম্মানজনক বেতন ও স্থায়ী কাঠামো গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি।এই দাবিকে সমর্থন করেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি একে অপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বলে উল্লেখ করেন। অসমসহ কয়েকটি রাজ্যে এসএসএ শিক্ষকদের পূর্ণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান এবং বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।এদিকে, বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, বিষয়টি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আইন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি জানান।

জুনের শেষে ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের রায় প্রদান সুপ্রিম কোর্টের

জুনের শেষে ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের রায় প্রদান সুপ্রিম কোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রায় এক দশক পর আগামী জুন মাসের শেষ সপ্তাহে টিটিএএডিসি-এর অধীন ভিলেজ কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আজ দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানী ছিল। সেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় সম্মতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আইনজীবী ভাস্কর দেববর্মা জানান, সুপ্রিম কোর্টের কোর্ট নং ১৪-তে দুটি বিষয় শুনানির জন্য বিচারপতি মনোজ মিশরা এবং বিচারপতি মনমোহনের বেঞ্চে ওঠে। একটি বিষয় ছিল দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ভিলেজ কমিটি নির্বাচন এবং অন্যটি ছিল টিটিএএডিসি-র বিভিন্ন বিল, যা এখনও রাজ্য সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আজ আদালতে সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানী ছিল। সেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় সম্মতি দিয়েছে সুপ্রীম কোর্ট। সেখানে জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে। বিষয়টি পুনরায় শুনানির জন্য আগামী ২০ মে ধার্য করা হয়েছে। ফলে সুপ্রিম কোর্টের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে, টিটিএএডিসি-র বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলায় আদালত রিট পিটিশন গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছে।এদিকে, এই রায়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিপরা মথার প্রাক্তন সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেবর্বমা সামাজিক মাধ্যমে বলেন, দশ বছর পর জুন মাসে ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আমাদের তিপ্রাসা জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করায় সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

শিশু ধর্ষন মামলায় অভিযুক্তের ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

শিশু ধর্ষন মামলায় অভিযুক্তের ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২২ সালের ৭ ই আগস্ট আগরতলা শহর লাগাওয়া বিষ্ণুপদ দাস তার পাশের বাড়ির এক ১১ বছরের নাবালিকাকে মুড়ি খাওয়া বার লোভ দেখিয়ে বাড়িতে এনে ধর্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে ইস্ট আগরতলা মহিলা থানাতে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বিষ্ণুপদ দাসের বিরুদ্ধে মামলা রজু করেন নাবালক মেয়েটির মা। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে মামলাটি আদালতে চলছিল। গত ১৬ মার্চ স্পেশাল পোসকো আদালত মামলাটি শুনানি শেষে দোষী সাব্যস্ত করেন আসামী বিষ্ণুপদ দাস কে। আদালত ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা ফাইন করেন অনাদায় আরো দুই মাসের জেল হাজতের নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে আইনজীবী জয়ন্ত চৌধুরী বলেন এই রায়ে নির্যাতিত পরিবার সুবিচার পেয়েছেন । আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় ।

 মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বৃজেশ পান্ডে ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বৃজেশ পান্ডে ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ৯ই এপ্রিল ৫৬ নম্বর ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরে শুরু হলো উচ্চপর্যায়ের রিভিউ মিটিং। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ব্রিজেস পান্ডের উপস্থিতিতে উওরের জেলাশাসকের কনফারেন্স হলে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বুধবার বিকেলে।উপনির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এদিন ধর্মনগরে পৌঁছান মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত নির্বাচন আধিকারিক ঊষা জেন মগ,রাজ্যের অতিরিক্ত ডিজিপি জি. এস. রাও এবং পুলিশ অবজারভার এস. শীতেশ বিনো। রিভিউ মিটিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন আধিকারিক তথা জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন,নির্বাচন আধিকারিক তথা মহকুমা শাসক দেবযানী চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার অভিনাশ রাই সহ নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত অন্যান্য প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা। বৈঠকের শুরুতেই জেলা নির্বাচন আধিকারিক চাঁদনী চন্দ্রন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকসহ অন্যান্য অতিথিদের স্বাগত জানান। এরপর উপনির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। রিভিউ মিটিং শেষে ধর্মনগরের সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে স্থাপিত উপনির্বাচনের স্ট্রং রুম এবং ভোট গণনা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক সহ উপস্থিত অন্যান্য আধিকারিকরা। নির্বাচনের প্রস্তুতি সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা,তা খতিয়ে দেখেন তারা।

Advertisements

Ad 1

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3

Ad 2

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3

Ad 3

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3
Advertisement 4
Advertisement 5
Advertisement 6
Advertisement 7

Ad 4

Advertisement 1
Advertisement 2
Advertisement 3
Advertisement 4
Advertisement 5
Advertisement 6
Advertisement 7

