প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। আজ আগরতলার কৃষ্ণনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ১২ বছরের অসাধারণ যাত্রা সম্পন্ন করেছেন। এই যাত্রা একটা পরিবর্তনের যাত্রা। স্বপ্ন পূরণের যাত্রা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন। নতুন ভারত নির্মাণের একটা যাত্রাপথ এই ১২ বছরে তিনি করে দেখিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, উন্নয়ন, উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা চলে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশকে সারা বিশ্নের মধ্যে এমন একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন এখন ভারত সেই সম্মান লাভ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে একটানা ১২ বছর দেশ শাসন করছেন সেটা ভারতের ইতিহাসে ইতিহাস হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরা প্রদেশের পক্ষ থেকে সারা দেশবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। ১০ জুন, ২০২৬ দিল্লিতে আমিও ছিলাম। দিন হিসেবে দেখলে ৪৩৯৯ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেটা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। এরআগে আমরা অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। কিন্তু যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরমধ্যে অন্যতম একজন। তিনি দেশের আপামর জনসাধারণের আশা আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন। এজন্যই প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন। জবাবদিহিতা ও সততার এক অন্যান্য নিদর্শন তিনি। একটা স্বচ্ছতা ও সার্থক সমন্বয়ের সরকার আমরা দেখতে পেয়েছি। নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনের সমন্বয় আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস। স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি জনগণের রায়ে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানুষের জন্য কাজ করার প্রয়াস আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। ২০১৪ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য তিনি নিরন্তরভাবে কাজ করছেন। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের সঙ্গে মৌ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে একাধিক সংস্কার হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সুশাসন চলে এসেছে। জিএসডিপির অনুপাত সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে। স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী উদ্ভাবন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনীর ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। ডিজিটাল লেনদেনে বিশ্বের মধ্যে অন্যতম স্থানে রয়েছে ভারত। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও দেশের যুব শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের অবস্থান ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়, সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
আগরতলা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। আজ আগরতলার কৃষ্ণনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ১২ বছরের অসাধারণ যাত্রা সম্পন্ন করেছেন। এই যাত্রা একটা পরিবর্তনের যাত্রা। স্বপ্ন পূরণের যাত্রা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন। নতুন ভারত নির্মাণের একটা যাত্রাপথ এই ১২ বছরে তিনি করে দেখিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, উন্নয়ন, উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা চলে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশকে সারা বিশ্নের মধ্যে এমন একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন এখন ভারত সেই সম্মান লাভ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে একটানা ১২ বছর দেশ শাসন করছেন সেটা ভারতের ইতিহাসে ইতিহাস হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরা প্রদেশের পক্ষ থেকে সারা দেশবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। ১০ জুন, ২০২৬ দিল্লিতে আমিও ছিলাম। দিন হিসেবে দেখলে ৪৩৯৯ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেটা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। এরআগে আমরা অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। কিন্তু যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরমধ্যে অন্যতম একজন। তিনি দেশের আপামর জনসাধারণের আশা আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন। এজন্যই প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন। জবাবদিহিতা ও সততার এক অন্যান্য নিদর্শন তিনি। একটা স্বচ্ছতা ও সার্থক সমন্বয়ের সরকার আমরা দেখতে পেয়েছি। নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনের সমন্বয় আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস। স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি জনগণের রায়ে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানুষের জন্য কাজ করার প্রয়াস আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। ২০১৪ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য তিনি নিরন্তরভাবে কাজ করছেন। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের সঙ্গে মৌ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে একাধিক সংস্কার হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সুশাসন চলে এসেছে। জিএসডিপির অনুপাত সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে। স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী উদ্ভাবন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনীর ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। ডিজিটাল লেনদেনে বিশ্বের মধ্যে অন্যতম স্থানে রয়েছে ভারত। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও দেশের যুব শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের অবস্থান ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়, সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
