-Maxime Lagace
বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর জঙ্গলে নিয়ে ছিনতাই করে নিয়ে গেল নগদ ৮৫ হাজার টাকা এবং এক ভুড়ির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন!! পরবর্তী সময়ে অভিযোগ জানিয়ে বন্ধুসহ তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রথমে মধুপুর থানায় পরে বিশালগড় থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মধুপুর থানাদিন হরিহরদুলা এলাকার রনি মিয়া গতকাল সন্ধ্যা বেলা তার নিজ বাড়ি থেকে পুরাতল তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বিশালগড় বাজারে গিয়ে সেখান থেকে ফল কিনে ঘনিয়ামারা এলাকার তার এক বন্ধু আকাশের সাথে যোগাযোগ করে। হয়তো আকাশকে নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল। ঘনিয়ামারা চৌমুহনী এলাকা যেতেই রনি মিয়ার আড়ালে তার বন্ধু আকাশ আরো দুই যুবকের সাথে যোগাযোগ করে। সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাই অরবীন্দ্রনগর স্কুলের পাশে। সেখানে গিয়ে রাজু জয়নাল এবং আকাশ তিনজন মিলে প্রচুর মারধোর করে রনি মিয়াকে। একটা সময় উদ্দেশ্য ছিল তাকে প্রাণে মেরে সেখানে ফেলে চলে আসবে। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং এক ভুরির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যাই। তার কাপড়-চোপড় ছিড়ে ফেলে এবং পায়ে এবং কোমরের প্রচণ্ড ভাবে আঘাত করে লাঠির মাধ্যমে। গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ায় তার চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমন সময় রনি মিয়ার মোবাইলে ফোন আসে তার বাবার। কুড়ি হাজার টাকা পাঠিয়েছে তার বোনকে দিয়ে আসার জন্য। সেই খবরটুকু জেনে যাই সেই তিন কুখ্যাত অপহরণকারী আকাশ জয়নাল এবং রাজু। সঙ্গে সঙ্গেই রনি মিয়াকে সেখান থেকে বাইকে চেপে বিশালগড়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে সেই কুড়ি হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য। একটা সময় রনি মিয়া বিশালগড় নিয়ে আসলে বাইক থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে কোনরকমে তার জীবন বাছায় বিশালগড় থানায় এসে আশ্রয় নিয়ে। পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রথমে বিশালগড় থানায় এবং পরে মধুপুর থানায়। এদিকে রনি মিয়া অভিযোগ করেন সেই ঘটনার মূল নায়ক ঘনিয়ামারা এলাকা টিটু আহমেদ। সম্পূর্ণভাবে মদত দিয়েছে টিটু আহমেদ বলে অভিযোগ করেন। পরে রনি মিয়া থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাত বারোটা নাগাদ অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী রাখলেন। নিত্যদিন এই এলাকার মধ্যে চুরি,ছিনতাই,পিস্তল নিয়ে ছুটাছুটি ইত্যাদি বেড়ে চলেছে। প্রশাসন যদি সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেই হয়তো আগামী দিন বৃহত্তর আকার ধারণ করতে পারে।
কৈলাসহরে বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের শীর্ষে আয়ুষ, উচ্ছ্বাস শহরজুড়ে
নিজস্ব প্রতিনিধি: সিবিএসই-র AISSE (মাধ্যমিক) পরীক্ষা ২০২৬-এ রাজ্যের ১২৫টি বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করে কৈলাসহরের মুখ উজ্জ্বল করলো নেতাজি বিদ্যাপীঠ ইংলিশ মিডিয়াম এইচএস স্কুলের ছাত্র আয়ুষ পাল। তার এই সাফল্যে শহরজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।কৈলাসহর পৌর পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আয়ুষের বাবা অমিত পাল পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা মধুমিতা দেব গৃহিণী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অধ্যয়ন, কঠোর পরিশ্রম এবং শৃঙ্খলাবোধই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।আয়ুষ জানায়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গৃহ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতাই তাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের লক্ষ্যে সে এগোতে চায়।ফলাফলে তার প্রাপ্ত নম্বর—ইংরেজিতে ৯৫, বাংলায় ১০০, গণিতে ৯৬, বিজ্ঞানে ১০০, সমাজবিজ্ঞানে ৮৭ এবং আইটিতে ৯৮; মোট শতাংশ ৯৭.০৮। এই কৃতিত্বে খুশি বিদ্যালয় পরিবারও।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, আয়ুষের এই সাফল্য অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এলাকার বাসিন্দারাও তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
মহিলার তান্ডবে ত্রস্ত এলাকাবাসী পুনরায় থানার দ্বারস্থ
নিজস্ব প্রতিনিধি: আমতলী বারুইটিলার উশৃঙ্খল মহিলা কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো মামলা দায়ের আমতলী থানায়! জানা গেছে বারুইটিলা এলাকার উশৃঙ্খল মহিলা হিসেবে পরিচিত কল্যাণী ঘোষ একাধিক বার এলাকার লোকজনদের উপর আক্রমণ করে থাকে।এই ঘটনায় মহিলার বিরুদ্ধে পূর্বে মামলাও হয়েছিল,যে মামলায় অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ জেল হেফাজতেও ছিল, কিন্তু তারপরেও মহিলা নিজেকে শোধরাতে পারেনি। একই কায়দায় পাড়ার লোকজনদের উপর আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় এলাকাবাসীদের। গত ১ সপ্তাহ আগেও উনার বাড়ির পাশের এক ব্যক্তিকে প্রাণে মারার জন্য ধারালো দা দিয়ে আঘাত করেছিল। পরে উনার পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করা হয় আটক করা হয়েছিল অভিযুক্ত মহিলাকে। এরপর এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ আবারও মঙ্গলবার একই পাড়ার রিপন দত্ত নামে এক যুবককে লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং তার গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয় মহিলাদের সহ রিপন দত্তের। অবশেষে মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ রিপন দত্ত আমতলী থানায় মারধর এবং ছিনতাই এর অভিযোগ এনে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করে অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে। এদিন মামলা করার সময় এলাকার মহিলারাও দল বেধে রিপন দত্তের সাথে থানায় গিয়ে জরো হয়। সেদিন রিপন দত্ত সহ এলাকার মহিলারা থানার সামনের দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের যন্ত্রণায় এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ এবং আতঙ্কিত। আবারো যে কোনদিন যেকোনো সময় এই মহিলা এলাকার অন্য কারুর উপর আক্রমণ করতে পারে। তাই এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে এদিন তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন যেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করো।
নির্বাচনী সন্ত্রাস স্বরজমিনে খতিয়ে দেখিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ১৭-ই এপ্রিল রাজ্যে স্বশাসিত জেলা পরিষদ আদিবাসী উপজাতি ১০-তম সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। এডিসি ২৮-টি আসনের মধ্যে ২৪-টি আসনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেন তিফ্রামথা দল আর ৪-টি আসনে জয়লাভ করেন বিজেপি দল। আর ঐদিনের পর থেকেই রাজ্যের এডিসি ২৮-টি কেন্দ্রে তিফ্রামথা দলের কর্মীরা রাজনৈতিক সন্ত্রাস চালিয়ে শরীক দল তথা দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল (রাজ্যের বর্তমান শাসক দল) এককথায় বিজেপি দলের মন্ডল কার্যালয় থেকে শুরু করে বহু একনিষ্ঠ কর্মীদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও অগ্নিক সংযোগ করেন। এখনও বিজেপি দলের বহু কার্যকর্তা এলাকা ছেড়ে অন্যত্ত্ব অবস্থান করছে। নির্বাচনের বিজেপি দলের দক্ষিণ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রভারী তথা রাজ্যের মন্ত্রিসভার বর্তমান শাসকদলের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় আজ স্বরজমিনে নির্বাচনী সন্ত্রাস দেখতে আসলেন দক্ষিণ জেলাই। সাথে ছিলেন দক্ষিণ ও গোমতী জেলার জেলা পরিষদের সভাধিপতি, দক্ষিণ জেলার বিজেপি দলের জেলা সভাপতি, ৩৯ মনু ও ৪০ সাব্রুম এই দুই মন্ডলের মন্ডল সভাপতি, মনু- রাজনগরের বিজেপির দুই বিধায়ক, ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রের এমডিসি কংঅজং মগ সহ আরো অন্যান্য নেতৃত্বরা। আজ দুপুরে প্রথমে ২৭ পূর্ব মুহুরীপুর-ভুরাতলী কেন্দ্রের অন্তর্গত ৩৯ মনু বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে কালী বাজার অগ্নি সংযোগ হওয়া বিজিবি কার্যালয় খতিয়ে দেখলেন। এরপর দ্বিতীয় ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রের অন্তর্গত ৪০ সাব্রুম বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে ৪৯ নাম্বার বুথে চাতকছড়ি হয়রাম পাড়ার হামক্রাই বাজারের অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় স্বরজমিনে খতিয়ে দেখলেন। পরিদর্শন শেষে যাওয়ার পথে ঐস্থানে মন্ত্রী সিংহ রায়কে বিজেপি দলের একনিষ্ঠ এক কার্যকর্তা জানান, নিজেদের মধ্যে নিজেরাই দূরত্ব নিয়ে বসে আছে। যার ফলশ্রুতি এটাই। এরপর তৃতীয় চালিতা বনকুল এলাকার দুইটি অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় পরিদর্শন করেন। পঞ্চম মনু-বনকুল মহামনি বুদ্ধমন্দির সংলগ্ন টুরিস্ট প্লেজে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চিত্র দেখে চলে যায় শিলাছড়ি অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় ও আক্রান্ত কার্যকর্তাদের দেখতে চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। অর্থমন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায় তিনি সফর শেষে আরো জানান রাজ্যের মধ্যে সবচাইতে ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রে রাজনৈতিক সন্ত্রাস অধিক পরিমাণ হয়েছে বলে ক্যামেরার সামনে অভিযোগ করে জানান।
মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার তাণ্ডব!
নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার বিকেলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় মহিলাটি। খবরে প্রকাশ একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা রাস্তা দিয়ে হাতে লাঠি নিয়ে যাওয়ার সময় বাগমা বাজারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে বাজারের পার্শ্ববর্তী একটি শোরুমের সামনে শোরুমের ডিসপ্লে করে রাখা অটো গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। এছাড়ো আরো বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় বিকৃত মস্তিষ্কের মহিলাটি। এইভাবে পরপর পাঁচটি গাড়ির গ্লাস ভেঙেছে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা। এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর দেওয়া হয় বাগমা পুলিশ ফাঁড়িতে। বাগমা ফাড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। যদিও মহিলাকে গাড়িতে তুলতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে মহিলা পুলিশকে। যদিও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী মহিলাদের হস্তক্ষেপে সেই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দিন দুপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা দ্বারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক দেখা দেয় পথ চলতি মানুষের মধ্যে।
হজের যাত্রীদের শুভেচ্ছা বিনিময় জসীম উদ্দীনের
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা থেকে হজযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যের হজযাত্রীরা। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা রাজ্য হজ কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ বছর মোট ৭৪ জন হজযাত্রী—এর মধ্যে ৫৫ জন পুরুষ ও ১৯ জন মহিলা—আগামীকাল সকালে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সেখান থেকেই তারা পবিত্র হজযাত্রায় অংশ নেবেন।এই উপলক্ষে আজ আগরতলা হজ ভবনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা মাইনরিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জসীমউদ্দীন, মাইনরিটি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মবস্বর আলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয় এবং তাদের নিরাপদ ও সফল যাত্রা কামনা করা হয়। এদিকে, হজযাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
৭২ ঘণ্টায় ফের বড় সাফল্য আসাম পুলিশের!২৫ লক্ষ টাকার নেশার সিরাপ সহ গ্রেপ্তার ২!
নিজস্ব প্রতিনিধি: মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে ফের বড় সাফল্য পেল অসমের শ্রীভূমি জেলার চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের পুলিশ। নেশা জাতীয় কফ সিরাপ পাচারের একটি বড় চক্রের হদিশ মিলল পুলিশের তৎপরতায়। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ এসকাফ কফ সিরাপ, যার কালোবাজারি মূল্য প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর আনুমানিক সোয়া একটা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া AS25FC-6316 নম্বরের একটি ছয় চাকার কন্টেইনার গাড়ি ত্রিপুরা অসম সীমান্তের চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের নাকা চেকিং পয়েন্টে পৌঁছায়। সন্দেহের ভিত্তিতে গাড়িটিতে তল্লাশি চালায় কর্তব্যরত পুলিশ।তল্লাশির সময় দেখা যায়, ব্লু ডার্ট কুরিয়ারের অনলাইন সামগ্রীর আড়ালে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছে দুটি বড় কাঠের বাক্স। বাক্স দুটি খুলতেই চমকে ওঠেন পুলিশকর্মীরা। উদ্ধার হয় ১২টি কার্টুন ভর্তি মোট ৩৬০০ বোতল নেশা জাতীয় কফ সিরাপ ‘এসকাফ’।পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির দুই চালককে আটক করে। ধৃতরা হল—মফিজুল ইসলাম (৩০), বাড়ি অসমের হাজো এলাকায় এবং সুন্তি আলী (৪০), বাড়ি নগাও জেলায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, গুয়াহাটি থেকে এই কফ সিরাপ বোঝাই করে আগরতলার লিচু বাগান এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল।তবে চালকদের অসংলগ্ন বক্তব্যে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই পাচার চক্রের সঙ্গে তারা পূর্ব থেকেই যুক্ত থাকতে পারে।ইতিমধ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে অসম পুলিশ। রবিবার ধৃতদের সিজেএম আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, এই পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে অসম পুলিশ।
আত্মসমালোচনা করে সংগঠন মজবুত করার প্রত্যয় মুখ্যমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিনিধি: ফলাফলকে আত্মসমালোচনার সুযোগ হিসেবে দেখে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করতে হবে। আজ এডিসি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে এমনটাই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা। পাশাপাশি, তিনি দলের কর্মীদের সাহস, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।আজ সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিজেপির সকল কার্যকর্তাকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনারা যে নিষ্ঠা ও পরিশ্রম নিয়ে ঘরে ঘরে ‘পদ্ম’ প্রতীক পৌঁছে দিয়েছেন, তা আমাদের কাছে গর্বের বিষয়। একইসঙ্গে নির্বাচনে জয়ী সকল প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিপরা মথার সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছাও জানান তিনি।এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের রায়কে বিনয়ের সঙ্গে মেনে নেওয়া হচ্ছে। এই ফলাফলকে আত্মসমালোচনার সুযোগ হিসেবে দেখে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি বলেন, উন্নয়ন, ঐক্য এবং মানুষের স্বার্থে আমাদের অঙ্গীকার অটুট থাকবে। আমরা আরও শক্তি ও দৃঢ়তা নিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে যাব। সবশেষে, দলের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের জন্য পুনরায় ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
এডিসির পরাজয়ে হতাশ বিরোধী দলনেতার কন্ঠে বিজেপিকে নিয়ে আলোচনা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: এডিসি ভোটের পরাজয় মথা পেতে নিলেন বামেরা । সি পি এম রাজ্য সম্পাদক তথা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী মিথ্যার বেসাতি দিয়ে ভোট বৈতরণী পার করতে না পারা জাতীয় দল তথা রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন । তিনি বলেন, বাম গণমুক্তি পরিষদের খাতা খোলতে না পারাটা দুর্ভাগ্যজনক । নিজেদের পরাজয় থেকে বিজেপির পরাজয় নিয়েই রীতিমতো হতাশ বিরোধী দলনেতার । প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিজেপি বামেদের সঙ্গে গোপন রফা করে এডিসি দখলের চেষ্টা করেছিল । তথাকথিত বাচন ভঙ্গিতে বিরোধী দলনেতার বক্তব্যে মথা জয় পেলেও গিরিবাসীদের উন্নয়নে কতটা কাজ করবে সংশয় প্রকাশ করেছেন। প্রেক্ষিতে , বিজেপির ভরাডুবি নিয়ে এডিসি প্রচারে বিজেপির প্রধান মুখ মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহার ব্যর্থতা বলেও দাবি করলেন । তাঁর মতে, গত ৫ বছর পাহাড়ে কোন ধরনের উন্নয়ন হয়নি । এডিসির বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক বাস্তবায়ন না হওয়া সত্বেও মথার জয় প্রমাণিত বিজেপি সঠিক প্রস্তুতি নেয়নি পাহাড় ভোটে । সরকারে থাকা দুই শরিক দলের পরস্পর বিরোধী লড়াই , হম্বিতম্বি ভাষন দিয়েই শেষ হয়েছেন। আঞ্চলিক বহু রাজনৈতিক দলের সরকার ভালো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যে । এডিসি ক্ষমতায় মথা , সরকার চালাবে বিজেপি । পাহাড় ও সমতলে আলাদা আলাদা দলের সরকার দিয়ে কতটা বিকাশ হবে তাও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। আগামীদিনে পাহাড়ে সংগঠনে মনোনিবেশ এবং শোচনীয় পরাজয় নিয়ে আত্মসমালোচনা করবে সি পি এম তাও উল্লেখ করলেন ।
গরীব ঘরের সাফল্যে শিখরে সোনাতলার পীযূষ, CBSE দশম শ্রেণিতে পেল ৯৭% নম্বর
নিজস্ব প্রতিনিধি: অভাব অনটনের সংসার অথচ সেই লড়াইকেই জয়ের হাতিয়ার করে নজির গড়ল খোয়াই সোনাতলা এলাকার কৃতি ছাত্র পীযূষ দাস। গতকাল রাতে প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের সিবিএসই CBSE দশম শ্রেণির ফলাফল। আর সেই ফলাফলেই বাজিমাত করেছে খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ছাত্র পীযূষ। ৯৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে সে খোয়াই মহকুমার মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান দখল করেছে।পীযূষের এই সাফল্যের পথ মোটেও মসৃণ ছিল না। বাবা বিপ্লব দাস পেশায় গৃহশিক্ষক। মাসে মাত্র ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা আয় করেন তিনি। সেই সামান্য আয়েই চলে তিন জনের সংসার এবং পীযূষের পড়াশোনার খরচ। মা মানসিক ভারসাম্যহীন। এমনকি বাড়িতে পড়াশোনা করার মতো একটি ভালো টেবিল পর্যন্ত ছিল না পীযূষের।কিন্তু পিছুটান বা অভাব কোনোটিই তার জেদ কমাতে পারেনি। প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পড়াশোনা করত সে। নিজের নিষ্ঠা আর অনলাইন কোচিং প্ল্যাটফর্ম PWPhysics Wallah)-র সহায়তায় সে এই অভাবনীয় ফল অর্জন করেছে। মাত্র দু’জন গৃহশিক্ষক ছিল।ইংরেজি ও বায়োলজি বিষয়ে গৃহ শিক্ষক ছিল।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সঞ্চিত দাস অবদান ছিল এই সাফল্যের পেছনে। শিক্ষিকাকে কুর্নিশ জানিয়েছে পীযূষ। কষ্টে ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন পীযুষের বাবা। পীযূষের লক্ষ্য ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। আপাতত একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা শুরু করতে চায় সে।পীযূষের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পীযুষের পরিবারের কাকা, জেঠু ও সোনাতলা এলাকাবাসি অভাব যে মেধাকে দমিয়ে রাখতে পারে না, তা আরও একবার প্রমাণ করল খোয়াইয়ের এই কৃতি সন্তান।
Advertisements
Ad 1
Ad 2
Ad 3
Ad 4
Top News
View All →কৈলাসহরে বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের শীর্ষে আয়ুষ, উচ্ছ্বাস শহরজুড়ে
মহিলার তান্ডবে ত্রস্ত এলাকাবাসী পুনরায় থানার দ্বারস্থ
নির্বাচনী সন্ত্রাস স্বরজমিনে খতিয়ে দেখিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী
মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার তাণ্ডব!