Latest Post

বিধানসভার ষষ্ঠ দিনের অধিবেশনের টুকিটাকি
রাজনীতিLatest
March 20th, 2026

বিধানসভার ষষ্ঠ দিনের অধিবেশনের টুকিটাকি

নিজস্ব প্রতিনিধি:রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ দিন আজ প্রশ্ন উত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের উত্থাপিত শহর ও নগর এলাকায় মশার দুর্বিষহ যন্ত্রণা সম্পর্কিত প্রশ্নের মধ্য দিয়েই আজকের অধিবেশনের সূচনা হয়। প্রশ্নকর্তা জানতে চান স্মার্ট সিটি আগরতলা সহ রাজ্যের প্রতিটি শহর ও নগর এলাকায় মশার দুর্বিষহ যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে নিশ্চিত ভাবে পরিত্রাণ দিতে দপ্তরের কি পরিকল্পনা রয়েছে। দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা এ প্রসঙ্গে জানান রাজ্য সরকার মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে সমসময় পরিষ্কার করার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে চলেছে। এদিকে বিশেষ নজরদারি বজায় রাখা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান বৃষ্টিপাতের সময় মশার প্রজনন বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে স্মার্ট সিটিতে কভার ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। ট্রেনগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আগরতলা পুরো নিগমকে অতিরিক্ত ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা করার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের ওপর এক প্রশ্নের উত্তরে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, কিশোর বর্মন জানান বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদের সংখ্যা ৩০৬। শূন্য পদ গুলিতে প্রয়োজনীয় লোক নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পর্যায়ক্রমে শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে। লোক সেবা আয়োগ এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী। অতিরিক্ত এক প্রশ্নে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন ইউজিসির রুলস অনুযায়ী অধ্যাপক নিয়োগে বয়সের উর্ধ্বসীমা নেই। অথচ আমাদের রাজ্যে টিপিএসসি মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের উর্ধসীমা চল্লিশ করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উর্ধ্বসীমা তুলে দিয়ে বিষয়টি সংশোধন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী জানান ,দেরাদুনে ত্রিপুরার ছাত্র এঞ্জেল চাকমা হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং দুজন কিশোর। প্রধান অভিযুক্ত পালিয়ে রয়েছে। পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রচেষ্টা জারি রয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পল দাংশুর আনা একটি নোটিশের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, পলাতক প্রধান অভিযুক্তের সন্ধান পেতে দেরাদুন পুলিশ ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে এবং উত্তরাখন্ড পুলিশ সদর দপ্তর তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য প্রদানে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম এবং তল্লাসী অভিযান জারি রয়েছে। লুক আউট সার্কুলার ও ব্লু কর্নার নোটিশ জারির মতো আইনগত পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। আদালতে মামলাটির শুনানি চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এঞ্জেল চাকমার মৃত্যুর বিষয়টি খুবই হৃদয়বিদারক এবং স্পর্শকাতর বিষয়। তিনি বলেন, যেদিন এই ঘটনা ঘটে সেদিন থেকেই তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে খোঁজখবর রেখেছেন। ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামির সাথে তিনি কথা বলেছেন। পরবর্তী সময়ে আবার উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আশ্বাস দেন যে যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার সদস্য সান্ত্বনা চাকমা ও টিংকু রায় মাছমারাস্থিত এঞ্জেল চাকমার বাড়িতে যান এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজদের সঙ্গে দেখা করেন ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। ঐদিনই ত্রিপুরা সরকারের পক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান এবং উত্তরাখন্ড সরকারের পক্ষ থেকে ৪ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকার চেক এঞ্জেল চাকমার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে ১৪ জানুয়ারি নন্দননগরস্থিত এঞ্জেল চাকমার বাড়িতে যান এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনদের সাথে দেখা করেন। এঞ্জেল চাকমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান এবং শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও শিল্পমন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যে তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিল পাস করানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে মতানৈক্যের ফলে বিধানসভায় আজ বিরোধীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং শেষ পর্যন্ত ওয়াক আউট করেন । রাজ্যে তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিধানসভা অধিবেশনে উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী বিল উত্থাপন করেন। বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী এবং কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় র্মন বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন । এই বিলের স্বচ্ছতা বাস্তবতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলেন। এ ধরনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিল পাস না করানোর জন্য তারা জোরালো দাবি জানান। কিন্তু সরকার পক্ষ বিরোধীদের অভিযোগ নাকচ করে দেন। এ নিয়ে বিধানসভায় তীব্র বাক বিতন্ডা শুরু হয়। বিরোধীদের দাবির উপেক্ষা করে বিধানসভায় বিল পাস করানোর চেষ্টা করা হলে বিরোধীরা অধ্যক্ষের আসনের দিকে এগিয়ে এগিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভ প্রদর্শনের পরও বিল পাস করানোর চেষ্টা করলে বিরোধীরা ওয়াক আউট করেন। বিরোধীরা ওয়াক আউট করার পর তিনটি বিলেই পাস করানো হয়। বিধানসভা অধিবেশনে আজ বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সরকার পক্ষ ও বিরোধীপক্ষ উভয় পক্ষের সদস্যরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। ট্রেজারী বেঞ্চের বিধায়ক রঞ্জিত দাস আজ আলোচনার সূত্রপাত করেন। তিনি অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়ের পেশ করা বাজেটকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, এই বাজেট হল একটি রোড ম্যাপ। অর্থমন্ত্রী যে বাজেট পেশ করেছেন তা অভূতপূর্ণ বলে তিনি আখ্যায়িত করেন। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, বিরোধীরা কোনদিন এই ধরনের বাজেটকে সমর্থন করেনি। অর্থমন্ত্রী এবার করহীন বাজেট পেশ করেছেন। বিরোধীরা এই বাজেটকে সমর্থন না করলে মনে হবে বিরোধীরা চাইছেন জনগণের উপর কর চাপানো হোক। কৃষি ,মৎস্য, পশুপালন, স্বাস্থ্য, এডিসি এলাকার উন্নয়ন সব ক্ষেত্রেই এবারের বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার জনজাতি কল্যাণে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বলেও উল্লেখ করেন বিধায়ক রঞ্জিত দাস। বিরোধী পক্ষের বিধায়ক অশোক মিত্র বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে বলেন, এবার স্বাস্থ্য খাতে বাজেটে ২৫ শতাংশ অর্থ বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। জেলা ও মহকুমা স্তরের হাসপাতাল গুলির উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তিনি দাবি জানিয়েছেন। অশোক মিত্র বলেন, শুধু আগরতলা ভিত্তিক উন্নয়ন করলেই চলবে না। রাজ্যের হাসপাতাল গুলিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মী নেই। এ ব্যাপারে সরকারকে নজর দিতে হবে। বর্তমান সরকারের আমলে গ্রামীন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে না। গ্রামীণ উন্নয়নে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য তিনি রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন। আউটসোর্সিং এ নিয়োগ বন্ধ করে সরকারি ভাবে লোক নিয়োগের জন্য তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে পশুপালন ও মৎস্য দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, গত ১৬ মার্চ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী যে বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন তা ঐতিহাসিক। বাজেটে দূরদর্শিতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এই বাজেট সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক ও ফলপ্রসূ হবে। এই বাজেট মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে এবারের বাজেটে বিশেষ সংস্থান রাখায় তিনি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী জাতীয় সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, বিধানসভায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে জাইকা প্রকল্পের অর্থায়নে খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী জাতীয় সড়ক ২০৮-এর খোয়াই থেকে হরিনা অংশটিকে দুই লেনে উন্নীত করার কাজ চারটি পৃথক প্যাকেজের মাধ্যমে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পাঠান লাল জমাতিয়ার আনা এক দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৪-১৫ সালের আগে ত্রিপুরায় ৩৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট দুটি জাতীয় সড়ক ছিলো। পরবর্তীকালে রাজ্যে আরও চারটি নতুন জাতীয় সড়ক হওয়ায় এই মুহূর্তে জাতীয় সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৯২৩.৩১ কিলোমিটার। খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী ২০৮ নং জাতীয় সড়ক এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলির মধ্যে অন্যতম। তিনি বলেন, ত্রিপুরার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক উন্নতির অন্যতম চাবিকাঠি হলো ২০৮ নং (কুমারঘাট, কৈলাসহর, কমলপুর, খোয়াই, তেলিয়ামুড়া, অমরপুর, হরিনা) জাতীয় সড়ক। প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সড়কটি কৈলাসহর, খোয়াই, তেলিয়ামুড়া, অমরপুর এবং করবুকের মতো রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মহকুমাগুলিকে সরাসরি যুক্ত করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সড়কটির এক নং প্যাকেজের অন্তর্গত খোয়াই থেকে তেলিয়ামুড়া অংশের ২৬ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ ৫৪.০৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২ নং প্যাকেজে তেলিয়ামুড়া থেকে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত ৩৭.২৪ কিমি অংশের নির্মাণ কাজ ৫২.৭৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তির শর্তানুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। বর্তমান কাজের গতি বজায় থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন নং প্যাকেজে রাঙ্গামাটি থেকে পতিছড়ি অংশের ৩৬ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের ৩১ মে সম্পন্ন করার সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে। চার নং প্যাকেজে পতিছড়ি থেকে হরিনা পর্যন্ত ৩৫.৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সড়কের পুরোনো আঁকাবাঁকা রাস্তাগুলির পরিবর্তে বাঁকগুলি সোজা করতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার নতুন এলাইনমেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী পুরাতন রাস্তাটি সচল ও চলাচলের উপযোগী রেখেই নতুন এলাইমেন্টের কাজ চলছে। এই লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নতুন রাস্তা তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো রাস্তার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা পর্যন্ত জাতীয় সড়ক প্রকল্পের চারটি প্যাকেজের কাজ সম্পন্ন হলে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাথে উত্তর ত্রিপুরার সংযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্বের কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি কিছুটা ব্যাহত হলেও বর্তমানে জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এই উন্নত সড়ক পথ ভবিষ্যতে রাজ্যের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করে তুলবে। রেলের কার্গোর দায়িত্বে নেশা কারবারি" শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় রেল যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগরতলা থেকে দেশের বিভিন্ন শহর ও নগরের সাথে প্রতিদিন বহু আন্তঃরাজ্য ট্রেন চলাচল করছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবং রাজ্যের অভ্যন্তরের যাত্রীরা এই ট্রেন পরিষেবা ব্যবহার করছেন। এই বিপুল যাত্রী চলাচলকে কাজে লাগিয়ে মাদক চোরাকারবারিরা অবৈধ সামগ্রী পাচারের চেষ্টা করছে। সম্প্রতি রেলপথ ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য পাচারের ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে। রেলের মাধ্যমে এই ধরনের পাচার চক্র প্রতিরোধের লক্ষ্যে ত্রিপুরা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট যেমন GRP (Govt. Railway Police), ANTF (Anti Narcotics Task Force) প্রভৃতি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন যাত্রীট্রেন, এমনকি মালবাহী ট্রেনেও আকস্মিক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত তল্লাশি অভিযানকালে যেসমস্ত মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং তৎসঙ্গে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে । বিগত ১৬.১০.২০২৫ তারিখে আগরতলা GRPS (Govt. Railway Police Station)- এর নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীবৃন্দ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জিরানিয়া রেলওয়ে স্টেশনে দুটি Wagon (Wagon No. N/R BCNAM1-30030010892 এবং Wagon No. N/R BCNAHSM1-31032457043) থেকে ৯০,০০০ বোতল Eskuf কফ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করেন। এই ঘটনায় বিগত ১৭-১০-২০২৫ তারিখে আগরতলা GRPS-এ NDPS (Narcotic Drugs and Pshychotropic Substances) আইনে ধারা ২১(C)/২৯ [কেস নং-2025GRP104] একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়। তদন্ত চলাকালীন জিরানিয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে আরও ১৭,৮০০ বোতল Eskuf কফ সিরাপ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়। এই মামলার তদন্ত চলাকালীন মোট ৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ৬ জনের মধ্যে, প্রধান অভিযুক্তসহ ০৩ জনকে ত্রিপুরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হল, (১) অরুণ কুমার ঘোষ (২) রাজীব দাস গুপ্ত (৩) মান্তানু সাহা। তদন্ত চলাকালীন সময়ে অফিসারদের একটি দল দিল্লি এবং উত্তর প্রদেশ সফর করে এবং সেখান থেকে আরও তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। তারা হল ১. সৌরভ ত্যাগী ।২. হিমাংশু ঝা ।৩. দীপ প্রকাশ গুপ্ত ।গ্রেপ্তারকৃত এই ৬ জন অভিযুক্তই আগামী ২৭.০৩.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকবে।পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এন.ডি.পি.এস এর বিশেষ বিচারক মান্তানু সাহার বিরুদ্ধে একটি 'প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছেন, যা এখনও কার্যকর করা বাকি রয়েছে। মান্তানু সাহা বর্তমানে বিশালগড়ে অবস্থিত 'কেন্দ্রীয় সংশোধনালয়ে আটক রয়েছে। এই মামলার সাথে জড়িত মাদক সাম্রাজ্যের আরেক মূল হোতা বা 'কিংপিন-যাঁর নাম অপু রঞ্জন দাস-তাঁকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপু রঞ্জন দাস বর্তমানে পলাতক রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ত্রিপুরা পুলিশ একটি বিশাল আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস বা একটি নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং স্যন্দন পত্রিকায় প্রকাশিত বাংলাদেশির জামিনদার ভারতীয় সরকারি কর্মী, আদালতের নোটিশ-শীর্ষক সংবাদ সম্পর্কে বিধায়ক শ্রী রঞ্জিত দেববর্মার রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিগত ১৩/০২/২০২৬ তারিখে Chief Judicial Magistrate Court, Khowai এর মাননীয় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, খোয়াই পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ১০/০২/২০২৬ তারিখে Case No. PRC (WP) 05 to 2026 সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেন।হেফাজতে থাকা অভিযুক্ত শাকিল প্রভাষ খান-এর পক্ষে জামিনদার হিসেবে সঞজু দাস, LDC, O/o the Superintendent of Police (Traffic), বর্তমানে SDPO Office, Longtharai Valley, Dhalai-এ কর্মরত মাননীয় খোয়াই আদালতে উপস্থিত হয়ে ঘোষণা করেন যে, তিনি অন্য কোনো মামলায় কখনও জামিনদার হিসেবে দাঁড়াননি। কিন্তু যাচাই করে দেখা যায় যে, তিনি ইতিমধ্যে আরও 4টি মামলায় জামিনদার হিসেবে কাজ করেছেন। ফলে মাননীয় খোয়াই আদালত জামিন গ্রহণ করেননি।মাননীয় CJM, খোয়াই সঞজু দাস, LDC-কে সতর্ক করে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করা হবে না। মাননীয় CJM আদালত, খোয়াই-এর আদেশ প্রাপ্তির পর SP (Traffic), Tripura তার বিরুদ্ধে একটি শোকজ নোটিশ জারি করেন, কিন্তু সঞজু দাস বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় সেই শোকজ নোটিশ তাকে প্রদান করা যায়নি। বিধায়িকা অন্তরা সরকার দেব জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এক রেফারেন্সে কমলা সাগর বিধানসভা এলাকায় একটি ব্লক অফিস স্থাপনের জন্য বিধানসভায় দাবি জানান। যুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন জনসংখ্যা ও গাঁও সভার ভিত্তিতে এলাকায় একটি ব্লক স্থাপন করা জরুরী। বিগত দিনেও প্রশাসনের কর্মকর্তারা এলাকার পরিকাঠামো পরিদর্শন করে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় তিনি বিষয়টি পুনরায় বিধানসভায় উত্থাপন করেন। এরপরে প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ত্রিপুরা রাজ্যে বর্তমানে ৮ টি জেলা ও ২৩ টি মহকুমা রয়েছে। ৮ টি জেলার অন্তর্গত এই ২৩ টি মহকুমাতে ৫৮ টি আর ডি ব্লক রয়েছে। ৮ টি জেলার অন্তর্গত ৫৮ টি আর.ডি ব্লকের প্রতিটি জেলার ভৌগোলিক আয়তন এবং জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে এই ব্লকগুলি গঠন করা হয়েছিল। ত্রিপুরার গ্রামীণ এলাকায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিকে সুচারুভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে এবং গ্রামীণ এলাকার জনগণের আর্থিক ও সামাজিক বিকাশ সাধনে তৎকালীন ৪৫টি ব্লকগুলি ২০১৩ সালে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ১৩ টি নতুন আর.ডি ব্লক গঠন করা হয়েছিল। সেই ১৩টি ব্লকের নাম হল:- ১) বামুটিয়া ২) বি সি নগর ৩) চড়িলাম ৪) কলাছড়া ৫) মোহনভোগ ৬) পোয়াংবাড়ি ৭) টেপানিয়া ৮) বেলবাড়ি ৯) চন্ডিপুর ১০) গঙ্গানগর ১১) লালজুড়ি ১২) ওল্ড আগরতলা ১৩) রইস্যাবাড়ি। রাজ্যের বিদ্যমান ব্লকগুলি কার্যকরভাবে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং জনসেবা প্রদানে সক্ষম রয়েছে। প্রতিটি ব্লক পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ব্লক স্তরে বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্য পরিচালনা করতে এবং জনসাধারণের সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোনো ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না।তাছাড়া ব্লক পুনর্গঠন একটি অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, যা অতিরিক্ত আর্থিক ব্যয়, জনবল পুনর্বিন্যাস এবং অবকাঠামোগত জটিলতা সৃষ্টি করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের কোনো প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত না হওয়ায়, সরকার এই বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজনের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার ব্লক পুনর্বিন্যাস বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। স্বাস্থ্য দপ্তরে কর্মরত প্রকল্প কর্মীদের সুযোগ সুবিধা প্রদান করা সম্পর্কে " বিধায়ক অশোক চন্দ্র মিত্র এবং বিধায়ক সুদীপ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনস্থ বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ সংক্রান্ত দৃষ্টি আকর্ষনী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ড মানিক সাহা বলেন, ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধীনস্থ প্রকল্প গুলির মধ্যে যেমন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন , জাতীয় আয়ুষ মিশন , ত্রিপুরা স্বাস্থ্য সুরক্ষা সমিতি (আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এবং চিফ মিনিস্টার জন আরোগ্য যোজনা) এবং ত্রিপুরা রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্রিত সমিতি রয়েছে। তাদের কর্মীদের সুযোগ সুবিধা প্রদান সম্পকে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন , ত্রিপুরার অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধাসমূহ প্রদান করা হচ্ছে। সেগুলি হল নৈমিত্তিক ছুটি বছরে ১২ দিন, বিশেষ ছুটি বছরে ৩০ দিন মাতৃত্বকালীন ছুটি ১৮০ দিন (২টি সন্তান পর্যন্ত), গর্ভপাতজনিত ছুটি ৪৫ দিন পিতৃত্বকালীন ছুটি ৭ দিন (সর্বোচ্চ ২টি সন্তানের জন্য), চিকিৎসাজনিত ছুটি বছরে ১ দিন।শুধুমাত্র সেইসব কর্মচারীদের ইপিএফ সুবিধা প্রদান ক হয়, যাদের বেতন প্রতি মাসে ১৫,০০০/- (পনেরো হাজার) টাকা পর্যন্ত।কর্মচারীরা প্রতি আর্থিক বছরে ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রে কার্যবিবরণী-তে অনুমোদন সাপেক্ষে ৫% বার্ষিক বেতন-পাওয়ার অধিকারী।জাতীয় আয়ুষ মিশন অধীনে কর্মরত চুক্তিভি কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ,নৈমিত্তিক ছুটি বছরে ১২ দিন, বিশেষ ছুটি বছরে ৩০ মাতৃত্বকালীন ছুটি ১৮০ দিন (২টি সন্তান পর্যন্ত), পিতৃত্বকালীন ছুটি চিকিৎসাজনিত ছুটি বছরে ১০ দিন।কর্মীরা প্রতি অর্থ বছরে তাদের বেতনের ওপর ৫% বার্ষিক বৃদ্ধি পেয়ে থাকেন। চিফ মিনিস্টার জন আরোগ্য যোজনা) , ত্রিপুরার অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ :প্রতি ক্যালেন্ডার বছরে ১২টি ছুটি , ৩০ টি বিশেষ ছুটি এবং ১০টি চিকিৎসা সংক্রান্ত ছুটি প্রদান করা হয় এবং প্রতি মাসে ৫০০ টাকা হরে টেলিফোন বিল প্রদান করা হয়। ই.পি.এফ সুবিধা প্রদান করা হয়। ত্রিপুরা রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্রণ সমিতি অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ : ১৫১ জন চুক্তিবদ্ধ কর্মচারীর মধ্যে মাত্র ৫১ জন EPF সুবিধা পেয়ে থাকে। প্রতি বছর ৮ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি হয়ে থাকে। বছরে ৩০ দিন বাৎসরিক ছুটি , বছরে ১০ দিন চিকিৎসা জনিত ছুটি , ৬ মাসের মাতৃত্ব কালীন ছুটি , বছরে ১২ দিন নৈমত্তিক ছুটি এবং ৪টি সংরক্ষিত ছুটি প্রদান করা হয়। বর্তমানে National Health Mission , ত্রিপুরা-এর অধীনে মোট ১,৯৬৫ জন কর্মী কাজ করছেন। তাদের সকলকে NHM প্রকল্পের শুরু থেকেই সম্পূর্ণভাবে চুক্তিভিত্তিক ভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত একই চুক্তিভিত্তিক অবস্থাতেই কর্মরত আছেন।

