নির্বাচন দপ্তর নিয়ে বিরোধীদের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা মুখ্যমন্ত্রীর
আগরতলা: নির্বাচন দপ্তরের কার্যপ্রণালী নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির বিভিন্ন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচন দপ্তরকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের একটি স্বনামধন্য সংবাদপত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া, ভুয়া ভোটারসহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, নির্বাচন একটি সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। তাই নির্বাচন দপ্তরের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিরোধীদের পক্ষ থেকে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে যেসব অভিযোগ ও মন্তব্য করা হচ্ছে, সেগুলির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী এবং ভোটার তালিকা নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে ডা. মানিক সাহা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন এবং ভোটার তালিকা সংশোধন ও অযোগ্য ভোটার বাদ দেওয়ার বিষয়েও বক্তব্য রেখেছেন।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের (TTAADC) ভিলেজ কমিটি নির্বাচন নিয়েও আলোচনা করেন। ২৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের ৫৮৭টি ভিলেজ কমিটির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে।নির্বাচনকে ঘিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার উপরও গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনও ধরনের বিভ্রান্তি বা উত্তেজনা এড়িয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার বার্তা দেন।ভোটার তালিকা, নির্বাচন দপ্তরের ভূমিকা এবং রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট রাখা সবার দায়িত্ব।
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।