নিজস্ব প্রতিনিধি:পিস্তল,গাঁজা সহ গ্রেফতার সিমনার ১ বিজেপি নেতা নেশা কারবারি সিধাই থানার পুলিশের হাতে।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিধাই থানাধীন মনতলা এলাকায় এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পিস্তল সহ ৪১ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে এবং উত্তম দেব নামে এক নেশা কারবারিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এস.ডি.পি.ও মোহনপুর আশীষ দাশগুপ্তের নেতৃত্বে পুলিশ,এসটিএফ, সি.আর.পি.এফ বি.এস.এফের যৌথ অভিযানে এই সাফল্য পায় প্রশাসন।শনিবার তাকে মোহনপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে কাজ নেই। কাজ করার জন্য এই পারে তারকাটা বেড়ার নিচ দিয়ে লুকিয়ে আসা। বাংলাদেশে কেউ কাজ দিচ্ছে না আমাদের। উদ্দেশ্য ছিল এপারে এসে রিক্সা চালিয়ে টাকা রোজগার করব।কিন্তু সেই ইচ্ছা দুই বাংলাদেশী যুবকের আর পূরণ হয়নি। কমলাসাগর সীমান্ত এলাকার দেবীপুর রাজারটিলা তারকাটা বেড়ার তলায় দিয়ে বাংলাদেশী দুই যুবক এই পারে চলে আসে। পরবর্তী সময়ে ঐ এলাকার যুবকরা তাদের আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে তুলে দেয় বিএসএফের হাতে। কিন্তু প্রশ্ন হল বিএসএফ কোথায় ছিল।দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত কয়েকদিন পূর্বে ত্রিপুরা এসে বড় ভাবে বুলেটিন দিয়েছিল যাতে করে সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ কেউ না করতে পারে। তাহলে এখন বিএসএফ কোথায়। এলাকার যুবকরা আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দিলে দুই যুবককে গণধোলাই দিয়ে প্রায় এক প্রকার হাত পা ভেঙ্গে দেয়। যদি সীমান্তের যুবকরা তাদের আটক করতে না পারতো তাহলে অন্য কোন বদ উদ্দেশ্য ত্রিপুরায় প্রবেশ করে থাকলে বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারতো। তা কিন্তু বলায় বাহুল। সেই দুই যুবকের নাম একজন হলেন মোহাম্মদ আকাশ। বয়স ২৪,বাবার নাম আব্দুল রহিম আলী। বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহদাতপুর থানার অন্তর্গত কাইমপুর এলাকা। অপরজনের নাম বরাত আলী বয়স ১৮ বাবার নাম মৃত জহিরুল ইসলাম। বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাদাতপুর থানার কাইমপুর এলাকায়। পরবর্তী সময়ে খবর আসে মধুপুর থানায় দ্রুত গিয়ে সেই দুই যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে আসে মধুপুর থানায়। এদিকে প্রশ্ন হল সীমান্তের নিরাপত্তি রক্ষীরা কি করছে। এভাবে যে বাংলাদেশিরা ভারতে প্রবেশ করছে আগামী দিন যে অশনি সংকেত তা কিন্তু বলাই বাহুল্য। তবে সেই ২ যুবক কাজের উদ্দেশ্যে এসেছিল নাকি অন্য উদ্দেশ্য এসে ছিল পুলিশের তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবার দাবিতে মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে 'তোমার আমার ক্লাব'-এর স্মারকলিপি প্রদানলংতরাই ভ্যালি, ১৩ই জুন: মাছলি ও তার আশেপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রে রাতে বা জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবা মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই চরম অব্যবস্থার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে ২৪×৭ পরিষেবা চালুর দাবিতে আজ, শুক্রবার 'তোমার আমার ক্লাব'-এর উদ্যোগে এবং এলাকার সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।ক্লাব সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাতাকলমে বা কাগজ-পত্রে মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকার কথা উল্লেখ থাকলেও, বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকেল ৪:০০ টে পর্যন্তই কেবল এই কেন্দ্রের দরজা খোলা থাকে। বিকেল চারটে বাজলেই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে গভীর রাতে কোনো রোগী গুরুতর অসুস্থ হলে কিংবা কোনো গর্ভবতী মায়ের জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে, চরম বিপাকে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। নিরুপায় হয়ে রোগীদের অনেক দূরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়, যার কারণে অনেক সময় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে।আজ স্মারকলিপি প্রদান শেষে 'তোমার আমার ক্লাব'-এর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, "একটি উন্নয়নশীল এলাকায় ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকারি খাতায় ২৪ ঘণ্টা উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও কেন সাধারণ মানুষ এই পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবে? আমরা প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি, যেন অবিলম্বে এই মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ২৪×৭ চিকিৎসা পরিষেবা সচল করা হয় এবং সেই সাথে প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও পর্যাপ্ত স্টাফের ব্যবস্থা করা হয়।"