Video News

Watch All →

তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।

1040 viewsJuly 18th, 2024

জনতার দুয়ারে জননেতা রাম প্রসাদ পাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

1019 viewsJune 24th, 2024

প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী দেবদাস বকসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।

1016 viewsJune 12th, 2024

মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে মজবুত করবে: রানা ঘোষ

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।

1024 viewsJune 8th, 2024

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থার়

নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।

1027 viewsJune 1st, 2024

জয় হবে রেকর্ড ভোটে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।

1019 viewsMarch 27th, 2024

Ad. Videos

News by Category

সম্পাদকীয় কলম
View All
মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের বিভীষিকা

মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের বিভীষিকা

সম্পাদকীয় কলম : চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের । চারিদিকে যুদ্ধের বিভীষিকা । সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসন বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করেছে । স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রধানরা পর্যন্ত নিরাপদ নয় । মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিদ্যমান । এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম শক্তিধর দেশ ভারতবর্ষ । অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে । নৌ সেনা , স্থল ও আকাশপথে পর্যাপ্ত আগাম সুরক্ষা নিয়ে রেখেছে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । সমস্ত রাজ্যগুলোকেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে । যে কোন সময় আঘাত হলে প্রত্যাঘাত করতে সক্ষম ভারত । তবে , মধ্য প্রাচ্যের অস্থিতিশীল অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী । যুদ্ধ মানেই সম্পদ ও মানব জাতির ক্ষতি । তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলে ভৌগোলিক মানচিত্র থেকে বহু দেশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা । আগ্রাসন ও কতৃত্ব কায়েম করতে ইরানের রাষ্ট্র প্রধানের হত্যার পর পাল্টা প্রত্যাঘাত যেন ভয়াবহতা বাড়িয়েছে । এদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষনা ইরানের । বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা । মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো আভ্যন্তরীণ শান্তি ও নিরাপত্তা ভুলে ক্ষমতার বহিঃ প্রকাশ করতে মারন খেলায় মেতে উঠেছে। ইসলামীক রাষ্ট্রগুলোও বহু ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে । সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মধ্য প্রাচ্যের প্রায় সব রাষ্ট্রেই পরমাণু শক্তি ধীরে ধীরে গোপনে বৃদ্ধি করে নিয়েছে । এমতাবস্থায় যুদ্ধের অশনি আবহাওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ন্যায় পরমাণু কোন হামলা হলে পরিণাম ভোগতে হবে গোটা মানব সভ্যতাকে । বিশ্ব শান্তি রক্ষায় জাতি সংঘ , ন্যাটো , ইউন্যস্কো সহ বিশ্ব মানবাধিকার কমিশনের মধ্যস্থতা অত্যন্ত আবশ্যক । এই পরিস্থিতি বন্ধ না হলে আন্তর্জাতিক আর্থিক ,বাণিজ্যিক , সামাজিক যাবতীয় ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে পড়বে । শেয়ার বাজারে ধ্বস পড়বে । মূল্যবৃদ্ধি হবে । সাধারন জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে । স্থিতিশীল দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা ঘনীভূত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে । মানব সম্পদ রক্ষায় যুদ্ধের আগ্রাসন ভুলে স্থিতিশীল সহবস্থান গড়ে উঠুক মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে , এটাই কাঙ্খিত ।

March 4th, 2026
বানরের উৎপাতে দিশেহারা কাঁঠালিয়ার মানুষ!

বানরের উৎপাতে দিশেহারা কাঁঠালিয়ার মানুষ!

নিজস্ব প্রতিনিধি : বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকার বিশেষ করে ফলের দোকান, শাক সবজির দোকান মালিকরা একেবারে দিশেহারা। বিগত কয়েক মাস ধরে, সকালবেলা দোকান খোলার পরেই শুরু হয় বানরের ঝাপটা! যেকোনো ফল অথবা যে কোন সবজি হঠাৎ দোকানে নেমে মুখে করে নিয়ে চলে যায় বিল্ডিংয়ের উপর। মনে হয় যেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকা বানরের বসতবাড়ি! এমন কোন দিন বাদ নেই, প্রতিদিনই ১৫ থেকে ২০টি হিংস্র বানর তাণ্ডব চালায় প্রতিটি দোকানে দোকানে গিয়ে। দোকান মালিক তাড়িয়ে দিতে গেলে উল্টো হামলা চালায় দোকান মালিকদের উপর। এছাড়া বাড়ি ঘরে তো আছেই, তবে বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে এখন কিভাবে বানরের এই সমস্ত আমরা থেকে দোকান মালিকরা রেয়াই পাওয়া যায় সেটাই এখন বড় প্রশ্ন নিয়ে দাঁড়িয়েছে কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকার ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে।

February 11th, 2026
প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ

প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রসেনজিৎ হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচারের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এল। শনিবার ধর্মনগরের মাননীয় আদালত মামলার পাঁচ অভিযুক্তের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁদের বিচারাধীন অবস্থায় বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালত সূত্রে জানা যায়, আজকের দিনসহ অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে মোট তিনবার জামিনের আবেদন জানানো হয়। তবে মামলার গুরুত্ব, ঘটনার গুরুতরতা এবং প্রাথমিক তদন্তের স্বার্থে প্রতিবারই আদালত সেই আবেদন নাকচ করেন।আজ প্রসেনজিতের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আইনজীবী শঙ্কর লোদ। তাঁর সঙ্গে সহকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবদাস বক্সি। অপরদিকে, প্রসিকিউশনের তরফে প্রয়োজনীয় নথি ও যুক্তি পেশ করে অভিযুক্তদের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।আদালতের এই সিদ্ধান্তে প্রসেনজিতের পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, এই রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট এবং আশা প্রকাশ করেন যে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি তাঁদের পূর্ণ আস্থার কথাও জানান তাঁরা।উল্লেখ্য, প্রসেনজিৎ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা ও প্রতিবাদের আবহ তৈরি হয়েছে। আদালতের আজকের এই সিদ্ধান্ত ন্যায়বিচারের দাবিতে চলা আন্দোলনে নতুন করে আশার আলো ও মনোবল জুগিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

January 3rd, 2026
ত্রিপুরার সার্বিক কল্যান : শুভ হউক ২০২৬

ত্রিপুরার সার্বিক কল্যান : শুভ হউক ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: , ধর্ম ,বর্ন ও সার্বিক দলমতকে ঊর্ধ্বে রেখে সার্বিক উন্নয়নের বাহক হউক শুভ বর্ষ ২০২৬ ইং সালটি এটাই কাম্য হওয়া আবশ্যক । বর্তমানে সার্বিকভাবে জনগন ভালো আছেন তা স্বয়ং ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত শাসকগণ ও পরিবার পরিজনেরা বলতে পারবেন কিনা অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করে থাকেন । বৃহত্তর জনস্বার্থে কাঙ্খিত উন্নয়ন ছাড়া বিকাশের পরিভাষা হতে পারেনা , বলাই বাহুল্য । ত্রিপুরার আম জনতা বলতে স্বচ্ছল / ধনী / সরকারের বাহকদের বলা চলেনা । বলতে হয় সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ , বেকার ,সাধারন কর্মীজীবীরাও রয়েছেন । এই তালিকা অনেক প্রশস্ত ও সুদীর্ঘ । তাতে রয়েছেন হতভাগ্য ১০৩২৩ কর্মচ্যুত শিক্ষক ও শিক্ষিকাগন যাদের আমরা হয়তো ভুলে গেছি । পরিবার পরিজনেরা এক বুক ব্যথার পাহাড় বুকে চাপা দিয়ে দৈন্যদশায় জীবন কাটাচ্ছেন । টাকার অভাবে কেও বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন । আবার অনেকের ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা চালাতে পারছেন না । তারা এই রাজ্যের সন্তান হয়েও মাননিয়ের সদিচ্ছার অভাবে উপেক্ষিতই রয়ে গেছেন । পাশাপাশি বুকভরা আশা ভরসা পেয়ে বা নিয়ে ত্রিপুরার অসহায় আম জনতার হাল হাকীকত বলার অপেক্ষা রাখেনা । রাজ্যের কর্ণধারদের প্রতি রাজ্যবাসীর সীমাহীন ভরসার দিকে একটু অনুকম্পা বৃহৎ অংশের কল্যাণময় হয়ে উঠবে বর্তমান ভাগ্যাদাতাগন ।তাই বলি এই অবস্থায় আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যের বাজারে দিশাহীন আম জনতার কিইবা করনীয় রয়েছে । শুধু চাতক পাখির ন্যায় ভাগ্য নির্ধারক গনদের হাত বাড়ানোর প্রতি তাকিয়ে থাকাই যেন একমাত্র এখন সম্বল । অসহায়ত্বের ঝুলি কাঁধে নিয়ে হেঁটে চলে যেতে হচ্ছে জীবন সংগ্রামে । তবে , এটা ধ্রুব সত্য যে বঞ্চিতদের একটা সময় ও সীমারেখা বেঁধে দিয়েছে ভাগ্যবিধাতা / প্রকৃতি । গতকালের ঘটনা প্রবাহ কিন্তু আজকের ইতিহাস । ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না । যেমন মানুষের চলার সাথে ছায়াও চলাচল করে যদি না কেউ অন্ধকারে তলিয়ে যায় ২০২৬ নতুন বর্ষে আশা করি ধারক ও বাহকদের শুভবুদ্ধির উন্মোচনের মাধ্যমে জনস্বার্থে কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে ত্রিপুরাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর হবেন । ছোট রাজ্য ত্রিপুরা যার জনসংখ্যা বড়বড় রাজ্যের একটা জেলার প্রায় সমান । তাই সার্বিক বিবেচনা করে জন সাধারণের কল্যানে কেন্দ্র ও রাজ্যের আনুকূল্যে ত্রিপুরার সার্বিক উন্নয়নের পদচিহ্ন বহন করবে বলে আশা করা যায় ২০২৬ শে ।তবে , সকলের কল্যান কাঙ্খিত ধারাতে পরিচালনা করতে হবে । রাজ্যের শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নত মানের শিক্ষক ছাড়া সম্ভব নয় । টেট উত্তীর্ণ ভাবী শিক্ষকরা চাকরীর আশায় বারবার শিক্ষা ভবন ঘেরাও করেছেন ২০২৫ সালে । আগামীর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ২০২৬ ইং সালে সবার মুখে হাসি ফোটাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে প্রত্যাশায় প্রত্যাশীরা । রাজ্যের মধ্যে চলমান নেশার আগ্রাসন বন্ধে কঠোরতা অবলম্বন করা উচিত বলেও অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের। নেশা মুক্ত ত্রিপুরার স্লোগান যেন বাস্তবতা পায় । ধমনী পথে একই সিরিঞ্জ একাধিক মানুষ বিশেষ করে ছাত্ররা ড্রাগস নিচ্ছে । পাল্লা দিয়ে থাবা বসিয়েছে মারন ভাইরাস এইডস। দেশের অন্যান্য রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে রাজ্যের সংক্রমন সর্ব কালের রেকর্ড ভেঙেছে । সবদিক বিচার করে ব্যবস্থা নিয়ে সুন্দর ও সমৃদ্ধ ত্রিপুরার নির্মাণের আশায় রাজ্যবাসী । অন্ধকারের বিভীষিকা কাটিয়ে নতুন ইংরেজী বছর ২০২৬ সাল নতুন উচ্ছ্বাস , আলোর দীপ্তিতে মুখড়িত হয়ে উঠুক এটাই কাম্য।

December 31st, 2025
ধর্ম ও দর্শন
View All
বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি

বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাঁচ শতাধিক রোজাদারকে ইফতার পার্টিতে শামিল করে বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি। বুধবার ইন্দ্রনগর গাউছিয়া সমিতি মসজিদ প্রাঙ্গনে "বাগে হুদা" দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয় এই ইফতার পার্টি। যেখানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এদিন এই ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিল আগরতলার গাউছিয়া সমিতি। ইফতার পার্টিতে ৫ শতাধিক ধর্মপ্রাণ রোজাদার অংশগ্রহণ করেন এবং একসাথে ইফতার করেন। ইফতারের আগে তারা মোনাজাত তুলে বিশ্ব শান্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া পাঠ করেন। ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে শিশু থেকে শুরু করে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য নিয়ছিল।নজরুল ইসলাম কাদরী, ইমাম গাউছিয়া জামে মসজিদের বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করলেন ।

