খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের প্রধানমন্ত্রী -র নেতৃত্বাধীন সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন’। খোয়াই জেলার ছয়টি মণ্ডলকে নিয়ে তেলিয়ামুড়া মণ্ডলের ব্যবস্থাপনায় রবিবার তেলিয়ামুড়া চিত্রাঙ্গদা কলাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এই কর্মসূচি।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ , রাজ্যের কৃষি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী , ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্যসচেতক তথা বিধায়িকা , ২৭ কল্যাণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক , বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের সহ-সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান বক্তা রাজ্যের মন্ত্রী রতন লাল নাথ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া সুবিধাগুলির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন।এদিনের কনভেনশনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়। কর্মীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় এই বিশেষ কর্মসূচি।
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের প্রধানমন্ত্রী -র নেতৃত্বাধীন সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন’। খোয়াই জেলার ছয়টি মণ্ডলকে নিয়ে তেলিয়ামুড়া মণ্ডলের ব্যবস্থাপনায় রবিবার তেলিয়ামুড়া চিত্রাঙ্গদা কলাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এই কর্মসূচি।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ , রাজ্যের কৃষি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী , ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্যসচেতক তথা বিধায়িকা , ২৭ কল্যাণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক , বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের সহ-সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান বক্তা রাজ্যের মন্ত্রী রতন লাল নাথ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া সুবিধাগুলির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন।এদিনের কনভেনশনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়। কর্মীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় এই বিশেষ কর্মসূচি।
নিজস্ব প্রতিনিধি: লংথারাইভ্যালি মহকুমার ছৈলেংটা ফিসারী পাড়া এসবি স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত যুবকের নাম অজয় চাকমা (২৭)। তাঁর পিতার নাম লক্ষ্মী কুমার চাকমা এবং বাড়ি ছৈলেংটা দারোগা পাড়া।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেল প্রায় ৪টার দিকে এলাকাবাসী তাকে শেষবার দেখতে পান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।এলাকাবাসীর দাবি, অজয় চাকমা দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং নিয়মিত নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতেন। ঘটনাস্থল থেকে ড্রাগস সেবনের কিছু সরঞ্জামও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত মাদক সেবন বা ওভারডোজের কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত নয়।মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেছেন তাঁর চার বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান, স্ত্রী, মা ও বাবা। অজয় চাকমার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া এবং গোটা এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।ত্রিপুরায় বাড়তে থাকা মাদকাসক্তি আবারও কেড়ে নিল এক যুবকের প্রাণ—এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আগরতলা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। আজ আগরতলার কৃষ্ণনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ১২ বছরের অসাধারণ যাত্রা সম্পন্ন করেছেন। এই যাত্রা একটা পরিবর্তনের যাত্রা। স্বপ্ন পূরণের যাত্রা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন। নতুন ভারত নির্মাণের একটা যাত্রাপথ এই ১২ বছরে তিনি করে দেখিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, উন্নয়ন, উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা চলে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশকে সারা বিশ্নের মধ্যে এমন একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন এখন ভারত সেই সম্মান লাভ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে একটানা ১২ বছর দেশ শাসন করছেন সেটা ভারতের ইতিহাসে ইতিহাস হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরা প্রদেশের পক্ষ থেকে সারা দেশবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। ১০ জুন, ২০২৬ দিল্লিতে আমিও ছিলাম। দিন হিসেবে দেখলে ৪৩৯৯ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেটা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। এরআগে আমরা অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। কিন্তু যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরমধ্যে অন্যতম একজন। তিনি দেশের আপামর জনসাধারণের আশা আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন। এজন্যই প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন। জবাবদিহিতা ও সততার এক অন্যান্য নিদর্শন তিনি। একটা স্বচ্ছতা ও সার্থক সমন্বয়ের সরকার আমরা দেখতে পেয়েছি। নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনের সমন্বয় আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস। স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি জনগণের রায়ে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানুষের জন্য কাজ করার প্রয়াস আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। ২০১৪ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য তিনি নিরন্তরভাবে কাজ করছেন। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের সঙ্গে মৌ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে একাধিক সংস্কার হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সুশাসন চলে এসেছে। জিএসডিপির অনুপাত সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে। স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী উদ্ভাবন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনীর ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। ডিজিটাল লেনদেনে বিশ্বের মধ্যে অন্যতম স্থানে রয়েছে ভারত। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও দেশের যুব শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের অবস্থান ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়, সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