হজের যাত্রীদের শুভেচ্ছা বিনিময় জসীম উদ্দীনের
Latest Post
বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর জঙ্গলে নিয়ে ছিনতাই করে নিয়ে গেল নগদ ৮৫ হাজার টাকা এবং এক ভুড়ির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন!! পরবর্তী সময়ে অভিযোগ জানিয়ে বন্ধুসহ তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রথমে মধুপুর থানায় পরে বিশালগড় থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মধুপুর থানাদিন হরিহরদুলা এলাকার রনি মিয়া গতকাল সন্ধ্যা বেলা তার নিজ বাড়ি থেকে পুরাতল তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বিশালগড় বাজারে গিয়ে সেখান থেকে ফল কিনে ঘনিয়ামারা এলাকার তার এক বন্ধু আকাশের সাথে যোগাযোগ করে। হয়তো আকাশকে নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল। ঘনিয়ামারা চৌমুহনী এলাকা যেতেই রনি মিয়ার আড়ালে তার বন্ধু আকাশ আরো দুই যুবকের সাথে যোগাযোগ করে। সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাই অরবীন্দ্রনগর স্কুলের পাশে। সেখানে গিয়ে রাজু জয়নাল এবং আকাশ তিনজন মিলে প্রচুর মারধোর করে রনি মিয়াকে। একটা সময় উদ্দেশ্য ছিল তাকে প্রাণে মেরে সেখানে ফেলে চলে আসবে। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং এক ভুরির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যাই। তার কাপড়-চোপড় ছিড়ে ফেলে এবং পায়ে এবং কোমরের প্রচণ্ড ভাবে আঘাত করে লাঠির মাধ্যমে। গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ায় তার চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমন সময় রনি মিয়ার মোবাইলে ফোন আসে তার বাবার। কুড়ি হাজার টাকা পাঠিয়েছে তার বোনকে দিয়ে আসার জন্য। সেই খবরটুকু জেনে যাই সেই তিন কুখ্যাত অপহরণকারী আকাশ জয়নাল এবং রাজু। সঙ্গে সঙ্গেই রনি মিয়াকে সেখান থেকে বাইকে চেপে বিশালগড়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে সেই কুড়ি হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য। একটা সময় রনি মিয়া বিশালগড় নিয়ে আসলে বাইক থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে কোনরকমে তার জীবন বাছায় বিশালগড় থানায় এসে আশ্রয় নিয়ে। পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রথমে বিশালগড় থানায় এবং পরে মধুপুর থানায়। এদিকে রনি মিয়া অভিযোগ করেন সেই ঘটনার মূল নায়ক ঘনিয়ামারা এলাকা টিটু আহমেদ। সম্পূর্ণভাবে মদত দিয়েছে টিটু আহমেদ বলে অভিযোগ করেন। পরে রনি মিয়া থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাত বারোটা নাগাদ অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী রাখলেন। নিত্যদিন এই এলাকার মধ্যে চুরি,ছিনতাই,পিস্তল নিয়ে ছুটাছুটি ইত্যাদি বেড়ে চলেছে। প্রশাসন যদি সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেই হয়তো আগামী দিন বৃহত্তর আকার ধারণ করতে পারে।
Trending Now

হজ কমিটির চেয়ারম্যান জসীম উদ্দীনের উপরে প্রানঘাতী হামলা

সোনামুড়ায় কোভিডের বিরুদ্ধে মানব সেবায় টিম সুূদীপের মনাবসেবা অব্যাহত

বিএইচএমএসের নতুন কমিটির গঠন

রীতা দেবীর জন্য ভগবান এখন সুদীপ

প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে আপত্তিকর ম্নতব্য, থানায় মামলা সপ্তর্শির নেতৃত্বে ৮ টাউন বড়দোয়ালী যুব মোর্চার

রাজনৈতিক চকচকান পেতে পাপিয়া দিদিকে রুখা যাবেনা, গ্রামিণ মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর হুশিয়ার বামগ্রেসকে

অজগর সাপ উদ্ধার

ভাটি অভয়নগর মোল্লা পাড়ায় ইফতার সামগ্রী তোলে দিয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন
ভারত ও বাংলার সীমানা ভেদ করলো নুসরাত ও যতনের ভালোবাসা

রাজনীতি ছেড়ে সবাইকে জনতার সেবায় উদ্ভুত হওয়ার আহ্বান জানালেন এস সি মোর্চার প্রদেশ সভাপতি টুটন দাস
Video News
Watch All →তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
জনতার দুয়ারে জননেতা রাম প্রসাদ পাল
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী দেবদাস বকসীর
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে মজবুত করবে: রানা ঘোষ
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থার়
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
জয় হবে রেকর্ড ভোটে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।
Ad. Videos
News by Category
মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার তাণ্ডব!
নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার বিকেলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় মহিলাটি। খবরে প্রকাশ একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা রাস্তা দিয়ে হাতে লাঠি নিয়ে যাওয়ার সময় বাগমা বাজারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে বাজারের পার্শ্ববর্তী একটি শোরুমের সামনে শোরুমের ডিসপ্লে করে রাখা অটো গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। এছাড়ো আরো বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় বিকৃত মস্তিষ্কের মহিলাটি। এইভাবে পরপর পাঁচটি গাড়ির গ্লাস ভেঙেছে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা। এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর দেওয়া হয় বাগমা পুলিশ ফাঁড়িতে। বাগমা ফাড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। যদিও মহিলাকে গাড়িতে তুলতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে মহিলা পুলিশকে। যদিও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী মহিলাদের হস্তক্ষেপে সেই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দিন দুপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা দ্বারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক দেখা দেয় পথ চলতি মানুষের মধ্যে।
April 19th, 2026শুভ হউক বাংলা ১৪৩৩
সম্পাদকীয় কলম : বাংলায় একটা প্রবাদ রয়েছে ' আশায় নাকি বাঁচে চাষা ' । বর্তমান সমসাময়িক রাজ্যের প্রেক্ষাপটে জনগণেরও ঠিক একই অবস্থা । এক সময় রাজ্যের গন দেবতারা জনৈক রাজনৈতিক দলের ভীষন যন্ত্রের আপ্লুত হয়ে হয়ে অন্ধভাবে তাঁদের পাশে রায় দিয়েছিলেন জনগণ । ২০১৮ সালে রাজ্যের মধ্যে নতুন সূর্যোদয় হয়েছিল । বহু আশা ছিল অসমাপ্ত কাজের গতিশীলতা আসবে । সেই স্বপ্নে আজও যেন জনগন বেঘোরে । ইতিমধ্যেই দেখেছেন বহু উত্থান - পতন। তবে , আক্ষেপের মধ্যেই আরও একটি বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছেন । সকলের সার্বিক মঙ্গল কামনায় রত ।সব কিছু যেন শুভ হয় । বাংলা নতুন বছরে প্রত্যাশা রাখছেন রাজ্যবাসী । আক্ষরিক অর্থে সুসময় এসেছে একাংশ সুবিধাভোগীদের । আমাদের অনতি দূরের রাজ্যে অবিজেপি সরকার রয়েছে । বাংলা ভাষী এই রাজ্যের মধ্যে বেকারদের জন্য বেকার ভাতা, কন্যাশ্রী প্রকল্প,মহিলাদের জন্য চালু রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার । তাতে করে কয়েক কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সুনিশ্চিত গ্যারান্টি হয়েছে । ছোট রাজ্য ত্রিপুরা । মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৪০-৪৫ লাখ। এই ছোট রাজ্যের মধ্যেই বেকার ভাতা , লক্ষ্মীর ভান্ডার মতো কোন ধরনের প্রকল্প রুপায়ন নিয়ে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হিসাবে দাবী করা রাজনদের প্রয়াস কেউ এখন পর্যন্ত দেখতে পাননি । রাজ্যের মধ্যে শূন্যপদ পূরন হচ্ছেনা । বাড়ছে বেকার যুবকদের মধ্যে হতাশা । শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা । হাজারোও বেকার টেট উত্তীর্ণ হয়ে চাকরীর জন্য ধর্নারত । বিশ্ব মানের হাসপাতাল গড়ার ভাষন শুনা গেলেও বাস্তবে চিকিৎসা পরিকাঠামোর অপ্রতুলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে । কোন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা মনে হয় হাসপাতালের মেঝে রোগীদের ভিড়ে । নেশা মুক্ত প্রদেশ গড়ার বাস্তব চিত্রে দেখা যায় নেশা করবার চলছে রেল পথেও। এত কিছুর পরেও সবাইকে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে বলতেই হবে শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।
April 15th, 2026পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা !
সম্পাদকীয় কলম : গোটা মধ্যপ্রাচ্য যেন যুদ্ধের খেলায় মেতে উঠেছে। এই যুদ্ধ ক্রমশ উত্তাপ বাড়াচ্ছে । বিশ্বজুড়ে তৈরী হয়েছে জ্বালানী সংকট । প্রায় ২০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও যুদ্ধের আঁচ কমার কোন লক্ষন নেই। রীতিমত তীব্রতা বাড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ভয়াবহ যুদ্ধ । এদিকে হরমোজ প্রণালী নিয়ে জটিলতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিনী আগ্রাসন রোধের পরিবর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুংকার তীব্রতার নূতন ইন্ধন জুগিয়েছে । উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে নিজস্ব অবস্থানে অনড় । অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মধ্যে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। মার্কিনী আগ্রাসন ঠেকাতে ইরান যাবতীয় শক্তি নিয়ে ঝাপিয়েছে যুদ্ধের ময়দানে । ইরানের সেনা প্রধানের পাল্টা হুশিয়ারী মার্কিনী সেনা ইরানের মরু ভূমিকে স্পর্শ করলে কাউকে জীবিত ফেরত পাঠানো হবেনা । এদিকে ,বিদেশী একটি জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ৩৩ বছর পর পুনরায় পারমাণবিক বোমার বিশেষ অভিযানে তৎপরতা বেড়েছে । যদি বর্তমান সময়ের মধ্যে কোন পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকির ভয়াবহতার কয়েকগুণ বেশী প্রভাব ফেলবে মানব সভ্যতার ইতিহাসে। আবহাওয়া দূষিত হবে । সূর্যের তাপমাত্রা কয়েকহাজার গুণ বেড়ে যাবে । পাল্টা ইরানের পক্ষে পারমাণবিক বোমার আঘাত আনলে মধ্যপ্রাচ্য ঝলসে যাবে । এদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে আবুধাবি প্রত্যক্ষ সামরিক সংঘাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে । পাল্টা ইরানের পাশে রাশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী নামানোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত । জাতি সংঘ ও ন্যাটো মধ্যস্থতার দাবী উঠছে বিশ্বজুড়ে । এই যুদ্ধ বন্ধ না হলে ভেঙে পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি । মানব সভ্যতার ইতিহাসে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ তৈরী হয়েছে। প্রত্যেকদিন কয়েক হাজার মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে । যুদ্ধের বিভীষিকায় পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠছে । প্রত্যেকদিন মৃত্যু মিছিল অব্যাহত । মার্কিনী আগ্রাসন প্রতিরোধে বিশ্ব শান্তির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়েও জোড়ালো হচ্ছে দাবী ।এমতাবস্থায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার নিয়ে উভয় রাষ্ট্রের উন্মত্ত আগ্রাসন মানবতার জন্য বিপজ্জনক বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের।
April 3rd, 2026মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের বিভীষিকা
সম্পাদকীয় কলম : চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের । চারিদিকে যুদ্ধের বিভীষিকা । সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসন বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করেছে । স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রধানরা পর্যন্ত নিরাপদ নয় । মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিদ্যমান । এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম শক্তিধর দেশ ভারতবর্ষ । অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে । নৌ সেনা , স্থল ও আকাশপথে পর্যাপ্ত আগাম সুরক্ষা নিয়ে রেখেছে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । সমস্ত রাজ্যগুলোকেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে । যে কোন সময় আঘাত হলে প্রত্যাঘাত করতে সক্ষম ভারত । তবে , মধ্য প্রাচ্যের অস্থিতিশীল অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী । যুদ্ধ মানেই সম্পদ ও মানব জাতির ক্ষতি । তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলে ভৌগোলিক মানচিত্র থেকে বহু দেশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা । আগ্রাসন ও কতৃত্ব কায়েম করতে ইরানের রাষ্ট্র প্রধানের হত্যার পর পাল্টা প্রত্যাঘাত যেন ভয়াবহতা বাড়িয়েছে । এদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষনা ইরানের । বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা । মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো আভ্যন্তরীণ শান্তি ও নিরাপত্তা ভুলে ক্ষমতার বহিঃ প্রকাশ করতে মারন খেলায় মেতে উঠেছে। ইসলামীক রাষ্ট্রগুলোও বহু ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে । সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মধ্য প্রাচ্যের প্রায় সব রাষ্ট্রেই পরমাণু শক্তি ধীরে ধীরে গোপনে বৃদ্ধি করে নিয়েছে । এমতাবস্থায় যুদ্ধের অশনি আবহাওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ন্যায় পরমাণু কোন হামলা হলে পরিণাম ভোগতে হবে গোটা মানব সভ্যতাকে । বিশ্ব শান্তি রক্ষায় জাতি সংঘ , ন্যাটো , ইউন্যস্কো সহ বিশ্ব মানবাধিকার কমিশনের মধ্যস্থতা অত্যন্ত আবশ্যক । এই পরিস্থিতি বন্ধ না হলে আন্তর্জাতিক আর্থিক ,বাণিজ্যিক , সামাজিক যাবতীয় ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে পড়বে । শেয়ার বাজারে ধ্বস পড়বে । মূল্যবৃদ্ধি হবে । সাধারন জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে । স্থিতিশীল দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা ঘনীভূত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে । মানব সম্পদ রক্ষায় যুদ্ধের আগ্রাসন ভুলে স্থিতিশীল সহবস্থান গড়ে উঠুক মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে , এটাই কাঙ্খিত ।
March 4th, 2026হজের যাত্রীদের শুভেচ্ছা বিনিময় জসীম উদ্দীনের
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা থেকে হজযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যের হজযাত্রীরা। সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা রাজ্য হজ কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ বছর মোট ৭৪ জন হজযাত্রী—এর মধ্যে ৫৫ জন পুরুষ ও ১৯ জন মহিলা—আগামীকাল সকালে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সেখান থেকেই তারা পবিত্র হজযাত্রায় অংশ নেবেন।এই উপলক্ষে আজ আগরতলা হজ ভবনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা মাইনরিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জসীমউদ্দীন, মাইনরিটি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মবস্বর আলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয় এবং তাদের নিরাপদ ও সফল যাত্রা কামনা করা হয়। এদিকে, হজযাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
April 19th, 2026বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি
নিজস্ব প্রতিনিধি: পাঁচ শতাধিক রোজাদারকে ইফতার পার্টিতে শামিল করে বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে মোনাজাত তুলল আগরতলা গাউছিয়া সমিতি। বুধবার ইন্দ্রনগর গাউছিয়া সমিতি মসজিদ প্রাঙ্গনে "বাগে হুদা" দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয় এই ইফতার পার্টি। যেখানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এদিন এই ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিল আগরতলার গাউছিয়া সমিতি। ইফতার পার্টিতে ৫ শতাধিক ধর্মপ্রাণ রোজাদার অংশগ্রহণ করেন এবং একসাথে ইফতার করেন। ইফতারের আগে তারা মোনাজাত তুলে বিশ্ব শান্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া পাঠ করেন। ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে শিশু থেকে শুরু করে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য নিয়ছিল।নজরুল ইসলাম কাদরী, ইমাম গাউছিয়া জামে মসজিদের বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করলেন ।
February 25th, 2026আগরতলা কেন্দ্রীয় টাউন জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় ইফতার অনুষ্ঠিত হয়ে
নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের রমজান মাসের প্রথম রোজার ইফতার। এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫:২৬ মিনিটে মাগরিব নামাজের আযানের সাথে ইফতারের মাধ্যমে দিনের রোজা ভাঙ্গেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। রাজ্যের সর্বত্রই মসজিদ এবং বাড়ি ঘরে ইফতারের অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখার পর তারাবির নামাজের মাধ্যমে রমজানের সংযমের পর্ব শুরু করেছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ভোর রাতে সেহরি খাবার খেয়ে তারা দিনের রোজা শুরু করেন। দিনভর অনাহার এবং পানাহারের পাশাপাশি সমস্ত পাপকর্ম বর্জনের মধ্য দিয়েই রোজার পূর্ণতা বলে জানিয়েছেন রোজাদাররা। রোজাদাররা দৈহিক মানসিক এবং আত্মিক পরিশুদ্ধতার মধ্য দিয়ে আল্লাহর এবাদত করার চেষ্টা করেন। এক মাস ব্যাপী রমজান শেষে অনুষ্ঠিত হবে খুশির ঈদুল ফিতর।
February 19th, 2026বাগদেবীর আরাধনায় পড়ুয়ারা আনন্দে বিহ্বল
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতি বছরের মতো এবারও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ ও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে। বিদ্যার দেবীর পূজাকে কেন্দ্র করে স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বই, খাতা, কলম সাজিয়ে আলপনা ও ফুলের সাজে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে শ্রেণিকক্ষ ও মণ্ডপগুলো।পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠেছে রঙিন সরস্বতী পূজার মণ্ডপ। সাদা ও বাসন্তী রঙের সাজসজ্জায় ফুটে উঠছে দেবীর প্রতিমা। নতুন পোশাকে সেজে ছাত্র-ছাত্রীরা পূজার দিনটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।অন্যদিকে, পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় থাকবে পুলিশি নজরদারি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ। সব মিলিয়ে সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ভক্তি, আনন্দ ও উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।