February 25th, 2026
আগরতলা কেন্দ্রীয় টাউন জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় ইফতার অনুষ্ঠিত হয়ে

আগরতলা কেন্দ্রীয় টাউন জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় ইফতার অনুষ্ঠিত হয়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের রমজান মাসের প্রথম রোজার ইফতার। এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫:২৬ মিনিটে মাগরিব নামাজের আযানের সাথে ইফতারের মাধ্যমে দিনের রোজা ভাঙ্গেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। রাজ্যের সর্বত্রই মসজিদ এবং বাড়ি ঘরে ইফতারের অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখার পর তারাবির নামাজের মাধ্যমে রমজানের সংযমের পর্ব শুরু করেছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ভোর রাতে সেহরি খাবার খেয়ে তারা দিনের রোজা শুরু করেন। দিনভর অনাহার এবং পানাহারের পাশাপাশি সমস্ত পাপকর্ম বর্জনের মধ্য দিয়েই রোজার পূর্ণতা বলে জানিয়েছেন রোজাদাররা। রোজাদাররা দৈহিক মানসিক এবং আত্মিক পরিশুদ্ধতার মধ্য দিয়ে আল্লাহর এবাদত করার চেষ্টা করেন। এক মাস ব্যাপী রমজান শেষে অনুষ্ঠিত হবে খুশির ঈদুল ফিতর।

February 19th, 2026
বাগদেবীর আরাধনায় পড়ুয়ারা আনন্দে বিহ্বল

বাগদেবীর আরাধনায় পড়ুয়ারা আনন্দে বিহ্বল

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতি বছরের মতো এবারও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ ও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে। বিদ্যার দেবীর পূজাকে কেন্দ্র করে স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বই, খাতা, কলম সাজিয়ে আলপনা ও ফুলের সাজে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে শ্রেণিকক্ষ ও মণ্ডপগুলো।পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠেছে রঙিন সরস্বতী পূজার মণ্ডপ। সাদা ও বাসন্তী রঙের সাজসজ্জায় ফুটে উঠছে দেবীর প্রতিমা। নতুন পোশাকে সেজে ছাত্র-ছাত্রীরা পূজার দিনটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।অন্যদিকে, পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় থাকবে পুলিশি নজরদারি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ। সব মিলিয়ে সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ভক্তি, আনন্দ ও উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।

January 22nd, 2026
জাগো হিন্দু ,জাগো সনাতনী,  বার্তায় চন্দনের হাতে গীতা প্রদান

জাগো হিন্দু ,জাগো সনাতনী, বার্তায় চন্দনের হাতে গীতা প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্ম মানেই ধারন করা । জগতের মধ্যে অবিনশ্বর হচ্ছে গীতার জ্ঞান । গীতার মাহাত্ম্য পরমাত্মার সঙ্গে সংযোগ সাধনের সেতু নির্মান করে। সাংসারিক বন্ধন মায়ার বাঁধন। তাই হিংসার ঘূর্ণিপাকে যখন জগৎ সংসারের মধ্যে ক্লেশ ও বিবাদ । ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নিউজ টপ লিংক সংবাদ জগতের ইতিহাসে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে। হাতে হাতে গীতা প্রদান করে আধ্যাত্মিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে কার্যক্রম অব্যাহত। " জাগো হিন্দু , জাগো সনাতন " এই স্লোগান নিয়ে হিন্দুত্বের ধ্বজা উড্ডিন করে চলছে। ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রাজ্যের বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তীর হাতে গীতা তোলে দিলেন নিউজ টপ লিংক ওয়েব পোর্টাল কর্ণধার দীপঙ্কর দেব । চন্দন চক্রবর্তী গীতার জ্ঞান আহরণ করার লক্ষ্যে এবং হিন্দুদের জাগরণে নিজেকেও সামিল করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