ক্লাবের সদস্যরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও জানান যে, প্রশাসন যদি এই জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে আগামী দিনে এলাকার সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন। আজকের এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে ক্লাবের কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার বহু সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা রাজ্যের সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা, আটবারের বিধায়ক এবং প্রাক্তন বনমন্ত্রী ফয়জুর রহমানের শেষকৃত্য শনিবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর প্রয়াণে উত্তর ত্রিপুরাসহ সমগ্র রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।শনিবার ভোররাত প্রায় ১টায় উত্তর ত্রিপুরা জেলার লালছড়াস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা, দুই পুত্রসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাসভবনে ভিড় জমান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মানুষের পাশে থেকে কাজ করার কারণে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।শনিবার বিকেল প্রায় ৩টায় তাঁর বাসভবনের সম্মুখবর্তী মাঠে ত্রিপুরা পুলিশ ও টিএসআর (ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস)-এর জওয়ানরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরবর্তীতে ধর্মীয় রীতি অনুসারে জানাজা নামাজ আদায়ের মাধ্যমে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলার জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন, অতিরিক্ত জেলাশাসক দেবযানী চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কমল দেববর্মা, কদমতলা-কুর্তি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ইসলাম উদ্দিন, বাগবাসা বিধানসভার বিধায়ক যাদব লাল নাথ, যুবরাজনগর বিধানসভার বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথ, জেলা বিজেপি নেতৃত্ব, বিভিন্ন মণ্ডলের সভাপতি, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ।এদিন জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন বলেন, “সমস্ত প্রশাসনিক নিয়মকানুন মেনে এবং যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রী ফয়জুর রহমানকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।”অন্যদিকে কদমতলা-কুর্তি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ইসলাম উদ্দিন তাঁর শোকবার্তায় বলেন, “ফয়জুর রহমান ছিলেন এই অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় জননেতা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক তিনি বিধায়ক হিসেবে জনগণের সেবা করেছেন। পাশাপাশি তিনি বনমন্ত্রী, সিপিআই(এম)-এর রাজ্য কমিটির সদস্য এবং ত্রিপুরা ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, এই এলাকার মানুষের অভিভাবক ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”উল্লেখ্য, ফয়জুর রহমান ত্রিপুরার রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন বর্ষীয়ান ও অভিজ্ঞ জননেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জনসেবামূলক কাজ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক জীবনে তাঁর দীর্ঘ অবদানের জন্য তিনি সর্বমহলে সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল লোকায়ুক্ত মামলার জেরার ঠিক আগের মুহূর্তে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মেলাঘর। আরটিআই (RTI) কর্মী তথা ইউটিউবার প্রসেনজিৎ সাহা বনাম মেলাঘর পৌরসভার চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়ের মামলার জেরার দিন ছিল গতকাল। কিন্তু তার ঠিক পূর্বমুহূর্তেই প্রসেনজিৎ সাহার গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় গাঁজা। আর এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চক্রান্ত ও সাজানো নাটক বলে দাবি করেন প্রসেনজিৎ সাহার পরিবার ও এলাকাবাসী। সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে মেলাঘর পৌরসভার চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়কে।অভিযোগের তির সরাসরি মেলাঘর পুরসভার চেয়ারপার্সনের দিকে। প্রসেনজিৎ সাহার পরিবার এবং এলাকাবাসীর স্পষ্ট প্রশ্ন— পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মেলাঘরের পৌরসভার চেয়ারপারসন অনামিকা ঘোষ পাল রায় কীভাবে জানতে পারলেন যে ঠাকুরপাড়ায় প্রসেনজিৎ সাহার বাড়িতে বা গাড়িতে কিছু একটা বেআইনি জিনিস আছে?এলাকাবাসীর দাবি, চেয়ারম্যান নিজেই ডিসিএম (DCM)-কি করে ফোন করলেন,আজ এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মেলাঘর থানায় সমবেত হন প্রসেনজিৎ সাহার স্ত্রী ও এলাকার সাধারণ মানুষ। তাঁরা একত্রিত হয়ে চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়ের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত মামলা দায়ের করেন।আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার পেছনে আসল সত্য উদ্ঘাটন করতে হবে। মেলাঘর পৌরসভার চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়কে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। পুলিশ যদি সঠিক তদন্ত না করে এবং চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা। প্রয়োজনে তাঁরা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে গণ-বিক্ষোভে বসবেন বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন উত্তেজিত এলাকাবাসী।এখন দেখার, এই হাইপ্রোফাইল অভিযোগের ভিত্তিতে মেলাঘর থানার পুলিশ প্রশাসন আগামী দিনে কী ভূমিকা পালন করে।