January 22nd, 2026নির্বাচনী সন্ত্রাস স্বরজমিনে খতিয়ে দেখিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ১৭-ই এপ্রিল রাজ্যে স্বশাসিত জেলা পরিষদ আদিবাসী উপজাতি ১০-তম সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। এডিসি ২৮-টি আসনের মধ্যে ২৪-টি আসনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেন তিফ্রামথা দল আর ৪-টি আসনে জয়লাভ করেন বিজেপি দল। আর ঐদিনের পর থেকেই রাজ্যের এডিসি ২৮-টি কেন্দ্রে তিফ্রামথা দলের কর্মীরা রাজনৈতিক সন্ত্রাস চালিয়ে শরীক দল তথা দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল (রাজ্যের বর্তমান শাসক দল) এককথায় বিজেপি দলের মন্ডল কার্যালয় থেকে শুরু করে বহু একনিষ্ঠ কর্মীদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও অগ্নিক সংযোগ করেন। এখনও বিজেপি দলের বহু কার্যকর্তা এলাকা ছেড়ে অন্যত্ত্ব অবস্থান করছে। নির্বাচনের বিজেপি দলের দক্ষিণ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রভারী তথা রাজ্যের মন্ত্রিসভার বর্তমান শাসকদলের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় আজ স্বরজমিনে নির্বাচনী সন্ত্রাস দেখতে আসলেন দক্ষিণ জেলাই। সাথে ছিলেন দক্ষিণ ও গোমতী জেলার জেলা পরিষদের সভাধিপতি, দক্ষিণ জেলার বিজেপি দলের জেলা সভাপতি, ৩৯ মনু ও ৪০ সাব্রুম এই দুই মন্ডলের মন্ডল সভাপতি, মনু- রাজনগরের বিজেপির দুই বিধায়ক, ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রের এমডিসি কংঅজং মগ সহ আরো অন্যান্য নেতৃত্বরা। আজ দুপুরে প্রথমে ২৭ পূর্ব মুহুরীপুর-ভুরাতলী কেন্দ্রের অন্তর্গত ৩৯ মনু বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে কালী বাজার অগ্নি সংযোগ হওয়া বিজিবি কার্যালয় খতিয়ে দেখলেন। এরপর দ্বিতীয় ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রের অন্তর্গত ৪০ সাব্রুম বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে ৪৯ নাম্বার বুথে চাতকছড়ি হয়রাম পাড়ার হামক্রাই বাজারের অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় স্বরজমিনে খতিয়ে দেখলেন। পরিদর্শন শেষে যাওয়ার পথে ঐস্থানে মন্ত্রী সিংহ রায়কে বিজেপি দলের একনিষ্ঠ এক কার্যকর্তা জানান, নিজেদের মধ্যে নিজেরাই দূরত্ব নিয়ে বসে আছে। যার ফলশ্রুতি এটাই। এরপর তৃতীয় চালিতা বনকুল এলাকার দুইটি অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় পরিদর্শন করেন। পঞ্চম মনু-বনকুল মহামনি বুদ্ধমন্দির সংলগ্ন টুরিস্ট প্লেজে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চিত্র দেখে চলে যায় শিলাছড়ি অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় ও আক্রান্ত কার্যকর্তাদের দেখতে চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। অর্থমন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায় তিনি সফর শেষে আরো জানান রাজ্যের মধ্যে সবচাইতে ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রে রাজনৈতিক সন্ত্রাস অধিক পরিমাণ হয়েছে বলে ক্যামেরার সামনে অভিযোগ করে জানান।
April 19th, 2026আত্মসমালোচনা করে সংগঠন মজবুত করার প্রত্যয় মুখ্যমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিনিধি: ফলাফলকে আত্মসমালোচনার সুযোগ হিসেবে দেখে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করতে হবে। আজ এডিসি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে এমনটাই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা। পাশাপাশি, তিনি দলের কর্মীদের সাহস, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।আজ সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিজেপির সকল কার্যকর্তাকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনারা যে নিষ্ঠা ও পরিশ্রম নিয়ে ঘরে ঘরে ‘পদ্ম’ প্রতীক পৌঁছে দিয়েছেন, তা আমাদের কাছে গর্বের বিষয়। একইসঙ্গে নির্বাচনে জয়ী সকল প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিপরা মথার সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছাও জানান তিনি।এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের রায়কে বিনয়ের সঙ্গে মেনে নেওয়া হচ্ছে। এই ফলাফলকে আত্মসমালোচনার সুযোগ হিসেবে দেখে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি বলেন, উন্নয়ন, ঐক্য এবং মানুষের স্বার্থে আমাদের অঙ্গীকার অটুট থাকবে। আমরা আরও শক্তি ও দৃঢ়তা নিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে যাব। সবশেষে, দলের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের জন্য পুনরায় ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
April 17th, 2026এডিসির পরাজয়ে হতাশ বিরোধী দলনেতার কন্ঠে বিজেপিকে নিয়ে আলোচনা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: এডিসি ভোটের পরাজয় মথা পেতে নিলেন বামেরা । সি পি এম রাজ্য সম্পাদক তথা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী মিথ্যার বেসাতি দিয়ে ভোট বৈতরণী পার করতে না পারা জাতীয় দল তথা রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন । তিনি বলেন, বাম গণমুক্তি পরিষদের খাতা খোলতে না পারাটা দুর্ভাগ্যজনক । নিজেদের পরাজয় থেকে বিজেপির পরাজয় নিয়েই রীতিমতো হতাশ বিরোধী দলনেতার । প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিজেপি বামেদের সঙ্গে গোপন রফা করে এডিসি দখলের চেষ্টা করেছিল । তথাকথিত বাচন ভঙ্গিতে বিরোধী দলনেতার বক্তব্যে মথা জয় পেলেও গিরিবাসীদের উন্নয়নে কতটা কাজ করবে সংশয় প্রকাশ করেছেন। প্রেক্ষিতে , বিজেপির ভরাডুবি নিয়ে এডিসি প্রচারে বিজেপির প্রধান মুখ মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহার ব্যর্থতা বলেও দাবি করলেন । তাঁর মতে, গত ৫ বছর পাহাড়ে কোন ধরনের উন্নয়ন হয়নি । এডিসির বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক বাস্তবায়ন না হওয়া সত্বেও মথার জয় প্রমাণিত বিজেপি সঠিক প্রস্তুতি নেয়নি পাহাড় ভোটে । সরকারে থাকা দুই শরিক দলের পরস্পর বিরোধী লড়াই , হম্বিতম্বি ভাষন দিয়েই শেষ হয়েছেন। আঞ্চলিক বহু রাজনৈতিক দলের সরকার ভালো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যে । এডিসি ক্ষমতায় মথা , সরকার চালাবে বিজেপি । পাহাড় ও সমতলে আলাদা আলাদা দলের সরকার দিয়ে কতটা বিকাশ হবে তাও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। আগামীদিনে পাহাড়ে সংগঠনে মনোনিবেশ এবং শোচনীয় পরাজয় নিয়ে আত্মসমালোচনা করবে সি পি এম তাও উল্লেখ করলেন ।
April 17th, 2026এডিসি নির্বাচনের বিভিন্ন দিক গুলো পরিদর্শন করলেন দক্ষিন জেলার জেলাশাসক
নিজস্ব প্রতিনিধি: শুক্রবার সকাল ৮ ঘটিকা থেকে অনুষ্ঠীত হতেযাচ্ছে এডিসি নির্বাচনের গননার কাজ। গনদেবতার রায় কারপক্ষে সেইদিকে নজর সমস্ত ত্রিপুরাবাসীর। আগামীকাল গননার কাজযাতেকরে সুষ্ঠভাবে সম্পূন্নহয় তারজন্য সমস্ত প্রকারের ব্যাবস্থা করেরেখেছে দক্ষিন জেলার জেলা প্রসাশন। নির্বাচনের গনানার কাজের বিভিন্নদিকগুলো পরিদর্শনে নামেন দক্ষিন জেলার জেলাশাসক মহম্মদ সাজাদ পি আই এ এস। বৃহস্পতিবার তিনি দক্ষিন জেলায় অবস্থিত সাব্রুম এবং শান্তির বাজার কাউন্টিংহল পরিদর্শনকরেন। পরিদর্শনশেষে সমগ্র দক্ষিন জেলার গননার বিভিন্নদিকগুলোনিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কিছু তথ্য তুলে ধরেন।
April 16th, 2026বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর জঙ্গলে নিয়ে ছিনতাই করে নিয়ে গেল নগদ ৮৫ হাজার টাকা এবং এক ভুড়ির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন!! পরবর্তী সময়ে অভিযোগ জানিয়ে বন্ধুসহ তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রথমে মধুপুর থানায় পরে বিশালগড় থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মধুপুর থানাদিন হরিহরদুলা এলাকার রনি মিয়া গতকাল সন্ধ্যা বেলা তার নিজ বাড়ি থেকে পুরাতল তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বিশালগড় বাজারে গিয়ে সেখান থেকে ফল কিনে ঘনিয়ামারা এলাকার তার এক বন্ধু আকাশের সাথে যোগাযোগ করে। হয়তো আকাশকে নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল। ঘনিয়ামারা চৌমুহনী এলাকা যেতেই রনি মিয়ার আড়ালে তার বন্ধু আকাশ আরো দুই যুবকের সাথে যোগাযোগ করে। সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাই অরবীন্দ্রনগর স্কুলের পাশে। সেখানে গিয়ে রাজু জয়নাল এবং আকাশ তিনজন মিলে প্রচুর মারধোর করে রনি মিয়াকে। একটা সময় উদ্দেশ্য ছিল তাকে প্রাণে মেরে সেখানে ফেলে চলে আসবে। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং এক ভুরির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যাই। তার কাপড়-চোপড় ছিড়ে ফেলে এবং পায়ে এবং কোমরের প্রচণ্ড ভাবে আঘাত করে লাঠির মাধ্যমে। গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ায় তার চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমন সময় রনি মিয়ার মোবাইলে ফোন আসে তার বাবার। কুড়ি হাজার টাকা পাঠিয়েছে তার বোনকে দিয়ে আসার জন্য। সেই খবরটুকু জেনে যাই সেই তিন কুখ্যাত অপহরণকারী আকাশ জয়নাল এবং রাজু। সঙ্গে সঙ্গেই রনি মিয়াকে সেখান থেকে বাইকে চেপে বিশালগড়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে সেই কুড়ি হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য। একটা সময় রনি মিয়া বিশালগড় নিয়ে আসলে বাইক থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে কোনরকমে তার জীবন বাছায় বিশালগড় থানায় এসে আশ্রয় নিয়ে। পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রথমে বিশালগড় থানায় এবং পরে মধুপুর থানায়। এদিকে রনি মিয়া অভিযোগ করেন সেই ঘটনার মূল নায়ক ঘনিয়ামারা এলাকা টিটু আহমেদ। সম্পূর্ণভাবে মদত দিয়েছে টিটু আহমেদ বলে অভিযোগ করেন। পরে রনি মিয়া থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাত বারোটা নাগাদ অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী রাখলেন। নিত্যদিন এই এলাকার মধ্যে চুরি,ছিনতাই,পিস্তল নিয়ে ছুটাছুটি ইত্যাদি বেড়ে চলেছে। প্রশাসন যদি সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেই হয়তো আগামী দিন বৃহত্তর আকার ধারণ করতে পারে।
April 21st, 2026মহিলার তান্ডবে ত্রস্ত এলাকাবাসী পুনরায় থানার দ্বারস্থ
নিজস্ব প্রতিনিধি: আমতলী বারুইটিলার উশৃঙ্খল মহিলা কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো মামলা দায়ের আমতলী থানায়! জানা গেছে বারুইটিলা এলাকার উশৃঙ্খল মহিলা হিসেবে পরিচিত কল্যাণী ঘোষ একাধিক বার এলাকার লোকজনদের উপর আক্রমণ করে থাকে।এই ঘটনায় মহিলার বিরুদ্ধে পূর্বে মামলাও হয়েছিল,যে মামলায় অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ জেল হেফাজতেও ছিল, কিন্তু তারপরেও মহিলা নিজেকে শোধরাতে পারেনি। একই কায়দায় পাড়ার লোকজনদের উপর আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় এলাকাবাসীদের। গত ১ সপ্তাহ আগেও উনার বাড়ির পাশের এক ব্যক্তিকে প্রাণে মারার জন্য ধারালো দা দিয়ে আঘাত করেছিল। পরে উনার পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করা হয় আটক করা হয়েছিল অভিযুক্ত মহিলাকে। এরপর এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ আবারও মঙ্গলবার একই পাড়ার রিপন দত্ত নামে এক যুবককে লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং তার গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয় মহিলাদের সহ রিপন দত্তের। অবশেষে মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ রিপন দত্ত আমতলী থানায় মারধর এবং ছিনতাই এর অভিযোগ এনে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করে অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে। এদিন মামলা করার সময় এলাকার মহিলারাও দল বেধে রিপন দত্তের সাথে থানায় গিয়ে জরো হয়। সেদিন রিপন দত্ত সহ এলাকার মহিলারা থানার সামনের দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের যন্ত্রণায় এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ এবং আতঙ্কিত। আবারো যে কোনদিন যেকোনো সময় এই মহিলা এলাকার অন্য কারুর উপর আক্রমণ করতে পারে। তাই এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে এদিন তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন যেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করো।
April 21st, 2026৭২ ঘণ্টায় ফের বড় সাফল্য আসাম পুলিশের!২৫ লক্ষ টাকার নেশার সিরাপ সহ গ্রেপ্তার ২!