January 5th, 2026
রাজনীতি
View All
বিধানসভার ষষ্ঠ দিনের অধিবেশনের টুকিটাকি

বিধানসভার ষষ্ঠ দিনের অধিবেশনের টুকিটাকি

নিজস্ব প্রতিনিধি:রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ দিন আজ প্রশ্ন উত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের উত্থাপিত শহর ও নগর এলাকায় মশার দুর্বিষহ যন্ত্রণা সম্পর্কিত প্রশ্নের মধ্য দিয়েই আজকের অধিবেশনের সূচনা হয়। প্রশ্নকর্তা জানতে চান স্মার্ট সিটি আগরতলা সহ রাজ্যের প্রতিটি শহর ও নগর এলাকায় মশার দুর্বিষহ যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে নিশ্চিত ভাবে পরিত্রাণ দিতে দপ্তরের কি পরিকল্পনা রয়েছে। দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা এ প্রসঙ্গে জানান রাজ্য সরকার মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে সমসময় পরিষ্কার করার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে চলেছে। এদিকে বিশেষ নজরদারি বজায় রাখা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান বৃষ্টিপাতের সময় মশার প্রজনন বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে স্মার্ট সিটিতে কভার ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। ট্রেনগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আগরতলা পুরো নিগমকে অতিরিক্ত ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা করার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের ওপর এক প্রশ্নের উত্তরে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, কিশোর বর্মন জানান বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদের সংখ্যা ৩০৬। শূন্য পদ গুলিতে প্রয়োজনীয় লোক নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পর্যায়ক্রমে শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে। লোক সেবা আয়োগ এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী। অতিরিক্ত এক প্রশ্নে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন ইউজিসির রুলস অনুযায়ী অধ্যাপক নিয়োগে বয়সের উর্ধ্বসীমা নেই। অথচ আমাদের রাজ্যে টিপিএসসি মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের উর্ধসীমা চল্লিশ করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উর্ধ্বসীমা তুলে দিয়ে বিষয়টি সংশোধন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী জানান ,দেরাদুনে ত্রিপুরার ছাত্র এঞ্জেল চাকমা হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং দুজন কিশোর। প্রধান অভিযুক্ত পালিয়ে রয়েছে। পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রচেষ্টা জারি রয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পল দাংশুর আনা একটি নোটিশের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, পলাতক প্রধান অভিযুক্তের সন্ধান পেতে দেরাদুন পুলিশ ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে এবং উত্তরাখন্ড পুলিশ সদর দপ্তর তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য প্রদানে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম এবং তল্লাসী অভিযান জারি রয়েছে। লুক আউট সার্কুলার ও ব্লু কর্নার নোটিশ জারির মতো আইনগত পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। আদালতে মামলাটির শুনানি চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এঞ্জেল চাকমার মৃত্যুর বিষয়টি খুবই হৃদয়বিদারক এবং স্পর্শকাতর বিষয়। তিনি বলেন, যেদিন এই ঘটনা ঘটে সেদিন থেকেই তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে খোঁজখবর রেখেছেন। ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামির সাথে তিনি কথা বলেছেন। পরবর্তী সময়ে আবার উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আশ্বাস দেন যে যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার সদস্য সান্ত্বনা চাকমা ও টিংকু রায় মাছমারাস্থিত এঞ্জেল চাকমার বাড়িতে যান এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজদের সঙ্গে দেখা করেন ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। ঐদিনই ত্রিপুরা সরকারের পক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান এবং উত্তরাখন্ড সরকারের পক্ষ থেকে ৪ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকার চেক এঞ্জেল চাকমার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে ১৪ জানুয়ারি নন্দননগরস্থিত এঞ্জেল চাকমার বাড়িতে যান এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনদের সাথে দেখা করেন। এঞ্জেল চাকমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান এবং শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও শিল্পমন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যে তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিল পাস করানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে মতানৈক্যের ফলে বিধানসভায় আজ বিরোধীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং শেষ পর্যন্ত ওয়াক আউট করেন । রাজ্যে তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিধানসভা অধিবেশনে উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী বিল উত্থাপন করেন। বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী এবং কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় র্মন বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন । এই বিলের স্বচ্ছতা বাস্তবতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলেন। এ ধরনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিল পাস না করানোর জন্য তারা জোরালো দাবি জানান। কিন্তু সরকার পক্ষ বিরোধীদের অভিযোগ নাকচ করে দেন। এ নিয়ে বিধানসভায় তীব্র বাক বিতন্ডা শুরু হয়। বিরোধীদের দাবির উপেক্ষা করে বিধানসভায় বিল পাস করানোর চেষ্টা করা হলে বিরোধীরা অধ্যক্ষের আসনের দিকে এগিয়ে এগিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভ প্রদর্শনের পরও বিল পাস করানোর চেষ্টা করলে বিরোধীরা ওয়াক আউট করেন। বিরোধীরা ওয়াক আউট করার পর তিনটি বিলেই পাস করানো হয়। বিধানসভা অধিবেশনে আজ বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সরকার পক্ষ ও বিরোধীপক্ষ উভয় পক্ষের সদস্যরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। ট্রেজারী বেঞ্চের বিধায়ক রঞ্জিত দাস আজ আলোচনার সূত্রপাত করেন। তিনি অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়ের পেশ করা বাজেটকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, এই বাজেট হল একটি রোড ম্যাপ। অর্থমন্ত্রী যে বাজেট পেশ করেছেন তা অভূতপূর্ণ বলে তিনি আখ্যায়িত করেন। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, বিরোধীরা কোনদিন এই ধরনের বাজেটকে সমর্থন করেনি। অর্থমন্ত্রী এবার করহীন বাজেট পেশ করেছেন। বিরোধীরা এই বাজেটকে সমর্থন না করলে মনে হবে বিরোধীরা চাইছেন জনগণের উপর কর চাপানো হোক। কৃষি ,মৎস্য, পশুপালন, স্বাস্থ্য, এডিসি এলাকার উন্নয়ন সব ক্ষেত্রেই এবারের বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার জনজাতি কল্যাণে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বলেও উল্লেখ করেন বিধায়ক রঞ্জিত দাস। বিরোধী পক্ষের বিধায়ক অশোক মিত্র বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে বলেন, এবার স্বাস্থ্য খাতে বাজেটে ২৫ শতাংশ অর্থ বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। জেলা ও মহকুমা স্তরের হাসপাতাল গুলির উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তিনি দাবি জানিয়েছেন। অশোক মিত্র বলেন, শুধু আগরতলা ভিত্তিক উন্নয়ন করলেই চলবে না। রাজ্যের হাসপাতাল গুলিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মী নেই। এ ব্যাপারে সরকারকে নজর দিতে হবে। বর্তমান সরকারের আমলে গ্রামীন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে না। গ্রামীণ উন্নয়নে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য তিনি রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন। আউটসোর্সিং এ নিয়োগ বন্ধ করে সরকারি ভাবে লোক নিয়োগের জন্য তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বাজেট প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে পশুপালন ও মৎস্য দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, গত ১৬ মার্চ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী যে বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন তা ঐতিহাসিক। বাজেটে দূরদর্শিতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এই বাজেট সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক ও ফলপ্রসূ হবে। এই বাজেট মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে এবারের বাজেটে বিশেষ সংস্থান রাখায় তিনি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী জাতীয় সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, বিধানসভায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে জাইকা প্রকল্পের অর্থায়নে খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী জাতীয় সড়ক ২০৮-এর খোয়াই থেকে হরিনা অংশটিকে দুই লেনে উন্নীত করার কাজ চারটি পৃথক প্যাকেজের মাধ্যমে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পাঠান লাল জমাতিয়ার আনা এক দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৪-১৫ সালের আগে ত্রিপুরায় ৩৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট দুটি জাতীয় সড়ক ছিলো। পরবর্তীকালে রাজ্যে আরও চারটি নতুন জাতীয় সড়ক হওয়ায় এই মুহূর্তে জাতীয় সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৯২৩.৩১ কিলোমিটার। খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা সংযোগ রক্ষাকারী ২০৮ নং জাতীয় সড়ক এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলির মধ্যে অন্যতম। তিনি বলেন, ত্রিপুরার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক উন্নতির অন্যতম চাবিকাঠি হলো ২০৮ নং (কুমারঘাট, কৈলাসহর, কমলপুর, খোয়াই, তেলিয়ামুড়া, অমরপুর, হরিনা) জাতীয় সড়ক। প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সড়কটি কৈলাসহর, খোয়াই, তেলিয়ামুড়া, অমরপুর এবং করবুকের মতো রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মহকুমাগুলিকে সরাসরি যুক্ত করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সড়কটির এক নং প্যাকেজের অন্তর্গত খোয়াই থেকে তেলিয়ামুড়া অংশের ২৬ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ ৫৪.০৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২ নং প্যাকেজে তেলিয়ামুড়া থেকে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত ৩৭.২৪ কিমি অংশের নির্মাণ কাজ ৫২.৭৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তির শর্তানুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। বর্তমান কাজের গতি বজায় থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন নং প্যাকেজে রাঙ্গামাটি থেকে পতিছড়ি অংশের ৩৬ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের ৩১ মে সম্পন্ন করার সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে। চার নং প্যাকেজে পতিছড়ি থেকে হরিনা পর্যন্ত ৩৫.৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সড়কের পুরোনো আঁকাবাঁকা রাস্তাগুলির পরিবর্তে বাঁকগুলি সোজা করতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার নতুন এলাইনমেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী পুরাতন রাস্তাটি সচল ও চলাচলের উপযোগী রেখেই নতুন এলাইমেন্টের কাজ চলছে। এই লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নতুন রাস্তা তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো রাস্তার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, খোয়াই-তেলিয়ামুড়া-হরিনা পর্যন্ত জাতীয় সড়ক প্রকল্পের চারটি প্যাকেজের কাজ সম্পন্ন হলে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাথে উত্তর ত্রিপুরার সংযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্বের কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি কিছুটা ব্যাহত হলেও বর্তমানে জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এই উন্নত সড়ক পথ ভবিষ্যতে রাজ্যের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করে তুলবে। রেলের কার্গোর দায়িত্বে নেশা কারবারি" শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় রেল যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগরতলা থেকে দেশের বিভিন্ন শহর ও নগরের সাথে প্রতিদিন বহু আন্তঃরাজ্য ট্রেন চলাচল করছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবং রাজ্যের অভ্যন্তরের যাত্রীরা এই ট্রেন পরিষেবা ব্যবহার করছেন। এই বিপুল যাত্রী চলাচলকে কাজে লাগিয়ে মাদক চোরাকারবারিরা অবৈধ সামগ্রী পাচারের চেষ্টা করছে। সম্প্রতি রেলপথ ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য পাচারের ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে। রেলের মাধ্যমে এই ধরনের পাচার চক্র প্রতিরোধের লক্ষ্যে ত্রিপুরা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট যেমন GRP (Govt. Railway Police), ANTF (Anti Narcotics Task Force) প্রভৃতি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন যাত্রীট্রেন, এমনকি মালবাহী ট্রেনেও আকস্মিক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত তল্লাশি অভিযানকালে যেসমস্ত মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং তৎসঙ্গে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে । বিগত ১৬.১০.২০২৫ তারিখে আগরতলা GRPS (Govt. Railway Police Station)- এর নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীবৃন্দ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জিরানিয়া রেলওয়ে স্টেশনে দুটি Wagon (Wagon No. N/R BCNAM1-30030010892 এবং Wagon No. N/R BCNAHSM1-31032457043) থেকে ৯০,০০০ বোতল Eskuf কফ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করেন। এই ঘটনায় বিগত ১৭-১০-২০২৫ তারিখে আগরতলা GRPS-এ NDPS (Narcotic Drugs and Pshychotropic Substances) আইনে ধারা ২১(C)/২৯ [কেস নং-2025GRP104] একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়। তদন্ত চলাকালীন জিরানিয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে আরও ১৭,৮০০ বোতল Eskuf কফ সিরাপ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়। এই মামলার তদন্ত চলাকালীন মোট ৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ৬ জনের মধ্যে, প্রধান অভিযুক্তসহ ০৩ জনকে ত্রিপুরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হল, (১) অরুণ কুমার ঘোষ (২) রাজীব দাস গুপ্ত (৩) মান্তানু সাহা। তদন্ত চলাকালীন সময়ে অফিসারদের একটি দল দিল্লি এবং উত্তর প্রদেশ সফর করে এবং সেখান থেকে আরও তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। তারা হল ১. সৌরভ ত্যাগী ।২. হিমাংশু ঝা ।৩. দীপ প্রকাশ গুপ্ত ।গ্রেপ্তারকৃত এই ৬ জন অভিযুক্তই আগামী ২৭.০৩.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকবে।পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এন.ডি.পি.এস এর বিশেষ বিচারক মান্তানু সাহার বিরুদ্ধে একটি 'প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছেন, যা এখনও কার্যকর করা বাকি রয়েছে। মান্তানু সাহা বর্তমানে বিশালগড়ে অবস্থিত 'কেন্দ্রীয় সংশোধনালয়ে আটক রয়েছে। এই মামলার সাথে জড়িত মাদক সাম্রাজ্যের আরেক মূল হোতা বা 'কিংপিন-যাঁর নাম অপু রঞ্জন দাস-তাঁকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপু রঞ্জন দাস বর্তমানে পলাতক রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ত্রিপুরা পুলিশ একটি বিশাল আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস বা একটি নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং স্যন্দন পত্রিকায় প্রকাশিত বাংলাদেশির জামিনদার ভারতীয় সরকারি কর্মী, আদালতের নোটিশ-শীর্ষক সংবাদ সম্পর্কে বিধায়ক শ্রী রঞ্জিত দেববর্মার রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিগত ১৩/০২/২০২৬ তারিখে Chief Judicial Magistrate Court, Khowai এর মাননীয় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, খোয়াই পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ১০/০২/২০২৬ তারিখে Case No. PRC (WP) 05 to 2026 সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেন।হেফাজতে থাকা অভিযুক্ত শাকিল প্রভাষ খান-এর পক্ষে জামিনদার হিসেবে সঞজু দাস, LDC, O/o the Superintendent of Police (Traffic), বর্তমানে SDPO Office, Longtharai Valley, Dhalai-এ কর্মরত মাননীয় খোয়াই আদালতে উপস্থিত হয়ে ঘোষণা করেন যে, তিনি অন্য কোনো মামলায় কখনও জামিনদার হিসেবে দাঁড়াননি। কিন্তু যাচাই করে দেখা যায় যে, তিনি ইতিমধ্যে আরও 4টি মামলায় জামিনদার হিসেবে কাজ করেছেন। ফলে মাননীয় খোয়াই আদালত জামিন গ্রহণ করেননি।মাননীয় CJM, খোয়াই সঞজু দাস, LDC-কে সতর্ক করে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করা হবে না। মাননীয় CJM আদালত, খোয়াই-এর আদেশ প্রাপ্তির পর SP (Traffic), Tripura তার বিরুদ্ধে একটি শোকজ নোটিশ জারি করেন, কিন্তু সঞজু দাস বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় সেই শোকজ নোটিশ তাকে প্রদান করা যায়নি। বিধায়িকা অন্তরা সরকার দেব জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এক রেফারেন্সে কমলা সাগর বিধানসভা এলাকায় একটি ব্লক অফিস স্থাপনের জন্য বিধানসভায় দাবি জানান। যুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন জনসংখ্যা ও গাঁও সভার ভিত্তিতে এলাকায় একটি ব্লক স্থাপন করা জরুরী। বিগত দিনেও প্রশাসনের কর্মকর্তারা এলাকার পরিকাঠামো পরিদর্শন করে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় তিনি বিষয়টি পুনরায় বিধানসভায় উত্থাপন করেন। এরপরে প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ত্রিপুরা রাজ্যে বর্তমানে ৮ টি জেলা ও ২৩ টি মহকুমা রয়েছে। ৮ টি জেলার অন্তর্গত এই ২৩ টি মহকুমাতে ৫৮ টি আর ডি ব্লক রয়েছে। ৮ টি জেলার অন্তর্গত ৫৮ টি আর.ডি ব্লকের প্রতিটি জেলার ভৌগোলিক আয়তন এবং জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে এই ব্লকগুলি গঠন করা হয়েছিল। ত্রিপুরার গ্রামীণ এলাকায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিকে সুচারুভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে এবং গ্রামীণ এলাকার জনগণের আর্থিক ও সামাজিক বিকাশ সাধনে তৎকালীন ৪৫টি ব্লকগুলি ২০১৩ সালে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ১৩ টি নতুন আর.ডি ব্লক গঠন করা হয়েছিল। সেই ১৩টি ব্লকের নাম হল:- ১) বামুটিয়া ২) বি সি নগর ৩) চড়িলাম ৪) কলাছড়া ৫) মোহনভোগ ৬) পোয়াংবাড়ি ৭) টেপানিয়া ৮) বেলবাড়ি ৯) চন্ডিপুর ১০) গঙ্গানগর ১১) লালজুড়ি ১২) ওল্ড আগরতলা ১৩) রইস্যাবাড়ি। রাজ্যের বিদ্যমান ব্লকগুলি কার্যকরভাবে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং জনসেবা প্রদানে সক্ষম রয়েছে। প্রতিটি ব্লক পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ব্লক স্তরে বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্য পরিচালনা করতে এবং জনসাধারণের সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোনো ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না।তাছাড়া ব্লক পুনর্গঠন একটি অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, যা অতিরিক্ত আর্থিক ব্যয়, জনবল পুনর্বিন্যাস এবং অবকাঠামোগত জটিলতা সৃষ্টি করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের কোনো প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত না হওয়ায়, সরকার এই বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজনের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার ব্লক পুনর্বিন্যাস বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। স্বাস্থ্য দপ্তরে কর্মরত প্রকল্প কর্মীদের সুযোগ সুবিধা প্রদান করা সম্পর্কে " বিধায়ক অশোক চন্দ্র মিত্র এবং বিধায়ক সুদীপ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনস্থ বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ সংক্রান্ত দৃষ্টি আকর্ষনী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ড মানিক সাহা বলেন, ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধীনস্থ প্রকল্প গুলির মধ্যে যেমন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন , জাতীয় আয়ুষ মিশন , ত্রিপুরা স্বাস্থ্য সুরক্ষা সমিতি (আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এবং চিফ মিনিস্টার জন আরোগ্য যোজনা) এবং ত্রিপুরা রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্রিত সমিতি রয়েছে। তাদের কর্মীদের সুযোগ সুবিধা প্রদান সম্পকে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন , ত্রিপুরার অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধাসমূহ প্রদান করা হচ্ছে। সেগুলি হল নৈমিত্তিক ছুটি বছরে ১২ দিন, বিশেষ ছুটি বছরে ৩০ দিন মাতৃত্বকালীন ছুটি ১৮০ দিন (২টি সন্তান পর্যন্ত), গর্ভপাতজনিত ছুটি ৪৫ দিন পিতৃত্বকালীন ছুটি ৭ দিন (সর্বোচ্চ ২টি সন্তানের জন্য), চিকিৎসাজনিত ছুটি বছরে ১ দিন।শুধুমাত্র সেইসব কর্মচারীদের ইপিএফ সুবিধা প্রদান ক হয়, যাদের বেতন প্রতি মাসে ১৫,০০০/- (পনেরো হাজার) টাকা পর্যন্ত।কর্মচারীরা প্রতি আর্থিক বছরে ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রে কার্যবিবরণী-তে অনুমোদন সাপেক্ষে ৫% বার্ষিক বেতন-পাওয়ার অধিকারী।জাতীয় আয়ুষ মিশন অধীনে কর্মরত চুক্তিভি কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ,নৈমিত্তিক ছুটি বছরে ১২ দিন, বিশেষ ছুটি বছরে ৩০ মাতৃত্বকালীন ছুটি ১৮০ দিন (২টি সন্তান পর্যন্ত), পিতৃত্বকালীন ছুটি চিকিৎসাজনিত ছুটি বছরে ১০ দিন।কর্মীরা প্রতি অর্থ বছরে তাদের বেতনের ওপর ৫% বার্ষিক বৃদ্ধি পেয়ে থাকেন। চিফ মিনিস্টার জন আরোগ্য যোজনা) , ত্রিপুরার অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ :প্রতি ক্যালেন্ডার বছরে ১২টি ছুটি , ৩০ টি বিশেষ ছুটি এবং ১০টি চিকিৎসা সংক্রান্ত ছুটি প্রদান করা হয় এবং প্রতি মাসে ৫০০ টাকা হরে টেলিফোন বিল প্রদান করা হয়। ই.পি.এফ সুবিধা প্রদান করা হয়। ত্রিপুরা রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্রণ সমিতি অধীনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের জন্য প্রদত্ত সুবিধাসমূহ : ১৫১ জন চুক্তিবদ্ধ কর্মচারীর মধ্যে মাত্র ৫১ জন EPF সুবিধা পেয়ে থাকে। প্রতি বছর ৮ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি হয়ে থাকে। বছরে ৩০ দিন বাৎসরিক ছুটি , বছরে ১০ দিন চিকিৎসা জনিত ছুটি , ৬ মাসের মাতৃত্ব কালীন ছুটি , বছরে ১২ দিন নৈমত্তিক ছুটি এবং ৪টি সংরক্ষিত ছুটি প্রদান করা হয়। বর্তমানে National Health Mission , ত্রিপুরা-এর অধীনে মোট ১,৯৬৫ জন কর্মী কাজ করছেন। তাদের সকলকে NHM প্রকল্পের শুরু থেকেই সম্পূর্ণভাবে চুক্তিভিত্তিক ভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত একই চুক্তিভিত্তিক অবস্থাতেই কর্মরত আছেন।

