নিজস্ব প্রতিনিধি: গ্রামাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা ও উন্নয়নমূলক চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ জোরদার করেছে ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মণ্ডল। দলের উদ্যোগে চলমান ‘বুথ চলো অভিযান’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে উঠে আসা সমস্যাগুলি প্রশাসনের নজরে আনতে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃত্ব। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার তেলিয়ামুড়া মহকুমার আরডি (রুরাল ডেভেলপমেন্ট) দপ্তরের কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী Bikash Debbarma। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সহ-সভাপতি গোপাল দাস-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।বৈঠকে আরডি তেলিয়ামুড়া সাব-ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি, চলমান কাজের অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষভাবে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, আধুনিক শ্মশানঘাট নির্মাণ, কালভার্ট নির্মাণ এবং আরডি দপ্তরের অধীনস্থ অন্যান্য জনস্বার্থমূলক প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।সূত্রের খবর, বুথ চলো অভিযানের সময় বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা যে সমস্যাগুলির কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলিকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রশাসনের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জনস্বার্থে উন্নয়নমূলক কাজের গতি আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।এরপর মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা ডিডাব্লিউএস (পানীয় জল ও স্যানিটেশন) দপ্তরের কার্যালয়েও যান। সেখানে কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের সংকট, বিকল হয়ে থাকা জল সরবরাহ প্রকল্প এবং অচল পানীয় জলের উৎসগুলির সংস্কার নিয়ে দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত মেরামত ও পুনরুদ্ধার কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশও দেন তিনি।স্থানীয়দের মতে, মাঠপর্যায়ে সরাসরি মানুষের সমস্যার খোঁজ নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে তা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। বুথ চলো অভিযানের মাধ্যমে জনসাধারণের সঙ্গে প্রশাসনের সেতুবন্ধন আরও মজবুত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।