নিজস্ব প্রতিনিধি: মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে ফের বড় সাফল্য পেল অসমের শ্রীভূমি জেলার চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের পুলিশ। নেশা জাতীয় কফ সিরাপ পাচারের একটি বড় চক্রের হদিশ মিলল পুলিশের তৎপরতায়। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ এসকাফ কফ সিরাপ, যার কালোবাজারি মূল্য প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর আনুমানিক সোয়া একটা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া AS25FC-6316 নম্বরের একটি ছয় চাকার কন্টেইনার গাড়ি ত্রিপুরা অসম সীমান্তের চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের নাকা চেকিং পয়েন্টে পৌঁছায়। সন্দেহের ভিত্তিতে গাড়িটিতে তল্লাশি চালায় কর্তব্যরত পুলিশ।তল্লাশির সময় দেখা যায়, ব্লু ডার্ট কুরিয়ারের অনলাইন সামগ্রীর আড়ালে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছে দুটি বড় কাঠের বাক্স। বাক্স দুটি খুলতেই চমকে ওঠেন পুলিশকর্মীরা। উদ্ধার হয় ১২টি কার্টুন ভর্তি মোট ৩৬০০ বোতল নেশা জাতীয় কফ সিরাপ ‘এসকাফ’।পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির দুই চালককে আটক করে। ধৃতরা হল—মফিজুল ইসলাম (৩০), বাড়ি অসমের হাজো এলাকায় এবং সুন্তি আলী (৪০), বাড়ি নগাও জেলায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, গুয়াহাটি থেকে এই কফ সিরাপ বোঝাই করে আগরতলার লিচু বাগান এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল।তবে চালকদের অসংলগ্ন বক্তব্যে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই পাচার চক্রের সঙ্গে তারা পূর্ব থেকেই যুক্ত থাকতে পারে।ইতিমধ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে অসম পুলিশ। রবিবার ধৃতদের সিজেএম আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, এই পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে অসম পুলিশ।
April 18th, 2026ফের আক্রান্ত সাংবাদিক প্রভাত ঘোষ:সর্বত্র নিন্দার ঝড়
বক্সনগর প্রতিনিধি,১৫ এপ্রিল।। রাজ্যে বাম-রাম কোন আমলেই সাংবাদিক আক্রান্তের ঘটনা থেমে নেই।বাম আমলে রাজ্যের দুই প্রতিভাবান সাংবাদিক পরিকল্পিত খুন এবং দিকে দিকে সন্ত্রাসের ঘটনায় রাজ্যের সাংবাদিক মহল ভেবেছিল যে,সরকার পরিবর্তন হলে হয়তোবা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত হবে। কিন্তু ২০১৮ সালে সরকার পরিবর্তনের পর সাংবাদিকদের ভাতা সংক্রান্ত বিষয়,সরকার স্বীকৃত সাংবাদিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সাংবাদিক জ্যাকেট বিতরণ সহ বিভিন্ন সংবাদ বান্ধব কার্যকলাপ লক্ষ্য করা গেলেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তেমন সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।তবে সরকার প্রধান বিভিন্ন সভায় জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করে সন্ত্রাস মাফিয়া দমন করার কথা বলেও কাজের কাজ এখনো কোনো কিছু হয়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সময় সাংবাদিক আক্রান্তের খবর সংবাদ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন সময় লক্ষ্য করা যায়।এরই এক জ্বলন্ত প্রমাণ বক্সনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এক মাসে দুইবার আক্রান্তের ঘটনা।কিছুদিন পূর্বে উত্তর কলমচৌড়া ছাতিয়ান টিলা চৌমুহনীতে মানিক দাস নামে এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে জনসম্মুখে লাঠির আঘাতে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে গা ঢাকা দেয়।কিন্তু পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের চাপে পড়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয় এবং এখনো মানিক দাস হাজতবাসে রয়েছেন।কিন্তু এই ঘটনার রেশ না কাটতেই বুধবার ফের আক্রান্তের শিকার হন বক্সনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রভাত ঘোষ।বুধবার ছিল কমলনগর বাজারের বৈশাখী মেলা।এই মেলার আমন্ত্রণে সাংবাদিক প্রভাত ঘোষ নিউজ সংগ্রহের জন্য মেলায় যান এবং রীতিমতো সংবাদ সংক্রান্ত বিষয়ে শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে আনন্দনগর চৌমুহনী সংলগ্ন একটি জায়গায় কিছু দুষ্কৃতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পূর্ব পরিকল্পনায় সাংবাদিক প্রভাত ঘোষকে আক্রমণ চালায়।তার বাইক ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়। লাঠির আঘাতে তার মাথা চৌচির করে দেয়।সাংবাদিক প্রভাত ঘোষকে রক্তাক্ত অবস্থায় পথচারীরা কমলনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় এবং সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে কমলনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আগরতলা জিবি হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে জিবি হাসপাতাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এই আক্রান্তের ঘটনার খবর চাউর হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের এবং বিভিন্ন সংবাদ সংগঠনের সাংবাদিকরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।বিশেষ করে আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার আক্রান্তের ঘটনাকে নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে শীঘ্রই অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বেলা ২ ঘটিকায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং আক্রান্তের ঘটনায় অভিযুক্ত দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবিতে সিপাহীজলা জেলার অন্তর্গত বক্সনগর, সোনামুড়া, জম্পুইজলা ও বিশালগড় এবং জেলা প্রেস ক্লাব সহ ৫ টি প্রেস ক্লাবের কর্তব্যরত সাংবাদিকরা জেলা পুলিশ সুপার বিজয় দেববর্মা নিকট ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। অভিযুক্তদের নাম ধাম দিয়ে পুলিশ সুপারকে সাংবাদিকরা জানান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে।গ্রেফতার না হলে আগামী দিনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সাংবাদিকরা আন্দোলন সংঘটিত করবে। পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের দাবি অনুযায়ী শীঘ্রই অভিযুক্তদের সঠিক তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
April 16th, 2026উৎসবের আমেজে মেলাঘর বাজারে ইলিশের দাপট বনাম ক্রেতার পকেট
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মেলাঘরের মাছ ও মাংসের বাজারে আজ উপচে পড়া ভিড়। উৎসবের আমেজে ইলিশের জয়জয়কার থাকলেও, দাম নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ভোর থেকেই মেলাঘর বাজারের আকাশ-বাতাস মুখরিত বিক্রেতাদের হাঁকডাকে। পহেলা বৈশাখ মানেই পাতে এক টুকরো ইলিশ আর পছন্দের মাংস। তাই আজ সকাল থেকেই মাছ ও মাংসের দোকানে তিল ধারণের জায়গা নেই। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ বাজারে রুপালি ইলিশের দাপট চোখে পড়ার মতো। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।দাম নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও বাঙালির উৎসবের জোয়ারে তা যেন কিছুটা ম্লান। পকেটে টান পড়লেও ঐতিহ্যের টানে খালি হাতে ফিরছেন না কেউ। সাধ্য আর সাধের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হচ্ছে বাঙালির উৎসব প্রিয়তারই।মেলাঘর বাজারের এই ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে, দামের ঊর্ধ্বগতি উৎসবের আনন্দকে দমাতে পারেনি। নতুন বছর সবার জন্য সুখের হোক
April 15th, 2026আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি:বসন্তের রঙিন উৎসব হোলির আনন্দে মাতোয়ারা সবাই । অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে রবীন্দ্র ভবনের আম্র কুঞ্জে রাজ্য ভিত্তিক দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা ভিম্ভিশ্বর ভট্টাচার্য, এডভাইজারী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন , দোল উৎসব ঐতিহ্যপূর্ণ একটি উৎসব ।হৃদয়ের মলিনতা কাটিয়ে বাহারি রঙ লাগিয়ে সৌভ্রত্বের বার্তা বহন করে দোল উৎসব। বর্তমান সরকার এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতি ও জনজাতি মৈত্রীর পরিবেশ মজবুত করে চলছে । পাশাপাশি সমগ্র রাজ্যবাসীকে দোল উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন মেয়র দীপক মজুমদার।
March 10th, 2026পুর নিগমে ভাইফোঁটা উদযাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাইফোঁটা একটি পবিত্র বন্ধন। হিন্দু সনাতনীদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উৎসব বলা যায়।তবে ,সময়ের সাথে সাথেই ভাইফোঁটার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে।এখন কেবলমাত্র হিন্দুদের মধ্যেই সীমিত নেই ।উভয় সম্প্রদায়ের কাছে এখন পবিত্রতার প্রতীক।শুক্রবার আগরতলা পুর নিগমের মেয়রের অফিসে ভাইফোঁটা পালিত হয়েছে।পুর নিগমের মহিলা কর্পোরেটর বোনেরা পবিত্র বন্ধন দিয়ে ভাইদের কপালে ফোটা দিয়েছেন ।উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস ,সেন্ট্রাল জোন চেয়ারম্যান রত্না দত্ত প্রমুখ ।মেয়র দীপক মজুমদার বোনদের আশীর্বাদ ও সুরক্ষার জন্য আজন্ম পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন।তিনি বলেন, রাজনীতির বাইরে ভাই বোনেদের বন্ধন । পৃথিবীর সব ভাই বোনরা এমনভাবেই পবিত্র বন্ধন নিয়ে বেঁচে থাকুক আশাবাদী মেয়র দীপক মজুমদার।
October 24th, 2025নিউজ টপ লিংকের স্বদেশী জাগরনের ভাবনায় আপ্লুত মৈত্রী দেব ( দত্ত )
নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোকাল ফর লোকাল এটি একটি স্লোগান নয় ।একটা আবেগ ও অনুভূতি ।গোটা দেশের মানুষের মধ্যে স্বরাজ ও স্বদেশী ভাবনার প্রসারের মাইলস্টোন । স্বদেশী ভাবনার প্রসারের লক্ষ্যে নিউজ টপ লিংক ওয়েব মিডিয়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা কাঁধে তুলে নিয়েছেন। রাজ্যের মধ্যে প্রথম কোন সংবাদ মাধ্যম মাটির প্রদীপ সকলের মধ্যে বিতরন করার জন্য এগিয়ে এসেছেন । ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রাজ্যের শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যা তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী মৈত্রী দেব ( দত্তের ) হাতেও মাটির প্রদীপ তোলে দিলেন সংস্থার কর্ণধার দীপঙ্কর দেব ।মৈত্রী দেব বলেন ,সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে মিডিয়ার এই উদ্যোগ সময় উপযোগী ও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে সমাজে ।
October 21st, 2025বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলাগামী বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ! বাগডোগরা বিমানবন্দরে এখন সেই বিমানে উঠতে নারাজ যাত্রীরা!৮১ জন যাত্রী নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট নাম্বার ২৮৯২ আগরতলা যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বিমানে গলযোগ দেখা দেয়। বিমানকর্মীরা টানা দেড় ঘন্টা সময় যাত্রীদের বসিয়ে রাখে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। বিমানের ভেতর এসি পরিষেবা ছিল বন্ধ। শেষ পর্যন্ত যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে কর্মীরা অন্য কোন ফ্লাইট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন। ঘটনা বাগডোগরা এয়ারপোর্টে।