March 20th, 2026
সিমনা-তমাকারী এবং বোধজংনগর-ওয়াকিনগর কেন্দ্রের সিপি আই এম প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশ

সিমনা-তমাকারী এবং বোধজংনগর-ওয়াকিনগর কেন্দ্রের সিপি আই এম প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমরা যদি এডিসি প্রশাসন আসি জনগণের টাকা জনগণের জন্য খরচ করবো নমিনেশন দাখিল করে দাবি এডিসির ১৩ ও ১৪ আসনের প্রার্থীদের।শুক্রবার ত্রিপুরা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদের নির্বাচনে এডিসির ১৩ সিমনা তমাকারী এবং ১৪ বোধজংনগর ওয়াকিনগর কেন্দ্রের সিপিআইএম দলের প্রার্থী অমূল্য দেববর্মা এবং সঞ্জিত দেববর্মা মোহনপুর মহকুমা শাসক কার্যালয়ে নির্বাচন আধিকারিকের নিকট নমিনেশন দাখিল করেন।এই সময় বামুটিয়ার বিধায়ক নয়ন সরকার সহ সিপিআইএম নেতা কর্মী সমর্থকরা প্রাকৃতিক দূর্যোগকে উপেক্ষা করে মিছিলের মধ্য দিয়ে এই নমিনেশন দাখিল করেন।প্রার্থীরা সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন আমরা যদি এডিসি নির্বাচনে জয়ী হবো নিশ্চিত,কারণ মানুষ শান্তি চায়,জনগণের টাকা জনগণের কল্যাণে খরচ হোক তা চায় এবং আমরা এডিসি প্রশাসনে আসলে জনগণের টাকা জনগণের জন্য খরচ করবো জনগণের কল্যাণে যা যা করণীয় তা করবো।এখন দেখার ভোটযুদ্ধে কাদের পক্ষে মতাধিকার প্রয়োগ করেন গণদেবতারা ।

March 20th, 2026
মথা ও বিজেপির একপ্রস্থ নাটকের অবসান হওয়ার ইঙ্গিত রঞ্জিতের , জোটের পথেই হাঁটছে

মথা ও বিজেপির একপ্রস্থ নাটকের অবসান হওয়ার ইঙ্গিত রঞ্জিতের , জোটের পথেই হাঁটছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে তিপরা মথা ও বিজেপির মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলতে চলেছে। আসন্ন ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়া অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল (এডিসি) নির্বাচনে দুই দল যৌথভাবে লড়াই করতে পারে বলে জোরালো ইঙ্গিত মিলেছে।এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছেন বিধায়ক রঞ্জিত দেব্বর্মা।তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে দিল্লিতে তিপরা মথার প্রাক্তন সুপ্রিম তথা এমডিসি প্রদ্যোত কিশোর দেবর্বমণের সঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে। ওই বৈঠকেই আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে জোট গঠনের রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বিধায়ক রঞ্জিত দেব্বর্মা আরও জানান, রাজ্যের বৃহত্তর স্বার্থে এবং আদিবাসী জনগণের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে স্পষ্ট ঘোষণা করা হতে পারে।এখন নজর দিল্লির বৈঠকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। রাজনৈতিক মহল অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, আদৌ এই সম্ভাব্য জোট বাস্তবায়িত হয় কিনা এবং হলে তার প্রভাব কতটা বিস্তৃত হয় আসন্ন নির্বাচনে।

March 19th, 2026
ধর্মনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী চয়ন ভট্টাচার্য

ধর্মনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী চয়ন ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিনিধি,আগরতলা : বহু প্রতীক্ষার অবসান হতে চলছে । ৫৬ ধর্মনগর বিধানসভা উপ নির্বাচনে জাতীয় কংগ্রেস একাই লড়ছে । বিজেপি ও বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর চমক এনেছে কংগ্রেস । সদ্য প্রয়াত বিধায়ক তথা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেনের শূন্য জায়গায় স্থানীয় জনগণের অন্যতম ভরষা চয়ন ভট্টাচার্জ। স্বজ্জন ও নম্র ভাষী ধর্মনগরের সুপরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাতীয় কংগ্রেস দলের প্রবীণ সদস্য । প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সবার পছন্দের প্রার্থী চয়নেই সীলমোহর হাইকমান্ডের । নাম প্রকাশ হতেই বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরা । স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে চয়নের জয় নিশ্চিত বলেই অভিমত স্থানীয় জনগণের । এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম ছিলেন চয়ন ভট্টাচার্য । প্রার্থী নিজেও আশাবাদী জয় নিয়ে । তিনি বলেন, ধর্মনগর উপভোট থেকেই কংগ্রেস বিজেপি উৎখাতের সূচনা করে জনহীতে আগামীদিনে কংগ্রেস সরকার পরিবর্তনের পথ সুগম করবে ।

March 19th, 2026
আইন কানুন
View All
সাংবাদিক খুনের ঘাতক গাড়ি চালক আটক

সাংবাদিক খুনের ঘাতক গাড়ি চালক আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি:রাজ্যে ভয়ংকর যান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন সাংবাদিক । প্রবল চাপে পড়ে অবশেষে সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তীর মৃত্যুর মামলায় গ্রেফতার অভিযুক্ত গাড়ি চালক নকুল দেবনাথ (৪০) । তার বাড়ি বিলোনিয়া থানার পশ্চিম পাইখোলা এলাকায়। মনপাথর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। উল্লেখ্য , রাতের বেলায় দ্রুত গতিতে গাড়ি চাকাপিষ্ট করে পালিয়ে গিয়েছিল নকুল দেবনাথ । পুলিশ মামলা রুজু করে সুষ্ঠ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে মূল অভিযুক্তকে আটক করায় সন্তোষ স্থানীয় জনগণের । যতদূর খবর , পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতে সৌপদ করেছেন । এখন দেখার পুলিশ সঠিক কেইস ডায়েরী আদালতে পেশ করে অভিযুক্তের শাস্তির ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ।

March 20th, 2026
বামুটিয়ায় বি এম এস অটোরিক্সা শাখার কমিটি গঠন নিয়ে ধুন্দুমার , অফিসে তালা

বামুটিয়ায় বি এম এস অটোরিক্সা শাখার কমিটি গঠন নিয়ে ধুন্দুমার , অফিসে তালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোষ্টিকোন্দলের জেরে আবারো বিএমএসের অটো রিক্সা বামুটিয়া ব্লক শাখার কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা,পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, অফিস ঘরে দেওয়া হলো তালা ।বিএমএস পশ্চিম জেলা কমিটির সভাপতি প্রদীপ দেবনাথ,সাধারণ সম্পাদক আশীষ সাহারা বিএমএস অনুমোদিত অটো রিক্সা বামুটিয়া ব্লক শাখার বর্তমান কমিটি বহাল রেখে নতুন করে এড-হক কমিটি ঘোষণা করে বলে জানান কমিটির কনভেনর সুরজিৎ দাস, কো কনভেনর সঞ্জিত দাস,অসিত দাস,উত্তম বণিকরা।এই কমিটির সামাজিক মাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে আবারো উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বামুটিয়ায়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে এয়ারপোর্ট থানার ওসি সুশান্ত দেব সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এবং রাজ্য কমিটি,জেলা কমিটি ও বামুটিয়া ব্লক শাখাকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা ক্রমে সমাধানে আসার পরামর্শ দেন এবং তাদের একটি অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ করা হয় পুলিশের উপস্থিতিতে।এই বিষয়ে বর্তমান কমিটির সভাপতি অরুন দাস জানান তাদের কমিটির মাত্র দেড় বছর হয়েছে যে কমিটি বিএমএস রাজ্য,জেলা কমিটি ,মন্ডল সভাপতি শিবেন্দ্র দাস,প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাসের উপস্থিতিতে গঠিত হয়।কিন্তু এই এড-হক কমিটি নিয়ে রাজ্য বা জেলা কমিটি তাদের কিছু জানায়নি।যার জেরে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয় পাশাপশি বিস্তারিত জানান তিনি । তবে , গোটা ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

March 19th, 2026
শিশু ধর্ষন মামলায় অভিযুক্তের ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

শিশু ধর্ষন মামলায় অভিযুক্তের ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২২ সালের ৭ ই আগস্ট আগরতলা শহর লাগাওয়া বিষ্ণুপদ দাস তার পাশের বাড়ির এক ১১ বছরের নাবালিকাকে মুড়ি খাওয়া বার লোভ দেখিয়ে বাড়িতে এনে ধর্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে ইস্ট আগরতলা মহিলা থানাতে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বিষ্ণুপদ দাসের বিরুদ্ধে মামলা রজু করেন নাবালক মেয়েটির মা। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে মামলাটি আদালতে চলছিল। গত ১৬ মার্চ স্পেশাল পোসকো আদালত মামলাটি শুনানি শেষে দোষী সাব্যস্ত করেন আসামী বিষ্ণুপদ দাস কে। আদালত ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা ফাইন করেন অনাদায় আরো দুই মাসের জেল হাজতের নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে আইনজীবী জয়ন্ত চৌধুরী বলেন এই রায়ে নির্যাতিত পরিবার সুবিচার পেয়েছেন । আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় ।

March 18th, 2026
0

শন্তিরবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ধারাবাহিকতা অব্যাহত , আতঙ্ক জনমনে

নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিরবাজারের পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিসে যেন আগুনের খেলা থামছেই না! এক সপ্তাহের ব্যবধানে আজ দ্বিতীয়বার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল এই চত্বরে!!বারবার একই স্থানে আগুনের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দপ্তরের গাফিলতিকেই এই ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করছেন তারা।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শান্তিরবাজার পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিস চত্বরে আজ হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান কর্মরতরা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। খবর দেওয়া হয় শান্তিরবাজার অগ্নিনির্বাপক দপ্তরে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।তবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উঠেছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। অভিযোগ উঠেছে, অফিস চত্বরের জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলেই বারবার এই আগুনের সূত্রপাত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, বছর বছর এই একই চিত্র দেখা যায়, কিন্তু দপ্তরের কোনো হেলদোল নেই।এই বিষয়ে দপ্তরের এক আধিকারিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্ময়করভাবে জানান যে, আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে হয়েছে বা কেন বারবার এমন ঘটছে, সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। দপ্তরের এই দায়সারা মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।এক সপ্তাহের মধ্যে দুইবার অগ্নি সংযোগের ঘটনায় জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন— আর কতবার এমন ঘটনা ঘটলে টনক নড়বে বিদ্যুৎ দপ্তরের?

March 15th, 2026
বিনোদন
View All
আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন

আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি:বসন্তের রঙিন উৎসব হোলির আনন্দে মাতোয়ারা সবাই । অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে রবীন্দ্র ভবনের আম্র কুঞ্জে রাজ্য ভিত্তিক দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা ভিম্ভিশ্বর ভট্টাচার্য, এডভাইজারী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন , দোল উৎসব ঐতিহ্যপূর্ণ একটি উৎসব ।হৃদয়ের মলিনতা কাটিয়ে বাহারি রঙ লাগিয়ে সৌভ্রত্বের বার্তা বহন করে দোল উৎসব। বর্তমান সরকার এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতি ও জনজাতি মৈত্রীর পরিবেশ মজবুত করে চলছে । পাশাপাশি সমগ্র রাজ্যবাসীকে দোল উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন মেয়র দীপক মজুমদার।

March 10th, 2026
পুর নিগমে ভাইফোঁটা উদযাপন

পুর নিগমে ভাইফোঁটা উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাইফোঁটা একটি পবিত্র বন্ধন। হিন্দু সনাতনীদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উৎসব বলা যায়।তবে ,সময়ের সাথে সাথেই ভাইফোঁটার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে।এখন কেবলমাত্র হিন্দুদের মধ্যেই সীমিত নেই ।উভয় সম্প্রদায়ের কাছে এখন পবিত্রতার প্রতীক।শুক্রবার আগরতলা পুর নিগমের মেয়রের অফিসে ভাইফোঁটা পালিত হয়েছে।পুর নিগমের মহিলা কর্পোরেটর বোনেরা পবিত্র বন্ধন দিয়ে ভাইদের কপালে ফোটা দিয়েছেন ।উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস ,সেন্ট্রাল জোন চেয়ারম্যান রত্না দত্ত প্রমুখ ।মেয়র দীপক মজুমদার বোনদের আশীর্বাদ ও সুরক্ষার জন্য আজন্ম পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন।তিনি বলেন, রাজনীতির বাইরে ভাই বোনেদের বন্ধন । পৃথিবীর সব ভাই বোনরা এমনভাবেই পবিত্র বন্ধন নিয়ে বেঁচে থাকুক আশাবাদী মেয়র দীপক মজুমদার।

October 24th, 2025
নিউজ টপ লিংকের স্বদেশী জাগরনের ভাবনায় আপ্লুত মৈত্রী দেব ( দত্ত )

