নেশা ও চুরির বিষয়ে কৈলাশহর থানায় ডেপুটেশন দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এলাকাবাসী
নিজস্ব প্রতিনিধি: কৈলাসহর পুর পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে দিন দিন মাদকদ্রব্যের অবাধ কারবার, মাদকসেবীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এর জেরে চুরি-ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ বাড়ছে বলে অভিযোগ তুলে কৈলাসহর থানার দ্বারস্থ হলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানসী চক্রবর্তীসহ এলাকার বহু বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে অবিলম্বে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।অভিযোগে বলা হয়েছে, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীনিকেতন শপিং কমপ্লেক্স, শ্মশানঘাট সংলগ্ন এলাকা, সিনেমা হলের পাশের পাড়া এবং আশপাশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরেই ড্রাগসের অবাধ কারবার চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেই প্রবণতা আরও বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনাও চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে এবং সন্ধ্যার পর অনেকেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন।স্থানীয়দের দাবি, মাদকের বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চুরির ঘটনাও। কয়েকদিন আগে সর্বানন্দ স্মরণী এলাকায় দিনের বেলায় একটি চুরির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও বিভিন্ন পাড়ায় ছোট-বড় চুরির অভিযোগ সামনে আসছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নেশার টাকা জোগাড় করতেই একাংশ মাদকাসক্ত এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানসী চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই তারা থানায় অভিযোগ জানাতে এসেছেন। তাঁর কথায়, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এবং চুরির ঘটনাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দিনের বেলায় চুরির ঘটনাও ঘটেছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এলাকার মানুষের বিশ্বাস, মাদকাসক্তদের একটি অংশ নেশার খরচ জোগাড় করতে চুরির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তাই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেওয়ার আগেই পুলিশ প্রশাসনের সক্রিয় হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।কাউন্সিলরের দাবি, মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি ও অভিযান চালানোরও আহ্বান জানানো হয়েছে।এদিকে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশ দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তাদের মতে, মাদক কারবার বন্ধ করা গেলে চুরি-ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং এলাকায় স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।