April 3rd, 2026যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।
March 12th, 2026যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।
March 12th, 2026কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সাম্প্রতিক আক্রমণের প্রতিবাদে চলা কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে কিছু বিধর্মী উশৃঙ্খল যুবক মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ পণ্য আদান-প্রদান জোরপূর্বক বন্ধ করার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতা ও আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী সংগঠনের হস্তক্ষেপে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।ঊনকোটি জেলা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি গৌরাচাঁদ অধিকারী জানান, মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে চালু রয়েছে এবং কেবলমাত্র ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস উপলক্ষে একদিন কাজ বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও আইনের আওতায় পরিচালিত হয়, যা জোরপূর্বক বন্ধ করার ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নেই।তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে একটি চক্রান্তের মাধ্যমে বাণিজ্য বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে, যার ফলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জীবিকা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমানে মনু ল্যান্ড কাস্টমসে বিএসএফ, কাস্টমস ও পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে কৈলাসহর থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
December 28th, 2025অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী
নিজস্ব প্রতিনিধি:গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বর্তমান সরকারের আমলে নারী দিবস এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । নারীরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে গুরুদায়িত্ব পালন করে চলছেন । রাজ্যেও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান হয়েছে । ত্রিপুরার ওয়েব মিডিয়ার জগতে নিরলস প্রচেষ্টায় সংবাদ মাধ্যম হিসাবে নিরপেক্ষ ভূমিকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিউজ টপ লিংক আয়োজিত অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে বিশিষ্ট নারীদের । এই তালিকায় রাজ্যের অত্যন্ত সুপরিচিত সমাজসেবী ঊষা বাজার ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তীর সহ ধর্মীনি সোমা চক্রবর্তীকেও নারী সম্মাননা প্রদান করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দীপঙ্কর দেব । উল্লেখ্য , সোমা চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ২০১৫ সালে বিজেপির টিকিটে পুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সময় প্রদেশ বিজেপি মহিলা মোর্চার কোষাধ্যক্ষ হিসাবেও ব্যাপক সাফল্যের ছাপ রেখেছিলেন । তাছাড়াও সোমা চক্রবর্তী অনাথ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজে সারা বছর নিজেকে আড়াল রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । দীর্ঘ সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম হিসাবে কাজের জন্য অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। নিউজ টপ লিংক আগামীদিনে সোমা চক্রবর্তীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও দীর্ঘায়ু এবং সুস্থস্থ্যের কামনা করেছে ।
March 8th, 2026বঙ্কিম চন্দ্রের ১৫৯ তম জন্মতিথিতে একগুচ্ছ কর্মসূচীর ঘোষনা পর্যটন মন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে সারাদেশের সঙ্গে রাজ্যে ও বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে ম্যারাথন দৌড় রক্তদান শিবির এবং বিভিন্ন কর্মসূচি এক বছর ব্যাপী অনুষ্ঠান হবে সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।সচিবালয় সুশান্ত চৌধুরী উল্লেখ করলেন বিভিন্ন জেলাগুলিতে অনুষ্ঠান হবে আগামী সাত তিন নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরে উদ্বোধন হবে সচিবালয়ে। এবং বিভিন্ন জেলাভিত্তিক যে কর্মসূচি হবে রাজ্যের মন্ত্রী বাহাদুরগণ এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন চারটি পর্যায়ে হবে এই কর্মসূচি গুলি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বিস্তৃতভাবে জানান। তিনি আরও বলেন,সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে যুব সমাজ উদ্বুদ্ধ হবে ।সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্রের জীবন দর্শন অনুসরন করে চলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।
November 5th, 2025শিল্প ও শিল্পীদের বাঁচিয়ে রাখতে আন্তরিক রাজ্য সরকার : ড. মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী)
নিজস্ব প্রতিনিধি : মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা আজ আগরতলা লিচুবাগানস্থিত সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পাঁচদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সচিব রাভেল হেমেন্দ্রকুমার, অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা, রাজ্যের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সংঘমিত্রা নন্দী ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অভিজিৎ ভট্টাচার্য। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী ভট্টাচার্য কলেজের ৫০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরেন।বলেন, বর্ষ ব্যাপী অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে থাকছে সেমিনার ,কর্মশালা,প্রদর্শনী।৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গনে নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের চিত্র ও ভাস্কর্য প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া কলেজের ভেতরে রাজ্যের এবং বহির রাজ্য বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের তৈরি আর্ট ফেস্ট গ্যালারি ঘুরে দেখেন তিনি। ছবিতে রং তুলি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন তিনি। এছাড়া কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষদেরও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় । ললিত কলা একাডেমী জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত দুজনকে সংবর্ধিত করা হয়।
September 9th, 2025ছবির মাধ্যমে বহু ইতিহাসের বর্ণনা হয় : সুশান্ত
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৯শে আগস্ট বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস সারা বিশ্বে এই দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা উদযাপন করা হয়। বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রবীন্দ্র শতবার্ষিক ভবন হলঘরে তিন দিনব্যাপী আলোক চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে। এই দিনের অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্যটনওপরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, আগরতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার, আমি ফেসবুকে পুলিশের মহা নির্দেশক কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী,ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রলয়জিৎ পাল,সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। ফিতা কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জলোনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সম্মানীয় অতিথিরা।
August 19th, 2025কৈলাসহরে বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের শীর্ষে আয়ুষ, উচ্ছ্বাস শহরজুড়ে
নিজস্ব প্রতিনিধি: সিবিএসই-র AISSE (মাধ্যমিক) পরীক্ষা ২০২৬-এ রাজ্যের ১২৫টি বিদ্যাজ্যোতি স্কুলের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করে কৈলাসহরের মুখ উজ্জ্বল করলো নেতাজি বিদ্যাপীঠ ইংলিশ মিডিয়াম এইচএস স্কুলের ছাত্র আয়ুষ পাল। তার এই সাফল্যে শহরজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।কৈলাসহর পৌর পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আয়ুষের বাবা অমিত পাল পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা মধুমিতা দেব গৃহিণী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অধ্যয়ন, কঠোর পরিশ্রম এবং শৃঙ্খলাবোধই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।আয়ুষ জানায়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গৃহ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতাই তাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের লক্ষ্যে সে এগোতে চায়।ফলাফলে তার প্রাপ্ত নম্বর—ইংরেজিতে ৯৫, বাংলায় ১০০, গণিতে ৯৬, বিজ্ঞানে ১০০, সমাজবিজ্ঞানে ৮৭ এবং আইটিতে ৯৮; মোট শতাংশ ৯৭.০৮। এই কৃতিত্বে খুশি বিদ্যালয় পরিবারও।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, আয়ুষের এই সাফল্য অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এলাকার বাসিন্দারাও তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
April 21st, 2026গরীব ঘরের সাফল্যে শিখরে সোনাতলার পীযূষ, CBSE দশম শ্রেণিতে পেল ৯৭% নম্বর
নিজস্ব প্রতিনিধি: অভাব অনটনের সংসার অথচ সেই লড়াইকেই জয়ের হাতিয়ার করে নজির গড়ল খোয়াই সোনাতলা এলাকার কৃতি ছাত্র পীযূষ দাস। গতকাল রাতে প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের সিবিএসই CBSE দশম শ্রেণির ফলাফল। আর সেই ফলাফলেই বাজিমাত করেছে খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ছাত্র পীযূষ। ৯৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে সে খোয়াই মহকুমার মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান দখল করেছে।পীযূষের এই সাফল্যের পথ মোটেও মসৃণ ছিল না। বাবা বিপ্লব দাস পেশায় গৃহশিক্ষক। মাসে মাত্র ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা আয় করেন তিনি। সেই সামান্য আয়েই চলে তিন জনের সংসার এবং পীযূষের পড়াশোনার খরচ। মা মানসিক ভারসাম্যহীন। এমনকি বাড়িতে পড়াশোনা করার মতো একটি ভালো টেবিল পর্যন্ত ছিল না পীযূষের।কিন্তু পিছুটান বা অভাব কোনোটিই তার জেদ কমাতে পারেনি। প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পড়াশোনা করত সে। নিজের নিষ্ঠা আর অনলাইন কোচিং প্ল্যাটফর্ম PWPhysics Wallah)-র সহায়তায় সে এই অভাবনীয় ফল অর্জন করেছে। মাত্র দু’জন গৃহশিক্ষক ছিল।ইংরেজি ও বায়োলজি বিষয়ে গৃহ শিক্ষক ছিল।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সঞ্চিত দাস অবদান ছিল এই সাফল্যের পেছনে। শিক্ষিকাকে কুর্নিশ জানিয়েছে পীযূষ। কষ্টে ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন পীযুষের বাবা। পীযূষের লক্ষ্য ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। আপাতত একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা শুরু করতে চায় সে।পীযূষের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পীযুষের পরিবারের কাকা, জেঠু ও সোনাতলা এলাকাবাসি অভাব যে মেধাকে দমিয়ে রাখতে পারে না, তা আরও একবার প্রমাণ করল খোয়াইয়ের এই কৃতি সন্তান।