নিউজ টপ লিংকের স্বদেশী জাগরনের ভাবনায় আপ্লুত মৈত্রী দেব ( দত্ত )

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোকাল ফর লোকাল এটি একটি স্লোগান নয় ।একটা আবেগ ও অনুভূতি ।গোটা দেশের মানুষের মধ্যে স্বরাজ ও স্বদেশী ভাবনার প্রসারের মাইলস্টোন । স্বদেশী ভাবনার প্রসারের লক্ষ্যে নিউজ টপ লিংক ওয়েব মিডিয়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা কাঁধে তুলে নিয়েছেন। রাজ্যের মধ্যে প্রথম কোন সংবাদ মাধ্যম মাটির প্রদীপ সকলের মধ্যে বিতরন করার জন্য এগিয়ে এসেছেন । ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রাজ্যের শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যা তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী মৈত্রী দেব ( দত্তের ) হাতেও মাটির প্রদীপ তোলে দিলেন সংস্থার কর্ণধার দীপঙ্কর দেব ।মৈত্রী দেব বলেন ,সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে মিডিয়ার এই উদ্যোগ সময় উপযোগী ও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে সমাজে ।

October 21st, 2025
১৮ নং ওয়ার্ডে দীপ উৎসব উদযাপন

১৮ নং ওয়ার্ডে দীপ উৎসব উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীপাবলিকে সামনে রেখে আগরতলা পুরো নিগমের ১৮ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে দ্বীপ উৎসব । আগরতলা পুরো নিগমের ১৮ নং ওয়ার্ডের অনুষ্ঠিত হয় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের কর্পুরেটর অভিষেক দত্ত সহ অন্যান্যরা এই অনুষ্ঠানে 18 নং ওয়ার্ড এলাকায় প্রদীপ জ্বালিয়ে দ্বীপ উৎসব পালন করল তৎসঙ্গে সংস্কৃত অনুষ্ঠান এবং ওয়ার্ডের কর্মীদের সংবর্ধনা দিল ।আলোর রোশনাই সবার জীবন আলোকিত হউক শুভেচ্ছা জানালেন কর্পোরেট অভিষেক দত্ত।তিনি বলেন,প্রয়াত মন্ত্রী সুরজিৎ দত্তের ভাবাদর্শ অনুসরণ করে এলাকায় সাধারন মানুষের জীবনে হাসি ফোটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।উৎসবের আমেজ তখনই সফল হয় ,যখন সাধারন মানুষের মধ্যে উৎসাহ থাকবে ।আগামীদিনে এই ধরনের কার্যক্রম জারি রাখার চেষ্টা চালাবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক দত্ত ।

October 17th, 2025
আন্তর্জাতিক
View All
0

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

March 12th, 2026
যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

March 12th, 2026
কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের

কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সাম্প্রতিক আক্রমণের প্রতিবাদে চলা কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে কিছু বিধর্মী উশৃঙ্খল যুবক মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ পণ্য আদান-প্রদান জোরপূর্বক বন্ধ করার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতা ও আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী সংগঠনের হস্তক্ষেপে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।ঊনকোটি জেলা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি গৌরাচাঁদ অধিকারী জানান, মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে চালু রয়েছে এবং কেবলমাত্র ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস উপলক্ষে একদিন কাজ বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও আইনের আওতায় পরিচালিত হয়, যা জোরপূর্বক বন্ধ করার ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নেই।তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে একটি চক্রান্তের মাধ্যমে বাণিজ্য বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে, যার ফলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জীবিকা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমানে মনু ল্যান্ড কাস্টমসে বিএসএফ, কাস্টমস ও পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে কৈলাসহর থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

December 28th, 2025
ডলার প্রতি রুপির দামে রেকর্ড পতন, শেয়ার বাজারে ধ্বস , চিন্তিত অর্থনীতিবিদরা

ডলার প্রতি রুপির দামে রেকর্ড পতন, শেয়ার বাজারে ধ্বস , চিন্তিত অর্থনীতিবিদরা

নিজস্ব প্রতিনিধি:চলতি ডিসেম্বর মাসে ডলারের বিপরীতে রুপির দর ৯০ পেরিয়ে যায়। আজ শুক্রবার তা নতুন রেকর্ড গড়ল। ফলে এ সময় বাংলাদেশ থেকে যাঁরা ভারতে যাচ্ছেন, তাঁরা লাভবান হচ্ছেন। শুক্রবার ভারতীয় মুদ্রার দাম ২৪ পয়সা কমেছে। এর জেরে প্রতি মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার দাম হয়েছে ৯০ দশমিক ৫৬। রুপির এই দর এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। অর্থাৎ ইতিহাসে এটাই এখন রুপির সর্বনিম্ন দর। বৃহস্পতিবার রুপির দাম ছিল ৯০ দশমিক ৩২। খবর ইকোনমিক টাইমস ।চলতি বছরের শুরু থেকেই রুপির অবস্থা টালমাটাল। ধারাবাহিকভাবে দাম কমেছে এই মুদ্রার। বছরের শেষ প্রান্তে এসে তা রীতিমতো খাদের কিনারায় চলে গেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি–সংক্রান্ত জটিলতা রুপির এই দরপতনের মূল কারণ। ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে সম্প্রতি ফোনে কথা হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিও আলোচনার জন্য ভারতে এসেছেন; কিন্তু তা সত্ত্বেও রুপির দর পতন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।রুপির এই দরপতনের আরও কিছু কারণ আছে। সংবাদে বলা হয়েছে, আমদানিকারকদের ডলার কেনার ধুম পড়ার কারণেও রুপির দামে প্রভাব পড়েছে। ভারতের শেয়ারবাজার থেকে চলতি বছর বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ চলে গেছে।সেই ধারা অব্যাহত আছে। সম্প্রতি ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ চলে গেছে। বিষয়টি আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতো হয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন ধাতুর মূল্যবৃদ্ধির কারণেও রুপির ওপর চাপ বাড়ছে।সংবাদে বলা হয়েছে, ডলারের বিপরীতে রুপির দাম ৮৯ পেরিয়ে যাওয়ার পর তা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। ভারতের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত রুপির অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ফলে চলতি বছর এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রার খেতাব পেয়েছে রুপি। শুধু ডলার নয়, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, জাপানি ইয়েন ও চীনা ইউয়ান অর্থাৎ বিশ্বের বিশ্বের অন্য চারটি প্রধান মুদ্রার বিপরীতেও রুপির দর কমেছে। বিনিয়োগকারীরা এখন উদ্বিগ্ন। রুপি আদৌ স্থিতিশীল হবে কি না, এবং ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে স্পষ্টতা আসবে কি না, তাঁরা এখন সেদিকে তাকিয়ে আছেন।

December 19th, 2025
সাহিত্য ও সংষ্কৃতি
View All
অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী

অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী

নিজস্ব প্রতিনিধি:গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বর্তমান সরকারের আমলে নারী দিবস এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । নারীরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে গুরুদায়িত্ব পালন করে চলছেন । রাজ্যেও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান হয়েছে । ত্রিপুরার ওয়েব মিডিয়ার জগতে নিরলস প্রচেষ্টায় সংবাদ মাধ্যম হিসাবে নিরপেক্ষ ভূমিকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিউজ টপ লিংক আয়োজিত অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে বিশিষ্ট নারীদের । এই তালিকায় রাজ্যের অত্যন্ত সুপরিচিত সমাজসেবী ঊষা বাজার ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তীর সহ ধর্মীনি সোমা চক্রবর্তীকেও নারী সম্মাননা প্রদান করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দীপঙ্কর দেব । উল্লেখ্য , সোমা চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ২০১৫ সালে বিজেপির টিকিটে পুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সময় প্রদেশ বিজেপি মহিলা মোর্চার কোষাধ্যক্ষ হিসাবেও ব্যাপক সাফল্যের ছাপ রেখেছিলেন । তাছাড়াও সোমা চক্রবর্তী অনাথ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজে সারা বছর নিজেকে আড়াল রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । দীর্ঘ সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম হিসাবে কাজের জন্য অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। নিউজ টপ লিংক আগামীদিনে সোমা চক্রবর্তীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও দীর্ঘায়ু এবং সুস্থস্থ্যের কামনা করেছে ।

March 8th, 2026
বঙ্কিম চন্দ্রের ১৫৯ তম জন্মতিথিতে একগুচ্ছ কর্মসূচীর ঘোষনা পর্যটন মন্ত্রীর 

বঙ্কিম চন্দ্রের ১৫৯ তম জন্মতিথিতে একগুচ্ছ কর্মসূচীর ঘোষনা পর্যটন মন্ত্রীর 

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে সারাদেশের সঙ্গে রাজ্যে ও বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে ম্যারাথন দৌড় রক্তদান শিবির এবং বিভিন্ন কর্মসূচি এক বছর ব্যাপী অনুষ্ঠান হবে সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।সচিবালয় সুশান্ত চৌধুরী উল্লেখ করলেন বিভিন্ন জেলাগুলিতে অনুষ্ঠান হবে আগামী সাত তিন নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরে উদ্বোধন হবে সচিবালয়ে। এবং বিভিন্ন জেলাভিত্তিক যে কর্মসূচি হবে রাজ্যের মন্ত্রী বাহাদুরগণ এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন চারটি পর্যায়ে হবে এই কর্মসূচি গুলি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বিস্তৃতভাবে জানান। তিনি আরও বলেন,সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে যুব সমাজ উদ্বুদ্ধ হবে ।সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্রের জীবন দর্শন অনুসরন করে চলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।

November 5th, 2025
শিল্প ও শিল্পীদের বাঁচিয়ে রাখতে আন্তরিক রাজ্য সরকার : ড. মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী)

শিল্প ও শিল্পীদের বাঁচিয়ে রাখতে আন্তরিক রাজ্য সরকার : ড. মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী)

নিজস্ব প্রতিনিধি : মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা আজ আগরতলা লিচুবাগানস্থিত সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পাঁচদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সচিব রাভেল হেমেন্দ্রকুমার, অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা, রাজ্যের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সংঘমিত্রা নন্দী ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অভিজিৎ ভট্টাচার্য। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী ভট্টাচার্য কলেজের ৫০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরেন।বলেন, বর্ষ ব্যাপী অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে থাকছে সেমিনার ,কর্মশালা,প্রদর্শনী।৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গনে নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের চিত্র ও ভাস্কর্য প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া কলেজের ভেতরে রাজ্যের এবং বহির রাজ্য বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের তৈরি আর্ট ফেস্ট গ্যালারি ঘুরে দেখেন তিনি। ছবিতে রং তুলি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন তিনি। এছাড়া কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষদেরও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় । ললিত কলা একাডেমী জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত দুজনকে সংবর্ধিত করা হয়।

September 9th, 2025
ছবির মাধ্যমে বহু ইতিহাসের বর্ণনা হয় : সুশান্ত

ছবির মাধ্যমে বহু ইতিহাসের বর্ণনা হয় : সুশান্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৯শে আগস্ট বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস সারা বিশ্বে এই দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা উদযাপন করা হয়। বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রবীন্দ্র শতবার্ষিক ভবন হলঘরে তিন দিনব্যাপী আলোক চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে। এই দিনের অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্যটনওপরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, আগরতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার, আমি ফেসবুকে পুলিশের মহা নির্দেশক কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী,ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রলয়জিৎ পাল,সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। ফিতা কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জলোনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সম্মানীয় অতিথিরা।

August 19th, 2025
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
View All
কোভিডে কর্মরত নার্সদের নিয়োগের দাবীতে দপ্তরের অধিকর্তাকে ডেপুটেশন

কোভিডে কর্মরত নার্সদের নিয়োগের দাবীতে দপ্তরের অধিকর্তাকে ডেপুটেশন

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ১৬০ জনের মতো বেকার নার্স রয়েছেন যারা করোনা সময় কন্ট্রাকচুয়াল বেসিসের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মহামারীর সময় তারা ডিউটি করেছিলেন তৎকালীন সময়ে দপ্তর এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারা তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল তাদেরকে দপ্তর নিয়োগ করবে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদেরকেই বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া হবে! কিন্তু ২০২১ থেকে আজ পর্যন্ত তাদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো রকম হেলদুল বলে তাদের অভিযোগ!! বেকার নার্সদের আজ স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তন নিকট এই গোটা বিষয় নিয়ে ডেপুটেশন দিতে আসেন তারা। তবে দফতরের অধিকতার নিকট তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে তাদের গোটা বিষয়টা তারা লিখিত আকারে দপ্তরে জমা করতে এবং দপ্তর সেই বিষয়ে তাদেরকে নিশ্চয়ই প্রায়োরিটি দেবে এবং যা যা করণীয় দপ্তর তা করবে বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। পরবর্তী সময়ে তারা আধিকারিকের সাথে দেখা করার পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেন এবং তারাও দফতরের আধিকারিকের আশাতে আশ্বস্ত হয়েছেন।