নিজস্ব প্রতিনিধি:পিস্তল,গাঁজা সহ গ্রেফতার সিমনার ১ বিজেপি নেতা নেশা কারবারি সিধাই থানার পুলিশের হাতে।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিধাই থানাধীন মনতলা এলাকায় এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পিস্তল সহ ৪১ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে এবং উত্তম দেব নামে এক নেশা কারবারিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এস.ডি.পি.ও মোহনপুর আশীষ দাশগুপ্তের নেতৃত্বে পুলিশ,এসটিএফ, সি.আর.পি.এফ বি.এস.এফের যৌথ অভিযানে এই সাফল্য পায় প্রশাসন।শনিবার তাকে মোহনপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে কাজ নেই। কাজ করার জন্য এই পারে তারকাটা বেড়ার নিচ দিয়ে লুকিয়ে আসা। বাংলাদেশে কেউ কাজ দিচ্ছে না আমাদের। উদ্দেশ্য ছিল এপারে এসে রিক্সা চালিয়ে টাকা রোজগার করব।কিন্তু সেই ইচ্ছা দুই বাংলাদেশী যুবকের আর পূরণ হয়নি। কমলাসাগর সীমান্ত এলাকার দেবীপুর রাজারটিলা তারকাটা বেড়ার তলায় দিয়ে বাংলাদেশী দুই যুবক এই পারে চলে আসে। পরবর্তী সময়ে ঐ এলাকার যুবকরা তাদের আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে তুলে দেয় বিএসএফের হাতে। কিন্তু প্রশ্ন হল বিএসএফ কোথায় ছিল।দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত কয়েকদিন পূর্বে ত্রিপুরা এসে বড় ভাবে বুলেটিন দিয়েছিল যাতে করে সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ কেউ না করতে পারে। তাহলে এখন বিএসএফ কোথায়। এলাকার যুবকরা আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দিলে দুই যুবককে গণধোলাই দিয়ে প্রায় এক প্রকার হাত পা ভেঙ্গে দেয়। যদি সীমান্তের যুবকরা তাদের আটক করতে না পারতো তাহলে অন্য কোন বদ উদ্দেশ্য ত্রিপুরায় প্রবেশ করে থাকলে বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারতো। তা কিন্তু বলায় বাহুল। সেই দুই যুবকের নাম একজন হলেন মোহাম্মদ আকাশ। বয়স ২৪,বাবার নাম আব্দুল রহিম আলী। বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহদাতপুর থানার অন্তর্গত কাইমপুর এলাকা। অপরজনের নাম বরাত আলী বয়স ১৮ বাবার নাম মৃত জহিরুল ইসলাম। বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাদাতপুর থানার কাইমপুর এলাকায়। পরবর্তী সময়ে খবর আসে মধুপুর থানায় দ্রুত গিয়ে সেই দুই যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে আসে মধুপুর থানায়। এদিকে প্রশ্ন হল সীমান্তের নিরাপত্তি রক্ষীরা কি করছে। এভাবে যে বাংলাদেশিরা ভারতে প্রবেশ করছে আগামী দিন যে অশনি সংকেত তা কিন্তু বলাই বাহুল্য। তবে সেই ২ যুবক কাজের উদ্দেশ্যে এসেছিল নাকি অন্য উদ্দেশ্য এসে ছিল পুলিশের তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবার দাবিতে মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে 'তোমার আমার ক্লাব'-এর স্মারকলিপি প্রদানলংতরাই ভ্যালি, ১৩ই জুন: মাছলি ও তার আশেপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রে রাতে বা জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবা মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই চরম অব্যবস্থার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে ২৪×৭ পরিষেবা চালুর দাবিতে আজ, শুক্রবার 'তোমার আমার ক্লাব'-এর উদ্যোগে এবং এলাকার সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।ক্লাব সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাতাকলমে বা কাগজ-পত্রে মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকার কথা উল্লেখ থাকলেও, বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকেল ৪:০০ টে পর্যন্তই কেবল এই কেন্দ্রের দরজা খোলা থাকে। বিকেল চারটে বাজলেই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে গভীর রাতে কোনো রোগী গুরুতর অসুস্থ হলে কিংবা কোনো গর্ভবতী মায়ের জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে, চরম বিপাকে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। নিরুপায় হয়ে রোগীদের অনেক দূরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়, যার কারণে অনেক সময় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে।আজ স্মারকলিপি প্রদান শেষে 'তোমার আমার ক্লাব'-এর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, "একটি উন্নয়নশীল এলাকায় ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকারি খাতায় ২৪ ঘণ্টা উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও কেন সাধারণ মানুষ এই পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবে? আমরা প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি, যেন অবিলম্বে এই মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ২৪×৭ চিকিৎসা পরিষেবা সচল করা হয় এবং সেই সাথে প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও পর্যাপ্ত স্টাফের ব্যবস্থা করা হয়।"ক্লাবের সদস্যরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও জানান যে, প্রশাসন যদি এই জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে আগামী দিনে এলাকার সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন। আজকের এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে ক্লাবের কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার বহু সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।