April 16th, 2026টি পি এস সি' র অধিকর্তাকে সকাশে ডেপুটেশন পরীক্ষার্থীদের
নিজস্ব প্রতিনিধি:টিপিএসসি কর্তৃক আয়োজিত টি ইএস আরডি দফতরের অধীনে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার গ্রেড ওয়ান গ্রেট টু পদে মেইনস পরীক্ষার তারিখ বাড়ানোর জন্য শুক্রবার চাকরি প্রত্যাশীরা ত্রিপুরা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করে। তাদের বক্তব্য ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর মেইনস পরীক্ষার তারিখ ২ মে ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে প্রার্থীরা মেইনস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রায় মাত্র দেড় মাস সময় পাচ্ছেন।কিন্তু মেইনস পরীক্ষাটি মোট ৫০০ নম্বরের, যেখানে টেকনিক্যাল পেপার ও জেনারেল স্টাডিজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এত বিশাল সিলেবাসের জন্য এত অল্প সময় প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। সেদিকে নজর রেখে পরীক্ষা যেন পিছিয়ে দেওয়া হয় এই দাবিতে আজকে তাদের এই ডেপুটেশন বলে জানায় তারা। এখন দেখার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি পদক্ষেপ নেন । আদৌ পরীক্ষার তারিখ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয় কিনা । সেদিকে তাকিয়েই চাকরী প্রত্যাশীরা ।
April 10th, 2026কোভিডে কর্মরত নার্সদের নিয়োগের দাবীতে দপ্তরের অধিকর্তাকে ডেপুটেশন
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ১৬০ জনের মতো বেকার নার্স রয়েছেন যারা করোনা সময় কন্ট্রাকচুয়াল বেসিসের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মহামারীর সময় তারা ডিউটি করেছিলেন তৎকালীন সময়ে দপ্তর এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারা তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল তাদেরকে দপ্তর নিয়োগ করবে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদেরকেই বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া হবে! কিন্তু ২০২১ থেকে আজ পর্যন্ত তাদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো রকম হেলদুল বলে তাদের অভিযোগ!! বেকার নার্সদের আজ স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তন নিকট এই গোটা বিষয় নিয়ে ডেপুটেশন দিতে আসেন তারা। তবে দফতরের অধিকতার নিকট তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে তাদের গোটা বিষয়টা তারা লিখিত আকারে দপ্তরে জমা করতে এবং দপ্তর সেই বিষয়ে তাদেরকে নিশ্চয়ই প্রায়োরিটি দেবে এবং যা যা করণীয় দপ্তর তা করবে বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। পরবর্তী সময়ে তারা আধিকারিকের সাথে দেখা করার পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেন এবং তারাও দফতরের আধিকারিকের আশাতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
March 16th, 2026কমিউনিস্টরা সর্বদাই উন্নয়ন বিরোধী , কুমারঘাটে বললেন বিপ্লব কুমার দেব
নিজস্ব প্রতিনিধি: কুমারঘাট PWD ময়দানে কুমারঘাট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন হয় ২৪ ই আগস্ট রবিবার বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সংসদ বিপ্লব কুমার দেব ও সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য স্থানীয় বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস ,জেলাশাসক তমাল মজুমদার , জেলার সভাধিপতি সহকারি সবাধিপতি, বিজেপির উনকোটি জেলা সভাপতি, কুমারঘাট মহকুমা শাসক, সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দদের হাত ধরে নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের এর শুভ উদ্বোধন হয়.... প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফুটবলের লাথি মেরে ও পায়রা উড়িয়ে খেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়... উদ্বোধনী ম্যাচে :কুমারঘাট দৃষ্টি ফাউন্ডেশন ও সুনাইমুড়ির একাদশের মধ্যে মধ্যে হয় ম্যাচ।তার মধ্যে খেলার প্রথম অধ্যায় তিন শূন্য গোলে দৃষ্টি ফাউন্ডেশন এগিয়ে যায় এবং দ্বিতীয়া আর্ধে সোনাইমুরি একাদশকেআরো তিন গোল দিয়ে আক্রমণ করে ৬ শূন্য গোলে ম্যাচ মিমাংসিত হয়.. টানটান উত্তেজনা মধ্যে দিয়ে হয় ফুটবল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়,এই টুর্নামেন্টের মোট ১৬ টি ফুটবল দল অংশগ্রহণ করেছে।
August 24th, 2025দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা ফুটবল এসোসিয়েশন আয়োজিত দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ঐকতান যুব সংস্থা রানার্স আপ বীরেন্দ্র ক্লাব আজ তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা TIDC চেয়ারম্যান নাবাদুল বণিক সহ অন্যান্যরা।দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবলে আজ মুখোমুখি হয় বীরেন্দ্র ক্লাব বনাম নবোদয় সংঘ যেখানে বীরেন্দ্র ক্লাব জয়ী হয় কিন্তু তার আগেই ঐকতান যুব সংস্থান আসরের কোন ম্যাচ না হেরে সর্বোচ্চ পয়েন্ট তালিকায় থাকায় তাদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয় এবং রানার্সআপ হিসেবে ঘোষণা করা হয় বীরেন্দ্র ক্লাবকে।আজ উমাকান্ত মাঠে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
July 7th, 2025চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রক্তের ঋন দিতে হবে আয়োজকদের !
নিজস্ব প্রতিনিধি: আনন্দের আতিশয্যে নিরানন্দের করুন দশা। সাবধানতা অবলম্বন জরুরী । গোটা প্যানেল দায়ী থাকবে , বলাই বাহুল্য । আইপিএলের ইতিহাসে এমন ভয়াবহ অবস্থা কখনো হয়নি । RCB এবার IPL জয়ের শিরোপা জিতলেন।তবে , বিজয় প্যারেড রক্তে স্নাত হয়েছে । চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড় সামলাতে পারলাম না স্থানীয় প্রশাসন । অভিযোগ , গোটা ব্যবস্থার ঘাটতিতেই এমন পরিণতি । পদপিষ্ট হয়ে এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রাথমিক খবর রয়েছে । মৃতের তালিকায় ৬ বছরের শিশুও রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ভিড়ের মধ্যে শিশুদের এবং মহিলাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ছিল বিকল্প পথে অগ্রসর হওয়ার । আইপিএলের মধ্যে ভিড় হবে খুব স্বাভাবিক। আয়োজকদের জনগনকে নিরাপত্তা দিতে ব্যার্থ হয়েছেন। এই ঘটনার কমপক্ষে ৩০ জন গুরুতর জখম হয়েছেন । মৃত্যু মিছিলের দায় এখনো কেও স্বীকার করতে প্রস্তুত নন । এমন খেলা ভবিষ্যতে পরিনাম বুঝে আগাম সতর্কতা অবলম্বন বাধ্যতামূলক । মৃত ও নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী জোড়ালো হচ্ছে । চারিদিকে স্বজনহারা মানুষের করুন আর্তনাদ ।
June 4th, 2025বাধারঘাটে ফুটবল মাঠ, অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক, হকি মাঠের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর*
আগরতলা, ৩ এপ্রিল: ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নিরন্তর প্রয়াস জারি রেখেছে রাজ্য সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের জন্য অত্যাধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এবারের রাজ্য বাজেটেও আর্থিক সংস্থান রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আগরতলার বাধারঘাটের দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে দেবভক্তি জমাতিয়া সিন্থেটিক অ্যাথলেটিক টার্ফ, স্বদেশপ্রিয় নন্দী সিন্থেটিক হকি গ্রাউন্ড ও প্রতুল ভট্টাচার্য সিন্থেটিক টার্ফ ফুটবল গ্রাউন্ডের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রয়াত তিনজন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের নামে এই তিনটি মাঠকে উৎসর্গ করা হয়েছে এদিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় শৃঙ্খলাপরায়ণ হয়ে থাকেন। বয়স হয়ে গেলেও তাদের দূর থেকে দেখে বোঝা যায় যে তারা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ছিলেন। খেলাধুলার মধ্যেই জীবনের দর্শন খুঁজে পাওয়া যায়। রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যথাক্রমে প্রয়াত দেবভক্তি জমাতিয়া, প্রয়াত স্বদেশ প্রিয় নন্দী এবং প্রয়াত প্রতুল ভট্টাচার্য্যের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর যারা ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করেছেন তাদের ইতিহাসে ধরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে আমবাসায় নির্মিত ২০০ শয্যার যুব হোস্টেল মধুসূদন সাহার নামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের মধ্যে একটা আত্মিক অনুভূতি চলে আসে। রাজনীতি এক জায়গায়, প্রশাসন এক জায়গায়। কিন্তু তাঁদের নামে যে ফুটবল গ্রাউন্ড, হকি গ্রাউন্ড, অ্যাথলেটিক গ্রাউন্ড আজকে হয়েছে সেটা আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষয় হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের প্রতিভার বিকাশে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধাযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে রাজ্যের সব জায়গায় ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়নে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অদম্য জেদ, ইচ্ছাশক্তি ও চেষ্টা থাকলে যেকোনও ক্ষেত্রে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছেন আমাদের রাজ্যের গর্ব পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার। আর যুব সমাজকে নেশার আসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে খেলাধুলা হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম। কারণ সুস্থ মনই সুস্থ দেহ গঠনে সহায়ক। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাক্তন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যারা খেলাধুলার জগতে রাজ্যের সুনাম অর্জন করেছেন তাদের অবদানকে স্মরণ করা এবং তাদের যথাযথ সম্মান প্রদানে রাজ্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিভিন্ন ক্রীড়া পরিকাঠামোসমূহ তাদের নামে উৎসর্গ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের সুবিধার জন্য আগরতলার ভোলাগিরিতে উন্নত ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এছাড়া খেলাধুলার ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং রাজ্যের বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিদের সান্নিধ্যের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায় রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, ত্রিপুরা স্পোর্টস কাউন্সিলের পদাধিকারী সুকান্ত ঘোষ, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, অধিকর্তা এস বি নাথ, পদ্মশ্রী অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ। অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
April 3rd, 2025