March 16th, 2026
পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধের দাবীতে সরব ভূমিহীন কলোনির বাসিন্দারা

পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধের দাবীতে সরব ভূমিহীন কলোনির বাসিন্দারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: পোল্ট্রি ফার্ম থেকে বের হওয়া তীব্র দুর্গন্ধ ও মাছির উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ের রানীবাজার ভূমিহীন কলোনির বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার মুখে পড়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ের রানীবাজার ভূমিহীন কলোনি এলাকায় একটি মুরগির ফার্মকে কেন্দ্র করে চরম সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ফার্ম থেকে নির্গত দুর্গন্ধে পুরো এলাকায় বসবাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি অসংখ্য মাছির উপদ্রবে নিত্যদিনের জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে বহুবার খাদ্য দপ্তর এবং এসডিএমের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন সমস্যাটি আরও বাড়ছে।এদিকে এলাকার বিধায়ক রতন চক্রবর্তী বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও এখনও পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ওই পোল্ট্রি ফার্মটি বন্ধ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হোক। অন্যথায় বাধ্য হয়ে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবেন বলেও সতর্ক করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

March 15th, 2026
অগ্নি নির্বাপক দপ্তর আয়োজিত রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া

অগ্নি নির্বাপক দপ্তর আয়োজিত রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া

নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরা অগ্নি নির্বাপক দপ্তর এবং ইমারজেন্সি সার্ভিস দপ্তরের পক্ষ থেকে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা ফায়ার ব্রিগেড চৌমুহনি স্থিত হেডকোয়ার্টারে। উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা মিঠুন দাস চৌধুরী, প্রাক্তন ডাইরেক্টর উত্তম মন্ডল সহ অন্যান্যরা। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা বলেন , অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা জীবনঝুঁকি নিয়ে কেবলমাত্র কাজেই সীমিত নেই । সারা বছর বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজ , রক্তদান শিবির, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। পাশাপাশি আগুনের লেলিহান অগ্নিশিখা থেকে নিজেদের এবং আশ পাশের সুরক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান । প্রেক্ষিতে , শুখা মরশুম চলাকালীন যত্রতত্র আগুনের শুকা কিংবা দেশলাই না ফেলার বার্তা দিয়েছেন ।

March 10th, 2026
জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে ৩ মাসের এইচপিভি টিকাকরণ অভিযান

জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে ৩ মাসের এইচপিভি টিকাকরণ অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে কিশোরীরা পাবে বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা দেশে মহিলাদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার বা জরায়ু মুখের ক্যানসারের প্রকোপ। এই মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে এবার এগিয়ে এল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজস্থানের আজমের শহরে ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ প্রাধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে জাতীয় স্তরে এইচ পিভি টিকাকরণ অভিযানের উদ্বোধন হয়। সেইসঙ্গে আজ ত্রিপুরায় আই জি এম হাসপাতালে রাজ্যভিত্তিক এইচপিভি টিকাকরণ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যভিত্তিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাঃমানিক সাহা। ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ থেকে শুরু করে ক্যাম্পেইনের ৩ মাস পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।এই রোগের প্রধান কারণ হলো হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) সংক্রমণ। এই ক্যান্সার টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে প্রতি বছর বহু মহিলা নতুন করে সার্ভিক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং মৃত্যুও ঘটে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সময়মতো টিকা নিলে ভবিষ্যতে ক্যান্সার সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। যেসব কিশোরী মেয়ে যাঁদের ১৪ বছর বা তার বেশি বয়স কিন্তু ১৫ বছর পূর্ণ হয়নি তাঁরাই একমাত্র এই টিকা নেওয়ার জন্য যোগ্য। এই অভিযানে প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ জন কিশোরীকে টিকা দেওয়া হবে। রাজ্যের সবকটি রুটিন ইমিউনাইজেশন সেশনে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ এন্ড জি বি হাসপাতাল, আই জি এম হাসপাতাল, টি এম সি, সমস্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মহকুমা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জেলা হাসপাতালে এই টিকা প্রদান করা হবে।ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের উদ্যোগে চালু হওয়া U-WIN (Universal Immunization WIN) হলো একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে দেশের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি অনলাইনে নথিভুক্ত ও পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই U-WIN পোর্টালে এইচপিভি টিকাকরণ সম্পর্কিত তথ্য নথিভুক্ত করা হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাকরণের পাশাপাশি নিয়মিত স্ক্রিনিং ও সচেতনতা বৃদ্ধি-এই দুইই সার্ভিক্যাল ক্যানসার প্রতিরোধে সমান গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে দেশে সার্ভিক্যাল ক্যানসারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলেই আশাবাদী চিকিৎসক মহল। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে, স্বাস্থ্য অধিকারের অধিকর্তা ডাক্তার দেবশ্রী দেববর্মা পরিবার পরিকল্পনা এবং রোগ প্রতিরোধক অধিকারের অধিকর্তা ডাক্তার অঞ্জন দাস, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ত্রিপুরার যুগ্ম মিশন অধিকর্তা ডাঃ নূপুর দেববর্মা, রাজ্য স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ সমিতির সদস্য সচিব ডাঃ শৌভিক দেববর্মা, পশ্চিম ত্রিপুরার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ শংকর চক্রবর্তী, প্রমুখ।

February 28th, 2026
খেলা ধুলো
View All
কমিউনিস্টরা সর্বদাই উন্নয়ন বিরোধী , কুমারঘাটে বললেন বিপ্লব কুমার দেব

কমিউনিস্টরা সর্বদাই উন্নয়ন বিরোধী , কুমারঘাটে বললেন বিপ্লব কুমার দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি: কুমারঘাট PWD ময়দানে কুমারঘাট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন হয় ২৪ ই আগস্ট রবিবার বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সংসদ বিপ্লব কুমার দেব ও সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য স্থানীয় বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস ,জেলাশাসক তমাল মজুমদার , জেলার সভাধিপতি সহকারি সবাধিপতি, বিজেপির উনকোটি জেলা সভাপতি, কুমারঘাট মহকুমা শাসক, সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দদের হাত ধরে নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের এর শুভ উদ্বোধন হয়.... প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফুটবলের লাথি মেরে ও পায়রা উড়িয়ে খেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়... উদ্বোধনী ম্যাচে :কুমারঘাট দৃষ্টি ফাউন্ডেশন ও সুনাইমুড়ির একাদশের মধ্যে মধ্যে হয় ম্যাচ।তার মধ্যে খেলার প্রথম অধ্যায় তিন শূন্য গোলে দৃষ্টি ফাউন্ডেশন এগিয়ে যায় এবং দ্বিতীয়া আর্ধে সোনাইমুরি একাদশকেআরো তিন গোল দিয়ে আক্রমণ করে ৬ শূন্য গোলে ম্যাচ মিমাংসিত হয়.. টানটান উত্তেজনা মধ্যে দিয়ে হয় ফুটবল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়,এই টুর্নামেন্টের মোট ১৬ টি ফুটবল দল অংশগ্রহণ করেছে।

August 24th, 2025
দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা  রানার্স আপ

দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা ফুটবল এসোসিয়েশন আয়োজিত দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ বীরেন্দ্র ক্লাব আজ তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা TIDC চেয়ারম্যান নাবাদুল বণিক সহ অন্যান্যরা।দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে আজ মুখোমুখি হয় বীরেন্দ্র ক্লাব বনাম নবোদয় সংঘ যেখানে বীরেন্দ্র ক্লাব জয়ী হয় কিন্তু তার আগেই ঐকতান যুব সংস্থান আসরের কোন ম্যাচ না হেরে সর্বোচ্চ পয়েন্ট তালিকায় থাকায় তাদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয় এবং রানার্সআপ হিসেবে ঘোষণা করা হয় বীরেন্দ্র ক্লাবকে।আজ উমাকান্ত মাঠে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

July 7th, 2025
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রক্তের ঋন দিতে হবে আয়োজকদের !

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রক্তের ঋন দিতে হবে আয়োজকদের !

নিজস্ব প্রতিনিধি: আনন্দের আতিশয্যে নিরানন্দের করুন দশা। সাবধানতা অবলম্বন জরুরী । গোটা প্যানেল দায়ী থাকবে , বলাই বাহুল্য । আইপিএলের ইতিহাসে এমন ভয়াবহ অবস্থা কখনো হয়নি । RCB এবার IPL জয়ের শিরোপা জিতলেন।তবে , বিজয় প্যারেড রক্তে স্নাত হয়েছে । চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড় সামলাতে পারলাম না স্থানীয় প্রশাসন । অভিযোগ , গোটা ব্যবস্থার ঘাটতিতেই এমন পরিণতি । পদপিষ্ট হয়ে এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রাথমিক খবর রয়েছে । মৃতের তালিকায় ৬ বছরের শিশুও রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ভিড়ের মধ্যে শিশুদের এবং মহিলাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ছিল বিকল্প পথে অগ্রসর হওয়ার । আইপিএলের মধ্যে ভিড় হবে খুব স্বাভাবিক। আয়োজকদের জনগনকে নিরাপত্তা দিতে ব্যার্থ হয়েছেন। এই ঘটনার কমপক্ষে ৩০ জন গুরুতর জখম হয়েছেন । মৃত্যু মিছিলের দায় এখনো কেও স্বীকার করতে প্রস্তুত নন । এমন খেলা ভবিষ্যতে পরিনাম বুঝে আগাম সতর্কতা অবলম্বন বাধ্যতামূলক । মৃত ও নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী জোড়ালো হচ্ছে । চারিদিকে স্বজনহারা মানুষের করুন আর্তনাদ ।

June 4th, 2025
বাধারঘাটে ফুটবল মাঠ, অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক, হকি মাঠের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর*

বাধারঘাটে ফুটবল মাঠ, অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক, হকি মাঠের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর*

আগরতলা, ৩ এপ্রিল: ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নিরন্তর প্রয়াস জারি রেখেছে রাজ্য সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের জন্য অত্যাধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এবারের রাজ্য বাজেটেও আর্থিক সংস্থান রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আগরতলার বাধারঘাটের দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে দেবভক্তি জমাতিয়া সিন্থেটিক অ্যাথলেটিক টার্ফ, স্বদেশপ্রিয় নন্দী সিন্থেটিক হকি গ্রাউন্ড ও প্রতুল ভট্টাচার্য সিন্থেটিক টার্ফ ফুটবল গ্রাউন্ডের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রয়াত তিনজন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের নামে এই তিনটি মাঠকে উৎসর্গ করা হয়েছে এদিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় শৃঙ্খলাপরায়ণ হয়ে থাকেন। বয়স হয়ে গেলেও তাদের দূর থেকে দেখে বোঝা যায় যে তারা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ছিলেন। খেলাধুলার মধ্যেই জীবনের দর্শন খুঁজে পাওয়া যায়। রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যথাক্রমে প্রয়াত দেবভক্তি জমাতিয়া, প্রয়াত স্বদেশ প্রিয় নন্দী এবং প্রয়াত প্রতুল ভট্টাচার্য্যের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর যারা ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করেছেন তাদের ইতিহাসে ধরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে আমবাসায় নির্মিত ২০০ শয্যার যুব হোস্টেল মধুসূদন সাহার নামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের মধ্যে একটা আত্মিক অনুভূতি চলে আসে। রাজনীতি এক জায়গায়, প্রশাসন এক জায়গায়। কিন্তু তাঁদের নামে যে ফুটবল গ্রাউন্ড, হকি গ্রাউন্ড, অ্যাথলেটিক গ্রাউন্ড আজকে হয়েছে সেটা আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষয় হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের প্রতিভার বিকাশে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধাযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে রাজ্যের সব জায়গায় ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়নে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অদম্য জেদ, ইচ্ছাশক্তি ও চেষ্টা থাকলে যেকোনও ক্ষেত্রে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছেন আমাদের রাজ্যের গর্ব পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার। আর যুব সমাজকে নেশার আসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে খেলাধুলা হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম। কারণ সুস্থ মনই সুস্থ দেহ গঠনে সহায়ক। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাক্তন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যারা খেলাধুলার জগতে রাজ্যের সুনাম অর্জন করেছেন তাদের অবদানকে স্মরণ করা এবং তাদের যথাযথ সম্মান প্রদানে রাজ্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিভিন্ন ক্রীড়া পরিকাঠামোসমূহ তাদের নামে উৎসর্গ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের সুবিধার জন্য আগরতলার ভোলাগিরিতে উন্নত ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এছাড়া খেলাধুলার ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং রাজ্যের বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিদের সান্নিধ্যের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায় রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, ত্রিপুরা স্পোর্টস কাউন্সিলের পদাধিকারী সুকান্ত ঘোষ, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, অধিকর্তা এস বি নাথ, পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ। অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

April 3rd, 2025